ডেনমার্ক-তিউনিশয়ার ম্যাচ ড্র

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হয়েছিল দুই গোল। এরপর ইরানের জালে তো ইংল্যান্ড গোল দিয়েছে ছয়টি, হজমও করেছে ২টি ।

গোল হয়েছে কাতার বিশ্বকাপের কম-বেশি প্রায় সব ম্যাচেই। তবে অবশেষে এসে গোলশূন্য ড্র দেখা গেল। ডেনমার্ক-তিউনিশয়ার ম্যাচে গোল করতে পারেনি কোনো দলই।

বিস্তারিত আসছে….




মেসিদের হারে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ মিছিল

কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় দিনে ২-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছে সৌদি আরব। আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ার খুশিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্রাজিল সমর্থকদের মাঝে চলছে আনন্দ-উল্লাস। সন্ধ্যার পর খেলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে পটকা ফুটানো-আনন্দ মিছিলে যোগ দেয় ব্রাজিলিয়ান সমর্থক গোষ্ঠী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সরব এই সমর্থক গোষ্ঠী। এসবের মাঝে আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন ফুটবল প্রেমিরা।

জানা যায়, মরুর দেশ কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে বিকেল ৪টায় মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরব। খেলা উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আর্জেন্টাইন সমর্থকরা বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করে। আর্জেন্টিনার স্কোর লাইন ১-০ থেকে যখন ১-২ হয়ে গেলে বড় পর্দায় বা পাড়া-মহল্লার দোকানে দোকানে খেলা দেখতে ভীর করেন ব্রাজিল সমর্থকরা।

শেষ বাঁশি বাজার আগে আর্জেন্টিনা আর গোল পরিশোধ করতে পারেনি।

এই উচ্ছ্বাসে খেলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা নেমে পড়েন মিছিল ও আনন্দ উল্লাসে। করেন মিষ্টি বিতরণও। শহরের বিভিন্ন স্থানে পটকা ফুটানোর খবরও পাওয়া যায়। বাদ নেই ফেসবুকও। নানা বর্ণে ও রঙে আর্জেন্টিনাকে ট্রল বা সান্তনামূলক বাণীর ছড়াছড়ি সেখানে। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপের শুরুতেই পরাশক্তি আর্জেন্টিনার হার ও ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী যেন অন্যরকম বিনোদন পাচ্ছেন।

ব্রাজিলিয়ান সমর্থক বাহাদুর আলম জানান, ফুটবলের সৌন্দর্য একমাত্র ব্রাজিল দলেই দেখা মেলে। তিনি সৌদি আরবের খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে বলেন, তারা শেষ পর্যন্ত মরনপণ লড়াই করেছে। তবে আর্জেন্টিনা হারাতে আমরা খুব খুশি।

আরেক সমর্থক আরিফুর রহমান জানান- সৌদি আরব আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ। সৌদি আরবের নান্দনিক ফুটবল খেলা আমাদের মন কুঁড়িয়েছে। তাই আমরা ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা আজ সৌদি আরবকে সাপোর্ট করেছি। তিনি বলেন, খেলা শেষ হওয়ার পর অনেক সমর্থক শহরে পটকা ফুটিয়ে উল্লাস করেছে।

আর্জেন্টিনার সমর্থক ব্রাহ্মণবাড়িযা সদর উপজেলার সুহিলপুরের মো. মাহিন মিয়া বলেন, বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনা আবির্ভূত হওয়ার পর থেকেই পরাশক্তি এ দল। একটি-দুটি হারে তেমন কিছু যায় আসে না। আর্জেন্টিনা এবার অনেক ভালো করবে বলে তিনি মনে করেন।




আর্জেন্টিনা হারায় স্ট্রোক করে মৃত্যু সমর্থকের

প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেননি কুমিল্লার কাকন। কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ সি’র ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ফিফা ব়্যাংকিংয়ে ৫১ নম্বরে থাকা সৌদি আরব। এতেই স্ট্রোক করেন কাকন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা রেসকোর্স এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বিস্তারিত আসছে….




ম্যাচ হারলেও রেকর্ড গড়লেন মেসি, ভক্তদের জন্য সুখবর

দুর্দান্ত ছন্দে থেকে বিশ্বকাপে পা রেখেছে আর্জেন্টিনা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই নামে।

তার প্রমাণ তারা রেখেছে মাত্র ১০ মিনিটেই। স্পট-কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় এবারের বিশ্বকাপে গোলের সূচনা করেন লিওনেল মেসি। এই গোলে দুই কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা ও গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে টপকে আর্জেন্টিনার হয়ে চারটি আলাদা বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড করেন এই ফরোয়ার্ড।

কাতারে এবার নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলতে এসেছেন মেসি। সৌদি আরবের বিপক্ষে নেমে তিনি ঢুকে গেলেন সেই বিরল ক্লাবে। আন্তোনিও কারবাহাল, রাফায়েল মারকেস, জিয়ানলুইজি বুফন ও লোথার ম্যাথাউসের পর পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি গড়েন এই ফরোয়ার্ড। তারপরেই নাম লেখান গোলের খাতায়।

শুধুমাত্র ২০১০ বিশ্বকাপ বাদে বাকি সব আসরেই গোল করেছেন মেসি।  ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে  একটি, ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে ৪ টি, ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ১টি ও ২০২২ বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত একটি গোল করেছেন তিনি। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা সাতটি।

আর্জেন্টিনার হয়ে এর আগে ১৯৮২, ১৯৮৬ ও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে গোল করেছেন ম্যারাডোনা। বাতিস্তুতা ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে গোল করেছেন।




আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো সৌদি আরব

এক বুক আশা নিয়ে কাতার বিশ্বকাপে পা রেখেছিল আর্জেন্টিনা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে শুরুটাও দারুণ করেছিল দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

প্রথমার্ধের শুরুতেই লিওনেল মেসির গোলে এগিয়ে যায় লাতিন আমেরিকার দেশটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধেই যেন নাটকীয়ভাবে ৫ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সৌদি আরব। শেষ পর্যন্ত দুই দলের কেউই আর গোল করতে না পারলে ইতিহাসের পাতায় চলে যায় ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ৫১ নম্বর দলটি।

নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে মাত্র ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে আসা সৌদি আরব

বিস্তারিত আসছে… 




আর্জেন্টিনার জালে জোড়া গোল সৌদির

বিরতির পর মুদ্রার উল্টো পিঠই যেন দেখল আর্জেন্টিনা। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে সৌদি আরবের জোড়া গোলে ২-১ গোলে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তিরা।

বিস্তারিত আসছে… 




যে ছকে আজ মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা, জানালেন কোচ

নতুন ছকে আজ মাঠে নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। এমনটি ইঙ্গিত দিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিতে ভর করে চলছে আর্জেন্টিনার অপ্রতিরুদ্ধ জয়যাত্রা।

একদিকে মেসির শেষ বিশ্বকাপ, আরেকদিকে ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘোচানোর পালা। কেমন পরিকল্পনা সাজাবেন স্কালোনি- প্রশ্নটা এতক্ষণে হয়তো ঘুরপাক খাচ্ছে আকাশি-সাদার সমর্থকদের কাছেও।

আক্রমণভাগ:
এবার আক্রমণভাগে সলিড তিনজনকেই পাচ্ছেন লিওনেল স্কালোনি। যেখানে মেসিকে দেখা যাবে তার পছন্দের পজিশন রাইট উইংয়ে। আর লেফট উইংয়ে থাকবেন কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচের নায়ক ডি মারিয়া। সেন্টার ফরোয়ার্ডে লাওতারো মার্টিনেজকে রাখতে পারেন স্কালোনি। তাতে মাঝমাঠ পেরিয়ে আক্রমণ ডিবক্সের আশপাশে এলেই সেটি প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রা ঘিরে ধরার আগে সামনে বাড়াতে পারবেন মেসি বা ডি মারিয়া। প্রয়োজনে লাওতারো একটু নিচে নেমে খেলতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সেকেন্ড স্ট্রাইকার পজিশনে লাওতারো নামলে মেসিকে সেন্টারে গিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। আর ডি মারিয়া যদি আক্রমণ শানান, তা হলে তিনি খুঁজবেন মেসি বা লাওতারোকে। সামনের পথ ব্লক থাকলে তিনি রাইট উইংয়ে থাকা মেসিকে বলটা বাড়িয়ে দেবেন। এর পর মেসিকে নিতে হবে রক্ষণ ভাঙার চ্যালেঞ্জ।

মাঝমাঠ:
মাঝমাঠ নিয়েই বেশি চিন্তায় ছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ। তার গোনার মধ্যে থাকা লো সেলসো ইনজুরিতে পড়ায়ই যত গণ্ডগোল পাকে। এর পর অনেক ভেবেচিন্তে মাঝমাঠটা ঠিক করেন তিনি। যেখানে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে পারদেসই পারফেক্ট। তার সঙ্গে রদ্রিগো ডি পল ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে নিতে হবে বলের পজেশন রেখে আক্রমণভাগকে সহায়তা করা। রক্ষণভাগ থেকে বল বাড়িয়ে মাঝমাঠ পর্যন্ত আনার পর যদি প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের বাধায় পড়েন ডি পল-ম্যাক, সে ক্ষেত্রে মেসি বা ডি মারিয়াকে খানিকটা নিচে নেমে বল রিসিভ করতে হবে। এর পর ডি-বক্সের সামনে ওঁৎ পেতে থাকা লাওতারোকে খুঁজতে হবে। লাওতারোর সামনের পথটা খালি থাকলে তিনি চাইবেন দ্রুত ডি-বক্সের দিকে ছুটতে। আর পেছন থেকে মেসি বা মারিয়া যদি ক্রস দিতে পারেন, তা হলেই হয়তো মিলবে সফলতা।

রক্ষণভাগ:
আর্জেন্টিনার রক্ষণ নিয়ে আগের কয়েকটা বিশ্বকাপে ছিল অনেক সমালোচনা। এবার অন্তত তেমন কথা বলার সুযোগ নেই। চারজনকে রেখেই প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামিয়ে দিতে চাইবেন স্কালোনি। যেখানে রাইটব্যাকে মলিনা, লেফটব্যাকে অ্যাকুনাকে দেখা যেতে পারে। আর সেন্টারব্যাক সামলানোর দায়িত্ব থাকবে রোমেরো ও ওতামেন্ডির কাঁধে। তবে প্রতিপক্ষের কৌশল বুঝে এই পজিশনের কিছুটা নড়চড় করতে পারেন স্কালোনি। কখনো হয় মলিনা ও অ্যাকুনা নিচের দিকে নেমে যাবেন। আর সামনে মাঝমাঠ অবধি বল নিয়ে দৌড়াতে হবে ওতামেন্ডি ও রোমেরোকে। অবশ্য রোমেরো খুব একটা ডিফেন্স লাইন ছেড়ে এগিয়ে খেলতে চান না। যেটি ওতামেন্ডি আবার ভালোভাবে পারেন। আর সব শেষ গোলপোস্টের নিচে তো থাকবেন আকাশি-সাদাদের নাম্বার ওয়ান রক্ষণ মার্টিনেজ।




দারুণ শুরুর দিয়েও জয় পেল না যুক্তরাষ্ট্র

শুরুটা দারুণ করেও শেষ পর্যন্ত জয় পেল না যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে সব মলিনতা ঝেড়ে ফেলে বিরতির পর ভালো খেলেছে ওয়েলস। ঘর সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল দলটি, যদিও পারল না। শেষ দিকে গ্যারেথ বেলের গোলে মূল্যবান একটি পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল ওয়েলস।

মঙ্গলবার আল রাইয়ানের আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হলো।

সেই ১৯৫৮ বিশ্বকাপের পর আবার বিশ্বসেরার মঞ্চে ফেরাটা দ্বিতীয়ার্ধের পারফরম্যান্সে বেশ হলো ওয়েলসের।

প্রথমার্ধে একচেটিয়া আধিপত্য করা যুক্তরাষ্ট্র টিম ওয়েহর গোলে এগিয়ে যায়। কিন্তু বিরতির পর তাদের সেভাবেই খুঁজেই পাওয়া গেল না। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে শেষ দিকে সমতা টানল ওয়েলস।

কয়েক প্রজন্মের অপেক্ষা শেষে বিশ্বকাপে ফেরার ম্যাচের শুরুতেই নিজেদের ভুলে গোল খেতে বসেছিল ওয়েলস। যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড টিম ওয়েহ ক্রস বাড়ান ছয় গজ বক্সের মুখে। তাতে তেমন কোনো হুমকি ছিল না, কিন্তু হেডে ঠেকাতে গিয়ে আত্মঘাতী হতে বসেছিলেন জো রোডন। গোলরক্ষক সোজা বল যাওয়ায় সে যাত্রায় রক্ষা হয়। তবে গোলরক্ষক ওয়েন হেনেসি বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় আবার আক্রমণ শানায় যুক্তরাষ্ট্র। দুরূহ কোণ থেকে জশ সার্জেন্টের শট পোস্টের বাইরের দিকে লাগে।




প্রথম ম্যাচের আগেই শাস্তি পেতে পারেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক

বিশ্বকাপে সোমবার ইরানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। কিন্তু তার আগে বিপাকে পড়তে যাচ্ছে তারা। খেলা শুরুর আগেই শাস্তি পেতে পারেন দলের অধিনায়ক হ্যারি কেন। সমকামীদের সমর্থনে একটি বিশেষ আর্মব্যান্ড পরে নামতে পারেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। আর সেটি করলেই বিপাকে পড়বেন তিনি। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

কাতারের আইন অনুযায়ী, দেশটিতে সমকামী প্রেম অপরাধ। বিশ্বকাপের আগে বেশ কয়েকটি এলজিবিটিকিউ সংস্থা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। সেই প্রতিবাদে যোগ দিয়েছে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ।

সেই তালিকায় রয়েছে ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, সুইৎজারল্যান্ড ও ওয়েলস।

একটি বিশেষ আর্মব্যান্ড সামনে এনেছে তারা। নাম ‘ওয়ান লাভ’। বিশ্বকাপের ম্যাচে এই আর্মব্যান্ড পরে নামবেন বলে জানিয়েছেন এ দেশগুলোর অধিনায়ক।

তারা জানান, সরাসরি সমকামবিরোধী আইনের বিরোধিতা করার জন্য নয়, সমকামী প্রেমকে সমর্থন করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।




বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পা-ছাড়া এই লোকটি কে ?

কাতার বিশ্বকাপের শুরু হয়েছে বেশ চমক জাগানিয়াভাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মরুভূমির ছাপ, আরব সংস্কৃতি তো ছিলই। এর সঙ্গে ছিল হলিউড তারকা মরগ্যান ফ্রিম্যানের সঙ্গে শরীরের অর্ধেক অংশ না থাকা একজনের পারফরম্যান্স। তিনি আসলে কে?

এই ব্যক্তির নাম হলো গানিম আল মুফতাহ। কাতারেই জন্ম তার। মায়ের পেটে থাকতে কাউডাল রেগরেসোন সিন্ড্রোম নামের এক জটিল রোগ ধরা পড়ে তার। তাতে শরীরের নিচের অংশ বিকলাঙ্গ হয়ে যায় ধীরে ধীরে। জন্মের আগেই তাকে অপারেশন করে ফেলে দিতে বললেও রাজি হননি মুফতাহর মা।

পরে ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন, তার ১৫ বছরের বেশি বাঁচার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। কিন্তু হাল ছাড়েননি মুফতাহ ও তার পরিবার। পেয়েছেন ফলও। গারসিয়া আইসক্রিম নামের একটি নিজস্ব কোম্পানি আছে মুফতাহর। কাতারে এটির আছে ছয়টি শাখা। স্বপ্ন দেখেন একদিন প্যারা অলিম্পিকে খেলার।

২০১৮ সালে টেড এক্স কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে একটি বক্তৃতার মাধ্যমে আলোচনায় আসেন মুফতাহ। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। ইনস্টাগ্রামে এক মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী আছে মুফতাহর।

অদম্য এই তরুণ থেমে থাকেননি এখানেই। আরবের সবচেয়ে বড় পাহাড় জাবেল শামসের চূড়ায় উঠেছেন। স্কুলে থাকতে হাতে বুট লাগিয়ে খেলতেন ফুটবল, খেলেছেন আরও অনেক খেলাই। ওই সময়ই স্বপ্ন দেখতেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তিনি এখন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন নিজের পছন্দের বিষয়ে।

এবারের বিশ্বকাপের অ্যাম্বেসডরও তিনি। এ নিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আমি আমার সক্ষমতা দিয়ে আশা, সামগ্রীকতা, শান্তি ও মানবতার জন্য ঐক্যবদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। ’