বিজয় উদযাপনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ঋতুপর্ণা

নেপালের কাঠমুন্ডু থেকে সাফের নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের পর আজ দেশে ফিরে বিমানবন্দরে রাজসিক সংবর্ধনা পেয়েছে সাবিনা খাতুনরা। কেক কেটে, মিষ্টিমুখ করিয়ে জমকালোভাবে সাবিনা-সানজিদাদের বরণ করা হয়েছে।

বর্তমানে বিমানবন্দর থেকে বাফুফে ভবনের পথে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়নরা। তবে বিজয় উদযাপনের সময় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা।

টিম বাস থেক নামিয়ে ঋতুপর্ণাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নারী দলের গোলরক্ষক কোচ আহমেদ মাসুদ আহমেদ উজ্জল।

এর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা।সাফের সর্বোচ্চ গোলাদাতা বাংলার অধিনায়ক বলেন, ‘সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের এভাবে বরণ করে নেয়ার জন্য সবার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।

বাংলাদেশের মেয়েদের ও ফুটবলারদের যে আপনারা এত ভালোবাসেন সে জন্য আমরা অনেক অনেক গর্বিত। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। এ ট্রফি বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য।’

অপরদিকে বাফুফে ভবনে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের বিমানবন্দরে বরণের পর এবার বাফুফে ভবনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে বাংলার কৃতিসন্তানদের সংবর্ধনা দিতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন বাফুফে বস।




চূড়ান্ত হলো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ভেন্যু

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগামী দুই ফাইনালের ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আজ এক সভায় আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ফাইনাল গড়াবে লন্ডনের ওভালে আর ২০২৫ সালের ফাইনাল হবে বিখ্যাত লর্ডসে।

উল্লেখ্য, ২ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ। এর আগের নিউজিল্যান্ড-ভারত ফাইনালও হয়েছিল ইংল্যান্ডেই।  বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালার্ডিস বলেন, ‘আমরা ওভালে আগামী বছরের আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল আয়োজন করতে পেরে আনন্দিত।

গত বছর সাউদাম্পটনে নিউজিল্যান্ড এবং ভারতের মধ্যে ফাইনাল ছিল চমৎকার এক ম্যাচ। আমি নিশ্চিত যে সারা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা ওভালে পরবর্তী ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের  ফাইনালের জন্য অপেক্ষা করবে।’  ২০২৩ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল আগামী বছরের জুনে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সঠিক সময়ে দিনক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। ওভালে ম্যাচের টিকিট সংক্রান্ত তথ্যও যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে।




চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ লাখ পুরস্কারের ঘোষণা সালাম মুর্শেদীর

সোমবার কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে সাফের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার শিরোপা জিতে নেয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।  পাঁচবারের শিরোপাজয়ী ভারতের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে সাফে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ। সাবিনা খাতুনদের ঐতিহাসিক এই জয়ে সারা দেশ এখন উচ্ছ্বসিত।

আজ বুধবার দুপুরে নেপাল থেকে দেশে ফেরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ইতিহাস গড়ে ফেরা মেয়েদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী নারী দলকে ৫০ লাখ টাকা আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেন।

সংবাদ মাধ্যমকে আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি জানান, নারী দলের এই বিজয়ে সারা দেশ আজ উজ্জীবিত। দেশে ফিরে তারা মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত। সাবিনাদের প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা দেখে আমার সহধর্মীনি (শারমিন সালাম) এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি খুবই খুশি হয়েছেন। তিনি এই নারী দলকে ৫০ লাখ টাকা আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন।




রাজসিক সংবর্ধনার পর বাফুফের দিকে সানজিদারা

ইতিহাস রচনা করে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। ১৯ বছরের আক্ষেপ ঘুচানোর পর জমকালোভাবে বিমানবন্দরে সাবিনা খাতুন্দের বরণ করা হয়েছে।

 কেক কেটে, মিষ্টিমুখ করিয়ে জমকালোভাবে সাবিনা-সানজিদাদের বরণ করেছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির একটি অংশ। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা শেষে বাফুফে ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়নরা।

বাংলাদেশের নারীদের শিরোপা উল্লাসে অন্যরকম এক মাত্রা যোগ করেছে ছাদখোলা বাস। ফাইনালের আগে সানজিদা আক্তারের আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট হৃদয় ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশের মানুষের। ট্রফি জয়ের পর দেশে এসে তারা তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত প্রাপ্তিটা পেতে চলেছে।

বিমান্দন্দরের সংবর্ধনার পর বাফুফে ভবনে আরেকটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছাদখোলা বাসে চড়ে যাত্রা শুরু করেছে সাবিনা খাতুনের দল।




চ্যাম্পিয়নদের জন্য ৫০ লাখ টাকা ঘোষণা বাফুফে সহসভাপতির

সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আর্থিক পুরস্কার ঘোষণার পরই আরও একটি ঘোষণা এলো। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি আতাউর রহমান নারী ফুটবল দলকে ৫০ লাখ টাকা আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেন।

আজ মেয়েদের বরণ করতে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এ ঘোষণা দেন তিনি।

আতাউর রহমান বলেন, ‘মেয়েদের এই সাফল্য পুরো দেশকে গর্বিত করেছে, আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের এই সাফল্যে আমি খুব খুশি। আমি আমার প্রতিষ্ঠান তমা গ্রুপের পক্ষ থেকে মেয়েদের ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করলাম।’

আতাউর রহমান বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এবং তমা গ্রুপেরও চেয়ারম্যান।

তিনি আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই বেলা ১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ করে নারী ফুটবল দলকে বহনকারী বিমানটি। সেখানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বাফুফে কর্মকর্তারা তাদের বরণ করে নেন।




এই ট্রফি বাংলাদেশের সবার : সাবিনা

হিমালয় জয় করে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দেশে ফিরে দেশের মানুষকে সাফ শিরোপা উৎসর্গ করেন। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। এ সময় তিনি ধন্যবাদ জানান বাফুফে, মন্ত্রণালয় ও সমর্থকদের।

সাবিনা বলেন, ‘সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের এভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য সবার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের ফুটবলারদের যে আপনারা এত ভালোবাসেন সে জন্য আমরা অনেক অনেক গর্বিত। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। এ ট্রফি বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য।’ সাফ জয়ের পর থেমে থাকতে চায় না বাংলাদেশ দল। সামনের বছর সাফ গেমস সাফল্যসহ এশিয়া পর্যায়ের সাফল্যের দিকে নজর এখন সাবিনা-স্বপ্নাদের।

সাবিনা আরো বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় আমরা সাফল্য পেয়েছি। এখন আমাদের লক্ষ্য কীভাবে আরও সামনে যাওয়া যায়।’

সাফের এ সাফল্য সহজে আসেনি বলে জানান সাবিনা।  ‘গত এক দশকের পরিশ্রমের ফল এ শিরোপা। দীর্ঘদিন ধরে দলকে সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার জন্য অধিনায়ক সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

বাফুফে সভাপতিকে ধন্যবাদ জানাতে ভুল করেননি সাবিনা।  ‘সবচেয়ে বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন স্যার, নারী উইংয়ের প্রধান কিরণ আপাসহ সংশ্লিষ্ট যেসব কর্মকর্তা আছেন ও মন্ত্রী মহোদয়ের। তাদের সহযোগিতায় ২০১২ সাল থেকে ফুটবলটা ভালোভাবে চলছে। শেষ চার-পাঁচ বছরে যদি মেয়েদের সাফল্য দেখেন ও পরিশ্রম দেখেন এ শিরোপা সেটার ফল। আমরা সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা শেষে ছাদ খোলা বাসে করে নারী ফুটবল দলকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাফুফে ভবনে। সেখানে দলকে সংবর্ধনা দেবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

বেলা ১টা ৪০ মিনিটে সাবিনাদের বহকারী বিমানটি বিমানবন্দরে পৌছায়।




ছাদখোলা বাসে চড়ে বাফুফের পথে ‘সাফ চ্যাম্পিয়ন’রা

ছাদখোলা বাসের আক্ষেপ মিটে গেছে। সেই বাসে চড়েই বাফুফের পথে ‘সাফ চ্যাম্পিয়ন’ রা।

আজ বুধবার বিমান বন্দর থেকে বের হওয়ার পর গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। তিনি ট্রফি উঁচিয়ে বলেছেন, ‘এই ট্রফি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের। সকলকে ধন্যবাদ আমাদেরকে এতো সুন্দরভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য। আমরা কৃতজ্ঞ। যদি চার-পাঁচ বছরের পরিশ্রম দেখেন তাহলে দেখবেন সেটার ফল এখন হাতে আছে।

’বিআরটিসির দ্বিতল বিশিষ্ট বাসের ছাদ ফেলে সানজিদা-সাবিনা খাতুনদের আশা পুরণ করা হয়েছে।  বাসের রুট ঠিক হয়েছে- বিমানবন্দর থেকে কাকলী, জাহাঙ্গীর গেট, পিএম অফিস, তেজগাঁও, মৌচাক, কাকরাইল হয়ে বাফুফে ভবন। বাফুফে ভবনে আরেক দফা বরণ করা হবে সাবিনাদের।

বিস্তারিত আসছে…




সাফ জয়ী কলসিন্দুর-কন্যাদের পরিবার পাবে ২ লাখ টাকা

সাফ জয়ী ময়মনসিংহের কলসিন্দুর গ্রামের আট নারী ফুটবালারের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেবে জেলা প্রশাসন।
আজ বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘোষণা দিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুধবার বিকেলে আট নারী ফুটবলারের পরিবারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টিমুখ করিয়ে সংবর্ধনা দেয়া হবে। একইসঙ্গে প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়া হবে।
ময়মনসিংহ নগরী থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে গারো পাহাড়ের কোলে ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর গ্রাম। এ গ্রাম থেকেই বেড়ে উঠেছে একঝাঁক নারী ফুটবলার। যাদের আটজনই ছিলেন সদ্য সাফ জয়ী টিমে। সানজিদা, মারিয়া মান্দা, শিউলি আজিম, মারজিয়া আক্তার, শামছুননাহার সিনিয়র, তহুরা, সাজেদা, শামছুননাহার জুনিয়রদের এমন সাফল্যে তাই গর্বিত কলসিন্দুর তথা গোটা ময়মনসিংহবাসী।
এদিকে ফুটবলারদের দেশে আসার খবরে কলসিন্দুর গ্রামে বইছে আনন্দের বন্যা। অধীর আগ্রহে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী সানজিদা, মারিয়াদের বরণ করার অপেক্ষায় আছেন তারা।



মেয়েদের বরণ করতে অপেক্ষায় সালাউদ্দিন

ইতিহাস রচনা করে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। ১৯ বছরের আক্ষেপ ঘুচানোর পর জমকালোভাবে বিমানবন্দরে সাবিনা খাতুন্দের বরণ করা হয়।

কেক কেটে, মিষ্টিমুখ করিয়ে জমকালোভাবে সাবিনা-সানজিদাদের বরণ করেছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির একটি অংশ। অপরদিকে বাফুফে ভবনে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের বিমানবন্দরে বরণের পর এবার বাফুফে ভবনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে বাংলার কৃতিসন্তানদের সংবর্ধনা দিতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন বাফুফে বস।

বিস্তারিত আসছে… 




জমকালোভাবে বরণ করা হলো বাংলাদেশ মেয়েদের

দীর্ঘ ১৯ বছর পর সাফের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে আলফাজ আহমেদদের হাত ধরে লাল-সবুজের দেশ দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর আর শিরোপার দেখা পায় নি বাংলাদেশ। অবশেষে নেপালের কাঠমুন্ডুতে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়েছে বাংলার মেয়েরা।

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে আজ দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটে দেশে অবতরণ করেছে নারী ফুটবলরা। কেক কেটে, মিষ্টিমুখ করিয়ে জমকালোভাবে সাবিনা-সানজিদাদের বরণ করেছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির একটি অংশ। এরপর ছাদখোলা বাসে করে বিমানবন্দর থেকে বাফুফে ভবনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে সাফজয়ী কৃতিসন্তানরা।

দেশকে গর্বিত করা যোদ্ধাদের সাদরে বরণ করে নিতে সকাল থেকেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছিল উপচে পড়া ভিড়। রূপনা চাকমা, মারিয়া মান্ডা, সিরাত জাহান স্বপ্নাদের এক নজর দেখতে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছেন সব বয়সের অসংখ্য মানুষ।