গাজায় সাংবাদিক হত্যা: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে ২৫ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি

গাজায় সাংবাদিক হত্যা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অভাবে উদ্বেগ জানিয়ে ২৫ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে চিঠি দিয়েছেন। কংগ্রেসম্যানরা বলেন, গাজায় সংবাদপত্রের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার এখনই সময়। এই যুদ্ধে এক বছরে যত সাংবাদিক নিহত হয়েছে তার চেয়ে বেশি নিহত হয়েছে গত তিন মাসে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ৫০ জনের বেশি সাংবাদিক যখন ইসরায়েল ও মিশর দূতাবাসে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন ঠিক তখন এ চিঠিটি পাঠানো হলো। চিঠিতে গাজায় বিদেশি সাংবাদিকদের অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশ করার সুযোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়।

তারা বলেন, গাজায় সাংবাদিক হত্যার বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন যে, সেখানকার বেসামরিক জনগণ ও সাংবাদিকদের জীবন রক্ষায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ইসরায়েলের অতি ডানপন্থী সরকার ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা এবং জাতিগত নিধন চালিয়ে যাচ্ছে। অনাকাঙ্খিত যুদ্ধটিতে উদ্বেগজনকহারে নির্দোষ সাংবাদিকদের জীবন দিতে হচ্ছে। সাংবাদিকদের নির্বিচারে ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করছে। বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধের প্রতি অন্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বৃহত্তম মুসলিম নাগরিক অধিকার এবং অ্যাডভোকেসি সংস্থা দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার) সেক্রেটারি ব্লিঙ্কেনকে পাঠানো চিঠিকে স্বাগত জানিয়েছে। এই চিঠির নেতৃত্বে রয়েছেন কংগ্রেসম্যান গেরি কনোলি (ডেমোক্র্যাট-ভিএ-১১) ও কংগ্রেসম্যান জান শাকোস্কি (ডেমোক্র্যাট-আইএল-৯) এবং কংগ্রেসের অন্যান্য ২৩ জন সদস্য।

চিঠিতে যে কংগ্রেসম্যানরা স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন- কংগ্রেসম্যান বেয়ার (ডেমোক্র্যাট-ভিএ), কংগ্রেসম্যান ব্লুমেনাউয়ার (ডেমোক্র্যাট-ওআর), কংগ্রেসম্যান কারসন (ডেমোক্র্যাট-আইএন), কংগ্রেসম্যান কাস্ত্রো (ডেমোক্র্যাট-টিএক্স), কংগ্রেসম্যান চু (ডি-সিএ), কংগ্রেসম্যান কোহেন (ডি-টিএন), কংগ্রেসম্যান ডিন (ডেমোক্র্যাট-পিএ), কংগ্রেসম্যান ডগেট (ডেমোক্র্যাট-টিএক্স), কংগ্রেসম্যান ফ্রস্ট (ডেমোক্র্যাট-টিএক্স), কংগ্রেসম্যান গ্রিজালভা (ডেমোক্র্যাট-এজেড), কংগ্রেসম্যান জ্যাকবস (ডেমোক্র্যাট-সিএ), কংগ্রেসম্যান হ্যাঙ্ক জনসন (ডেমোক্র্যাট-জিএ), কংগ্রেসম্যান কমলাগার-ডোভ (ডেমোক্র্যাট-সিএ), কংগ্রেসম্যান কিটিং (ডেমোক্র্যাট-এমএ), কংগ্রেসম্যান খান্না (ডেমোক্র্যাট-সিএ), কংগ্রেসম্যান কিল্ডি (ডেমোক্র্যাট-এমআই), কংগ্রেসম্যান বারবারা লি (ডেমোক্র্যাট-সিএ), কংগ্রেসম্যান লফগ্রেন (ডেমোক্র্যাট-সিএ), কংগ্রেসম্যান ম্যাকগভর্ন (ডেমোক্র্যাট-এমএ), কংগ্রেসম্যান নর্টন (ডেমোক্র্যাট-ডিসি), কংগ্রেসম্যান কুইগলি (ডেমোক্র্যাট-আইএল), কংগ্রেসম্যান রাসকিন (ডেমোক্র্যাট-এমডি) এবং কংগ্রেসম্যান ওয়াটসন কোলম্যান (ডেমোক্র্যাট-এনজে)।




ইন্দিরা, সোনিয়ার আসনে অভিষেক হচ্ছে প্রিয়াঙ্কার

ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের নানা বক্তৃতা-সমাবেশে প্রায়ই দেখা যায় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে। কখনও তিনি ভাই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর জন্য ভোট চাচ্ছেন, কখনও দলের কোনো প্রার্থীর পক্ষে। ক্ষমতাসীন দল বিজেপির শীর্ষ নেতা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চাঁচাছোলা সমালোচনায়ও তিনি বেশ সাহসী। তথাপি প্রিয়াঙ্কাকে কখনও নির্বাচনের রাজনীতিতে দেখা যায়নি।

এবার কংগ্রেস ঘোষণা দিয়েছে, তিনি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশের রায়বেরেলি আসন থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে লড়বেন। আসনটি থেকে তিনবার নির্বাচিত হয়েছিলেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী; প্রিয়াঙ্কার মা সোনিয়া গান্ধীও এ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি।

সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, কংগ্রেসের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রায়বেরেলিতে প্রিয়াঙ্কা দলের টিকিট পেলেও আমেথি ও কর্ণাটকের ওয়ানাড় থেকে যথারীতি ভোটে লড়বেন রাহুল গান্ধী। ২০১৯ সালে রাহুল আমেথিতে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে যান। বর্তমানে ওয়ানাড় থেকে জিতে লোকসভায় প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

তবে আসন্ন নির্বাচনে আমেথিতে তাঁর চোখ থাকবে। আসনটিকে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হয়। আমেথি থেকে গান্ধী পরিবারের অনেক নেতাই ভোট লড়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে রাহুল গান্ধীর বাবা রাজীব গান্ধী ও চাচা সঞ্জয় গান্ধী আছেন। আসনটি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তাঁর মা সোনিয়া গান্ধীও। রাহুল নিজেও আমেথি থেকে দু’বার নির্বাচিত হয়েছিলেন।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন কিনা– এ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। ২০১৯ সালে বলা হচ্ছিল, তিনি নির্বাচন করবেন। তখন বারাণসী থেকে তিনি লড়বেন– এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। ওই আসনটিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ভোট করেছেন। রায়বেরেলি থেকে এবার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি পাঁচবার ওই আসনে জয় পান। সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনে এটিই ছিল উত্তর প্রদেশের একমাত্র আসন, যেখান থেকে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস।

প্রিয়াঙ্কা রায়বেরেলি থেকে নির্বাচনে লড়বেন– এমন সম্ভাবনার মধ্যে আসনটিতে কংগ্রেস সমর্থকরা পোস্টার প্রকাশ করেন। এতে লেখা ছিল– ‘কংগ্রেসের উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যান। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রায়বেরেলি আপনাকে ডাকছে, আসুন।’

সূত্রের বরাত দিয়ে মিন্ট অনলাইন জানায়, ভোটের প্রার্থিতায় নাম ঘোষণার পরপরই রায়বেরেলিতে পৌঁছেছেন প্রিয়াঙ্কা। নির্বাচনী ইশতেহারে এবার ভারতের ক্রমবর্ধমান বেকারত্বকে প্রাধান্য দিয়েছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে এক জনসমাবেশে কংগ্রেস নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দিতে পারেন। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর ইশতেহারে জোর দিচ্ছে কংগ্রেস।




ফ্রান্সে স্কুলে ঢুকতে পারল না মুসলিম শিক্ষার্থীরা

ফরাসি স্কুলগুলোতে বছরের প্রথম দিনে আবায়া পরায় বহু শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফ্রান্স সরকার গত মাসে স্কুলে আবায়া পরে আসা নিষিদ্ধ করেছে। তাদের দাবি, এটি শিক্ষার ক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতার নিয়ম ভঙ্গ করছে। ধর্মীয় পরিচিতি প্রদর্শন বন্ধ করতে ফ্রান্সে ইতোমধ্যেই হিজাব পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খবর এএফপির

শিক্ষামন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আটাল বলেছেন, ইসলামী পোশাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী আবায়া পরে স্কুল এসেছিল। তাদের আবায়া খুলে ফেলতে বললে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী পোশাক পরিবর্তন করতে রাজি হয়, কিন্তু ৬৭ জন পোশাক পরিবর্তন করতে অস্বীকার করলে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপ ডানপন্থিদের আনন্দিত করলেও কট্টর বামেরা বলছে, এটি নাগরিক স্বাধীনতার প্রতি হস্তক্ষেপ।

সমালোচনার মুখে মন্ত্রী দাবি করে বসেন, আবায়া একটি রাজনৈতিক প্রতীক। তিনি জানিয়েছেন, যে মেয়েরা আবায়া পরিবর্তন করতে অস্বীকার করেছিল, তাদের পরিবারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। যেখানে লেখা আছে, ধর্মনিরপেক্ষতা কোনো বাধা নয়, এটি একটি স্বাধীনতা।

এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বিতর্কিত পদক্ষেপটিকে সমর্থন করে বলেছেন, ফ্রান্সে একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ছিল, যারা একটি ধর্মকে হাইজ্যাক করে রাষ্ট্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল।

ফ্রান্সে ২০০৪ সালে আইনের মাধ্যমে স্কুলে ধর্মীয় অনুষঙ্গ প্রদর্শন করে এমন চিহ্ন বা পোশাক পরা নিষিদ্ধ করা হয়। এই নিষেজ্ঞার মধ্যে রয়েছে– বড় খ্রিষ্টান ক্রস, ইহুদি কিপ্পা এবং ইসলামিক হিজাব।




যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এবার ওহাইও অঙ্গরাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেছে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর। পুলিশের শরীরে থাকা ক্যামেরাতেই সেই দৃশ্য ধরা পড়ে। খবর রয়টার্সের। 

শুক্রবার ওহাইওর পুলিশ বিভাগ ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে। দুই সপ্তাহ আগে একটি মুদি দোকানের পার্কিং লটে এ ঘটনা ঘটে। 

ভিডিওতে দেখা যায়, ২৪ আগস্ট কলম্বাসের শহরতলি ব্লেনডন টাউনশিপের একটি মুদি দোকানের পার্কিং লটে কৃষ্ণাঙ্গ নারী তাকিয়া ইয়ংকে (২১) নামতে বলে পুলিশ। তাকিয়া গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সামনে থাকা পুলিশ লাফ দিয়ে সরে যায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে মারাত্মক আহত হন তাকিয়া। 

পরিবার জানিয়েছে, গুলি করার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাকিয়া ও তাঁর গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হয়। তাকিয়ার আরও দুই সন্তান রয়েছে। 

এ ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, এ হত্যাকাণ্ড এড়ানো যেত। 

এ ঘটনাকে ‘ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করে ব্লেনডন টাউনশিপ পুলিশের প্রধান জন বেলফোর্ড জানান, তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করছেন। 




জর্জিয়ায় নির্বাচনের ফল জালিয়াতির মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের ফল জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার আদালতে লিখিতভাবে ট্রাম্প এই মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এই মামলায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা ১৩টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ভয়ভীতি দেখানোর বিরুদ্ধে জর্জিয়ার গুণ্ডামি-বিরোধী র‍্যাকেটিয়ারিং আইন লঙ্ঘন করা, সরকারি কর্মকর্তার শপথ লঙ্ঘন এবং জালিয়াতির ষড়যন্ত্র।

হোয়াইট হাউসের সাবেক স্টাফ প্রধান মার্ক মেডোস এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি এবং মার্কিন বিচার বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা জেফরি ক্লার্কসহ আরও ১৮ জনের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনা হয়েছে।

এই মামলায় গত বৃহস্পতিবার আত্মসমর্পণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আত্মসমর্পণের পর ২ লাখ ডলার মুচলেকায় তাকে জামিন দেয় আদালত।




মন্ত্রিপরিষদের কাগজ ছিল, সাইফার নয়

পাকিস্তানের কুখ্যাত অ্যাটক কারাগারে আটক আছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের চেয়ারম্যান ইমরান খান। সেখানেই তাঁকে নিখোঁজ সাইফার মামলা নিয়ে এক ঘণ্টা ধরে একের পর এক প্রশ্ন করে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এফআইএ) সাইবার ক্রাইম সার্কেলের তিন সদস্যের টিম। এর নেতৃত্বে ছিলেন উপপরিচালক আয়াজ খান। গভীর ধৈর্যের সঙ্গে তাদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ইমরান। 

গত বছর জনসমাবেশে গোপনীয় একটি ডকুমেন্ট (সাইফার) প্রদর্শন করেছিলেন ইমরান। সে বিষয়ে কারাগারে ঘণ্টাব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানিয়েছেন কোনো সাইফার প্রদর্শন করেননি। তা ছাড়া সেটা কোথায় রেখেছেন তাও তিনি ভুলে গেছেন। 

তিনি বলেন, ওই জনসমাবেশে আমি যে কাগজটি প্রদর্শন করেছিলাম, তা ছিল মন্ত্রিপরিষদের কাগজ। কোনো সাইফার ছিল না।

ইমরান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখার অধিকার তাঁর ছিল। কেন তিনি তা জনসমাবেশে প্রদর্শন করেছেন তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

এটা ছিল সাইফার-বিষয়ক ইস্যুতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের শেষ পর্যায়। এর পরই তদন্তকারীরা একটি সিদ্ধান্তে যাবেন। এ নিয়ে যে মামলা আছে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তদন্ত রিপোর্ট আগামী সপ্তাহের মধ্যে আসতে পারে।

এদিকে তাঁর জামিনের নবম আবেদন ইসলামাবাদ হাইকোর্টে প্রত্যাখ্যান হওয়াকে চ্যালেঞ্জ করেছেন শনিবার। আইনজীবী সালমান সফদারের মাধ্যমে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে নবম জামিন আবেদন করেন তিনি।

অন্যদিকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে চেয়েছিলেন ইমরান খান, এমনটাই অভিযোগ করেছেন দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পারভেজ খট্টক। ইমরান খান হচ্ছেন পারভেজ খট্টকের সাবেক রাজনৈতিক নেতা এবং সাম্প্রতিক দমনপীড়নের পর তিনি পিটিআই-পার্লামেন্টারিয়ানস (পিটিআই-পি) নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। পেশোয়ারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইমরানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন তিনি।

এ ছাড়া বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত বিলের কারণে তিন দিন ধরে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে বিক্ষোভ করছেন সাধারণ মানুষ। এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকে রোববার রাজধানী ইসলামাবাদে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দেশটির তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারুল হক কাকার।

জাতীয় পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির পর সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এর প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন শহরে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ও বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে অনেকে। খবর জিও নিউজের




অবশেষে মুক্তি মিলল মানবাধিকারকর্মী লুজাইনের

সৌদি আরবের প্রখ্যাত নারী মানবাধিকারকর্মী লুজাইন আল হাতলুল মুক্তি পেয়েছেন।এক হাজার এক দিন কারাগারে থাকার পর বুধবার বিকেলে ছাড়া পান তিনি।

রিয়াদের এক বিচারকের অনুমোদনের পর বুধবার বিকেলে মুক্তি দেওয়া হয় তাকে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়ার পক্ষে আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্যতম লুজাইন আল হাতলুল। গত বছরের ডিসেম্বরে তাকে বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে জনশৃঙ্খলা নষ্টের অপরাধে অভিযুক্ত করে পাঁচ বছর আট মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই অধিকারকর্মীকে মুক্তি দিতে বার বার আহ্বান জানানো হয়।

অবশ্য সৌদি আরবের পক্ষ থেকে লুজাইনের আটক, বিচার ও মুক্তি নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

বেশ কিছু শর্তের অধীনে মুক্তি পান লুজাইন আল হাতলুল। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না এবং সৌদি আরব ছেড়ে যেতে পারবেন না। শর্ত ভঙ্গ করলে তার কারাদণ্ড পুনর্বহাল করা হতে পারে।

নিজের কারাদণ্ডের প্রতিবাদে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন হাতলুল। এছাড়া, অন্য নারী বন্দিদের সঙ্গে তিনিও বিচারকের কাছে দাবি করেন জিজ্ঞাসাবাদের সময় মুখোশ পরিহিত পুরুষেরা তাদের ওপর নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন চালান। তবে গত মঙ্গলবার একটি আপিল আদালত নির্যাতনের অভিযোগ খারিজ করে দেয় বলে জানায় তার পরিবার। সূত্র: গার্ডিয়ান




আলোচনায় বাইডেনের ‘অতিগোপনীয়’ নথি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাবেক ব্যক্তিগত অফিস ও বাড়ি থেকে গোপনীয় সরকারি নথি উদ্ধারের ঘটনা পুরোনো। তবে উদ্ধার হওয়া নথিগুলোর মধ্যে কিছু ছিল ‘অতিগোপনীয়’, যা পুরো দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে একজন সরকারি কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। বিবিসির খবর।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএসের বরাত দিয়ে খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাইডেন। গোপন নথিগুলো সেই সময়ের। আইন অনুযায়ী, চাকরি শেষ হলে কেন্দ্রীয় সরকারে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের স্বেচ্ছায় দাপ্তরিক নথি ও গোপন দলিলপত্র জমা দিতে হয়। তবে বাইডেন তা জমা দেননি।

বাইডেনের অফিস ও বাসা থেকে প্রায় ২০টি নথি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে অফিসে পাওয়া ১০টি নথির মধ্যে ছিল ‘অতিগোপনীয়’ নথি। তাঁর ডেলাওয়ারের বাসায়ও ১০টির মতো নথি পাওয়া গেছে। বলা হচ্ছে, অতিগোপনীয় নথিগুলো কোনোভাবে ফাঁস হয়ে গেলে ‘ভয়াবহ ক্ষতি’ হতে পারত।

নথিগুলো উদ্ধারের খবর প্রথম গণমাধ্যমে আসে গত সোমবার। গত নভেম্বরে ওয়াশিংটনে বাইডেনের সাবেক প্রতিষ্ঠান ‘পেন বাইডেন সেন্টার’-এর অফিস থেকে নথিগুলো উদ্ধার হয়।

নথি উদ্ধারের বিষয়ে বাইডেন বলেন, তিনি গোপন নথি ও জিনিসপত্র উদ্ধারের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন এবং বিষয়টি নিয়ে বিচার বিভাগকে পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছেন। 




ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য মমতা: অমর্ত্য সেন

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন তিনি। খবর এনডিটিভির

২০২৪ সালে ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভার নির্বাচন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জন্য একক ঘোড় দৌড় হবে বলে মনে করলে সেটা ‘ভুল হবে’। দেশটির আগামী নির্বাচনে কয়েকটি আঞ্চলিক দলের ভূমিকা ‘স্পষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি।

অমর্ত্য সেন বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বিরুদ্ধে জনগণের হতাশাকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবেন কিনা তা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি কয়েকটি আঞ্চলিক দল স্পষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমার মতে ডিএমকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দল, তৃণমূলও অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং সমাজবাদী পার্টিরও কিছুটা অবস্থান আছে, তবে সেই অবস্থান বাড়ানো যাবে কিনা আমি জানি না।’

অমর্ত্য সেন বলেন, বিজেপির জায়গা নিতে পারে এমন অন্য কোনও দল নেই, এ ধরনের চিন্তাভাবনাকে আমি ভুল বলে মনে করি। কারণ বিজেপি একটি দল হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যার একটি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে এবং ভারতের অন্যান্যদের চেয়ে হিন্দুদের দিকে বেশি ঝুঁকছে দলটি।

ভারতের ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধীদল কংগ্রেসসহ জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) এবং জনতা দলের (ইউনাইটেড) মতো দেশটির কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা একটি নতুন জোট গড়ার ডাক দিয়েছেন। দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত করবে বলে এসব দলের নেতারা জোর দিয়েছেন।




বিশ্বের দীর্ঘ নৌরুটে যাত্রা শুরু গঙ্গা বিলাসের

বিশাল প্রমোদতরী ‘গঙ্গা বিলাস’। এর আলো ঝলমলে অন্দরমহল যেন পাঁচ তারকা হোটেল। নানা আনন্দ আয়োজন রাখা হয়েছে এর ভেতরে। ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানসী থেকে যাত্রা শুরু করেছে এটি। বাংলাদেশের নদীপথ দিয়ে পৌঁছাবে আসামে। প্রমোদতরীটি বিশ্বের দীর্ঘতম নৌপথ ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে। এ যাত্রায় সময় নেবে ৫১ দিন। এরমধ্যে বাংলাদেশে অবস্থান করবে ১৫ দিন। যাত্রাপথে পড়বে অন্তত ৫০টি ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য তাৎপর্যময় স্থান। এগুলো ঘুরে দেখবেন এতে আরোহী পর্যটকরা।

‘গঙ্গা বিলাস’ নামকরণকে যথার্থই বলতে হবে। কারণ, এতে আরোহণ বিলাসই বটে। এ জাহাজে ভ্রমণে প্রতিদিন মাথা পিছু ভাড়া গুনতে হবে ২৫ থেকে ৫০ হাজার রুপি। ৫১ দিনের ভ্রমণে নূন্যতম খরচ পড়বে ১২ লাখ ৫০ হাজার রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
শুক্রবার বারানসীতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রমোদতরী এমভি গঙ্গা বিলাস উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় ভারতের কেন্দ্রীয় নৌ পরিবহনমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী যাত্রায় প্রমোদতরীতে যাত্রী হিসেবে আছেন সুইজারল্যান্ডের ৩২ জন ও এক জার্মান পর্যটক। এ ছাড়া সাতজন ক্রু রয়েছেন।

গঙ্গা বিলাসের দৈর্ঘ্য ৬২ দশমিক ৫ মিটার; প্রস্থ ১২ দশমিক ৮ মিটার। এতে আছে এলইডি টেলিভিশন, স্মোক ডিটেক্টর লাইফ জ্যাকেট, ফ্রেঞ্চ ব্যালকনি, ৪০ আসন বিশিষ্ট রেস্তোর, স্পা, সানডেক ইত্যাদি। রয়েছে ময়লা পানি পরিশোধনের ব্যবস্থাও। এ পরিশোধন পল্গ্যান্ট নদী থেকে পানি তুলে তা পর্যটকদের জন্য গোসল ও অন্য কাজের উপযোগী করবে। ভ্রমণকালে বিনোদনের জন্য থাকবে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। এ ছাড়া ফিটনেস ঠিক রাখতে জিমের ব্যবস্থাও রয়েছে।

প্রমোদতরীটি বারানসি থেকে বিহার-কলকাতা ছুঁয়ে বাংলাদেশ হয়ে আসামের ডিব্রুগড় পর্যন্ত যাবে। এর মধ্যে এটি বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার নদীপথ অতিক্রম করবে। ভ্রমণকালে ২৭টি নদীর পানিতে ভাসবে গঙ্গা বিলাস। তবে সুন্দরবন ডেল্টা, গঙ্গা আরতি, আসমের মায়ংয়ের কালো জাদু এবং কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানের মতো অন্তত ৫০টি স্থানে থাকবে।

বারানসীর রামনগর বন্দরের সন্ত রামদাস ঘাট থেকে তরীটি যাত্রা শুরুর পর বিহারের গাজীপুর-বপার-ছাপরা-পাটনা-মুঙ্গের-বৌদ্ধগয়া-নালন্দা, ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা-মুর্শিদাবাদ হয়ে কলকাতায় পৌঁছবে। একদিন বিরতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অংশের নামখানা-সজনেখালি হয়ে তা সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করবে। পরে মংলা বন্দর-বাগেরহাট-মোড়েলগঞ্জ-বরিশাল-সোনারগাঁও হয়ে ফেব্‌রুয়ারি মাসে ঢাকায় পৌঁছবে। এরপর আরিচা-টাংগাইল-সিরাজগঞ্জ-চিলমারী-আসামের ধুবরি-গোয়ালপাড়া হয়ে ফেব্‌রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে গোয়াহাটিতে পৌঁছবে। পরে ফেব্‌রুয়ারির শেষ দিকে মাজুলী আইল্যান্ড পৌঁছবে। ১ মার্চ আসামের ডিব্রুগড়ে গিয়ে যাত্রা শেষ করবে। বিশ্বের এ দীর্ঘতম নৌরুটেই প্রমোদতরীটি যাতায়াত করবে।

তরীটি উদ্বোধনের পর নরেন্দ্র মোদি বলেন, গঙ্গায় বিশ্বের দীর্ঘতম প্রমোদতরী পরিষেবার সূচনা যুগান্তকারী মুহূর্ত। এ প্রকল্প ভারতের পর্যটন মানচিত্রে নতুন যুগের সূচনা করবে। গঙ্গা বিলাসের যাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যা কল্পনা করবেন, এমন সবকিছুই ভারতে আছে। শুধু তাই নয়, আপনাদের কল্পনার বাইরেও অনেক কিছু এখানে আছে।

প্রমোদতরীর পরিচালক রাজ সিং জানান, তিনতলা জাহাজটিকে সাজিয়ে তুলতে খরচ হয়েছে ৬৮ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি)।

গঙ্গা বিলাস নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বনন্দ সোনোয়াল বলেন, গঙ্গা বিলাসের যাত্রা বিদেশি পর্যটকদের কাছে ভারত ও বাংলাদেশের ইতিহাস-সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতাকে বুঝতে সহায়তা করবে।

ভারতের সরকারি ও বেসরকারি যৌথ ব্যবস্থাপনা মডেলের (পিপি মডেল) ওপর ভিত্তি করি পরিচালিত হবে বারাণসী-বাংলাদেশ-ডিব্রুগড় রুটের এ প্রমোদতরী। এজন্য ভারত সরকার ‘ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া’র দুই জনপ্রিয় ক্রুজ সংস্থা অন্তরা লাপারি রিভার এবং জেএম বপী রিভার ক্রুজের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে। যাত্রার জন্য টিকিট বুক করা যাবে বেসরকারি দুই সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে। তবে লম্বা সময় এবং অর্থ হাতে না থাকল সম্পূর্ণ ট্রিপ বুকিং ছাড়া কেবল সমুদ্রের আমেজ উপভোগ করতে বারাণসী থেকে কলকাতা বা কলকাতা থেকে ডিব্রুগড়ের প্যাকেজও বুক করা যাবে।