কর্মস্থল ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে উপ-সহকারী প্রকৌশলী

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার কাওয়ালীডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাছরিন আরা ও উপজেলা (পিআইও) প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী জুয়েল রানার পরকিয়ার জের ধরে অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিসে রুদ্ধতাার শালিসি বৈঠক ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে অমীমাংসিত রয়েছেন বলে বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন সদস্য নিশ্চিত করেন৷

মঙ্গলবার (১৮অক্টোবর) বিকেলে ৩ ঘন্টা ব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে কোন সিন্ধান্ত ছাড়াই সমাপ্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মনির হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা খাতুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলীপ দে, ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দেওয়ান বাচ্ছু, চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল ইসলাম সুমন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর ও সাধারন সম্পাদক আফরোজা আক্তার প্রমূখ৷ এ ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর ও সাধারন সম্পাদক আফরোজা আক্তার সহ শিক্ষকরা ঘটনার সুষ্ঠ সমাধান দাবী করেন। এদিকে ২১ অক্টোবর) শুক্রবার বিষয়টি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামগঞ্জ উপজেলা (পিআইও) প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী জুয়েল রানা এবং প্রবাসীর স্ত্রী ২সন্তানের জননী ও সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন আক্তারের সাথে দীর্ঘ ৪ বছর যাবত পরকীয়ার জের ধরে অনৈতিক সম্পর্ক চলে আসছে৷ শিক্ষিকা বার বার বিয়ের দাবী করে আসছে কিন্তু জুয়েল রানা বিয়ে না করে সময় পার করায় দুই জনের মধ্যে বাধেঁ বিপত্তি।এ নিয়ে শিক্ষিকা প্রায় ২বছর আগে থানায় অভিযোগ করলেও এর কোন সুরাহা না করে জুয়েল রানা তড়িগড়ি করে অন্যত্রে বিয়ে করেন৷ এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দেন৷ উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ বৈঠকে মীমাংসা করতে না পেরে স্টাম্পে স্বাক্ষর রেখে সময় দিয়ে উভয়কে ছেড়ে দেয়৷ উপসহকারী উপজেলা (পিআইও) প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী প্রকৌশলী জুয়েল রানার বাড়ি ঢাকা গাজীপুর সদর উপজেলায় বলে জানা গেছে। এদিকে নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে সালিশী বৈঠকের পর থেকে (পিআইও) প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জুয়েল রানা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

কাওয়ালীডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার জানান, এবিষয়ে কারো সাথে আমার কথা বলা নিষেধ আছে। আমি কারো সাথে কোন কথা বলবো না। আপনারা এখান থেকে বের হয়ে যান।

অভিযুক্ত উপজেলা (পিআইও) প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী উপ-সহকারী জুয়েল রানার মোবাইলে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও না পেয়ে তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি৷

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর ও অফরোজা আক্তার জানান, বৈঠকে আমরা উপস্থিত ছিলাম,তবে বিষয়টি মীমাংসা হয়নি৷ এব্যাপারে আমরা সুষ্ঠ সমাধান দাবী করছি৷

৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুল ইসলাম সুমন বলেন, বৈঠক কোন সমাধান হয়নি, তাই স্টাম্পে স্বাক্ষর রেখে সময় দেওয়া হয়েছে৷

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দিলীপ দে বলেন, বৈঠক শেষে,আমি ঢাকায় চলে আসছি৷ স্বাক্ষাতে বিস্তারিত কথা বলবো৷

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দেওয়ান বাচ্ছু বলেন, বিষয়টি জটিল৷ তাই বৈঠকে সবার সিদ্ধান্তক্রমে ২জনকেই সময় দিয়ে শেষ করা হয়েছে৷

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা বলেন, এ বিষয়টি মীমাংসা করা চেষ্টা চলছে৷ না লিখে অপেক্ষা করুন।




ফরিদপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

ফরিদপুর প্রতিনিধি-

ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌর এলাকায় নূপুর আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ স্বামীর হাতে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সকালে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দিনগত রাত ১১ টার দিকে বোয়ালমারী পৌর এলাকার মধ্যেরগাতী গ্রামে এ খুনের ঘটনা ঘটে। স্ত্রীর পরকীয়ার জের ধরে এ হত্যাকান্ড বলে স্থানীয়দের দাবী।

এলাকাবাসী জানান, পরকীয়ার জেরে স্ত্রী নূপুরকে ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে স্বামী মুসা মোল্যা (৩২)। পরে নূপুরকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতাল হয়ে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ১টার দিকে মৃত্যু হয় নূপুরের। স্বামী মুসা মধ্যেরগাতী গ্রামের কাওসার মোল্যার ছেলে বলে জানা যায়।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে এব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে পারবো বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।




দু দফায় বন্যায় নেত্রকোণায় আবাদ দেরীতে শেষ হওয়ায় ফলন পেছাবার শঙ্কায় চাষীরা

আব্দুর রহমান ঈশান, নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলায় এ বছর দু দফা বন্যা শেষে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের রোপা আমন আবাদ শেষ হয়েছে দেরিতে। পিছিয়ে গেছে ফলনের সময়ও। পাহাড়ি সমতলসহ হাওরের বিভিন্ন এলাকায় সেপ্টেম্বর মাস পেরিয়ে অক্টোরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলেছে এ আবাদ। বিলম্বে আবাদের কারণে ভালো ফলন না হওয়া নিয়ে শঙ্কিত কৃষকরা। এছাড়াও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সারের মজুদ রেখে বাড়তি দামে বৃক্রির অভিযোগ। এদিকে বন্যার ফলে দেরিতে আবাদের বিষয়টি স্বীকার করে কৃষির উধ্বতন কর্মকর্তা জানালেন এবছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়ে বেশি আবাদ হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দফায় দফায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মওসুম গেলেও পিছিয়ে আবাদ হয়েছে জেলার হাওরসহ নীচু এলাকাগুলোতে। যেমন পাহাড়ি উপজেলা দুর্গাপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে মওসুমের মাঝেই আবাদ শেষ হলেও বাকলজোরা এবং কাকৈড়গড়া ইউনিয়নে মওসুম পার করে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে জেলার হাওরাঞ্চল মদন এবং আটপাড়ার তেলিগাতি, কৃষ্ণপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় পানি থাকায় আবাদ বিলম্ব হয়েছে। পানি যেখান থেকে সরছে কৃষকরা সেখানেই চারা রোপন করছেন। আবাদ পিছিয়ে যাওয়ায় ফলনে শীতকালে কোল্ড ইনজুরীতে পড়ার শঙ্কায় কৃষকরা। কোথাও কোথাও ফিশারি করে পানি আটকে রাখায় তাদের আমন আবাদে বিলম্ব হওয়ার কথা জানান। পাশাপাশি জ¦ালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধানের দর কম হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানালেন তারা।

নেত্রকোণা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (খামারবাড়ি) উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, জেলায় এবছর রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৫৮০ হেক্টর। তারমধ্যে আবাদ হয়েছে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৭৫ হেক্টর। আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায় খুশি প্রকাশ করেন।

পাশাপাশি বিলম্ব হওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, কোথাও কোথাও হয়তো পানি জমে থাকায় পকেট সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। তবে ফলন ভালো হবে বলেও আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি। জ্বালানির দাম বাড়ার বিষয়টিও স্বীকার করে তিনি বলেন সারের দাম কৃষকের ক্রয়ক্ষমতায় রাখার জন্য প্রতিনিয়ত তারা মনিটরিং করেছেন। তবে বন্যায় ফলনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এখন থেকেই রবিশ্যস্য আবাদের প্রস্তুতি রাখার কথাও জানান তিনি।




বারগাঁও ইউনিয়নে আ. লীগের সভাপতি শামসুল আলম,সম্পাদক সোহাগ

মো. বদিউজ্জামান ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধি:

দীর্ঘ দিন পরে নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার ৪ নং বারগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলররা তাদের আগামী নেতৃত্ব নির্ধারণ করেছে। এবারের কাউন্সিলে সভাপতি পদে সকল প্রার্থীই দলের দীর্ঘ দিনের নিবেদিত প্রাণ কর্মী ছিল। দলের প্রতি তাদের ভালোবাসাও ছিল তীব্র। সাধারণ দীর্ঘ দিন পরে বারগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলররা তাদের আগামী নেতৃত্ব নির্ধারণ করেছে। এবারের কাউন্সিলে সভাপতি পদে সকল প্রার্থীই দলের দীর্ঘ দিনের নিবেদিত প্রাণ কর্মী ছিল। দলের প্রতি তাদের ভালোবাসাও ছিল তীব্র। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরাও অতীতে দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলো। আশা করছি পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সকল প্রার্থীদের দলের প্রতি অবদান বিবেচনা করে নবীন প্রবীণের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে।

বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি সদ্য বিদায়ী সভাপতি ইয়াসিন মাষ্টার সাহেবকে। তিনি দীর্ঘ দিন দলকে সুসংগঠিত করে রাখতে শ্রম দিয়েছেন। নতুনদেরকে সুযোগ করে দিতে এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরী করতে এবার তিনি স্বেচ্ছায় প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত ছিলেন। আশা করি উপজেলা কমিটিতে তিনি মূল্যায়িত হবেন।

প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি সদ্য বিজয়ী সভাপতি শামসুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন সোহাগকে। উভয়ে অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে আরো সুসংগঠিত করবেন এই প্রত্যাশাই করছি।

জয় বাংলা প্রার্থীরাও অতীতে দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলো। আশা করছি পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সকল প্রার্থীদের দলের প্রতি অবদান বিবেচনা করে নবীন প্রবীণের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে।

বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি সদ্য বিদায়ী সভাপতি জনাব ইয়াসিন মাষ্টার সাহেবকে। তিনি দীর্ঘ দিন দলকে সুসংগঠিত করে রাখতে শ্রম দিয়েছেন। নতুনদেরকে সুযোগ করে দিতে এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরী করতে এবার তিনি স্বেচ্ছায় প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত ছিলেন। আশা করি উপজেলা কমিটিতে তিনি মূল্যায়িত হবেন।

প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি সদ্য বিজয়ী সভাপতি জনাব সামসুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব মাঈন উদ্দিন সোহাগকে। উভয়ে অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে আরো সুসংগঠিত করবেন এই প্রত্যাশাই করছি।




বানিয়াচংয়ে ইয়াবাসহ কারবারি রুবেল গ্রেফতার

জুয়েল রহমান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বানিয়াচং থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা কারবারি রুবেল (২৫) গ্রেফতার। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাত ১০ টায় ৪ নম্বর দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের প্রথমরেখ বৈঠাখালি নামক স্থান থেকে ইয়াবা কারবারি রুবেল কে গ্রেফতার করা হয়।

এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায় বানিয়াচং ৩ নম্বর দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের জাতুকর্ণ পাড়া গ্রামের (মাইজের মহল্লা) আমান আলীর পুত্র মোঃ রুবেল মিয়া দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ব্যাবসার সাথে জড়িত ররয়েছ।

বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ অজয় চন্দ্র দেবের নির্দেশে এসআই মনিরুল ইসলামসহ এসআই আতিকুল ইসলাম, খালেদ মোশাররফ-সহ অভিযান পরিচালনা করে আসামি রুবেল কে গ্রেফতার করেছেন। বর্তমানে থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ অজয় চন্দ্র দেব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্ত্রীকে কলকাতায় বিক্রি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে মো. সোহাগ (২২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে তাকে পুলিশ আটক করেছে।

 বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কমলনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান স্বামীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বীকারোক্তি ও অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। সোহাগ সদর উপজেলা ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরউভূতি গ্রামের সফিক উল্যার ছেলে। তিনি কমলনগর থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, প্রায় ৫ মাস আগে সোহাগের সঙ্গে কমলনগরের চরকালকিনি ইউনিয়নের মতিরহাট এলাকার তাজুল ইসলামের মেয়ে রিনা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। এতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা থাকলেও ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি টাকার জন্য সোহাগ তার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করে। এর মধ্যেই বিয়ের দুই মাস অতিবাহিত হয়। পরে বেড়ানোর কথা বলে সোহাগ রিনাকে ঢাকা নিয়ে যায়। সেখানে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ড্রামে করে চোরাই পথে রিনাকে ভারতের কলকাতার কাছাকাছি স্থানে সোহাগ তার বোনের কাছে নিয়ে যায়। পরে সোহাগ দেশে চলে এলেও রিনাকে রেখে আসে।

পুলিশ জানায়, যৌতুকের বাকি টাকা দেবে বললে লোভে পড়ে সোহাগ বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে শ্বশুর বাড়িতে আসে। সেখানে তাকে আটকে রেখে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগী রিনা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, আমাকে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ভারতে সহিদা নামে একজনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সহিদা নাকি সোহাগের বোন হয়। সেখানে ৩ মাস আমাকে অনেক অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের কথা না শুনলেই আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। আমি সোহাগ ও তার বোন সাহিদার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে কমলনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, অভিযোগে ভিত্তিতে সোহাগকে আটক করা হয়েছে। তবে ঘটনার সত্যতা এখনও উদঘাটন সম্ভব হয়নি।

সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিনসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি-

ফরিদপুরের বোয়ালমালী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের মাইটকোমরা গ্রামের যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) একেএম বাচ্চু মিয়াকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জীবনের নিরাপত্তা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি (ইউএনও) থানা অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) অনুরোধ করেছেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার একেএম বাচ্চু মিয়া (৭৩) প্যারালাইজড হয়ে মাইটকোমরা গ্রামের নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। বাড়ির জমিজমা নিয়ে ছোট ভাই রঙ্গু সিকদারের পরিবারের সাথে ঝামেলা রয়েছে। এর জের ধরে বিভিন্ন সময় রঙ্গু সিকদারের স্ত্রী ও মেয়েরা তাকে অপদস্থ ও লাঞ্চিত করে থাকে। সম্প্রতি ইট নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রঙ্গু সিকদারের মেয়ে লিটা, ইভা, সুরমি ও তাদের মা বিউটি বেগম বাচ্চু মিয়া ও তার ছেলে সাইফুলে উপর আক্রমন করে।

এ সময় বাচ্চু মিয়ার দাড়ি ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দেয়। পরনের লুঙ্গী খুলে ফেলে দিয়ে লজ্জাস্থানে আঘাতসহ শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। তাকে বাচানোর জন্য তার ছেলে সাইফুল ইসলাম একটা ডাল নিয়ে মেয়েদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। বাচ্চু মিয়া তখন বাড়ির বাইরে পড়ে থাকেন। প্রতিবেশি মজিবর সিকদার এসে তাকে (বাচ্চু মিয়া) উদ্ধার করে ঘরে নিয়ে যায়। দুর্র্ধষ প্রকৃতির এ সব মেয়েদের হাত থেকে জীবনের নিরাপত্তা ও আত্মমর্যাদা রক্ষার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবেদন জানান তিনি।

একেএম বাচ্চু মিয়া বলেন, মাঝেমধ্যেই তারা আমাদের উপর আক্রমন করে। তারা খুবই দুর্র্ধষ প্রকৃতির। তারা এলাকার মাতবর, চেয়ারম্যান মেম্বারদেরও মানেনা। তাদের অত্যাচারে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা হয়। লুঙ্গী খুলে ফেলার কথা স্বীকার করে লিটা বেগম বলেন, তারাও দুর্র্ধষ প্রকৃতির লোক। মারামারি করার সময় হয়তো টানটুন লেগে লুঙ্গী খুলে গেছে। ইচ্ছা করে খুলিনি। সাইফুল বাড়ি দিয়ে তার এক বোনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। সে এখন ফরিদপুর শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ আমার কাছে আছে । এক পক্ষের যেহেতু একজন আহত আছে সেহেতু তাদের বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আর মুক্তিযোদ্ধা ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। তাদের বলেছি আমার বরাবর অভিযোগ দিতে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




বানিয়াচংয়ে ঢেউটিন ও নগদ অর্থের চেক বিতরণ

জুয়েল রহমান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ঢেউটিন ও নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ও ত্রাণ বিভাগের উদ্যোগে বিতরণ কার্যক্রম করা হয়।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অগ্নিকান্ড এবং ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ,অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও গৃহনির্মাণ বাবত নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়।
উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নের ৩’শ পরিবারের মাঝে ৬’শ বান্ডিল ঢেউটিন ও ৬ হাজার করে নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্যানেল স্পিকার এডঃ আব্দুল মজিদ খান।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাস’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তজিমুল হক চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম, আসাদুর রহমান খান, বানিয়াচং ১ নম্বর উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া,শ্রমিকলীগ নেতা রুবেল মিয়া, সাংবাদিক শাহ সুমন,ইউপি সদস্য দেওয়ান নাসির উদ্দীন চৌধুরী,সেলিম উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা মুজিবুর রহমান, প্রমুখ।




নোয়াখালী চরফকিরা ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ

মোঃ বদিউজ্জামান, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ৭অক্টোবর থেকে ২৮অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদীতে মাছ ধরা নিষেধ তাই জেলেদের জন্য সরকারের উদ্যোগে প্রতিজন জেলেকে ২৫কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কোম্পানীগন্জের­ চরফকিরা ইউনিয়নে ৫১০ হত দরিদ্র জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
কোম্পানীগন্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবা উল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে
জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করেন।
বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগন্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান জায়দল হক কচি মৎস্য অফিসার সত্যজিত রায়ের উপস্থিতিতে ট্যাগ অফিসার নজরুল ইসলাম ও ইউপি সচিব নাজিম উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে বিতরনী অনুষ্ঠান অব্যাহত আছে। চেয়ারম্যান জায়দল হক কচি নিষ্ঠার সাথে বিতরনী সম্পন্ন করার আহবান জানান।



আজ সারাদেশ বিক্ষোভ করবে বিএনপি

খুলনা বিভাগ ব্যতীত আজ সকল মহানগর ও জেলায় বিক্ষোভ করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ।

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার ১৭ অক্টোবর বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এতে বলা হয়েছে, সভায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ওপুলিশের হামলা, মিথ্যা মামলা, গ্রেফতারের প্রতিবাদ এবং বন্দিদের মুক্তির দাবিতে আগামী ২০ অক্টোবর খুলনা বিভাগ ব্যতীত সকল মহানগর ও জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে।