ঐক্যবদ্ধ থাকলে নৌকাকে কেউ হারাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে নৌকাকে কেউ হারাতে পারবে না। বিএনপি ভোট পাবে না জেনেই সহিংস পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসভবন সুধাসদন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চাঁদপুর, কুষ্টিয়া ও নওগাঁয় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে ড. কামাল হোসেনের খারাপ আচরণের জন্য নিন্দা জানান প্রধানমন্ত্রী। ড. কামাল হোসেনকে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত বড় মাপের মানুষ, এত বড় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন মানুষ, তার মুখে এ রকম নোংরা ভাষা মানায় না।

তিনি বলেন, আপনারা এ রকম সন্ত্রাসী আচরণ বন্ধ করুন। মাস্তানি ও সন্ত্রাসী আচরণ দেশের মানুষ পছন্দ করে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ১০ বছরে মানুষের জন্য কাজ করেছি। দেশের মানুষ উন্নয়ন পেয়েছে। প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ ভালো আছে। আমরা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস প্রায় নির্মূল করেছি। আগামীতে ক্ষমতায় আসতে পারলে দেশকে মাদক মুক্ত করব।

ভিডিও কনফারেন্সের প্রথমে কুষ্টিয়া জনসভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় কুষ্টিয়ার দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তিনি।




ধানের শীষে ভোট দিলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে; আ স ম রব

 ধানের শীষে ভোট দিলে রামগতি-কমলনগরের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে। মেঘনা নদী ড্রেজিং ও ভুলুয়া নদী খনন করা হবে।  আমাদেরকে হুমকি ধমকি মিথ্যা মামলা দিবেন না। আগামী ৩০ তারিখে ভোটের মাধ্যমে জবাব দেওয়া হবে। সোমবার ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ইং সন্ধ্যায় ৭টায় হাজিরহাট হামেদিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার মাঠে পথসভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আবদুর রব এ সব কথা বলেন। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা আবু নুর সেলিম, বাংলাদেশের সাবেক ডিজিএম প্রফেসর নুরুল ইসলাম, ভবানি কলেজর অধ্যক্ষ শাহদাত হোসেন, জেএসডির সহসভাপতি মো. খোরশেদ আলম মেম্বার, জেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. ফকরুল ইসলাম নাহিদ, চরফলকন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল অদুদ হাওলাদার, জেলা যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর করিম, ছাত্র দল নেতা মো, শরীফ ও জামাল উদ্দিন আফগানিসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।

 




লক্ষ্মীপুরে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারে বাধা দেয়া নিয়ে সংঘর্ষ

লক্ষ্মীপুর-৩ সদর আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি’র কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির প্রচারণায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এ্যানিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের শান্তির হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কয়েকটি রাবার বুলেট ছেড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ২ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।




যেভাবে জানা যাবে জেডিসি/জেএসসির ফল

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ছাড়াও মোবাইলে এসএমএস করে এবং অনলাইনে ফল দেখা যাবে।

মোবাইল এসএমএসের পদ্ধতি:
যে কোন মোবাইল অপারেটরের মেসেজ অপশনে যান। পরীক্ষার নাম JSC অথবা JDC লিখুন। স্পেস দিন। সংশ্লিষ্ট বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে। আবার স্পেস দিন। এরপর রোল নম্বর লিখুন। আরেকটি স্পেস দিন। পরীক্ষার বছর অর্থাৎ 2018 লিখুন। বোর্ডের নামের ক্ষেত্রে Dhaka Board হলে DHA, Comilla Board-COM, Rajshahi Board-RAJ, Jessore Board-JES, Chittagong Board-CHI, Barisal Board-BAR, Sylhet Board-SYL, Dinajpur Board-DIN এবং Madrassah Board হলে MAD লিখতে হবে। জেএসসি’র পুরো মেসেজটি যেমন হবে: JSC<স্পেস>DHA<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>2018। আর জেডিসি’র মেসেজটি যেমন হবে: JDC<স্পেস>MAD<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>2018। এবার মেসেজটি পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএস এ পরীক্ষার্থীদের ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

অনলাইনে ফল জানার পদ্ধতি:
ব্রাউজারে এড্রেস বারে লিখুন www.educationboard.gov.bd। ওয়েবসাইটের মাঝে Examination এর সামনে JSC/JDC সিলেক্ট করুন। Year 2018 সিলেক্ট করুন। এরপর নিজের শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট করুন। রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন। এরপর দুটি সংখ্যা যোগ করতে বলা থাকবে। যোগফল লিখুন। লেখাগুলো সঠিক থাকলে নিচের ডানে সাবমিট বাটন প্রেস করুন। এরপরই রেজাল্ট ভেসে উঠবে।  এই পেইজটি প্রিন্ট করা যাবে।




৩৮৯ উপজেলায় সেনা, ১৮ উপজেলায় নামছে নৌবাহিনী

ঢাকা:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দায়িত্ব পালনে নামছে সশস্ত্র বাহিনী। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী দেশের ৩৮৯ উপজেলায় এবং নৌবাহিনী ১৮ উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবে।

রোববার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান বিষয়টি জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী আগামী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। নির্বাচনের ছয় দিন আগে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

পরিপত্রের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা সহায়তা চাইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা-থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিযুক্ত হবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনাকক্ষের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে সশস্ত্র বাহিনী। সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে ইসির কাজে যাবতীয় সহায়তা দেবে সশস্ত্র বাহিনী। প্রয়োজনে পরিস্থিতি বিবেচনা বা নির্দেশক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এই বাহিনী।’

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ‘ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী। অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে ঘটনাস্থলে থাকা সর্বোচ্চ পদের ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন। জরুরি পরিস্থিতিতে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিতে পারবেন। সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে লিখিত নির্দেশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও মৌখিক নির্দেশ দেওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব তা লিখিত আকারে দেবেন।’

‘ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে কম-বেশি করা যাবে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বিবেচনায় প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য সংরক্ষিত হিসেবে মোতায়েন থাকবেন। বিমানবাহিনী প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমান জননিরাপত্তা বিভাগ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও বাহিনীগুলোর অনুরোধে উড্ডয়নে সহায়তা করবে।’

এদিকে নির্বাচন কমিশন সংসদ নির্বাচনের ৬টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করবে। ওই ৬টি কেন্দ্রেও সেনাবাহিনী টেকনিক্যাল টিম হিসেবে কাজ করবে। সেজন্য ইসি একটি পরিপত্র জারি করেছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘যে ছয়টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, সেখানে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়ার জন্য ৩ হাজার ৩শ’র মতো সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। বাহিনীর সদস্য পোশাকে থাকবেন, কিন্তু কোনো ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন করবেন না। ইভিএম কেন্দ্রে যেসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবেন, তাদের নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর নিকটতম টহল দল ও স্থানীয় ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে একটি কেন্দ্রীয় কো-অর্ডিনেশন সেল থাকবে। সেলের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অনুরূপ জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন সেল স্থাপন করা হবে। কেন্দ্রীয় সেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি থাকবেন। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ২৭ ডিসেম্বর স্থাপিতব্য জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন সেল এ জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি থাকবেন।’ যোগ করা হয় পরিপত্রে।




নির্বাচন ঘিরে যান চলাচলে বিধিনিষেধ

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সব ধরনের যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। রবিবার এক প্রজ্ঞাপনে এ বিধিনিষেধ জারি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগামী ২৯ ডিসেম্বর (শনিবার) দিনগত রাত ১২টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর (রবিবার) মধ্য রাত পর্যন্ত সড়কপথে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়।
এর আগে, ২৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) মধ্য রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।




কাল নামছে সেনাবাহিনী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও পরে শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আগামীকাল থেকে মাঠে নামছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। তারা আগামী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন থাকবেন। নির্বাচনে ‘ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ অনুযায়ী কাজ করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। তারা জেলা/উপজেলা/মহানগর এলাকার সংযোগস্থলে (নডাল পয়েন্ট) ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এ সংক্রান্ত পরিপত্রে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপরিধিতে বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসার সহায়তা চাইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তারা সহায়তা করবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের ভিতরে বা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী বা নির্দেশক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে ইসির কাজে যাবতীয় সহায়তা দেবে সশস্ত্র বাহিনী। অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে, তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে ঘটনাস্থলে থাকা সর্বোচ্চ পদের ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন। জরুরি পরিস্থিতিতে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিতে পারবেন। সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে লিখিত নির্দেশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও, মৌখিক নির্দেশ দেওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব তা লিখিত আকারে দেবেন। পরিপত্র অনুযায়ী, যে ছয়টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে, সেখানে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়ার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। তবে তারা কোনো ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন করবেন না, কিন্তু বাহিনীর পোশাকে থাকবেন। ইভিএম কেন্দ্রে যেসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবেন, তাদের নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর নিকটতম টহল দল ও স্থানীয় ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।




সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে ইসির ‘নিষেধাজ্ঞা’

ঢাকা: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিক নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে সাংবাদিকরা যাতে মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সংবাদ সংগ্রহ করতে না পারেন, সে ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে।

নীতিমালায় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে ছবি তোলা, ভিডিও করা এবং তথ্য সংগ্রহ করতে পারার কথা বলা আছে। তবে একসঙ্গে একাধিক সাংবাদিক একই ভোটকেন্দ্রের একই ভোটকক্ষে একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি ভোটকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরাসির প্রচার করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ শাখা) এসএম আসাদুজ্জামানের ২১ ডিসেম্বরের স্বাক্ষরে জারি করা ওই নীতিমালায় সাংবাদিক এক ডজনের বেশি দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা অমান্য করলে বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন, বিধি ও কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে নীতিমালায়।

নীতিমালাটি ইতিমধ্যে সংসদ নির্বাচনের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভোটগ্রহণের দিনসহ বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকরা যাতে সহজে নির্বিঘ্নে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে পারেন সেজন্য সহযোগিতা দেওয়ার প্রয়োজন আছে, তবে তা অবশ্যই নির্বাচনের সময়, ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনার সময় প্রযোজ্য বিধি নিষেধ মেনে করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। এজন্য ভোটকেন্দ্রের সংবাদ সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে সাংবাদিকদের বিশেষ কার্ড সরবরাহ করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার কার্ড দেবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সাংবাদিকদের কার্ড দেওয়ার ক্ষমতা দিতে পারবেন। এছাড়া ঢাকা থেকে যেসব সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে যাবেন, তাদের কার্ড নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া হবে। সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত এবং অনুমোদন সূচক স্টিকারযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। মোটরসাইকেল ব্যবহার করার জন্য কোনো স্টিকার ইস্যু করা হবে না।

সাংবাদিকদের মোটরসাইকেলের স্টিকার না দেওয়ার বিষয়টি এবারই প্রথম। তবে অন্য যানবাহন ব্যবহার করলে স্টিকার দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ভোটের সময় মোটরসাইকেল চালনার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এক্ষেত্রে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষেত্রবিশেষ আরো অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যানচলাচলের নিষেধ থাকবে। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে পরে মোট ৪ দিন সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারছেন না।

ভোটের দিন ঢাকা থেকে গণমাধ্যগুলোর প্রতিনিধিরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট করেসপন্ডেন্টদের নিয়ে মোটরসাইকেলে করেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের খবর সংগ্রহ করে থাকে।

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে-
# নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিক সরাসরি ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

# ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিত করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ, ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করতে পারবেন। তবে কোনো ক্রমেই গোপন কক্ষের ছবি সংগ্রহ কিংবা ধারণ করতে পারবেন না।

# একই সঙ্গে একাধিক মিডিয়ার সাংবাদিক একই ভোট কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না।

# ভোট কক্ষের ভেতর হতে কোনোভাবেই সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না।

# ভোট কেন্দ্রের ভেতর হতে সরাসরি সম্প্রচার করতে হলে ভোট কক্ষ হতে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে তা করতে হবে।

# কোনোক্রমেই ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করা যাবে না।

# সাংবাদিকগণ ভোট গণনা কক্ষে গণনা দেখতে পারবেন, তবে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন না।

# ভোট কক্ষ হতে ফেসবুকসহ কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি প্রচার করা যাবে না।

# ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম ব্যাহত হয় এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকবেন।

# ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকরা প্রিজাইডিং অফিসারের আইনানুগ নির্দেশ মেনে চলবেন।

# নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।

# কোনো প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করতে পারবেন না।

# নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের সময় প্রার্থী বা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যে কোনো ধরনের প্রচারণা বা বিদ্বেষমূলক প্রচারণা হতে বিরত থাকবেন।

# নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনী আইন ও বিধিবিধান মেনে চলবেন।

নীতিমালা দেখতে ক্লিক করুন

Journalist_Guide_Line20181222215718




লক্ষ্মীপুর-০৪, রব-মান্নার মর্যাদার লড়াই

লক্ষ্মীপুর:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে দুই হেভিয়েট প্রার্থী রব ও মান্নান নির্বাচনে লড়ছে। এদের একজন বিএনপির শরিক ঐক্যফ্রন্টের নেতা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। অপরজন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক যুক্তফ্রন্ট নেতা ও বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান। এরা লড়ছেন নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে।
জেলার মেঘনা উপকূলীয় এ আসনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে, ২০০১ ও ০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান। জোটগত কারণে এদের দু’জনই এবার দলীয় চূড়ান্ত মনোনয়ন থেকে বাদ পড়েছেন। এখন ভোটের মাঠে লড়ছেন ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টের দুই নেতা। তারা দু’জনই সাবেক মন্ত্রী ছিলেন।
আ স ম রব লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মেজর (অব.) আবদুল মান্নান এ আসনে বিকল্পধারার কুলা প্রতীকে নির্বাচন করে হেরেছেন। ওই নির্বাচনে রব ভোট করেছেন জেএসডি থেকে ‘তারা’ প্রতীকে। তাদের দু’জনকেই পরাজিত করে বিএনপি প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে, মেজর মান্নান ১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
বিগত সব কয়েকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পর্যাবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এখানে বিএনপির শক্ত অবস্থান। যে কারণে এটি বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। এখানকার ভোটাররা প্রার্থী নয়; ধানের শীষ প্রতীক দেখে ভোট দেয়। তবে ব্যক্তি রবেরও নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। জেএসডি ও বিএনপি জোটের ভোটে ঐক্যফ্রন্টের এ নেতা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
এদিকে, মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের জনপ্রিয়তা আছে। তিনি নিজ উদ্যোগে মেঘনা নদী ভাঙনরোধে উদ্যোগ নিয়েছেন। কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান অনুদান দিয়ে বিগত সময় বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। তবে এখানে তার দলীয় ভিত মজবুত নয়। তাকে পুরোপুরি নির্ভর করতে হচ্ছে আওয়ামী লীগের ওপর।
নৌকা প্রতীকের এ প্রার্থী জানান, স্বাধীনতার পর থেকে তিনটি রাজনৈতিক দল পালাক্রমে সরকার গঠন করেছে। সব সরকারের কর্মকান্ড বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরপর দুই মেয়াদে দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা বাংলাদেশে ইতিহাসে প্রথম। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারও সরকার প্রধান করতে হবে।
নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলে রামগতি ও কমলনগরের নদী ভাঙনরোধে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। অস্বচ্ছল পরিবারগুলোর তালিকা করে প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকদের জন্য সার-বীজের সহজ প্রাপ্তি ও মৎস্যজীবীদের জন্য মৎস্য সংরক্ষণ ও বিপণন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
আসম আবদুর রব বলেন, মা-বোনেরা যেন ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদ থাকতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। ভোটের দিন গণজাগরণ সৃষ্টির মাধ্যমে ভোট বিপ্লব ঘটাতে হবে।
রামগতি উপজেলার আটটি ও কমলনগর উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত লক্ষ্মীপুর-৪। এ আসনে বর্তমান ভোটার তিন লাখ ১০ হাজার ৮৪৭ জন। গত সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলো দুই লাখ ৬৬ হাজার ৭২৬ জন। সে হিসেবে এ আসনে গত পাঁচ বছরে ভোটার বেড়েছে ৪৪ হাজার ১২১ জন।




কমলনগর মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পে “শিখন কেন্দ্রের পাঠদান” কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।

আমজাদ হোসেন আমু, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিরক্ষরতা দুর করার লক্ষে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পে শিখন পাঠদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর পশ্চিম চর জাংগালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে স্কুল গুলোর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী পরিচালক উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো জেলা শাখার, বিদ্যুৎ রায় বর্মন, জেমস পরিচালক আসাদুজ্জামান চৌধুরী, প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক মো. ওয়াজি উল্যাহ জুয়েল, সাংবাদিক মিজান মানিক, স্কুল সভাপতি আবুল কালাম, সমন্বয়ক, রাশেদুল আমিন সহ প্রমুখ।
এসময় জেমস পরিচালক বলেন, কমলনগরে (জেমস) এনজিও কতৃক নারী-পুরুষের জন্য তিন’শ স্কুল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্কুলে এ অঞ্চলে যাদের নূন্যতম অক্ষর জ্ঞান নেই। তাদের শিক্ষাও পাঠদান করা হবে। কোন লোক যেন অক্ষর জ্ঞানহীন না থাকে। তার জন্য সর্বচ্চো কাজ করবে জেমস। বই দেওযার মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করা হয়।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিটি স্কুলে সুপারভাইজার, শিক্ষক বৃন্দ।
আযোজনে – জেন্ডার এন্ড এ্যানভারমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি ( জেমস্)