ধর্ষণ মামলার আসামী রাজশাহীর পুঠিয়ার মেয়র বরগুনায় গ্রেফতার

মইনুল আবেদীন খান, বরগুনা প্রতিনিধি:

ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খানকে গ্রেফতার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ।

আজ (বুধবার) সকাল ৯ টার দিকে বরগুনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ডিকেপি রোডের মনিরুল ইসলামের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মনিরুল ইসলাম পুঠিয়া পৌরসভার মেয়রের গাড়ি চালক। বরগুনা থানার ওসি আলী আহম্মেদ তাকে গ্রেফতারের বিষয়ীট নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুঠিয়া থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, পুঠিয়া থানা পুলিশ তাকে নেওয়ার জন্য বরগুনার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। পুঠিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল বারী জানিয়েছেন, রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খানের বিরুদ্ধে এক নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ভুক্তভোগী ওই নারী (২৪) পুঠিয়া সদর এলাকার একজন কাঠ ব্যবসায়ীর মেয়ে। অন্যদিকে মেয়র আল মামুন গণ্ডগোহালী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। মামলার অভিযোগ সূত্রে ওসি আরও জানিয়েছেন, মেয়র আল মামুন খান ওই নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে রোববার রাতে থানায় ধর্ষণের একটি অভিযোগ দিলে সোমবার সকালে অভিযোগটি রেকর্ড। করা হয় মামলার অভিযোগে ভুক্তভোগী ওই নারী উল্লেখ করেছেন, গত এক বছর আগে পৌরসভায় একটি চাকরির জন্য মেয়রের কাছে গিয়েছিলাম। এরপর তিনি বিভিন্ন প্রলোভনে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন।

একপর্যায়ে তার এই অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় তিনি আমাকে বিয়ের প্রলোভনে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করেন। সম্প্রতি মেয়র আমাকে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। বিষয়টি প্রতিবাদ করায় তার সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। যার জন্য মেয়রের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি। পুঠিয়ার পৌর মেয়র ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খান জানিয়েছেন, মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে ফাসানো হয়েছে।

পুঠিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আরও জানান, আগেও দুর্গাপুর উপজেলা হাসপাতালের এক সেবিকাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ এবং অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিলো।




ইভিএমে নির্বাচন করলে হবে না ডিজিটাল কারচুপি: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ইভিএমের কারণে রাজনৈতিক সংকট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রাজনীতিতে যে সংকট রয়েছে সেটা রাজনৈতিক দলগুলোকে সমাধান করতে হবে। ইভিএম কোনো দুর্বল যন্ত্র নয়। যন্ত্র দুর্বল নাকি সবল, তা বিবেচনার বিষয় নয়, যন্ত্র কাজ করছে কিনা সেটি মূল বিষয়।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ইভিএমে আগামী নির্বাচন করলে কোনো ডিজিটাল কারচুপি হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, কোনো নির্বাচনে কোথাও ম্যালফ্যাংশনের ঘটনা ঘটেনি। ডিজিটাল জালিয়াতি নিরসনে প্রচুর সময় নেওয়া হয়েছে, যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়েছে।

সিইসি আরো বলেন, জাফর ইকবাল বলেছিলেন এটা খুব জটিল মেশিন নয়। ওই হিসেবে বলছেন যে এটা দুর্বল যন্ত্র। যন্ত্র দুর্বল কি সবল এটা আমার বিবেচনা করার বিষয় নয়। সবল হওয়ারও দরকার নেই, দুর্বল হওয়ারও দরকার নেই। যন্ত্র কাজ করছে কি না, এটাই আসল বিষয়। গত কয়েকবছর ধরে আমরা হাজার হাজার নির্বাচনে হাজার হাজার ইভিএম ব্যবহার করেছি। কোথাও আমাদের যন্ত্র ম্যালফাংশন করেছে, এমনটি ঘটেনি।




পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে যা বললেন কাদের

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের একটি মন্তব্য ঘিরে সমালোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের মন্ত্রিত্ব থাকবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কেবলই প্রধানমন্ত্রীর।

আজ বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সংলাপে এক প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বেফাঁস মন্তব্যের কারণে মোমেনকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে কিনা- সেই প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের সামনে রেখেছিলেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, শুনেছি তিনি কিছুটা অসুস্থ। এটা হতেই পারে। এখন এজন্য তার কোনো পরিবর্তন হবে কিনা সেটি আমি বলতে পারছি না। কিছু দিন আগে তার হয়ত একটা স্লিপ হয়েছে, কথাবার্তা বলায়, সেটার জন্য তার মন্ত্রিত্ব চলে যাবে কিনা- এ নিয়ে কথা বলার এখতিয়ার তো আমার নেই।

তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সব সময় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হবেন এমন কোনো কথা নেই। নরেন্দ্র মোদি এসেছেন, তখন কি (তাদের) পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে ছিলেন? পররাষ্ট্রমন্ত্রীও তো মানুষ, একজন মানুষ অসুস্থও হতে পারেন।”

প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফরে আকস্মিকভাবেই বাদ পড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার আগের দিন তিনি সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। একটি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের সমালোচনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে শপথ ভঙ্গ এবং সংবিধান লংঘনের অভিযোগ এনে একটি রিট আবেদনও হয়েছে।




নেত্রকোণায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এ.এইচ রফিকে গণসংবর্ধনা

আব্দুর রহমান ঈশান, নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হুরায়রা রফি।

গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকালে নেত্রকোণার তার নিজ বাড়িতে আগমন উপলক্ষে র‌্যালী ও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা এ এইচ রফি তার নিজ শহরে আগমন উপলক্ষে নেত্রকোণার চল্লিশা থেকে র‌্যালীটি প্রদক্ষিণ করে সারা শহর, তারপর জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

উক্ত র্যালির পর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল আওয়াল শাওন ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোবায়েল আহম্মেদ খান।অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিব ইবনে হৃদম।

আরোও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর সহ-জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক আরেফিন কায়সার শুভ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আলিফ নাসের অনি,সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হাসান বাধন, পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ টিপু,যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদ হাসান প্রান্ত সহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেত্রীবৃন্দ সহ আওয়ামীলীগ যুবলীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতারা




অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ভাগে উদ্বোধন বঙ্গবন্ধু টানেল : সেতুমন্ত্রী

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে বঙ্গবন্ধু টানেল এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ভাগে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‌‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাস আর সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

তিনি  বলেন, কর্ণফুলী নদীতে বঙ্গবন্ধু টানেলের একটি টিউব অক্টোবরে আর আরেকটি নভেম্বরে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন, কালনা সেতুর নির্মাণ কাজ এ মাসেই শেষ হবে। অক্টোবরের যেকোনো সময়, প্রধানমন্ত্রী যখন সময় দেবেন এটি উদ্বোধন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, মেট্রোরেলের উত্তরা-আগারগাঁও অংশের উদ্বোধন ডিসেম্বরে। আর মতিঝিল পর্যন্ত হবে আগামী বছরের ডিসেম্বরের আগেই।




বেড়েছে এলপিজির দাম

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েছে।

আজ (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে লাগবে ১ হাজার ২৩৫ টাকা, যা আগে ছিল ১ হাজার ২১৯ টাকা। অর্থাৎ ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়েছে ১৬ টাকা।

আজ বুধবার সকালে নতুন এ দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ দুপুর ১টা থেকে এটি কার্যকর হবে।

বিইআরসি জানায়, বেসরকারি পর্যায়ে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য মূসকসহ কেজি প্রতি এলপিজি গ্যাস ১০২ টাকা ৮৮ পয়সা করা হ‌য়ে‌ছে। সে হিসাবে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজির মূসকসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে এক হাজার ২৩৫ টাকা। তাই আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজি কিনতে গ্রাহককে ১৬ টাকা বেশি গুনতে হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, মোটরগাড়ির জন্য অটোগ্যাসের দামও বর্তমানে মূসকসহ প্রতি লিটার ৫৬ দশমিক ৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৭ দশমিক ৫৫ টাকা করা হয়েছে।

জানা গেছে, এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তি মূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। সৌদি সিপি অনুসারে সেপ্টেম্বরে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম টন প্রতি ৬৫০ এবং ৬৩০ ডলার, মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় সেপ্টেম্বরের জন্য এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।




শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের চাহিদা নিরুপণে তথ্য চায় অধিদপ্তর

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের চাহিদা নিরুপনে তথ্য চায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে ইমেইলে তথ্য পাঠাতে বলা হয়। অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে মঙ্গলবার সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে অধিদপ্তর বলছে, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানরত স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কলেজ ও মাদরাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের চাহিদা নিরুপনে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী তথ্য আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ইমেইলে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও এক্সএল ফরমেটে ছকে নিকশ ফন্টে তথ্য পূরণ করে ইমেইলে (mmcdshe@gmail.com) ঠিকানায় পাঠাতে হবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের।

জানা যায়, ছকে অঞ্চলের নাম, জেলার নাম, উপজেলার নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, ইআইআইএন, মোট শিক্ষক সংখ্যা, মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা, মোট ক্লাসরুম সংখ্যা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সংখ্যা (আইসিটি ল্যাব ছাড়া), মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের অবস্থা (সচল বা অচল কিনা), কম্পিউটার বা আইসিটি ল্যাবের বিষয়ে তথ্য মন্তব্যসহ লিপিবদ্ধ করে তা নির্ধারিত ফরমেটে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের।




রামগঞ্জে শিক্ষকের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপরের রামগঞ্জ চন্ডিপুর মনসা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজ শিক্ষক আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ছাত্রীদেরকে যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার চেয়ে মানবন্ধন করেন অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন৷ ৬ সেপ্টেম্বর (মজ্ঞলবার) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগকারী দশম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীর পিতা সেলিম পাটোয়ারী সভাপতিত্বে মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মারুফ হোসেন,আলাউদ্দিন আলো, ফাহিম হোসেন,বাবুল রায়, মুন্নি বেগম, ফয়েজ উল্যাহসহ দুই শতাধিক নারী পুরুষ অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

মানববন্ধন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক পিতার সমতুল্য, সে শিক্ষক কর্তৃক যদি ছাত্রীরা অশ্লীলতার স্বীকার হয় এটা অত্যান্ত লজ্জাকর৷ এ ঘটনায় তাঁরা তীব্র ঘিন্না ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷ বক্তরা ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষক আঃ কুদ্দুসের বিচার দাবী করেন। উল্লেখ্য- বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক আবদুল কুদ্দুস সোমবার(২৯ আগস্ট) দশম শ্রেণীর ৬ জন ছাত্রীকে পড়া না পারার জন্য দাঁড় করিয়ে গাল,নাক ও হাত ধরে টিপে দেয় এবং মুখে অশ্লীল কথা বলে।

এ ধরনের অনৈতিক কাজ একই শিক্ষক কর্তৃক বার বার ঘটেছে দাবী করে দশম শ্রেনীর ৬জন শিক্ষার্থী বুধবার (৩১ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করে।

এ দিকে নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি ধাপা চাপা দিতে একটি মহল আঃ কুদ্দুসের পক্ষ আভিযোগকারীদেরকে হুমকী ধমকী, স্কুলে পরিক্ষায় পেল করিয়ে দেওয়া ও অন্য ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়াসহ নানা হয়রানি অভিযোগে তুলে গতকাল সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরেকটি অভিযোগ করে৷ শিক্ষার্থীদের আবেদন পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তাকে প্রদান করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে৷ তদন্ত কমিটির অন্য,সদস্যরা হলেন,উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন ,মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদ মোস্তফা ও রামগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ রফিক উল্লা মাষ্টার ৷




শিগগিরই তিস্তা চুক্তির আশা করছেন শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শেখ হাসিনা তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সইসহ দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত সব সমস্যার শিগগিরই সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতি দেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা তার বিবৃতিতে বলেন, ‘আমি আবার বলছি যে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নিকটতম প্রতিবেশী ভারত। বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।’ গত এক দশকে উভয় দেশ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ সরকারপ্রধান বলেন, দুই দেশ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার চেতনায় অনেক অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করেছে। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সইসহ সব অমীমাংসিত ইস্যু দ্রুত সমাধানের আশা করছেন তারা।

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে বৈঠক করেছি। সামনের দিনগুলোয় আমাদের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আমরা বিস্তৃত দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।’




জলবায়ু সহনশীল ফসল জাত উদ্ভাবনের পরামর্শ পরিবেশমন্ত্রীর

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ভবিষ্যতে দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পরিবর্তিত জলবায়ুর সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম ফসলের নতুন জাত ও কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে।

একই সাথে কৃষি উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারেও সচেতন হতে হবে। দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির ১৭তম জাতীয় সম্মেলন ও সেমিনার বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রশমন ও অভিযোজন-উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে হালনাগাদ এনডিসি-তে মোট ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে কৃষি সেক্টরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কৃষিক্ষেত্রে অল্টারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং পদ্ধতির ব্যবহার, ধানের নতুন প্রজাতির উদ্ভাবন ও উন্নয়ন, সার ব্যবস্থাপনা ও উন্নততর ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কার্বন ও মিথেন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।