নোয়াখালীতে যানজট নিরসনে টিআই সিরাজ-উদ-দৌলার নির্ভীক ভূমিকা

মো. বদিউজ্জামান  ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর শহর মাইজদীতে একদিকে   যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং অন্যদিকে ভ্রাম্যমান দোকান বসিয়ে ফুটপাত দখল এবং ফোরলেন সড়ক নির্মানাধীন থাকার কারণে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এছাড়াও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার   কারনে যানজট আরও তীব্র হয়ে উঠছে। এসময় নোয়াখালীর ট্র্রাফিক বিভাগের   ইন্সপেক্টর   হিসেবে যোগদান করেন  সিরাজ-উদ-দৌলা। নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম পিপিএম এর দিকনির্দেশনায় নোয়াখালীর   সড়ককে  যানজট মুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তাকে রাস্তা থেকে   যানজট নিরসনসহ ট্রাফিক বিভাগে দায়িত্বরত সার্জেন্ট ও কনস্টেবলদের দিক নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। এর আগে নোয়াখালীর ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত টিআইগণকে যানজট   নিরসনে এমন ভূমিকায় দেখা যায় নি।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম পিপিএম  এর দিকনির্দেশনা টিআই সিরাজ-উদ-দৌলা যোগদানের পর থেকে নোয়াখালী শহরের যানজটের দৃশ্য বদলাতে শুরু করে। যানজটের বিষয়ে সিএনজি চালক আকবর বলেন এখন আগের মতো সড়কে যানজট হয়না, আমরাও যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করিনা। বাসচালক বাবুল   বলেন,সোনাপুর থেকে ছেড়ে আসা বাস মাইজদী শহরে ঢুকলে যানজটের কারনে আমরা বের হতে পারতাম না। এখন ট্রাফিক পুলিশের কারনে বের হতে তেমন একটা বেগ পেতে হয় না।   এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর(টিআই) সিরাজ-উদ-দৌলা বলেন, নোয়াখালী শহরে যানজট মুক্ত করতে প্রতিদিন হিমসিম খাচ্ছি। তারপরও আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি নোয়াখালী  শহরকে যানজট মুক্ত   করতে।
একাজে সবার সহযোগিতা পেলে শতভাগ যানজট মুক্ত একটি পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দিতে পারব।বর্তমান ট্রাফিক পুলিশের   কর্মকান্ডের ব্যাপক প্রশংসা   কুড়িয়েছে   নোয়াখালী সুধী মহলে। জেলা শহরের   পরিবেশবিদ্  প্রতিভ দাস বলেন,   টিআই   সিরাজ-উদ-দৌলার পরিচ্ছন্ন পুলিশিং কার্যক্রমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরেছে। এক্ষেত্রে পুলিশের   পাশাপাশি পৌর মেয়র এবং রাজনীতিবিদদের   সমন্বিত সহযোগিতায় শতভাগ যানজটমুক্ত নোয়াখালী উপহার দেওয়া সম্ভব।



রামগঞ্জে হুমকী-ধামকী দিয়ে হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের উত্তর নোয়াগাঁও গ্রামের ধুপিবাড়ির ৪/৫ টি পরিবারের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে উচ্চেদের চেষ্টা চালিয়ে আসছে যশোরের বসবাসকারী নুরুল হক। সে যশোরে অবস্থান করলেও নোয়াগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ আলী ও তার ভাড়াটিয়া লোকজন প্রতিনিয়ত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে হয়রানি করে আসছে যেন তারা নিজ বাড়িঘর সম্পত্তি ছেড়ে অন্যত্রে চলে যায়।
প্রায় তিন একর ছিয়াশি শতাংশ সম্পত্তি মধ্যে ১ একর সাড়ে ৯৪ শতক সম্পত্তির মধ্যে নুরুল হক ১৯৬৭ সালের বায়নাচুক্তির একটি কাগজ দেখিয়ে নিজকে মালিক দাবি করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে উচ্ছেদের জন্য হয়রানি করে আসছে।
অথচ উক্ত সম্পত্তির ডিএস,এমাআর ও আরএসসহ সকল রেকর্ডপত্র গোপাল দাস ও তার পূর্বপুরুষগনের নামেই রয়েছে।

রবিবার ১৬ অক্টোবর ২০২২ইং সরজমিন গেলে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন ও স্হানীয় লোকজন জানান, একটি প্রভাবশালী গ্রুপ হুমকী-ধামকী আর ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মাদকের নেশার আখড়া বসিয়ে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ধুপী বাড়ি থেকে কয়েকটি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারকে উচ্ছেদের পায়তারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন গোপাল দাসসহ ঐ বাড়ির লোকজন। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে জনৈক বাদী নুরুল হকের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ আলী লোকবল নিয়ে ওই হুমকী-ধামকী আর মাদক ও নেশার আখড়া চালিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবারের লোকজন। এমতাবস্থায় পরিবার গুলোর নারী শিশু সদস্যরা দৈনন্দিন চলাচলসহ পুকুরে গোসল করা দূরহ হয়ে পড়েছে।

জানাযায়, উক্ত সম্পত্তি নিয়ে নুরুল হক ১ একর সাড়ে ৯৪ শতক সম্পত্তি নিজ মালিকানা দাবি করে ১৯৯২ইং সালে লক্ষ্মীপুর আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করে যাহা ১৯৯৭ইং বাদীর আরজি যথাযথ নয় বলে খারিজ করে দেয়। ঐ বছরই উক্ত মামলা লক্ষ্মীপুর জজকোর্টে বাদী আপিল করেন, যাহা ১৯৯৮ইং সালে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখে মামলাটি পূনরায় খারিজ করে দেয়। বর্তমানে মামলাটি হাইকোর্টে চলমান রয়েছে।

ভুক্তভোগী গোপাল দাস আরো বলেন, দীর্ঘ বেশ কয়েকযুগ থেকে আমরা বংশনুক্রমে উক্ত সম্পত্তিতে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছি। হঠাৎ গত ত্রিশ বছর থেকে নুরুল হক একটি বায়না চুক্তি নিয়ে মোহাম্মদ আলী ও তার ভাড়াটিয়া লোকজন আমাদের অযথা হয়রানি করে আসছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী বলেন, উক্ত সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলমান। রায়ের পরই বলা যাবে এই সম্পত্তি কার? অপরদিকে মামলার বাদীর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় নাই। এজন্য আদালত যে সিদ্ধান্ত দিবে সেটাই আমরা মেনে নিবো।




রামগঞ্জে কৃষকলীগ নেতার উপর হামলা

আবৃ তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার ও ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক এবং ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার এসোসিয়েশনের যুগ্ম আহবায়ক রেজাউল করিম তছলিম মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা৷

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টায় উপজেলার উত্তর চন্ডিপুর বকশি বাজারে। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত মেম্বারকে উদ্ধার করে প্রথমে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতাল ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সংবাদ পেয়ে রামগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউপির ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার তছলিম মোল্লা রামগঞ্জ থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় চন্ডিপুর বকসী বাজার নামক স্থানে এলে রাতের অন্ধকারে ৪/৫জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসী তাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়৷ পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। মেম্বার তছলিম মোল্লা চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের মেহের আলী মোল্লা বাড়ির মৃত গোফরান মোল্লার ছেলে।

৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল ইসলাম সুমন জানান, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মেম্বারের উপর হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তারপরেও বিষটি প্রশাসন সহ সকলের সহযোগীতায় নিয়ে তদন্ত করে হামলাকারীদের চিহিৃত করা হবে।

রামগঞ্জ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আহত মেম্বার চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




রায়পুরে গৃহবধূ নিখোঁজ, মায়ের জিডি

প্রদীপ কুমার রায়ঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্মৃতি আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি উপজেলার চরমোহনা গ্রামের আমির উদ্দিন ঢালি বাড়ির প্রবাসী মোঃ রফিকের মেয়ে। গত রবিবার দুপুরে বাবার বাড়ি থেকে স্বামী ফখরুল ইসলাম টিটুর (২৫) রাখালিয়া গ্রামস্থ নুরুল ইসলাম পিয়ন বাড়িতে যাওয়ার পথে তিনি নিখোঁজ হন। ওই ঘটনায় বুধবার (১২ অক্টোবর) সকালে রায়পুর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন স্মৃতির মা মাহিনুর (৪৩)।

মাহিনুর বলেন,  বুধবার মেয়ে আমার বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত রোববার দুপুরে সে স্বামী ও শশুরের জন্য দুপুরের খাবার নিয়ে রওয়ানা দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও না পৌঁছায় জামাতা টিটু আমাকে ফোন দিয়ে মেয়ের না যাওয়ার কারণ জানতে চায়। মেয়ে ওইদিন নির্ধারিত স্থানে না নেমে অন্য একটি স্থানে নেমে যায় বলে অটো রিকশার চালক জানিয়েছেন। ৮ দিন ধরে মেয়ে নিখোঁজ থাকলেও এখনো কোনো সন্ধান না পাওয়ায় আমরা চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। জামাতা ও শশুর পরিবারের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ ছিল না। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে রায়পুর থানায় জিডি করেছি।

গৃহবধূর শশুর নুর মোহাম্মদ (৬৫) বলেন, আমার স্ত্রী বেচে নেই। পুত্রবধূ স্মৃতিই ছিল আমাদের সংসারের প্রাণ। তাঁর হঠাৎ নিখোঁজে আমরা চিন্তিত। কারো বিরুদ্ধে পুত্রবধূর কখনো কোনো অভিযোগ ছিল না। তাঁর কাছে কোনো মোবাইলও ছিল না। তবে তাঁর ব্যবহৃত টেবিলের ড্রয়ারে কয়েকটি মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে। এগুলোর সূত্রধরেই হয়তো পুত্রবধূকে ফিরে পাবো এমন আশায় রয়েছি। সে বিপদগামি হয়েও যদি ফিরে আসে, তবে আমরা স্বাভাবিকভাবেই তাকে গ্রহণ করে নেবো। ব্যবহার ও কাজ দিয়ে সে পুত্রবধূ থেকে আমার মেয়ের স্থানটি দখল করে নিয়েছে।

স্মৃতি আক্তারের স্বামী ফখরুল ইসলাম টিটু বলেন, স্ত্রীকে ফিরে পেতে সম্ভাব্য স্থানগুলোতে খুঁজে বেড়াচ্ছি। আমাকে স্বাভাবিকভাবে ছেড়ে গেলেও এতোটা কষ্ট পেতাম না। কিন্তু এখন প্রতিটা মুহুর্ত তাঁকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আবেগের বশে খারাপ লোকের পাল্লায় পড়লে সে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সে যেখানেই আছে থাকুক। তবে আমরা তার সঠিক অবস্থানটি নিশ্চিত হতে চাই।

রায়পুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ হাসান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর মা মাহিনুর বাদি হয়ে জিডি করেছেন। দেশের সকল থানায় নিখোঁজ বার্তা পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি দেখার জন্য একজন উপ-পরিদর্শককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।




লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১৭ বছরের কিশোরী 

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের পূর্ব মাগুড়ি গোপালপুর গ্রামে বসত ঘরে আগুনের ঘটনায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে কিশোরী আনিকা সুলতানা। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

#বিস্তারিত আসছে…..




রামগঞ্জে আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক জিএস নজরুল

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরে রামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক জিএস ও সাবেক লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এবং বর্তমান চন্ডিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সদস্য জিএস নজরুল ইসলামকে একই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ১নং যুগ্ন আহবায়ক করা হয়েছে৷

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সফিক মাহমুদ পিন্টু, সহ সভাপতি ড. আনোয়ার খান এমপি ও সাধারন সম্পাদক আ ক ম রুহুল আমিনের দলীয় প্যাডে স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ঘোষনা দেওয়া হয়৷

জি এস নজরুল ইসলাম চন্ডীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও ড. আনোয়ার খান এমপি, রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক আকম রুহুল আমিন এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, চন্ডিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক ইসমাইল হোসেন ফরাজির মৃত্যুতে দলের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষে এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়৷ জিএস নজরুল ছাত্রজীবন থেকে দলের প্রতি একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দলে যে কোন মিটিং মিছিল সভা সমাবেশে সরব উপস্থিতি লক্ষনীয় ছিলো ৷ এছাড়াও তিনি বহুবার জেল জুলুম ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে৷ তাঁকে যুগ্ন আহবায়ক করায় দলের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন৷

জি এস নজরুল ইসলাম বলেন, আমি আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সাবেক লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও রামগঞ্জ সরকারি কলেজর নির্বাচিত জি এস ছিলাম । আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দিন রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবো।




রামগঞ্জে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান  থেকে আবদুল মতিন মুন্সী (৬০) নামে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

৯অক্টোবর (রবিবার) বিকেলে উপজেলার  চন্ডিপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বকসী বাজার মৃতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। আবদুল মতিন মুন্সী চন্ডিপুর হেদুে  কোম্পানী বাড়ির মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে।

সংবাদ পেয়ে রামগঞ্জ থানা ওসি  (তদন্ত) কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহত মতিন মুন্সীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে গ্রেরন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় আবদুল  মতিন মুন্সী রবিবার সকাল ১০টায় ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু বেলা ৪টার সময় সে বাসায় না ফেরার কারনে  পরিবারের লোকজন ভিবিন্ন স্থানে খুজতে থাকে। এক পর্যায়ে মৃতের ছেলে তাদের নিজ চা দোকানে গিয়ে  তার বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে রামগঞ্জ থানা পুলিশ  ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে গ্রেরন করা হয়েছে।

নিহত আঃ মতিনের ভাই আবদুর  রশিদ জানান, আমার ভাই মতিন মুন্সীর ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আবার ২য় স্ত্রী খুকি বেগম নামের একজনকে বিয়ে করে।২য় বিয়ের পর থেকে  পারিবারিক অসান্তি চলে আসছিলো। তবে কি কারনে ফাঁস  দিয়েছিলো সেটা আমি জানি না।

রামগঞ্জ থানা ওসি (ভারপ্রাপ্ত) কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস জানান, মৃর্তের লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক তদন্ত শেষে ময়না তদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে গ্রেরন করা হয়েছে।




রায়পুরে ব্যাবসায়ীদের নেতার ওপর হামলা : বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রদীপ কুমার রায়:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটি ব্যস্ততম মার্কেটে নির্মাণ সামগ্রী রেখে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বাড়ানোর প্রতিবাদ করায় মার্কেট ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শিপলু ভাট (৩৭) এর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় মার্কেট ম্যানেজার বেলায়েত হোসেন(৩০), দারোয়ান হারুন (৪৫), ও জেনারেটর কর্মচারি রবিন (২৫)কেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। গুরুতর আহত রবিনকে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং শিপলু ভাটকে চট্টগ্রামে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার রাত ১২টার দিকে শহরের গাজী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সৃষ্ট ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে শাস্তির দাবিতে আজ রবিবার দুপুরে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন শেষে সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বাক্ষর সম্বলিত স্বারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট বরাবর পেশ করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যবসায়ীরা জানান, বেশ কিছুদিন আগে থেকে গাজী মার্কেট সংলগ্ন জায়গায় পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর সৈয়দ আহম্মদ গং ৯তলা একটি ভবন নির্মান শুরু করেন। নির্মান সামগ্রী এবং গাড়ী পার্কিং করে দীর্ঘদিন থেকে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করে আসলেও সৈয়দ আহম্মদ প্রভাবশালী হওয়ায় কিছুতেই কারো অভিযোগ অনুযোগ কর্ণপাত করছিলেন না। শুক্ররার রাতে নির্মানাধীন ভবনের ময়লা পানি পাইপ দিয়ে গাজী মার্কেটের দিকে দিতে দেখে দারোয়ান হারুন বাধা দিলে তার ওপর হামলা চালান সৈয়দ আহাম্মদ ও তার দুই ছেলে আমির হোসন ও আনোয়ার হোসেন। তাকে বঁাঁচাতে এগিয়ে আসলে মার্কেট ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শিপলু ভাট (৩৭), মার্কেট ম্যানেজার বেলায়েত হোসেন(৩০), ও জেনারেটর কর্মচারি রবিন (২৫)কেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এ নিয়ে আজ রবিবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে গাজী কমপ্লেক্সের সকল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে অভিযুক্ত সৈয়দ আহাম্মদ ও তার দুই ছেলেকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনজন দাশ ও রায়পুর পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট বরাবর ব্যবসায়ীদের স্বাক্ষর সম্বলিত স্মারক লিপি প্রদান করেন ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আরিফ হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রায়পুর থানার ওসি তদন্ত হাসান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




আবারো প্রেমের টানে ইন্দোনেশিয়ার তরুণী লক্ষ্মীপুরে

প্রেমের টানে ইন্দোনেশিয়া থেকে সিতি রাহাইউ নামে আরও এক তরুণী লক্ষ্মীপুরে এসেছে। বাংলাদেশের মামুন হোসেন ও সিতি মালয়েশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এই সুবাদে তাদের পরিচয় ও প্রেম। সেই টানেই বাংলাদেশে ছুটে আসেন সিতি।

আজ রোববার (৯ অক্টোবর) দুপুরে আদালতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

মামুন রায়পুর উপজেলার উত্তর কেরোয়া গ্রামের রফিক উল্লাহর ছেলে এবং সিতি ইন্দোনেশিয়ার বিনজাই শহরের ফুনুং কারাংয়ের মৃত জুমিরানের মেয়ে।

গত শনিবার বিকেলে মালয়েশিয়ার একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসেন মামুন ও সিতি। সেখান থেকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর কেরোয়া গ্রামে নিজবাড়িতে যান।

মামুন বলেন, ২০১৭ সালে চাকরির সুবাদে সিতির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ে করতেই বাংলাদেশে এসেছেন সিতি। এক মাসের ছুটি শেষে ফের মালয়েশিয়ায় চলে যেতে হবে। তবে, সিতি বাংলাদেশে থাকার ব্যাপারে আগ্রহী।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৮ মার্চও প্রেমের টানে বাংলাদেশে আসেন ইন্দোনেশিয়ার এক তরুণী। ফানিয়া আইঅপ্রেনিয়া নামেও ওই তরুণী রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামের রাসেল আহমেদকে বিয়ে করেন।




লক্ষ্মীপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শোভাযাত্রা

লক্ষ্মীপুরে শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হয়েছে । জেলা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা’আত এর আয়োজনে রবিবার (৯ অক্টোবর) সকালে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

শহরের লিল্লাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি।

সংগঠনটির আহবায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আতাউল করিম মুজাহিদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন কাজী জামশেদ কবির বাক্কী বিল্লাহ, পীর সৈয়্যাদ মাহমুদুর রহমান তানভীর ছিদ্দিকী, পীর সৈয়্যাদ গোলাম সাখজার হোসাইনী ছাবের চিশতী প্রমুখ।

সমাবেশে বয়ান,, মিলাদ, ক্কিয়াম শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনাসহ বিশ্ব উম্মাহর শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। পরে হাজার হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।