উরুগুয়েতে আর্জেন্টাইন ক্লাব সমর্থকদের ওপর গুলি

মন্তেভিদিওতে নাসিওনালের বিপক্ষে জয়ের পর আনন্দোল্লাস করে বাসে করে ফিরছিলেন। সমর্থকরা যখন শহরের রুটওয়ানে দিয়ে কোলোনিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন, তখন এই ঘটনা ঘটে।

 

কনমেবল সুদামেরিকানা ২০২৬ টুর্নামেন্টের প্লে-অফে প্রথম লেগের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উরুগুয়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব নাসিওনাল আতিথ্য দেয় ক্লাব অ্যাটলেটিকো টিগ্রেকে।




ইরানের হামলায় জর্ডানে একাধিক ড্রোনসহ মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই এই নতুন দাবি সামনে এলো, যা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।




নজরুলকে দল থেকে ‘শাস্তি’, এমপি পদের কী হবে?

দলের বহিষ্কারাদেশে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তাদের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনেও দলের পক্ষ থেকে জানানো হবে। তিনি যদি অপরাধী হয়ে থাকেন, তাহলে আদালত সেটি দেখবে। এরপর ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।

ভিডিওকাণ্ড

সোমবার রাত থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ‘প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর’ নামের একটি ফেসবুক আইডিতে প্রথম একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর কয়েকটি অংশে দেখা যায়, ‘ওই তরুণীর সঙ্গে নজরুল ইসলাম একটি কক্ষে অবস্থান করছেন। সেখানে তাদের অন্তরঙ্গ অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায়।’

নজরুলের দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রী

ওই তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের দাবি—ওই তরুণীর সঙ্গে এমপির বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। মেয়েটির বাবাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুল ইসলামের দলীয় মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে প্রথমে জানানো হয়, ‘ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।’ এরপর গতকাল মঙ্গলবার এক লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম দাবি করেন, পারিবারিকভাবে চলতি বছরের ১৭ জুন  প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

মগবাজারে যা হয়েছে

গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাছুম বিল্লাহকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে শ্বশুরের ব্যাবসায়িক কার্যালয়ে যান।

সেখানে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। পরে আরো কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাছুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত গোপনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ভিডিওকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

পাঁচ দিন পরের বায়োডাটায় ‘অবিবাহিত’

তবে বিয়ের দাবির মধ্যেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে মরিয়ম খাতুনের একটি বায়োডাটা। ওই বায়োডাটায় দেখা যায়, চলতি বছরের ২২ জুন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সই রয়েছে। সইয়ের ওপরে সবুজ কালিতে হাতে লেখা রয়েছে ‘জোর সুপারিশ করছি’। কিন্তু একই বায়োডাটার ব্যক্তিগত তথ্য অংশে Marital Status-এ লেখা রয়েছে ‘Unmarried’ (অবিবাহিত)।

গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী, মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের বিয়ে হয়েছে ১৭ জুন। কিন্তু বিয়ের দাবি করা তারিখের পাঁচ দিন পর এমপির সই করা বায়োডাটায় কেন মরিয়মকে অবিবাহিত উল্লেখ করা হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলাম কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি

গাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর শূরা সদস্য। ত্রয়োদশ সংসদ সদস্য নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসনে তাকে মনোনয়ন দেয় জামায়াত। ১৩ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ৬ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। এর আগে তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে একই আসন থেকে জামায়াতের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

অবাঞ্ছিত ঘোষণা

সংসদ সদস্যের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় আজ বুধবার গাজী নজরুলের নির্বাচিত এলাকায় (শ্যামনগর) মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। ‘শ্যামনগরের সচেতন নাগরিক সমাজ’–এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে উপজেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল ও তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সদস্য আশেক-ই-এলাহী বলেন, ‘এ ঘটনায় শ্যামনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।’

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় সংসদ সদস্যের এই ভিডিওকাণ্ডে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এসব কর্মসূচি থেকেও গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে




একইসঙ্গে ভারত-চীনকে কাছে টানছে বাংলাদেশ : বিবিসির রিপোর্ট

প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টার মাঝেই ধাবমান অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে চীনের বড় বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব অর্জনে সচেষ্ট হয়েছে বাংলাদেশের নতুন সরকার। গত মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া ও চীন সফর সম্পন্ন করেছেন, যা ঢাকার বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।  রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সদ্য নির্বাচিত দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে ভারত সফরই প্রথম পছন্দ হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীনকে বেছে নেওয়া দিল্লির জন্য একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে একটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কে যে শীতলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বেইজিং সফরে মোংলা বন্দরের কাছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার চুক্তি এবং তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনায় চীনের কারিগরি সহযোগিতা ভারতের নীতিনির্ধারকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করলে দুই দেশের বরফ গলতে শুরু করে। ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শ্যাম শরণ বিবিসিকে জানিয়েছেন যে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে এবং ভারত আবারও বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়া শুরু করেছে।

এর পাশাপাশি প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর কলকাতা-ঢাকা এবং ঢাকা-আগরতলা রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচল আংশিকভাবে পুনরায় চালু করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময় ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে জরুরি জ্বালানি পাঠিয়েছিল এবং সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদিকে ক্যাবিনেট পদমর্যাদায় উন্নীত করে পাঠানো হয়েছে।

তবে এই সমস্ত ইতিবাচক ইঙ্গিতের বাইরেও দুই দেশের সম্পর্কে কিছু স্থায়ী অস্বস্তি রয়ে গেছে। বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কারণে একটি তীব্র ভারত-বিরোধী জনমত তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ কর্তৃক অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে বাংলাভাষী মুসলিমদের পুশ-ইন বা জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা ঢাকায় ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। তাছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি জয়ী হওয়ার পর বাংলাদেশে এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন সাবেক বাংলাদেশি কূটনীতিক হুমায়ুন কবির।

ভারতের জন্য সবচেয়ে সংবেদনশীল নিরাপত্তা ইস্যু হলো তিস্তা নদী প্রকল্পে চীনের যেকোনো ধরনের সম্পৃক্ততা। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ বছর ধরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে থাকায় বেইজিং সফরে নদীটির ব্যবস্থাপনায় যৌথ কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে একমত হয়েছে ঢাকা ও বেইজিং। ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’-এর কাছাকাছি চীনের এই উপস্থিতি দিল্লির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। তবে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মতে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ভারতকে এই প্রকল্পে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালেও দিল্লি সিদ্ধান্ত নিতে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করেছে, যেখানে চীনের এই ধরনের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা রয়েছে।

ভারতের এই সমস্ত কৌশলগত উদ্বেগ দূর করতে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকেও স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়া কুন বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি এবং এটি যেকোনো তৃতীয় পক্ষের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকা উচিত। উল্লেখ্য যে চীন ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী দেশ এবং ঢাকার কাছে বেইজিংয়ের পাওনা ঋণের পরিমাণ ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। এবারের সফরে চীন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশকে সংযুক্ত করে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাবও দিয়েছে বেইজিং।

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো দিল্লিতে অবস্থান করা শেখ হাসিনা, যাঁর প্রত্যর্পণ চাইছে ঢাকা। গত বছর বাংলাদেশের একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ছাত্র আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শ্যাম শরণ মনে করেন যে শেখ হাসিনা দিল্লিতে থাকা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য রাজনৈতিকভাবে ভারত সফর করা কিছুটা কঠিন হতে পারে। তবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে দুই দেশই একে অপরকে উপেক্ষা করতে পারবে না, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য একটি জটিল ও সংবেদনশীল কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।




আজ কেন নীল জার্সিতে খেলবে আর্জেন্টিনা

কিছু ম্যাচ থাকে, যার গল্প পরিসংখ্যানের খাতায় নয়, লেখা থাকে মানুষের স্মৃতিতে। পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা দেখায়, স্মৃতিতে বেঁচে থাকে ইতিহাস। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ, ১৯৮৬ সালের সেই আজতেকার বিকেল, ‘হ্যান্ড অব গড’, শতাব্দীর সেরা গোল আর বেকহাম-সিমিওনের দ্বন্দ্ব। সেই সুখস্মৃতি মনে রাখতেই যেন আর্জেন্টিনার আরজি, নীল জার্সি পরতে দিতে হবে তাদের।

সেমিফাইনালে ওঠার পরই ফিফার কাছে নীল জার্সি পরে খেলার অনুমতি নিয়েছে তারা। যে রঙের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ’৮৬–এর ম্যারাডোনার সেই দুই গোল। একটিতে ‘ঈশ্বরের হাত’, আরেকটি পায়ের অলৌকিক এক কারুকার্য। এক যুগ পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে একই জার্সিতে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড।




শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সময় বেঁধে দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে সময় বেঁধে দিয়ে রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে সরে গেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই মোড় অবরোধ করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করে সড়ক থেকে সরে যান শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী রাহাত আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাস্তা আটকে থাকায় জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে। আমরা মানুষের ভোগান্তি চাই না। তাই আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত করছি। আমাদের দাবি একটাই, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে “লংমার্চ টু সচিবালয়” কর্মসূচি পালন করব।’

তাঁর এই ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা সড়ক সরে যান। এরপর শাহবাগ মোড় দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।




স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেট কারে পাচার হচ্ছিল ইয়াবা

কক্সবাজারের রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কারে করে ইয়াবা পাচারের সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ছয় হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আজ বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে রামু উপজেলার রামু রাবারবাগান এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম থানা এলাকার উর্মি আক্তার (১৮)।




শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুরে বরিশাল, কুষ্টিয়া, রংপুর ও সিরাজগঞ্জে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক ১০ মিনিটের জন্য অবরোধ করা হয়।

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১৩ জেলায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে ঢাকা, বরিশাল ও টাঙ্গাইলে মহাসড়ক অবরোধ এবং চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে অনেকে পরীক্ষা দিতে পারেননি। তাঁদের দাবি, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার অবসান না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত, যাঁরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের পরীক্ষা আবার নিতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।




শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুরে বরিশাল, কুষ্টিয়া, রংপুর ও সিরাজগঞ্জে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক ১০ মিনিটের জন্য অবরোধ করা হয়।

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১৩ জেলায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে ঢাকা, বরিশাল ও টাঙ্গাইলে মহাসড়ক অবরোধ এবং চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে অনেকে পরীক্ষা দিতে পারেননি। তাঁদের দাবি, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার অবসান না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত, যাঁরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের পরীক্ষা আবার নিতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।




সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’

দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, প্রান্তিক কৃষক এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমান সরকারের পর্যায়ক্রমিক সকল কল্যাণমুখী নাগরিক সুবিধা একটি একক কার্ডের আওতায় নিয়ে আসার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং প্রথম বাজেট সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র যদি তার নাগরিকদের দায় মেটাতে ব্যর্থ হয়, তবে জনগণ এবং রাষ্ট্র উভয়ই দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, প্রবাসী কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরুদের জন্য দেওয়া বিশেষ কার্ডের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো করুণা বা দয়া নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের পরম দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই ভবিষ্যতে আলাদা আলাদা সকল কার্ডের সমন্বয়ে এই সর্বজনীন বা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে নাগরিকরা একক পরিচয় ও কার্ডে সমস্ত সরকারিবুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
দেশের কৃষিখাত ও প্রান্তিক কৃষকদের অধিকার ও যন্ত্রণার কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই দেশের অধিকাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্ভব। সে কারণেই বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশের আপামর কৃষকদের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। প্রতিশ্রুতিটি ছিল, যদি দলটি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হয়, তবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বকেয়া থাকা সকল কৃষকের কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হবে।