সেই ব্লকবাস্টার ব্রাজিল কোথায়?

ব্রাজিলের ফুটবল মানেই আনন্দের ছটা। দলবেঁধে একঝাঁক হলুদ প্রজাপতির নাচন। সেই ছন্দের তালে নেচে ওঠে ধমনি, রক্তকোষ! এবারের বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচের ক্যানভাসে চিরপরিচিত লাতিন ফুটবলের সেই বোল্ড, বিউটিফুল ফুটবলের ব্রাজিলকে যে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না!
বিশ্বকাপে ব্রাজিল মানেই সাম্বার নাচ। তারা চায় বলের সঙ্গে ছন্দ, গতির সঙ্গে সৌন্দর্য, আক্রমণের সঙ্গে শিল্প। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলকে দেখে মনে হচ্ছে, তারা নাচছে যন্ত্রসংগীত ছাড়া। গাইছে তাল-লয়-সুরহীন কোনো গান। সেই নাচ তাই খ্যামটার মতো, সেই গান কেবলই বেসুরো।
হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় স্কোরবোর্ডে নিঃসন্দেহে স্বস্তির। কিন্তু মাঠের ফুটবল? সেখানে সন্তুষ্ট হওয়ার মতো খুব কমই আছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিধ্বস্ত, ফিফা র‌্যাংকিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা, অখ্যাত ফুটবলারদের নিয়ে গড়া একটি দলের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় হওয়ারই কথা ছিল। প্রশ্ন হলো, এই জয় কি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঘোষণা দেওয়া একটি দলের মতো ছিল? উত্তরটা স্পষ্ট—না।
দুই ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের ঝুলিতে মাত্র চার পয়েন্ট। একটি ড্র, একটি জয়। ফলাফলের হিসেবে বিপদে নয়, কিন্তু পারফরম্যান্সের হিসেবে এখনো নিজেদের পরিচয়ই খুঁজে বেড়াচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
হাইতির বিপক্ষে প্রথমার্ধে তিন গোল করেই ম্যাচ শেষ করে দেয় ব্রাজিল। মাথেউস কুনিয়া দুটি এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়র একটি গোল করেন। কিন্তু বিরতির পর যেন পুরো দলই গতি হারিয়ে ফেলে। আক্রমণে ধার নেই, বলের গতি নেই, প্রতিপক্ষকে চেপে ধরার মানসিকতা নেই। বরং হাইতির মতো সীমিত সামর্থ্যের দলও দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ গড়ে তোলে। আরো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলে সেই ভুলগুলোর মূল্য হয়তো অনেক বড়ই হতো।
এই ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অতিরিক্ত ভিনিনির্ভরতা। দুই ম্যাচেই দলের একমাত্র ধারালো অস্ত্র ছিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তার গতি, ড্রিবলিং এবং ওয়ান টু ওয়ান পজিশন থেকেই এসেছে বেশির ভাগ বিপজ্জনক মুহূর্ত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোনো ম্যাচে যদি ভিনি নিজের সেরা খেলাটা খেলতে না পারেন? যদি প্রতিপক্ষ তাকে ডাবল মার্কিংয়ে আটকে ফেলে? তাহলে ব্রাজিলের আক্রমণ কে টানবে?
রাফিনিয়া এখনো বার্সেলোনার সেই বিধ্বংসী উইঙ্গারের ছায়াও নন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ধীর, শেষ পাসে ভুল, সহজ গোল মিস, আর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার আগে পর্যন্ত ম্যাচে তার প্রভাব ছিল খুবই সীমিত। রদ্রিগোও নিজের মানের ধারেকাছেও নেই। মাঝমাঠে ব্রুনো গিমারায়েস, ক্যাসিমিরো কেউই খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। একজন বল ধরে রাখছেন, অন্যজন পাস দিচ্ছেন, কিন্তু মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে সেই সৃজনশীল সংযোগটা তৈরি হচ্ছে না। ফলে আক্রমণের পুরো ভার এসে পড়ছে উইংয়ে, বিশেষ করে ভিনিসিয়াসের ওপর। তার সঙ্গে শেষ ম্যাচে লুকাস পাকেতো অবশ্য সমান তালে পারফরম্যান্স দেখান।
ট্যাকটিক্যাল দিক থেকেও আনচেলত্তির দল এখনো অগোছালো। বল হারানোর পর দ্রুত প্রেসিং নেই। ফুলব্যাকরা ওপরে উঠে গেলেও তাদের পেছনের জায়গা বারবার ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। দুই সেন্টারব্যাকের মধ্যকার দূরত্বও অনেক সময় বেড়ে যাচ্ছে, যার সুযোগ নিচ্ছে প্রতিপক্ষ। মিডফিল্ডে ‘ডাবল পিভট’ ঠিকমতো রক্ষণকে সুরক্ষা দিতে পারছে না, আবার আক্রমণেও সংখ্যাগত সুবিধা তৈরি করতে পারছে না। ফলে দলটি একদিকে রক্ষণে ভঙ্গুর, অন্যদিকে আক্রমণে শুধু ভিনির ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, এই ব্রাজিলে এখনো সেই পুরোনো ‘জোগো বনিতো’র কোনো ছাপ নেই। নেই ওয়ান-টাচ ফুটবল, নেই অফ দ্য বল মুভমেন্ট, নেই আক্রমণে স্বতঃস্ফূর্ততা। খেলোয়াড়রা যেন নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলছেন না; চিরজীবন উপভোগের মন্ত্রে ফুটবল খেলে আসা সেই ব্রাজিল কই?
মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর হাইতিকে হারিয়ে ব্রাজিল স্বস্তি পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখানো দলের কাছে স্বস্তি যথেষ্ট নয়। তাদের দরকার আধিপত্য, ছন্দ, আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিপক্ষকে ভয় ধরিয়ে দেওয়ার মতো ফুটবল।
এখন পর্যন্ত সেই ব্রাজিলকে দেখা যায়নি।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পরের ম্যাচটি তাই শুধু তিন পয়েন্টের নয়, নিজেদের সত্যিকারের পরিচয় ফিরে পাওয়ারও পরীক্ষা। কারণ বিশ্বকাপের নকআউটে প্রতিপক্ষ আর হাইতি হবে না। সেখানে ভিনিসিয়াস একা ম্যাচ জেতাতে পারবেন না। পুরো দলকে জেগে উঠতে হবে। নইলে পাঁচ তারকার জার্সি গায়ে রেখেও এই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা ১৯ জুলাইয়ের অনেক আগেই থেমে যেতে পারে।
১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনাল।




মসজিদে ঢুকে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করছে বড় ভাই

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ও হারুনের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। ওই দিন তার বড়ো ভাই হারুন মসজিদে নামাজ পড়ছিল। এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নজরুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। পরে স্থানীয়রা মসজিদ থেকে নজরুলকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে কাজিরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর থেকেই হারুন পলাতক রয়েছে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।




নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

জাতীয় সংসদে বিএনপির এমপি খোন্দকার আবু আশফাকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হকের ‘কথিত পরকীয়া’ বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের ‘অন্ধকার অংশ’ নিয়ে নিজের মন্তব্যও কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার কথা জানান তিনি।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে এ কথা বলেন স্পিকার।




শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল চীন

উত্তর-পশ্চিম চীনের ছিংহাই প্রদেশে মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে আঘাত হানা ৬.৩ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে হাইসি মঙ্গোলিয়ান ও তিব্বতি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের দাচাইদান ভূমিকম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ০৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ঘটনার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের মধ্যে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি থাকা সব কয়লা খনির শ্রমিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উপদ্রুত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

চীন ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র জানায়, এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে, যার স্থানাঙ্ক ৩৭.৮০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৫.৫৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। উৎপত্তিস্থলের ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে গড় উচ্চতা প্রায় ৪,৩০২ মিটার। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পরপরই চীন ভূমিকম্প প্রশাসন মঙ্গলবার রাতে দ্রুত তিন নম্বর স্তরের (লেভেল-থ্রি) জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রটোকল চালু করেছে।




ইরান-মার্কিন চুক্তির খসড়ায় তেল নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক বিষয়সহ আরও যা আছে

ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের চূড়ান্ত খসড়ায় তেহরানের পারমাণবিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের তেল নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দেয়ার মতো বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং উভয় পক্ষের সম্মতির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হবে।




জিসান ইস্যুতে সংসদে তুমুল হট্টগোল

কুয়েত সরকার আরও ২ হাজার ১৯৩ জন ব্যক্তির কুয়েতি নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ প্রকাশ করেছে। সরকারি গেজেট কুয়েত আল-ইয়াওম-এ প্রকাশিত সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া নির্ভরশীলদের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছে।দেশটির সংবাদ মাধ্যম দৈনিক আরব টাইমস এ খবর প্রকাশ করেছে। মূলত ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে নাগরিকত্ব ফাইল পুনঃতদন্ত ও পর্যালোচনার এই ব্যাপক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে কুয়েতের সুপ্রিম কমিটি ফর টি ইনভেস্টিগেশন অব কুয়েতী ন্যাশনালিটি ধারাবাহিকভাবে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত পুরোনো ফাইল পুনরায় যাচাই করে আসছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে যে, ২০২৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজারেরও বেশি ব্যক্তি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়েছেন, কারণ একজনের নাগরিকত্ব বাতিল হলে তার সন্তান ও নির্ভরশীলদের নাগরিকত্বও বাতিল হয়ে যায়। তবে সরকারিভাবে সব নির্ভরশীলের সমন্বিত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
 
কুয়েতের ১৯৫৯ সালের ১৫ নং জাতীয়তা আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অধ্যাদেশে কয়েকটি প্রধান কারণে নাগরিকত্ব বাতিল বা প্রত্যাহার করা হয়।



কুয়েতে ২ হাজারের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিল

কুয়েত সরকার আরও ২ হাজার ১৯৩ জন ব্যক্তির কুয়েতি নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ প্রকাশ করেছে। সরকারি গেজেট কুয়েত আল-ইয়াওম-এ প্রকাশিত সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া নির্ভরশীলদের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছে।মূলত ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে নাগরিকত্ব ফাইল পুনঃতদন্ত ও পর্যালোচনার এই ব্যাপক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে কুয়েতের সুপ্রিম কমিটি ফর টি ইনভেস্টিগেশন অব কুয়েতী ন্যাশনালিটি ধারাবাহিকভাবে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত পুরোনো ফাইল পুনরায় যাচাই করে আসছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে যে, ২০২৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজারেরও বেশি ব্যক্তি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়েছেন, কারণ একজনের নাগরিকত্ব বাতিল হলে তার সন্তান ও নির্ভরশীলদের নাগরিকত্বও বাতিল হয়ে যায়। তবে সরকারিভাবে সব নির্ভরশীলের সমন্বিত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
 
কুয়েতের ১৯৫৯ সালের ১৫ নং জাতীয়তা আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অধ্যাদেশে কয়েকটি প্রধান কারণে নাগরিকত্ব বাতিল বা প্রত্যাহার করা হয়।
 
আরও পড়ুন: কুয়েতে প্রবেশের জন্য প্রবাসীদের নতুন নির্দেশনা
 
দ্বৈত নাগরিকত্ব
কুয়েত সাধারণভাবে দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদন করে না। অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে কুয়েতি নাগরিকত্ব হারানোর বিধান রয়েছে।
 
জালিয়াতি ও ভুয়া তথ্য
জাল কাগজপত্র, মিথ্যা তথ্য প্রদান অথবা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জনের অভিযোগে বহু নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে।
 
জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের প্রশ্ন
রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী অর্থায়ন, জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত না থাকার অভিযোগেও নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে।
 
আরও পড়ুন: ভারতের নাগরিকত্ব পেতে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নিয়ম চালু
 
বিশেষ আইনি ধারা অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়ন
বিশেষ করে বিবাহ, নির্ভরশীলতা বা ব্যতিক্রমী প্রাকৃতিকীকরণ প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের ফাইল নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।
 
কুয়েত সরকার বলছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো নাগরিকত্ব ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ করা, জালিয়াতি রোধ করা এবং জাতীয় পরিচয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সম্প্রতি জাতীয়তা আইনেও সংশোধন এনে নাগরিকত্ব প্রদান ও বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।
 
অন্যদিকে মানবাধিকার কর্মী ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু পরিবার নাগরিকত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, চাকরি এবং সামাজিক সুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বিশেষ করে যাদের পরিবার কয়েক প্রজন্ম ধরে কুয়েতে বসবাস করছে, তাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। 



যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান: রিপোর্ট

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি যুদ্ধের অবসান ঘটাতে প্রস্তাবিত কাঠামোগত চুক্তি (ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি তেহরান। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ইরানি সংবাদ সংস্থা ফারস।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারকের রাজনৈতিক, আইনগত ও কারিগরি বিভিন্ন দিক এখনো বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

তবে ইরানের অবস্থান সেই সময়সূচি নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।
 
আরও পড়ুন: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ঘিরে ধোঁয়াশা, শেষমুহূর্তেও অনেক প্রশ্ন
 
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শনিবার (১৩ জুন) সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তিটি রোববার স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। দিনটি তার ৮০তম জন্মদিনও।
 
তবে তেহরানের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো নিষ্পত্তি হয়নি এবং চুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
 
ফলে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আশাবাদ থাকলেও, চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ও চূড়ান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।



বেনজীর আহমেদকে দ্রুত ফেরানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে বলেন, শুক্রবার (১২ জুন) আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে, দুর্নীতির মামলায় বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

এ সময় তিনি আরও জানান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান নিখোঁজের বিষয়ে সরকারকে দায় দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু সে নিজেই আত্মগোপনে গিয়ে নিখোঁজের নাটক সাজিয়েছে।
 
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে ইন্টারপোল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে। সেই নোটিশের ভিত্তিতেই দুবাইয়ের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তার অবস্থান শনাক্ত করে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতে হাজির করার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দফতর যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসও বিষয়টি নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।



ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রায় সম্পন্ন, চাঞ্চল্যকর দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ‘প্রায় চূড়ান্তভাবে আলোচিত হয়েছে’। এমন খবরই প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।

শনিবার (২৩ মে) ট্রাম্প জানান, এই চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে তিনি বলেন, এটি এখনো ‘চূড়ান্ত অনুমোদনের’ অপেক্ষায় রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা এবং ‘অন্যান্য দেশ’ মিলে সম্পন্ন করবে।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই ঘোষণা দিলেন, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান, জর্ডান, মিশর, তুরস্ক ও বাহরাইনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনালাপের পর। তিনি আরও জানান, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও তিনি আলাদভাবে কথা বলেছেন।


ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘চুক্তির চূড়ান্ত দিকগুলো ও বিস্তারিত বিষয় এখন আলোচনা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।’