লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন

মোঃ বদিউজ্জামান ( তুহিন):

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত নভেম্বর/২০২২ মাসের মাসিক কল্যাণ সভায় লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ নভেম্বর মাসের সার্বিক আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনসহ সামগ্রিক কর্ম মুল্যায়নে লক্ষ্মীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোসলেহ্ উদ্দিন কে লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে মনোনীত করেন এবং শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ ক্রেস্ট, সম্মাননা সনদ ও বিশেষ পুরষ্কার প্রদান করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মনোনীত করায় লক্ষ্মীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোসলেহ্ উদ্দিন লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আরো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অত্র থানার সকল অফিসার ফোর্সদের প্রতি।




সংস্কৃতিকর্মীরা সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি: আনোয়ার খান এমপি

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড আনোয়ার হোসেন খান বলেছেন, সংস্কৃতিকর্মীরা সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি। তাঁরা কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে দাঁড়াইনি। মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সংস্কৃতি চর্চার কোন বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মোদ্যোগ গ্রহণের ফলে বিগত দশ বছরে সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

১৬ (ডসেম্বর) শুক্রবার রাতে রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসম্মান্য অবদানের জন্য আট জন সংস্কৃতিকর্মীকে মরণোত্তর শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করা হয়।

তারা হলেন-রামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোতাহার হোসেন পাটোয়ারী, আওয়ামিলীগ নেতা শাহজাহান মাস্টার, সংগীত শিল্পী স্বপন চক্রবর্ত্তী, বিশ্বেশ্বর সাহা, রাধেশ্যাম পাটোয়ারী, মলয় নন্দী, জয়দেব চন্দ্র সাহা, কৃষ্ণ গোপাল বাউল। অনুষ্ঠানে তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধান অতিথি আনোয়ার খান এমপি।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মীরার সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার শরীফ উল্লাহ্ সামছ্ এর উপস্থাপনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র বেলাল আহম্মেদ,মুক্তিোযদ্ধা­ তোসাদ্দেক হোসেন মানিক মাল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম অপু মাল, উপজেলা প্রসাশনের কর্মকর্তা/­কর্মচারীবৃন্দ এসময় সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




সেনবাগের বিজবাগ ইউনিয়নে যথাযোগ্য মর্যাদা বিজয় দিবস পালিত

মোঃবদিউজ্জামান ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সেনবাগের ৮ নং বিজবাগ ইউনিয়ন আ. লীগের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আ. লীগ নেতা সেলিম উদ্দিন ( কাজল)




সোনামুড়ী বারগাঁও ইউনিয়নে বিজয় দিবস উদযাপন

মোঃ বদিউজ্জামান ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সোনামুড়ী ৪ নং বারগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে কাশীপুর বাজারস্হ চেয়ারম্যান আ. লীগ নেতা শামছুল আলম বিএসসির ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান শামসুল আলম বিএসসি, আ. লীগ নেতা সোহাগ সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ ।




দৈনিক ইনকিলাবের নোয়াখালী প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক আর নেই

মোঃ বদিউজ্জামান (তুহিন) নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

দক্ষিন জনপদের বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক ইনকিলাবের নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান এবং ইনকিলাব ব্যুরো প্রধান ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব আনোয়ারুল হক আনোয়ার আর নেই।
তিনি শুক্রবার বিকেলে আকস্মিকভাবে ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল (৫৮)। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে
গেছেন।
তাঁর এই আকস্মিক ইন্তেকালে ইনকিলাব সম্পাদক, ইনকিলাব পরিবারের প্রতিটি সদস্য
,তাঁর নিজ জেলা নোয়াখালী সহ সারাদেশের সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সদ্য মরহুম আনোয়ারুল হক আনোয়ার দৈনিক ইনকিলাবের জন্ম লগ্ন থেকেই পত্রিকাটির সাথে
যুক্ত হয়ে মৃত্যুকালীন পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৬ ডিসেম্বর দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদকের
সাথে ব্যুরো প্রধানদের বৈঠককালে ইনকিলাবের উন্নয়নে সকলের জন্য
উদ্দীপনা মুলক বক্তব্য রাখেন।

সভার পরে অনুষ্ঠিত ব্যুরো প্রধান ফোরামের পুনর্গঠনকালে পুনরায় তিনি সদস্য সচিব পদে
পুনঃনির্বাচিত হন।
মরহুম আনোয়ারুল হক আনোয়ার দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক মন্ত্রী মরহুম আলহাজ্ব এম এ মান্নান ( রহঃ ) এবং সম্পাদক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন এর অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন।
সব সময় হাস্যোজ্জল এই মানুষটি সকল ব্যুরো প্রধান, জেলা সংবাদদাতার কাছে ছিলেন প্রিয় ভাজন।
ইনকিলাব সম্পাদকের শোক।।
মরহুম আনোয়ারুল হক আনোয়ারের আকস্মিক ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইনকিলাব সম্পাদক ইনকিলাব পরিবারের অভিভাবক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন।
শোক বার্তায় ইনকিলাব সম্পাদক বলেন, মরহুম আনোয়ারুল হক আনোয়ারের ইন্তেকালে পুরো
ইনকিলাব পরিবার শোকাহত।
তার এই অকাল প্রস্থান ইনকিলাবের জন্য এক অপুরনীয় ক্ষতি।
তিনি মরহুমের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। তাঁর বিদেহী রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
ব্যুরো প্রধান ফোরামের শোক।।

দৈনিক ইনকিলাব ব্যুরো প্রধান ফোরামের সভাপতি ও রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রেজাউল করিম রাজু, কোষাধ্যক্ষ রবিউজ্জামান, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান শফিউল আলম ও বিশেষ সংবাদদাতা রফিকুল ইসলাম সেলিম, বরিশাল ব্যুরো প্রধান নাছিম উল আলম,
দিনাজপুর ব্যুরো প্রধান মাহফুজুল হক আনার,বগুড়া ব্যুরো প্রধান মহসিন রাজু, খুলনা ব্যুরো প্রধান ডিএম রেজা সোহাগ, যশোর ব্যুরো
প্রধান সাহেদ রহমান, সিলেট ব্যুরো প্রধান ফয়সাল আমিন,কক্সবাজার ব্যুরো প্রধান শামসুল হক শারেক এবং ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান শামসুল আলম খান মরহুম আনোয়ার আনোয়ারুল হকের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
মরহুমের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে এই শোক বার্তায় বলা হয় ইনকিলাব ব্যুরো প্রধান ফোরাম সব সময় মরহুমের পরিবারের সাথে থাকবে ইনশাআল্লাহ।




রাজিবপুরে মহান বিজয় দিবস পালন

সাব্বির মামুন, (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা:

আজ ১৬ই ডিসেম্বর শুক্রবার মহান বিজয় দিবস । কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উদযাপিত হয়েছে । লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয় এ দিনটি উৎসাহ , উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়।

আনুষ্ঠানিক ভাবে সকল প্রস্তুতি শেষে সকাল ১১ ঘটিকায় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত চক্রবর্ত্তী সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, রাজিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল হাই সরকার, হুমায়ুন কবির ছক্কু, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চর রাজিবপুর উপজেলা শাখা, চর রাজিবপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম, বেলাল সরকার, ডেপুটি কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজিবপুর, রফিকুর ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা ও আব্দুর রউফ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রমুখ ।




লক্ষ্মীপুর জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও রামগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক সায়েম হোসাইন।

লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল ও সাধারণ মাহাবুব ইমতিয়াজ এ অনুমোদন দেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া ও লক্ষ্মীপুর জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল ও সাধারণ মাহাবুব ইমতিয়াজ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এই সময় সায়েম হোসাইন বলেন, আমি আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সাবেক ছাত্রলীগ ও উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলাম । আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দিন রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবো।




‘স্বাধীনতার ৫১ বছরে যা কিছু অর্জন সব জাতির পিতার হাত ধরেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার পর বিগত ৫১ বছরে আমাদের যা কিছু অর্জন তা জাতির পিতা এবং আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশকে ‘স্বল্পোন্নত’ দেশে উন্নীত করেন, আর আমরা মাতৃভূমিকে ‘উন্নয়নশীল’ দেশের কাতারে নিয়ে গেছি। স্বাধীনতার পর বিগত ৫১ বছরে আমাদের যা কিছু অর্জন তা জাতির পিতা এবং আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এ উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে, ইনশাল্লাহ ।

১৬ ডিসেম্বর ‘মহান বিজয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজয় দিবস বাঙালি জাতীয় জীবনের এক অনন্য গৌরবোজ্জ্বল দিন। এদিন বিজয়ের ৫১ বছর পূর্তি হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ ২৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এ দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে বাঙালি জাতি।




ফুল হাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জনতার ঢল নেমেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায়। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীন দেশ, সেই শহীদদের স্মরণে শুক্রবার প্রথম প্রহরেই জেগে উঠে স্মৃতিসৌধ এলাকা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর হাতে ফুল নিয়ে স্মৃতিসৌধে শহীদদের জন্য তৈরি বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান হাজারো মানুষ। সূর্য সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিবেদনে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদীতে ফুল দিচ্ছেন আবালবৃদ্ধবনিতা।

হাজারো মানুষের আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে স্মৃতিসৌধ এলাকা উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শীতকে উপেক্ষা করে ভোর থেকেই ভিড় করতে থাকেন শিশু-ছেলে-বুড়োসহ সব বয়সী মানুষ। শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন যুদ্ধাহত অনেক মুক্তিযোদ্ধাও। তাদের অনেকের হাতে শোভা পাচ্ছিল লাল-সবুজের পতাকা আর রঙবেরঙের ফুল। পোশাকেও লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি। অনেকের হাতে শোভা পাচ্ছে ব্যানার। অনেকের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে দেশের গান।

ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের কর্মসূচি। ভোর সাড়ে ছয়টার পর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাদের চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বস্তরের মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এরপর ফুল হাতে জনতার ঢল নামে সৌধ প্রাঙ্গণে। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহীদের স্মৃতির মিনার।

বিজয় দিবসে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন জন্য আসায় সৌধ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।




বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

আজ শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৭টার দিকে তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রথমে স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তখন রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এসময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।