লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দল কিনল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান

দেড় মাস পর শুরু হবে শ্রীলঙ্কার ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আসর লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল)। আগামী ১ জুলাই থেকে মাঠে গড়াবে এবারের আসর। তবে, এলপিএলের আগামী আসরে থাকছে না গতবারের রানার্স আপ ডাম্বুলা অরা। নতুন নামে আসছে দলটি, যার মালিকানা থাকছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে।লঙ্কা গ্রুপের মালিকানায় থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানা কিনে নিয়েছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান ইম্পেরিয়াল স্পোর্টস গ্রুপ।…

লঙ্কা গ্রুপের মালিকানায় থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানা কিনে নিয়েছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান ইম্পেরিয়াল স্পোর্টস গ্রুপ। আসন্ন আসরে নতুন নাম ডাম্বুলা থান্ডার হিসেবে খেলবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ইতোমধ্যে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে ইম্পেরিয়াল স্পোর্টস গ্রুপের দুই কর্ণধার তামিম রহমান ও গোলাম রাকিব দলটির মালিকানা বুঝে নিয়েছেন।

২০২০ সালে ডাম্বুলা ভাইকিংস নামে যাত্রা শুরু করেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। পরের বছর নাম পাল্টে জায়ান্টস ফ্র্যাঞ্চাইজি নামে খেলে। সর্বশেষ দুই আসরে মালিকানা বদলে ডাম্বুলা অরা নামে খেলেছে তারা। নিজেদের প্রথম মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকলেও গেল মৌসুমে ফাইনালে উঠেছিল দলটি। তবে, ফাইনালে ক্যান্ডির কাছে হেরে যায়।

Advertisement

এলপিএলে দল নিতে পেরে রোমাঞ্চিত ইম্পেরিয়াল স্পোর্টস গ্রুপের দুই কর্ণধার। নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ইম্পেরিয়ালের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তামিম বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমরা লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে যুক্ত হচ্ছি। এমন একটা দল গড়ে তুলতে চাই যারা স্পিরিট ও দক্ষতা দিয়ে ক্রীড়া অনুরাগীদের উদাহরণ হবে এবং বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটপ্রেমিদের অনুপ্রাণিত করবে।’

আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা গোলাম রাকিব বলেন, ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করার বাইরেও ডাম্বুলা থান্ডারকে প্রসারিত করাই আমাদের লক্ষ্য। শ্রীলঙ্কার কমিউনিটিতে প্রভাব রাখা, ইতিবাচক পদচিহ্ন রাখা এবং স্থানীয় প্রতিভাবানদের পরিচর্যা করতে কাজ করব। আমরা এখানে জিততে এসেছি।’

Advertisement



বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ১৬০০ মিটার দৌড়ে ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। হোম অব ক্রিকেটের উত্থানের আগে এটিই ছিল ক্রিকেটের সব! সেই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামের অ্যাথলেটিকস টার্ফে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা দৌড়ে-দৌড়ে যাচাই করেছেন নিজেদের ফিটনেসের অবস্থান।

শনিবার কাক ডাকা ভোরে ক্রিকেটার-কর্মকর্তারা হাজির হন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। যেটা মূলত নতুন ফিজিও নাথান ক্যালির মস্তিস্কপ্রসূত। বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের অবস্থা দেখতে মূলত এই ব্যবস্থা। ৩৫ ক্রিকেটার অংশ নেন ১৬০০ মিটার ও ৪০ মিটার স্প্রিন্টে।

ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘অ্যাথলেটিকস ট্র্যাক বেছে নেওয়া্র পেছনে আসলে টাইমিংয়ের একটা বিষয় আছে। আমরা যদি আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণ করি তাহলে বেশ কিছু টেস্টিং মেথড আছে, আমরা আজ ১৬শ মিটার টাইম ট্রায়াল নিলাম। অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে যদি নেই, তাহলে প্রপার টাইমিংটা হয়। কারণ ওইভাবেই ক্যালকুলেট করা হয়। এটা ওদের কাছে নতুন মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো।’

ক্রিকেটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এই দৌড়ে। দুই দলে ভাগ হয়ে দৌড়েছেন সব ক্রিকেটার। ১৬০০ মিটার সবার আগে পার হন দুই তরুণ পেসার নাহিদ রানা ও তানজিম হাসান সাকিব। এখানেই দৌড়ে শেষ নয়, মিরপুর জিমনিশিয়ামে ক্যালির অধীনে চলবে নানা সেশন।

বাংলাদেশের বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে এই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা আছে মাত্র দুই ক্রিকেটারের। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ঘরোয়া ক্রিকেটের একটি টুর্নামেন্টে খেলেছিলেন তরুণ মাহমুদউল্লাহ। এ ছাড়া খেলেছেন মুশফিকুর রহিমও। ক্রিকেটার থেকে বোর্ডের কর্তা হওয়া শাহরিয়ার নাফিস ও নাফিস ইকবালও খেলেছেন এই মাঠে, দুজনে উপস্থিত ছিলেন আজ।

স্মৃতিরোমান্থন করতে গিয়ে শাহরিয়ার বলেন, ‘১৯৯৪ সালে প্রথম এই মাঠে আসি আমি। অনেক আইকন ক্রিকেটার এখানে খেলতেন। তাদের দেখতে মাঠে আসতাম। ২০০৪ সালে আমার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস এ মাঠে খেলেছি, ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলাম। তখন হয়তো বুঝিনি। কিন্তু এখন বুঝি সেই ইনিংসটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বন্ধুবন্ধু স্টেডিয়ামের প্রত্যেকটা ইঞ্চি ইতিহাস বহন করে। আমাদের প্রজন্মের খেলোয়াড়, শুধু ক্রিকেটার নয়, অন্য খেলার খেলোয়াড়রাও এ কথা বলবে।’

‘যারা একদম নতুন প্রজন্ম, তারা হয়তো এখানে খেলেনি। কিন্তু এই স্টেডিয়ামের কথা নিশ্চয়ই শুনেছে। অনেকের জন্ম ২০০০ সালের আশেপাশে। তাদের খেলার কথাও নয়। তবে আইকনিক স্টেডিয়াম যেহেতু, এটার গল্প নিশ্চয়ই শুনেছে। দেখুন, নরমালি সকাল ছয়টায় ফিটনেস টেস্ট দেখতে এত মানুষের আসার কথা নয়। যেহেতু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, তাই এসেছে। সবার জন্যই দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল’-আরও যোগ করেন শাহরিয়ার।

এছাড়াও ট্রেনিং সেশনে উপস্থিত ছিলেন দেশী ট্রেনার মীর ইফতি খায়রুল ইসলাম। যিনি সম্প্রতি জাতীয় দলের সঙ্গেও কাজ করেছেন। ইফতি বলেন, ‘এই পরীক্ষার মাধ্যমে বুঝলাম খেলোয়াড়দের অবস্থাটা কি। এটার মধ্যে পাশ-ফেলের কিছু নেই। ডিপিএল গিয়েছে, বিপিএল গিয়েছে। এরপরে ওদের ফিটনেসের অবস্থা কি সেটা জানার জন্য। এটা জানার পর খেলোয়াড়দের কাকে কি অনুশীলন করাতে হবে তা খুঁজে বের করব। ওদের জানিয়ে দেব, ওভাবে আমরা প্রয়োগ করব।




জোড়া সেঞ্চুরির পরও ২৮০ রানে অলআউট শ্রীলংকা

জোড়া সেঞ্চুরির পরও ২৮০ রানে অলআউট শ্রীলংকা

৫৭ রানে ৫ উইকেট পতনের পর অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ও কামিন্দু মেন্ডিসের জোড়া সেঞ্চুরিতে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সব উইকেট হারিয়ে ২৮০ রানের সংগ্রহ পেয়েছে সফরকারী শ্রীলংকা। ধনাঞ্জয়া ও কামিন্দু উভয়েই  ১০২ রান করে করেন। বাংলাদেশের দুই পেসার খালেদ আহমেদ ও অভিষিক্ত নাহিদ রানা ৩টি করে উইকেট নেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাটিংয়ে নেমে খালেদ তোপে পড়ে ৪১ রানে ৩ উইকেট হারায় শ্রীলংকা। দুই ওপেনার নিশান  মাদুশকাকে (২) ও দিমুথ করুনারত্নকে (১৭) এবং তিন নম্বরে নামা কুশল মেন্ডিসকে (১৬) ফেরান খালেদ।
খালেদ তোপের পর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ৫ রানে রান আউট এবং দিনেশ চান্ডিমালকে ৯ রানে ফেরান  আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম। এতে ৫৭ রানে ৫ উইকেট হারায় শ্রীলংকা। এরপর বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন শ্রীলংকার অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ও কামিন্দু মেন্ডিস। ষষ্ঠ উইকেটে ডাবল-সেঞ্চুরির জুটি গড়েন তারা। সেই সাথে সেঞ্চুরির দেখা পান দু’জনই।
৫৭তম ওভারে কামিন্দুকে শিকার করে জুটি ভাঙ্গেন অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা পেসার নাহিদ রানা। ১১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১২৭ বলে ১০২ রান করেন কামিন্দু। এরপর আরেক সেঞ্চুরিয়ান ধনাঞ্জয়াকেও শিকার করেন রানা। ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩১ বলে ১০২ রান করেন লঙ্কার দলনেতা। জুটিতে ২৪৫ বলে ২০২ রান যোগ করেন ধনাঞ্জয়া ও কামিন্দু। দলীয় ২৬৪ রানের মধ্যে ধনাঞ্জয়া ও কামিন্দু ফেরার পর ২৮০ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা। বাংলাদেশের খালেদ ৭২ রানে ও রানা ৮৭ রানে ৩টি করে উইকেট নেন।



লংকানদের ২৮৭ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

 

শ্রীলংকার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করেছেন টাইগাররা। জিততে হলে শ্রীলংকাকে করতে হবে ২৮৭ রান। সর্বশেষ ৩৩ বলে ১৮ রান করে আউট হয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব। এতে তাওহিদ হৃদয় ও তানজিম সাকিবের জুটি ভেঙে যায়। এরপর মাঠে নামেন তাসকিন আহমেদ।

১০২ বলে ৯৬ রান করে বাংলাদেশকে অনেকটাই এগিয়ে রাখেন হৃদয়। আর তাসকিন করেন ১০ বলে ১৮ রান।  সর্বশেষ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফিফটি পেয়েছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হৃদয়ের সর্বশেষ ফিফটি ছিল সেটিই। ৮ ইনিংস পর আরেকটি ৫০ রানের ইনিংসের দেখা পেলেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার সপ্তম ফিফটি।
এদিকে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ইনিংসের প্রথম বলে বোল্ড হয়েছিলেন লিটন দাস। গোল্ডেন ডাকের পর এবার খেলতে পারলেন মোটে ৩ বল। তবে রানের খাতা খুলতে পারেননি। আজও ডাক খেয়েই ফিরেছেন এই ওপেনার। লঙ্কান পেসার দিলশান মাদুশঙ্কার করা প্রথম ওভারে স্কয়ার লেগে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়েছেন লিটন।
শ্রীলংকার বিপক্ষে আজ ম্যাচ জিতলেই সিরিজ জয়, হারলে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ম্যাচের জন্য। প্রথম ওয়ানডেতে দাপুটে জয়ের পর এখন অনেকটাই চাপমুক্ত টাইগাররা। শেষ দুই ম্যাচের একটি জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত।
শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলতে নামছে দুই দল। বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হয় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম হাসান।
শ্রীলংকা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, আবিস্কা ফার্নান্দো, কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), সাদিরা সামারবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, জেনেথ লিয়ানাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাহেশ থিকশানা, প্রমোদ মাদুশান, দিলশান মাদুশঙ্কা ও লাহিরু কুমারা।



ভুটানকে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

কে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ। গুণে গুণে অর্ধডজন বল দিলো তাদের জালে। ফলে অপরাজিত থেকেই শিরোপার লড়াইয়ে নামবে বাঘিনীরা। সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শুক্রবার ভুটানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। কাঠমান্ডুর আনফা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ভুটানকে ৬-০ গোলে হারায় বাংলাদেশের নারীরা। তুলে নেয় আসরে হ্যাটট্রিক জয়।

ফাইনালে আগেই পা রেখেছিল বাংলাদেশ, নেপাল আর ভারতকে হারিয়ে নিশ্চিত করেছিলো শিরোপার লড়াই। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচটা ছিল শুধুই নিয়মরক্ষার। তবুও ম্যাচটাকে বেশ গুরুত্বের সাথেই নেয় বাঘিনীরা৷ ম্যাচের মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় গোল উৎসবে মাতে বাংলাদেশ। দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকা দলকে প্রথ উপলক্ষ এনে দেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। তার গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফাতিমা আক্তারের লম্বা ক্রস ধরতে হেড করে বল জালে জড়ান তিনি।
২০ মিনিটের ব্যবধানে স্কোর দ্বিগুণ করেন ফাতিমা। ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন তিনি। উল্লাস থামার আগেই ফের গোল পায় বাংলাদেশ। ৩৫ মিনিটে কর্নার থেকে ব্যবধান বাড়ান থুইনুই। ফাতিমার কর্নার ধরর হেডে খুঁজে নেন জাল। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও ভুটানের জালে বল পাঠায় বাংলাদেশ। এবার মৌমিতা খাতুনের আড়াআড়ি ক্রসে প্রীতি পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হলে গোলমুখেই পেয়ে যান সাথী। টোকা দিয়ে বাকি কাজ সারেন তিনি।
৬৯ মিনিটে ব্যবধানটা আরো বড় করেন থুইনুই। আগের মিনিটেই তার একটি শট ঠেকিয়ে দেন ভুটান গোলকিপার। তবে এবার আর পারেননি। মৌমিতা খাতুনের ক্রস ধরে দূর পোস্টে জোরালো শট নেন তিনি, বল ভুটান গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৫-০। ৭৭ মিনিটে দলের হয়ে শেষ গোলটি করেন প্রীতি। একক চেষ্টায় তিনজনকে কাটিয়ে পেনাল্টি এরিয়ায় ঢোকে বল জালে জড়ান তিনি। ১০ মার্চ ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।



স্পেনে এমবাপ্পের দাপট, কোয়ার্টারে পিএসজি

সর্বশেষ ম্যাচে মোনাকোর বিপক্ষে গোল শূন্য সমতা করে পিএসজি। ওই লিগ ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষেই কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বেঞ্চে বসিয়ে দেন কোচ লুইস এনরিকে। এমবাপ্পে ডাগ আউটে না বসে স্যুট-বুট পরে লাউঞ্জে গিয়ে বসেন। বিষয়টি নিয়ে জলও ঘোলা হয়েছে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজির শুরুর একাদশে থাকবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় ছিল। কিন্তু এমবাপ্পে শুধু একাদশে থাকলেও না, স্পেনে গিয়ে শুরুতেই লিখে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য।

রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠ এনোয়েতায় ম্যাচের ১৫ মিনিটে গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদে আসার জোর গুঞ্জন ওঠা ফ্রান্সম্যান। কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে দলকে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলের লিড এনে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে আবার গোল করেন তিনি। তবে শেষ সময়ে অর্থাৎ ৮৯ মিনিটে গোল খেয়ে ম্যাচটি ২-১ গোলে জেতে প্যারিসিয়ানরা।

দুই লেগ মিলিয়ে প্যারিসের দলটি ৪-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে পা দিয়েছে। অথচ লুইস এনরিকের দলের গ্রুপ পর্ব পার হওয়া নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শেষ ষোলোর এই লড়াইয়ে দুই লেগে তিন গোল করলেন পিএসজির নাম্বার সেভেন।




৮ উইকেটের জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৫ রানের সংগ্রহ গড়ে লঙ্কানরা। জবাবে শান্তর ছক্কায় ১১ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিক শিবির। আর অধিনায়ক পেলেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ পঞ্চাশের দেখা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরে ব্যাটিং করে এটিই সবচেয়ে বড় জয়। আগামী শনিবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে দুই দল।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ মানেই উত্তাপ, সেই রেশ দেখলো এবার সিলেটের মাঠ। লঙ্কানদের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন ও সৌম্য। ভালো শুরুর পর চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে ভাঙতে বসেছিল বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। বিনুরা ফার্নান্ডোর শর্ট লেংথের বলে পুল করেন সৌম্য। লঙ্কান বোলারের আবেদনে সাড়া দিয়ে সৌম্যকে আউট দেন আম্পায়ার গাজী সোহেল। আউটের বিপক্ষে রিভিউ করেছিলেন সৌম্য। আল্ট্রা এজে স্পাইক দেখা গেলেও হালকা ফাঁকা দেখা গেছে। যেটির কারণে টেলিভিশন আম্পায়ার মাসুদুর রহমান ‘নট আউট’ ঘোষণা দেন। আউট ভেবে প্রায় বাউন্ডারির কাছে পৌঁছে যাওয়া সৌম্য ফিরে আসেন আবার।




হকির মিটিংয়ে ‘তুলে’ নেওয়ার হুমকি

ক্লাব কাপ হকির সফলতার পর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে প্রিমিয়ার হকি লিগ। কিন্তু এই সূচি প্রকাশ নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজই মাঠে গড়ানোর কথা ছিল এই লিগের। কিন্তু একটি ক্লাবকে (মেরিনার্স) সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে লিগ বয়কটের হুমকি দেয় ঊষা ক্রীড়া চক্র। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় আবাহনী লিমিটেড ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

এই তিন ক্লাবের দাবি ছিল, ৬ মার্চই লিগ শুরু করতে হবে। বিষয়টি সুরাহার জন্য ক্লাবগুলোর কর্মকর্তাদের নিয়ে সোমবার রাতে জরুরি সভা ডাকে হকির কার্যনির্বাহী কমিটি। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া মিটিং শেষ হয় রাত সাড়ে ৯টায়। আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে ক্লাব কর্মকর্তাদের মধ্যে চলে তুমুল বাগ্বিতণ্ডা আর হট্টগোল। যেখানে একে অন্যকে ‘তুলে’ নেওয়া, এমনকি হত্যার হুমকিও দিয়েছেন কেউ কেউ। টেবিল চাপড়ে একে অপরকে গালাগাল করাসহ অপ্রীতিকর অনেক কিছু ঘটেছে বলে মঙ্গলবার সমকালকে জানান মিটিংয়ে উপস্থিত একাধিক সূত্র।

কয়েক দিন আগে শেষ হয়েছে ক্লাব কাপ হকি। দুই বছরেরও বেশি সময় পর নীল টার্ফে খেলা গড়ানোয় হকি অঙ্গনে উন্মাদনা বইছে। কিন্তু লিগ শুরুর আগে চিরাচরিত টেবিলের উত্তাপটা নতুন করে দেখা মিলল। কর্মকর্তাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি, হকির স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থই যেন বড় হয়ে উঠেছে সবার মধ্যে। মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের বোর্ডরুমে গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে লিগের সূচিকে কেন্দ্র করে মারপিটের পর্যায়ে চলে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, রুমের মধ্যেই চেয়ার ছেড়ে উঠে চিৎকার চেচামেচি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ক্লাব কর্তাদের কেউ কেউ বারান্দায় গিয়েও হৈহুল্লোড় করতে থাকেন। পাশে গুলিস্তানের রাস্তায় পথচারিরা দাঁড়িয়ে পড়েন। কেউ কেউ গাড়ি থামিয়ে বোঝার চেষ্ট করেন, ঠিক কী হচ্ছিল সেখানে। বৈঠকে উপস্থিত এক ক্লাব কর্তা হতাশ হয়ে বলেন, ‘একটা সূচি নিয়ে এক কথা, দুই কথায় লেগে গেল। সে এক ভয়ানক অবস্থা। এ এরে খুন করতে চায়। সে তারে উঠায়ে নিতে চায়। এত বাজে ভাষা সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বলার মতো না।’

মূলত ঝামেলাটা হচ্ছে মেরিনার্সের সঙ্গে আবাহনী, মোহামেডান ও ঊষার। মেরিনার্সের দাবি ছিল, তাদের ম্যাচে যদি বিদেশি আম্পায়ার না থাকেন, তাহলে লিগের পুরো সময় দেশি আম্পায়ার দিয়েই খেলা চালাতে হবে। কিন্তু ফেডারেশনের কর্তাদের ভাষ্য হলো, লিগ শুরুর দু-এক দিন পর বিদেশি আম্পায়ার আসবেন। তাতে সায় ছিল ঊষা ক্রীড়া চক্রের। এই আম্পায়ার ইস্যুতেই মিটিং হয়ে ওঠে আরও উত্তপ্ত। আর মিটিংয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে মেরিনার্স ও আবাহনীর কর্তাদের মধ্যেই।

একে অপরকে তুলে নেওয়ার হুমকি এবং খুন করার হুমকি দেন। পুরো ঘটনার চিত্রটা ফোনে আবাহনীর ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের অবহিত করেন মিটিংয়ে উপস্থিত এক কর্মকর্তা। এই অবস্থায় ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম মমিনুল হক সাঈদ চুপ ছিলেন।

এমন ঘটনার জন্য ফেডারেশনের কিছু ভুল সিদ্ধান্তকে সামনে এনেছেন মিটিংয়ে উপস্থিত অন্য এক সদস্য, ‘আসলে এই মিটিংগুলো হয় এজেন্ডা ছাড়াই। কাগজপত্র ছাড়াই। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, একেক ক্লাব একেকটা দাবি তোলে। এত বড় একটা ফেডারেশন, তারা কথা বলবে এজেন্ডার ওপরে। আগের মিটিংয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এর বাইরে তো কথা হতে পারে না। এখানে ব্যক্তিগত আক্রমণ হয় বেশি। আমি দেখে অবাক হয়ে গেছি।

একেকজনের মুখ থেকে যে ভাষাগুলো বের হয়। কালকে একেকজনের আচরণ এবং শারীরিক ভাষা দেখে মনে হয়েছে, হকির কোনো ভবিষ্যৎই নেই। কেউ কাউকে মানছে না। কোনো প্রটোকল নেই। কেউ কাউকে দেখতে পারে না। এটা তো আসলে বোর্ড মিটিং। কোনো ক্লাবের মিটিং না। আর কোনো পাড়ার ক্লাবে এ রকম গালাগাল হতে পারে কিনা, তা নিয়ে আমার সন্দেহ। এটা সরকারি একটা প্রতিষ্ঠান। বোর্ড মিটিংয়ে ভদ্র পরিবেশ এবং অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। কিন্তু তা ছিল না।’




নারী ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গতির বোলিংয়ের রেকর্ড

নারী ক্রিকেটে রেকর্ড গতির বোলিং করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার শাবনিম ইসমাইল। প্রথমবার নারীদের ক্রিকেটে ১৩০ কিলোমিটারের বেশি গতি তোলার কীর্তি গড়েছেন তিনি।

বুধবার ভারতের ওমেন্স প্রিমিয়ার লিগে (ডব্লিউপিএল) ১৩২.১০ কিলোমিটার গতিতে একটি বল করেছেন প্রোটিয়া এই নারী পেসার। ম্যাচটি অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে খেলেছে শাবনিমের দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

এর আগে নারীদের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গতির বোলিং ছিল ১২৮ কিলোমিটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০১৬ সালে ওই গতিতে বোলিং করেছিলেন শাবনিম ইসমাইল-ই। ২০২২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ১২৭ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করেছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়া শাবনিমের দ্রুতগতির ওই বলটির মুখোমুখি হন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার মেগ লেনিং। বলটি তার প্যাডে আঘাত করে। ম্যাচ শেষে প্রোটিয়া এই নারী পেসার বলেন, ‘বল করার সময় বিগ স্ক্রিনে তাকানো হয়নি (কত গতি উঠেছে দেখার জন্য)।’




বিশ্বকাপ ব্যর্থতার প্রতিবেদন জনসম্মুখে চান সুজন

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত ফল পায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বড় মঞ্চে ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করতে তিন সদস্যের মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রায় মাস পাঁচেক পেরিয়ে গেলেও মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি। গত ৫ মার্চ  ‘বিশ্বকাপ ব্যর্থতা: দুই পরিচালককে দুষলেন ক্রিকেটাররা’ প্রতিবেদনে উঠে আসে মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ না পাওয়ার কারণ। 

বিসিবির একটি সূত্র জানায়, বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে থাকা দু’জন পরিচালকের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন ক্রিকেটাররা। যেটা অস্বস্তিতে ফেলেছিল মূল্যায়ন কমিটিকেও। অভিযুক্ত পরিচালকদ্বয়কে লজ্জার হাত থেকে বাঁচাতে মূল্যায়ন প্রতিবেদনের অনুলিপি পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থাপন করা হয়নি বলে জানান তারা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও বিষয়টি চেপে গেছেন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে।

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণ বলতে গিয়ে একে অন্যের ওপর দোষ চাপাতে চেষ্টা করেছেন টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা। বিশ্বকাপে তামিমের না থাকার দায় হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসে, হাথুরুসিংহে চাননি তামিম বিশ্বকাপ দলে থাকুক।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর আজ সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন বিসিবি পরিচালক ও বিশ্বকাপে বাংলাদেশের টিম ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ সুজন। বাংলাদেশের সাবেক এই ক্রিকেটার অবশ্য তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করার পক্ষে। তবে বোর্ড যদি আড়ালেও সমাধান করতে চায়, তাতেও সমস্যা নেই তার।

বুধবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন তো বিসিবি প্রকাশ করেনি। কোথা থেকে খবরটা এসেছে জানি না। এমন কিছু (হাথুরুর কারণে তামিমের না থাকা) হলে বিসিবি নিশ্চয়ই দেবে। আমি জানি না, এটা প্রকাশ হবে কি, হবে না। যারা তদন্ত করেছেন, তারা সেটি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট স্যারকে। উনি যদি মনে করেন এটা বের করা দরকার, তখনই বোঝা যাবে কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা।’

বিসিবির প্রভাবশালী পরিচালক সুজন অবশ্য মনে করেন, তদন্ত প্রতিবেদন সবার সামনে আসা উচিত। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, প্রতিবেদনে এসেছে, সেটা প্রকাশ করা উচিত। প্রকাশ করলে ভালো। কারণ যদি আমাদের কোনো সমস্যা থাকে সেটা সমাধান হবে। আর বোর্ড যদি মনে করে, এটা প্রকাশ করব না, আমরাই সমাধান করব বোর্ড থেকে, সেটাও হতে পারে। এটা বিসিবির একটা ব্যাপার, প্রেসিডেন্ট স্যারের ব্যাপার। তবে আমি মনে করি না, কারও কারণে ম্যাচ হেরে যায়।’

কারো হস্তক্ষেপ দল খারাপ করতে পারে, এটা মনে করেন না মাহমুদ, ‘এটা দলীয় খেলা, একক কারোর কারণে কিছু হতে পারে বিশ্বাস করি না। পরিকল্পনার সমস্যা থাকতে পারে, সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু আমি মনে করি না কোনো ব্যক্তির কারণে ম্যাচ হেরে যাবে বা জিতে যাবে! হ্যাঁ, অনেকেই ম্যাচ জেতায়, কিন্তু আমার মনে হয় খেলা তো মাঠে হয়। বাইরে থেকে তো আপনি এসব নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। আমি আসলে এটা নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।’