নেত্রকোনায় চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অসিত সরকার সজল জয়ী

আব্দুর রহমান ঈশান,নেত্রকোণা প্রতিনিধি :

নেত্রকোণায় জেলা পরিষদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট অসীত সরকার সজল (আনারস) প্রতীকে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী জাতীয় পার্টি মনোনীত কেন্দ্রীয় জাতীয় কৃষক পার্টির কার্যকরি কমিটির সদস্য আসমা সুলতানা আশরাফ (প্রজাপতি) প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২১১ ভোট। অপর প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সহ সভাপতি আবু সাইদ খান জ্যোতি (ঘোড়া) প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫ ভোট।

এদিকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা সদরে সৈয়দ বজলুর রশীদ, মদনে এস এম মনিরুল হাসান টিটু, আটপাড়ায় ছানোয়ার উদ্দিন ছানু, পূর্বধলায় আফতাব উদ্দিন, দুর্গাপুরে সুরমী আক্তার সুমী, কেন্দুয়ায় মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া বিপুল, বারহাট্টায় মোঃ লুৎফর রহমান চঞ্চল, মোহনগঞ্জে সোহেল রানা, খালিয়াজুরীতে মাহ্জার কিবরিয়া পরশ ও কলমাকান্দায় এস এম আলমগীর গোলাপ।

সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে (পূর্বধলা-দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) উপজেলা থেকে শাহানাজ পারভীন, (নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টা-আটপাড়া) উপজেলা থেকে শিল্পী আক্তার শিলা ও (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী-কেন্দুয়া) উপজেলা থেকে ফরিদা ইয়াসমিন বেসরকারি ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন।




অসময়ে ব্রহ্মপুত্র-সোনাভরি পানি,তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ফসল

 সাব্বির মামুন,(কুড়িগ্রাম)সংবাদদাতা-

অসময়ে ভারী বর্ষনে ফলে পাহাড়ি ঢল ব্রহ্মপুত্র -সোনাভরি নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুড়িগ্রামে রাজিবপুর উপজেলায় শত শত একর বাদাম, মাষ কলাই,সুল্টি কলাই,ধান,মরিচ ও শীত কালিন শাক-সবজির টালসহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে।রোপণ করা বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় লোকসানে পড়েছেন কৃষকরা। ফসল পরিপক্ক না হওয়ায় পানির নিচেই পচে নষ্ট হতে পারে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েক দিনে রাজিবপুর সদর, ২নং কোদালকাটি ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু এলাকায় ফসলের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দিশেহারা হয়ে পরেছে কৃষকরা।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান,প্রতিবছর এভাবেই পাহাড়ি ঢলে শত শত একরের ফসল নষ্ট হয়ে যায়।

আমার প্রায় ১০ বিঘা জমির ধান ,কলই ,বাদাম তলিয়ে গেছে।

মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ইউপি সদস্য মোঃ আলম বলেন, আমার এলাকার প্রায় ২ শতাধিক জমির ধান, কলই, বাদাম তলিয়ে গেছে। ক্ষতি সাধিত কৃষকদের সরকারি অনুদান দেওয়ার দরকার বলে মন্তব্য করছি

উল্লেখ্য বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ব্রহ্মপুত্র-সোনাভরি পানি যদি অতিসত্বর কমিয়া যায় তাহলে তেমন একটা ক্ষতি হবে না। পশাপাশি আমি অফিসিয়াল ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জরালো ভাবে দাবি জানাবো, যাতে করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা সরকারের কোষাগার হতে অর্থিক সহযোগিতা পায়।




ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি –

ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহাদাৎ হোসেন। এ নির্বাচনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফারুক হোসেন ৫৪০ পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। এর মধ্যে সাহাদাৎ হোসেন -চশমা প্রতীক নিয়ে, ফরিদপুর সদর-৬৩, মধুখালী-৬০, বোয়ালমারী -৬৬, আলফাডাঙ্গা-৩২, ভাঙ্গা-১৩০, সালথা-৭৩, নগরকান্দা -৮৬, সদরপুর-৬৮ ভোটসহ মোট ৬২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।

অপরদিকে ফারুক হোসেন-আনারস প্রতীক নিয়ে ফরিদপুর সদর-১২৯, মধুখালী-৯৮, বোয়ালমারী ৭৯, আলফাডাঙ্গা ৬১, ভাঙ্গা-৪০, সালথা-৩০,নগরকান্দা-৪৬, সদরপুর-৩৮ভোটসহ মোট ৫৪০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। সোমবার (১৭ অক্টোবর) শাহাদাৎ হোসেনকে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় মো. শাহাদাৎ হোসেনকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এদিকে, সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলার ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। এতে মোট ভোটার ছিলেন ১১৮১ জন। ভোট কাস্ট হয় ১১৬৭ টি। বিপরীতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সদস্য পদে ৩৭ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১ জন প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল অতুল সরকার জানান, নির্বাচনকে ঘিরে র‌্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিজিবির চার স্তরের নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ জুডিশিয়াল স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করে। কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবী প্রশাসনের এ কর্মকর্তার।




নোয়াখালীতে আবদুল মালেক উকিলের ৩৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে

মোঃ বদিউজ্জামান ( তুহিন) নোয়াখালী থেকে ঃ
সাবেক স্পীকার সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আ-লীগ এর সাবেক সভাপতি বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ সহচর জাতীয় নেতা আবদুল মালেক উকিলের ৩৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী  জন্ম স্হান সদর উপজেলার বাঁধের হাট আবদুল মালেক উকিল ডিগ্রি (অনার্স) কলেজে ১৭অক্টোবর দুপুর ১২টায় দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আবদুল মালেক উকিল ডিগ্রি  (অনার্স) কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাবেক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা আ-লীগের যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মরহুম আবদুল মালেক উকিলের সুযোগ্য সন্তান আবদুল মালেক উকিল  ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও জেলা আ-লীগের সিনিয়র সদস্য  গোলাম মহি উদ্দিন (লাতু) উপস্থিত ছিলেন ২নং দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান শিপন সাবেক এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আবদুল মালেক উকিল ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের বিদ্যুোৎসাহী সদস্য আবদুজ্জাহের বিদ্যোৎসাহী সদস্য কলেজ পরিচালনা পর্ষদ মোঃ ফারুক হোসেন  বিদ্যুৎসাহী  সদস্য কলেজ পরিচালনা পর্ষদ জাফর আহম্মেদ জুয়েল। অভিভাবক সদস্য  কলেজ পরিচালনা পর্ষদ জাকিউল ইসলাম( দুলাল) হিতৈষী সদস্য আবদুল মতিন ডাঃ সাইফ উদ্দিন (সাইফ)আবদুল মালেক উকিল ডিগ্রি(অনার্স)কলেজ পরিচালনা পর্ষদ ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ এনামুল হক  অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রী  (অনার্স)কলেজ। অনুষ্ঠান শেষে কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।



সিসিটিভির মাধ্যমে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নতুন অভিজ্ঞতা : সিইসি

সিসিটিভির মাধ্যমে নির্বাচন পর্যবেক্ষণকে নতুন অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আগামীতে এ অভিজ্ঞতা আমাদের সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ করে দেবে। আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। ভোটাররা এখন সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) জেলা পরিষদ নির্বাচন শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সিইসি একথা বলেন।




জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী সৈকত মাহমুদ সামছু

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা, প্রশাসনিক কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে তালা প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটে বিজয় লাভ করেন রামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক, প্রাক্তন জেলা পরিষদের সদস্য সৈকত মাহমুদ সামছু। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহন। ভোট গননা শেষে সৈকত মাহমুদ সামছু ১৩৫ ভোটে পেযে নির্বাচিত হোন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি সাবেক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন ভোট পেয়েছেন ১০ ভোট।

দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ ইয়াছিন আলম, ইছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার বিল্লাল হোসেন, ফারুক হোসেন, ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ইয়াসিন আরাফাত ওয়াসিম, আলী আশ্রাফ মেম্বার জানান, সৈকত মাহমুদ সামছু তফসিল ঘোষণার পূর্বে থেকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন। আওয়ামীলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমর্থন আদায়ে চেষ্টা করছেন।

বিজয়ী প্রার্থী সৈকত মাহমুদ সামছু বলেন, এ বিজয় রামগঞ্জ উপজেলার সবগুলো জনপ্রতিনিধি ভোটারদের বিজয়। এ বিজয় আমার নহে এ বিজয় সমস্ত উপজেলার জেলা পরিষদের ভোটারদের। তিঁনি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন লক্ষ্মীপুর -১ রামগঞ্জ সংসদীয় আসনের এমপি ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন এমপিকে, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মনির হোসেন চৌধুরী, মেয়র বীরমুক্তি যোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারী, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার,কাউন্সিলরদেরকে। জেলা পরিষদ থেকে রামগঞ্জ জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করে সাফল্য মাধ্যমে আমার এ বিজয় স্বার্থকতা ফিরে আসবে।




নিবন্ধন পেতে ইসিতে এবি-পার্টির আবেদন

সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধন পেতে আবেদন জমা দিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি।

আজ সোমবার (১৭ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে দলটির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী আবেদনটি ইসির উপ-সচিব মো. আব্দুল হালিম খানের কাছে জমা দেন।

আবেদন জমা দেওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, আমরা মোট ৪৫ হাজার ডকুমেন্ট ইসিতে জমা দিয়েছি। নিবন্ধন পেতে যত শর্ত আছে সব পূরণের চেষ্টা করেছি।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, জামায়াত কিংবা সরকার কারো আনুগত্যে নেই এবি পার্টি।

এবি পার্টির নেতারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রদত্ত শর্তানুযায়ী দলের গঠনতন্ত্র, প্রস্তাবিত পতাকা ও প্রতীক, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা ও মালিকানা বা ভাড়ার দলিল বা চুক্তিপত্র, কেন্দ্রীয় কমিটি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা, ন্যূনতম   এক তৃতীয়াংশ (২২টি) জেলা কমিটি, ১০০টি উপজেলা কমিটি, ১০০টি উপজেলার ন্যূনতম ২০০ করে অর্থাৎ সর্বমোট ২২ হাজার নিবন্ধিত ভোটার সদস্যের তালিকা, তাদের ভোটার নম্বর ও দলে যোগদানের প্রমাণ পত্র, জেলা ও উপজেলা মিলিয়ে ১২২টি দলীয় অফিসের ঠিকানা ও মালিকানা বা ভাড়ার দলিল বা চুক্তিপত্র, দলের ব্যাংক হিসাব ও সর্বশেষ লেনদেনের স্থিতিসহ সব প্রামান্য দলিল জমা দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসের ২৯ তারিখ পর্যন্ত নতুন দলগুলো নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ইতোমধ্যে ২০টির মতো দল আবেদন করেছে বলে জানা যায়।




নোয়াখালীতে যানজট নিরসনে টিআই সিরাজ-উদ-দৌলার নির্ভীক ভূমিকা

মো. বদিউজ্জামান  ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর শহর মাইজদীতে একদিকে   যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং অন্যদিকে ভ্রাম্যমান দোকান বসিয়ে ফুটপাত দখল এবং ফোরলেন সড়ক নির্মানাধীন থাকার কারণে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এছাড়াও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার   কারনে যানজট আরও তীব্র হয়ে উঠছে। এসময় নোয়াখালীর ট্র্রাফিক বিভাগের   ইন্সপেক্টর   হিসেবে যোগদান করেন  সিরাজ-উদ-দৌলা। নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম পিপিএম এর দিকনির্দেশনায় নোয়াখালীর   সড়ককে  যানজট মুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তাকে রাস্তা থেকে   যানজট নিরসনসহ ট্রাফিক বিভাগে দায়িত্বরত সার্জেন্ট ও কনস্টেবলদের দিক নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। এর আগে নোয়াখালীর ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত টিআইগণকে যানজট   নিরসনে এমন ভূমিকায় দেখা যায় নি।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম পিপিএম  এর দিকনির্দেশনা টিআই সিরাজ-উদ-দৌলা যোগদানের পর থেকে নোয়াখালী শহরের যানজটের দৃশ্য বদলাতে শুরু করে। যানজটের বিষয়ে সিএনজি চালক আকবর বলেন এখন আগের মতো সড়কে যানজট হয়না, আমরাও যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করিনা। বাসচালক বাবুল   বলেন,সোনাপুর থেকে ছেড়ে আসা বাস মাইজদী শহরে ঢুকলে যানজটের কারনে আমরা বের হতে পারতাম না। এখন ট্রাফিক পুলিশের কারনে বের হতে তেমন একটা বেগ পেতে হয় না।   এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর(টিআই) সিরাজ-উদ-দৌলা বলেন, নোয়াখালী শহরে যানজট মুক্ত করতে প্রতিদিন হিমসিম খাচ্ছি। তারপরও আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি নোয়াখালী  শহরকে যানজট মুক্ত   করতে।
একাজে সবার সহযোগিতা পেলে শতভাগ যানজট মুক্ত একটি পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দিতে পারব।বর্তমান ট্রাফিক পুলিশের   কর্মকান্ডের ব্যাপক প্রশংসা   কুড়িয়েছে   নোয়াখালী সুধী মহলে। জেলা শহরের   পরিবেশবিদ্  প্রতিভ দাস বলেন,   টিআই   সিরাজ-উদ-দৌলার পরিচ্ছন্ন পুলিশিং কার্যক্রমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরেছে। এক্ষেত্রে পুলিশের   পাশাপাশি পৌর মেয়র এবং রাজনীতিবিদদের   সমন্বিত সহযোগিতায় শতভাগ যানজটমুক্ত নোয়াখালী উপহার দেওয়া সম্ভব।



রামগঞ্জে হুমকী-ধামকী দিয়ে হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের উত্তর নোয়াগাঁও গ্রামের ধুপিবাড়ির ৪/৫ টি পরিবারের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে উচ্চেদের চেষ্টা চালিয়ে আসছে যশোরের বসবাসকারী নুরুল হক। সে যশোরে অবস্থান করলেও নোয়াগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ আলী ও তার ভাড়াটিয়া লোকজন প্রতিনিয়ত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে হয়রানি করে আসছে যেন তারা নিজ বাড়িঘর সম্পত্তি ছেড়ে অন্যত্রে চলে যায়।
প্রায় তিন একর ছিয়াশি শতাংশ সম্পত্তি মধ্যে ১ একর সাড়ে ৯৪ শতক সম্পত্তির মধ্যে নুরুল হক ১৯৬৭ সালের বায়নাচুক্তির একটি কাগজ দেখিয়ে নিজকে মালিক দাবি করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে উচ্ছেদের জন্য হয়রানি করে আসছে।
অথচ উক্ত সম্পত্তির ডিএস,এমাআর ও আরএসসহ সকল রেকর্ডপত্র গোপাল দাস ও তার পূর্বপুরুষগনের নামেই রয়েছে।

রবিবার ১৬ অক্টোবর ২০২২ইং সরজমিন গেলে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন ও স্হানীয় লোকজন জানান, একটি প্রভাবশালী গ্রুপ হুমকী-ধামকী আর ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মাদকের নেশার আখড়া বসিয়ে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ধুপী বাড়ি থেকে কয়েকটি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারকে উচ্ছেদের পায়তারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন গোপাল দাসসহ ঐ বাড়ির লোকজন। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে জনৈক বাদী নুরুল হকের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ আলী লোকবল নিয়ে ওই হুমকী-ধামকী আর মাদক ও নেশার আখড়া চালিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবারের লোকজন। এমতাবস্থায় পরিবার গুলোর নারী শিশু সদস্যরা দৈনন্দিন চলাচলসহ পুকুরে গোসল করা দূরহ হয়ে পড়েছে।

জানাযায়, উক্ত সম্পত্তি নিয়ে নুরুল হক ১ একর সাড়ে ৯৪ শতক সম্পত্তি নিজ মালিকানা দাবি করে ১৯৯২ইং সালে লক্ষ্মীপুর আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করে যাহা ১৯৯৭ইং বাদীর আরজি যথাযথ নয় বলে খারিজ করে দেয়। ঐ বছরই উক্ত মামলা লক্ষ্মীপুর জজকোর্টে বাদী আপিল করেন, যাহা ১৯৯৮ইং সালে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখে মামলাটি পূনরায় খারিজ করে দেয়। বর্তমানে মামলাটি হাইকোর্টে চলমান রয়েছে।

ভুক্তভোগী গোপাল দাস আরো বলেন, দীর্ঘ বেশ কয়েকযুগ থেকে আমরা বংশনুক্রমে উক্ত সম্পত্তিতে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছি। হঠাৎ গত ত্রিশ বছর থেকে নুরুল হক একটি বায়না চুক্তি নিয়ে মোহাম্মদ আলী ও তার ভাড়াটিয়া লোকজন আমাদের অযথা হয়রানি করে আসছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী বলেন, উক্ত সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলমান। রায়ের পরই বলা যাবে এই সম্পত্তি কার? অপরদিকে মামলার বাদীর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় নাই। এজন্য আদালত যে সিদ্ধান্ত দিবে সেটাই আমরা মেনে নিবো।




জেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী যারা

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে কমলনগর (ওয়ার্ড নং ৫) সাধারণ সদস্য পদে ৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে (তালা) প্রতিকে মনিরুল ইসলাম রিপু তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মোল্লা (পানির কল) প্রতিকে পেয়েছে ৪৫ ভোট, অন্য প্রার্থী ফয়সল আহমদ রতন (হাতি) প্রতিকে পেয়েছে ২৫ ভোট। বেসরকারিভাবে ০১ ভোট বেশি পেয়ে মনিরুল ইসলাম রিপু নির্বাচিত হন।

এদিকে, রামগতি উপজেলায় (ওয়ার্ড নং ৪) মেজবাহ্ উদ্দিন (ভিপি হেলাল) সাধারণ সদস্য পদে (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতিকে ৬৩ ভোট ও আমজাদ হোসেন (তালা) প্রতিকে ৪৪ ভোট  পেয়েছেন। ১৯ ভোট বেশি পেয়ে মেজবাহ্ উদ্দিন (ভিপি হেলাল) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন।

সংরক্ষিত (ওয়ার্ড নং ২) মহিলা প্রার্থীর মধ্যে (ফুটবল)প্রতিকে ১৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে শারমিন জাহান অরিন।

জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার  হোসেন আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।