এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম, সাবেক এমপি সোলাইমান সেলিম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
আটক ও পলাতক আসামিদের বিচার নিয়ে ওঠা অভিযোগ নাকচ করে প্রসিকিউটর তামিম বলেন, আসামি পলাতক না আটক—বিচার বা সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। তদন্তে অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনালই আসামির সাজা নির্ধারণ করেন।








