তজুমদ্দিনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করেন এম পি শাওন

ভোলা প্রতিনিধি:

ভোলার তজুমদ্দিনে আশ্রয়ের শীতার্থ মানুষের মাঝে দুই হাজার কম্বল বিতরন করেন এম পি শাওন। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের মাঠে ও চাঁদপুর ইউনিয়নের গুরিন্দা বাজার আবাসনের মাঠে এই কম্বল বিতরন করেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম পি শাওন বলেন বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারনে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় মানুষ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে আশ্রয়নের অসহায় এবং হতদরিদ্র মানুষের জন্য শীতবস্ত্র পাঠিয়েছেন। তারেই নির্দেশনায় আমি আপনাদের মাঝে এসে হাজির হয়েছি শীত বস্ত্র নিয়ে। মুজিব বর্ষে আপনাদের জন্য পাকা ঘরের ব্যবস্থা করেছে যাতে করে আপনাদের বাসস্থান তৈরি হয়। এই প্রচন্ড শীতে আপনাদের জন্য কম্বল পাঠিয়েছে। আমরা চাই আগামী নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করবেন।

চাঁচড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের মিয়ার ও চাঁদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সহিদুল্যাহ কিরনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাবা মরিয়ম বেগম। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক জনাব ফজলুল হক দেওয়ান। তজুমদ্দিন থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাসুদুর রহমান মুরাদ। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মহিউদ্দিন পোদ্দার। তজুমদ্দিন হোসনেয়ারা চৌধুরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন সুমন,জেলা পরিষদের সদস্য ইশতিয়াক হাসান, শম্ভুপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রাসেল মিয়া সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।




জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষে ৪ মামলা, আসামি দেড় শতাধিক

রাজধানীর মৌচাক এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা করেছে পুলিশ। তিন থানায় করা এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে জামায়াতের দেড় শতাধিক নেতাকর্মীকে।

মতিঝিল বিভাগের ডিসি হায়াতুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর অনুমতি ছাড়াই জামায়াতের লোকজন মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

এ সময় দলটির নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়। এর মধ্যে রামপুরা থানায় একটি, খিলগাঁও থানায় দুটি এবং শাহজাহানপুর থানা একটি মামলা হয়েছে।

খিলগাঁও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুকুল আলম বলেন, আমার থানায় দুটি মামলা হয়েছে। দুই মামলার বাদী এসআই রেজাউল ইসলাম। মামলায় ৭৫ জন আসামির নাম উল্লেখ থাকলেও বাকিরা অজ্ঞাত। দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।




একাদশে ভর্তির ফল রাতে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল শনিবার রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। ভর্তিচ্ছুরা ভর্তির ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে পারবেন।

সোয়া ১৩ লাখ ২৩ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু একাদশে ভর্তির আবেদন আবেদন করেছিল। তারা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন পছন্দ দিয়েছেন।

অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) রাত ৮টায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে বলে ভর্তি নীতিমালায় জানানো হয়েছে।




ডলারের হিসাবে টাকার মান কমেছে ২৫ ভাগ

তীব্র সংকটের কারণে চলতি বছর ডলারের বিপরীতে টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়ন হয়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে লাগামহীনভাবে বেড়েছে ডলারের দাম, কমেছে টাকার মান। বছরের প্রথম দিকে ডলার বাজার স্থিতিশীল থাকলেও মে মাস থেকে চরম অস্থিরতা বিরাজ করে। অস্থিরতা কমলেও সংকট এখনো প্রকট। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে এক বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ২৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সর্বোচ্চ দরের হিসাবে ৩৫ দশমিক ২০ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। অন্যদিকে খোলা বাজারে ডলারের দামের হিসাবে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৩৭ শতাংশ।

ADVERTISEMENT

গত ১০ বছরের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, করোনার কারণে ডলারের চাহিদা কম থাকায় ও আয় বেশির কারণে ২০২০ সালে টাকার মান বেড়েছিল সামান্য। অন্যান্য সময়ে ডলারের দাম বেড়েছে। টাকার মান কমেছে। সেগুলোর বেশিরভাগই ১ শতাংশের কম থেকে ২ শতাংশের মধ্যে। শুধু ২০১৭ সালে কমেছিল পৌনে ৫ শতাংশ। শুধু এবারই রেকর্ড হারে ২৫ শতাংশ কমেছে। অন্য হিসাবে কমেছে ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতির হারে ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে বাংলাদেশসহ অনেক দেশ সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুস্মরণের ঘোষণা দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মূল্যস্ফীতির হার ঠেকাতে কয়েক দফায় তাদের নীতি সুদের হার বাড়ায়।

ডলারের দামও বেড়ে যায়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বাংলাদেশেও। তবে আগে থেকেই দেশের অর্থনীতিতে নানা সংকট দেখা দিয়েছিল। যুদ্ধের ধাক্কায় এ সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমায় ডলার সংকট প্রকট হয়। রিজার্ভ থেকে ডলারের জোগান দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। তারপরও ডলারের দাম বেড়েছে পাগলা ঘোড়ার গতিতে। অতীতে কোনো সময়ে এভাবে ডলারের দাম বাড়েনি।

নতুন বছরেও ডলার সংকট থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিজার্ভ আরও কমতে পারে। তবে বৈদেশিক ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। মার্চ থেকে ঋণের অর্থ ছাড় হতে পারে। জুনের দিকে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণ পাওয়া যেতে পারে। এরপর ডলার বাজারে চাপ কিছুটা কমতে পারে।

গত বছরের শেষ দিন বা চলতি বছরের শুরুর দিনে ব্যাংকের হিসাবে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা। বছর শেষে বৃহস্পতিবার শেষ লেনদেনের দিনে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১০৭ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। ওই এক বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ২১ টাকা ২০ পয়সা। এ হিসাবে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ২৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে গত অক্টোবরে ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১১৬ টাকা হয়েছিল। সরকারি খাতে ব্যাংকসহ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক সর্বোচ্চ ১১৬ টাকা করে রেমিট্যান্স কিনেছে। একই দরে তারা আমদানির জন্য আগাম ডলার বিক্রি করেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও ওই দরে ডলার কিনে দেনা পরিশোধ করেছে। এই হিসাবে গত এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা ২০ পয়সা। এ হিসাবে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৩৫ দশমিক ২০ শতাংশ। খোলা বাজারে বছরের শুরুর দিকে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা। তখন ডলারের চাহিদা কম থাকায় ব্যাংকের চেয়ে দাম কম ছিল খোলা বাজারে। এখন তা বেড়ে সর্বোচ্চ ১১৭ টাকায় উঠেছে। এ হিসাবে ডলারের দাম বেড়েছে ৩১ টাকা ৫০ পয়সা। ওই সময়ে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৩৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

চলতি বছরে ডলার ছাড়াও অন্যান্য প্রধান প্রতিযোগী মুদ্রার বিপরীতেও টাকার মান কমেছে। এর মধ্যে বছরের শুরুতে যুক্তরাজ্যের মুদ্রা পাউন্ডের দাম ছিল ১১৫ টাকা। বৃহস্পতিবার তা বেড়ে দাড়ায় ১২৮ টাকায়। ওই সময়ে পাউন্ডের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ১১ দশমিক ৩০ শতাংশ। একই সময়ের ব্যবধানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরোর দাম ৯৭ টাকা থেকে বেড়ে ১১৩ টাকা হয়েছে।

এর বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে সাড়ে ১৬ শতাংশ। ভারতীয় রুপির দাম বছরের শুরুতে ছিল ১ টাকা ১৫ পয়সা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা বেড়ে হয়েছে ১ টাকা ৩৩ পয়সা। গত এক বছরে রুপির বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে সৌদি রিয়ালের দাম ২২ টাকা থেকে বেড়ে ২৮ টাকা হয়েছে। এর বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। একই সময়ে কানাডিয়ান ডলারের দাম ৬৭ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৮০ টাকা। ওই সময়ে এর বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

চলতি বছরে ডলারের বিপরীতে প্রায় দেশের মুদ্রার মানই কমেছে। ডলারের বিপরীতে যেভাবে ইউরো, পাউন্ড, ভারতীয় রুপির দাম কমেছে, সে তুলনায় টাকার মান কম হারে কমেছে। তবে সৌদি রিয়ালসহ আরও কিছু দেশের মুদ্রার মান ডলারের বিপরীতে কমেনি। বরং বেড়েছে। ওইসব দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী অবস্থানে থাকায় মুদ্রার মান কমেনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০০৯ সালে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৬৯ টাকা ১৭ পয়সা। ২০১০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ টাকা ৬১ পয়সায়। ওই এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছিল ২ দশমিক ০৮ শতাংশ। এরপর থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর প্রায় কাছাকাছি হারে টাকার মান কমেছিল।

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে প্রতি ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৭৮ টাকা ৭৮ পয়সায়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৮ টাকা ৮০ পয়সায়। ওই এক বছরে ডলারের দাম বড়েছে মাত্র ২ পয়সা। এ হিসাবে টাকার মান কমেছে শূন্য দশমিক ০৩ শতাংশ।

২০১৭ সালে প্রতি ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮২ টাকা ৫৫ পয়সা। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে ডলারের দাম বাড়ে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা। ওই সময়ে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২০১৮ সালে ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮৩ টাকা ৯০ পয়সায়। আগের বছরের তুলনায় ডলারের দাম বাড়ে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। টাকার মান কমে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে ডলারের দাম বেড়ে হয় ৮৪ টাকা ৯০ পয়সা। আগের বছরের তুলনায় দাম বৃদ্ধি পায় ১ টাকা। টাকার মান কমে ১ দশমিক ১৯ শতাংশ।




নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে ২০২৩ সালের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

আগামীকাল ১ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় পাঠ্যবই উৎসব উদযাপন করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের বই উৎসব গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হবে। আর প্রাথমিক পর্যায়ের বইয়ের কেন্দ্রীয় উৎসব হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে। অনুষ্ঠানে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ বিশিষ্ট ব্যক্তি, কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

এনসিটিবি জানায়, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় ৩৫ কোটি পাঠ্যবই ছাপানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যবই প্রায় ১০ কোটি। বাকি ২৫ কোটি মাধ্যমিক ও অন্যান্য বিষয়ের বই রয়েছে। বই উৎসবের আগে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৮০ শতাংশ বই জেলায় পৌঁছে দেয়া সম্ভব হলেও প্রাথমিকের বড় অংশের বই পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়বে। প্রাথমিকের বই দেরি করে ছাপা শুরু হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যবই দেয়া শুরু করে সরকার। এরপর ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের উৎসব করে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়, ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস

হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজকের তাপমাত্রা অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলে যাচ্ছে।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সারাদেশে মধ্যে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

জানা গেছে, উত্তরের হিমেল হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রিকশা-ভ্যান চালকসহ শ্রমজীবীরা। দৈনন্দিন আয় কমে গেছে দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষের। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা কষ্টে দিনযাপন করছে।

বিভিন্ন এলাকায় খড়কুটো জ্বালিয়ে বাড়ির আশপাশে এবং পথঘাটে শীতার্তদের শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যেবক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেল শাহ্ বলেন,এ জেলায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ার কারনে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। আজকে সকাল ৯ টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল ছিল একই ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।




আনন্দ টিভির “শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক” লক্ষ্মীপুরের বিএম সাগর

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন আনন্দ টিভির শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক নির্বাচিত হয়েছেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রতিনিধি বেলাল উদ্দিন সাগর।

বুধবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র অডিটরিয়ামে এ সম্মাননার পুরস্কার বিএম সাগরের হাতে তুলে দেন আনন্দ টিভির ব্যবস্থাপনা
পরিচালক জনাব, হাসান তৌফিক আব্বাস।

আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধিদের নিয়ে কক্সবাজারে আনন্দ উৎসবের আয়োজনের মধ্যদিয়ে এ
সম্মাননার পুরস্কার দেওয়া হয়। সারা দেশ থেকে আনন্দ টেলিভিশনে কর্মরত ২০জন সাংবাদিককে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বেলাল উদ্দিন সাগর আনন্দ টিভির লক্ষ্মীপুর জেলাে প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক
“নতুন পথ”পত্রিকার সম্পাদক ও একাত্তর কন্ঠ অনলাইন পত্রিকার প্রকাাশক
ওসম্পাদক।

বিএম সাগর বলেন, দির্ঘদিন আনন্দ টিভিতে সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে কাজ
করায় আমার প্রিয় প্রতিষ্ঠান আনন্দ টিভির যোগ্যতার মাপকাটিতে আমাকে
সম্মাননা প্রদান করছেন। আনন্দ টিভি আমাকে এই সম্মাননায় প্রদান করায়
প্রতিষ্ঠানটি প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। তার সাথে সাথে আনন্দ টিভির “শেষ্ঠ
প্রতিবেদক ২০২২”হতেপেরে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করছি।

এবং গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান দেশের জন
প্রিয় বেসকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশনের স্বপ্ন দ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতা
চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা মরহুম আব্বাস উল্যাহ সিকদার মহদয়ের কে। এর সাথে
আরও কৃতজ্ঞা এবং ধন্যবাদ জানায় আনন্দ টিভির মাননীয় ব্যাবস্থাপনা পরিচালক
হাসান তৌফিক আব্বাস মহদয়ের প্রতি যার হাত ধরে এগিয়ে চলছে আনন্দ
টিভি। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এস আর এডমিন জনাব সাইফুল
ইসলাম মহদয়ের প্রতি ।

বার্তা বিভাগের ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ ও নিউজ
প্রেজেন্টার প্রিয় মোস্তফাা কামাল তোহা ভাই এবং এমডি স্যারের পিএস
জনাব জাহিদ ভাই সহ আনন্দ টিভির সকল কর্মকর্তা কলাকৌশলী ও সহকর্মীদের
প্রতি। এ ছাড়া ও কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার সহকর্মী প্রতি যারা
সবসময় আমাকে পাশে থেকে সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়ে থাকেন।

অতিতের ন্যায় আগামীতেও সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে আনন্দ টিভিতে কাজ করে
যাবেন বলে তিনি জানিয়েছেন




লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে মিলল হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ

লক্ষ্মীপুরে মাটি কাটার সময় বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ (রোটারসহ পাখার একাংশ) পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের বড় বল্লভপুর গ্রামে ইটভাটার জন্য একটি ক্ষেতে মাটি কাটার সময় এটি পাওয়া যায়।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, এটি ব্রিটিশ আমলের বা মুক্তিযুদ্ধকালীন বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ হতে পারে। স্থানীয় মা ব্রিকসের কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন উদ্ধার হওয়া পাখাটি ১ হাজার ৬০০ টাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বিক্রির বিষয়টি মুরাদ নিজেই সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষটি ইতিহাসের সাক্ষী বলে মনে করছেন সচেতনমহল। বিষয়টি জানতে পেরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল যান। বিক্রির কারণ জানতে চাইলে মুরাদ হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন ও আফজাল হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া পাখাটি তারা দেখেছেন। রোটারসহ পাখার একাংশ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ইটভাটার জন্য মাটি কাটার সময় এটি উদ্ধার হয়। পরে ইটভাটার লোকজন তা নিয়ে গেছে। এ পাখাটি ব্রিটিশ আমল অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ হতে পারে।

মা ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী খোরশেদ আলম সুমন জানান, আমি ঢাকাতে আছি। উদ্ধার হওয়া পাখাটি আমাদের হেফাজতে আছে। অফিস চলাকালীন সময় এটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে দেবো।

হাজিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আলম বাবুল বলেন, উদ্ধার হওয়া পাখাটি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এটি ব্রিটিশ আমলের হতে পারে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমার জানা ছিল না। কেউ আমাকে জানায়নি। তবে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমি জেনেছি। থানার ওসিকে হেলিকপ্টারের পাখাটি উদ্ধারের জন্য বলা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এটি উদ্ধার করা হবে।




রেবেকারাই সমাজের কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসে: মন্ত্রী রেজাউল করিম

পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন শতাধিক সাধারণ মানুষ। শুক্রবার(৩০ ডিসেম্বর) সকালে স্বরুপকাঠি এলাকায় ডাক্টার শামসুল হুদা ও আঞ্জুমান আরা সেবাকেন্দ্রের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় অর্ধশত শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডক্টর রেবেকা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী স ম রেজাউল করিম। মন্ত্রী বলেন,নারীরা সবখানে এগিয়ে।

আজকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর,সচিব হচ্ছেন-সর্বত্র তাদের মেধার পরিচয় হচ্ছেন। একজন রেবেকার মত সন্তানকে বিকশিত করতে হলে,সমাজ ব্যবস্থায় মনে রাখতে হবে;মানুষের কল্যাণে আত্ম উৎসর্গ করাই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীবের কাজ।

দীর্ঘদিন যাবৎ ডাক্টার শামসুল হুদা ও আঞ্জুমান আরা সেবাকেন্দ্রের উদ্যোগে গ্রামের সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা সেবা দেয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। এর আগে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহ আলম,পৌরসভার মেয়র গুলাম কবির,নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোহিত বক্তব্য রাখেন। উল্লেখ্য ২০১২ সাল থেকে প্রয়াত বাবা-মায়ের নামে সেবাকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের প্রফেসর ডক্টর রেবেকা সুলতানা। এরপর থেকেই প্রতিবছর এলাকার সাধারণ মানুষকে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে সেবাকেন্দ্রটি।




নেত্রকোণার কলমাকান্দায় শীতের দাপটে বিপর্যস্ত জনজীবন

আব্দুর রহমান ঈশান, নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

ঘন কুয়াশা আর শীতের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন কলমাকান্দার খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। পুরো উপজেলা কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, রাজমিস্ত্রীসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুযেরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

গত বোধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ঘন কুয়াশায় সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দার বিভিন্ন বাজার মোড়, সড়ক এলাকার রোডঘাট গুলোতে ঘন কুয়াশার কারণে ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।

এছাড়া দিনের অধিকাংশ সময়ই সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে শীতের দাপটে জনজীবনে দূর্ভোগের পাশাপাশি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এখানকার খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষগুলো।

নিন্ম আয়ের মানুষেরা জানান, তীব্র কুয়াশা আর শীতের কারণে মানুষ ঘরের বাইরে কম বের হচ্ছে। জরুরী প্রয়োজন ও অফিসগামী মানুষ ছাড়া বাইরে তেমন লোকজনের আনাগোনা নেই।

রিক্সাচালক আজাদ রহমান বলেন, দিনের অধিকাংশ সময়েই কুয়াশা থাকছে। এ কারণে জরুরী প্রয়োজন আর অফিসগামীরা ছাড়া রাস্তায় কেউ বের হচ্ছে না। দিনের অনেকটা সময় যাত্রী অভাবে বসে থাকতে হচ্ছে। ভাড়ার রিক্শা নিয়ে তেমন আয় করতে না পারায় ভোগান্তিতে আছি।