কমলনগরে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
নির্ভুল জন্ম নিবন্ধন করব, শুদ্ধ তথ্যভান্ডার গড়ব’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুর কমলনগরে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে, কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী ভুমি কমিশনার ফেরদৌস আরা, কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আলম, চর কারদিরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানাল চেয়ারম্যান নুরুল্ল্যাহ, কমলনগর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ ফয়েজ মাহমুদ, সাংবাদিক আমজাদ হোসেন আমুসহ সকল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও উদোক্তা প্রমুখ।

উপস্থিত সকলে দেশের জিডিটাল সেবা পেতে ও নির্ভুল তথ্যভান্ডার গড়তে নির্ধারিত নিয়ম ও সঠিক সময়ে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।




কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা সমাচার

কমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা ও সেবার মান নিয়ে প্রশংসনীয় প্রতিবেদন দেখেছি করোনাকালে। সেবা ও সেবার মানদন্ডে সু সেবার স্বাক্ষর রেখেছে কর্তাব্যক্তিরা যে যার মত। সেবা সু সেবা ভালোবাসা মানবতার স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় সেবা প্রার্থী ব্যাক্তিরা ছিলো পুলকিত। কর্তাব্যাক্তিদের এমন অবদানের প্রতিদানে ইচ্ছা পোষন করেছি যে পুষ্পমাল্যে বরন করবো। সময় অসময়ে হয়ে উঠেনি।

সময়ের পরিক্রমায় ডাঃ আকিলের বদলি সর্বশেষ ডাঃ রেজাউল করিম রাজিবের বদলি কমলনগরে চিকিৎসা সেবার ভরসায় আশান্বিত সেবা প্রার্থী ব্যাক্তিদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ অশ্রু কাতর মানুষ গন বদলি ঠেকাতে ভালোবাসায় মানববন্ধন করেছে কমলনগরে। যা কমলনগরে সেবার জগতে ইতিহাস। দুজনের বদলি কমলনগরে চিকিৎসা সেবায় অপূরনীয় ক্ষতি। যা গত ২/১০/২২ তারিখে সরজমিনে প্রত্যক্ষ করেছি। লজ্জায় আবৃত হয়েছি বারবার। সিদান্তহীনতায় পায়চারি করেছি বারংবার। বাচ্চার বিকেলে শ্বাসকষ্ট সন্ধ্যায় হাজির হাট বাজারে চিকিৎসা ব্যবস্হা। রাতে সমস্যা বেড়ে অধিক বুমি। সারারাত দুঃচিন্তা। সকালে সমস্যা প্রতিকারে কমলনগর স্বাস্হ্যকমপ্লেক্সে গমন। সকাল তখন ৭টা। জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত আমাদের কমলনগরের সন্তান ডা. দাউদ সিদ্দিকী। জরুরী বিভাগে ছিলেন একমাএ ডা. দাউদ আর এক মুরুব্বী। গুরুত্বপূর্ণ কর্তাব্যাক্তিরা হাওয়া।

ডা. দাউদ সিদ্দিকী সু সেবায় কমলনগরে পল্লী চিকিৎসক হিসেবে বিখ্যাত। তার রোগী ভুরি ভুরি। বাচ্চা দেখলেন ভর্তি ব্যবস্হা করলেন। ব্যবস্থাপত্রে ডা. দাউদ সিদ্দিকীর সাইন নাই বলে চিকিৎসা প্রদানে অনিহা প্রকাশ করলেন কর্তব্যরত নার্সগন। ফলে বিপত্তি। কে শুনে কার কথা। শুরু হয়রানি এখন কাজ হলো সিঁড়ি বেয়ে উঠা আর নামার কসরত। দুইবার মিস গাইড। তৃতীয় বার সাক্ষাতে ডা. দাউদ সিদ্দিকীর শরনাপন্ন হয়ে সমস্যার প্রতিকার চেয়েছি। তিনি আমাকে আবার ও উপরে পাঠালেন। সমস্যার সমাধান হয়নি। হাসপাতালে স্বাস্হ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু তাহের ছিলেন না। তার বিপরিতে দায়িত্ব সম্পাদনে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি দায়িত্ব পালন না করে ঘুমাতে গেলেন। ডা. দাউদ বাদে বাকী দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা রুটিন সময়ে অনুপস্থিত। তারা কর্মক্ষেএে প্রবেশ করেন দশটার পর।ফলে চিকিৎসা পেতে হয়েছে দশটার পর। ভর্তি করেছি ৭.৩০ মিনিটে। ডাঃ আসলেন ব্যবস্হা পএে সাইন করলেন তারপর নার্সগন দায়িত্ব পালন করলেন। মাঝখানে ৩/৪ ঘন্টা সেবা বিরতি ছিলো।
ফলে ডায়রিয়া রোগীর কান্নায় আকাশ ভারী কে কার কথা শুনে। স্বাস্হ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু তাহেরের নাম্বারে কল করলে ও রিসিভ হয়নি।

ফলে সমস্যা সমাধানে পৌঁছাতে পারিনি। ডা. দাউদ সিদ্দিকীর ব্যবস্থাপত্রেকমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা মিলে না। অথচ তিনিই জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত ছিলেন। যারা কর্তাব্যাক্তি তারা হাওয়া। কার ইশারায় কেমনে চলে হাসপাতাল গভীর অনুসন্ধান করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে ডা. দাউদ সিদ্দিকীর অন্তকোন্দল কিনা তাহা জানার চেষ্টা করেছি. কোন সুউত্তর মিলেনি। রোগী নিয়ে এই হচ্ছে সাপলুডু খেলা। রোগীরা সেবা বঞ্চিত। অপচিকিৎসা ও কমলনগর স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে চোখে পড়ার মত। আয়া করে নার্সের কাজ।
ক্যানালা পিটিং স্যালাইন সঞ্চালনের কাজ করেন আয়া। কিন্তু তাহলে নার্সদের কাজ কি? এখানেই শেষ নয়। ওয়ার্ড বয় ও করেন নার্সদের কাজ। সকালে ডায়রিয়াকৃত এক বাচ্চাকে ইনজেকশন পুশ করেন ওয়ার্ড বয়। ফলে ইনজেকশনের মার্তা বেশি দিয়ে বাচ্চার জীবন হুমকিতে পেলেন।
বাচ্চার চোখ কপালে উঠলো বাচ্চার মায়ের চিৎকারে ওয়ার্ড বয় হাওয়া। সকল সমস্যার প্রতিকারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি। ডা. দাউদকে নিয়ে রাজিব নাটক হচ্ছে কিনা চোখ রাখুন। প্রতিবাদে সজাগ থাকুন। গত ২/১০/২২ তারিখ সন্ধ্যা থেকে ৩/১০/২২ তারিখ দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিহীন কমলনগর হাসপাতাল। অন্ধকারে নিমজ্জিত চিকিৎসা ব্যবস্হা। মমবাতির আলোয় চিকিৎসা চলছে। ভুক্তভোগীদের মমবাতিই ভরসা। কোন উপায় নেই। অন্ধকারে ভুল চিকিৎসা হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। আর ভুল চিকিৎসা হলেই কারো জীবন নাশ হবে। দায় কার?

বিদ্যুৎ অফিসের বিদ্যুৎ নামক ভেলকিবাজি বন্ধ করা সময়ের দাবি। গুরুত্বপূর্ণ জায়গা বিদ্যুৎ বিহীন ১৮ ঘন্টা চিন্তা করা যায়। তার ভেতর জেনেরেটর সেবা থেকে ও নেই। তৈল খরচের বরাদ্দ নেই অজুহাতে জেনেরেটর সেবা পরিবেশন বন্ধ। কতটুকু যুক্তি কথা বোধগম্য নয়। চিকিৎসা সেবা মৌলিক সেবার একটি। আমাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। সেবা হোক জনকল্যাণকর। মানুষ মানবতার জয় হোক। কমলনগর স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের অব্যবস্হাপনা দূর হয়ে বিবেকবোধের দর্শনে মানুষ মানবতা হোক সেবার মাধ্যম।

লেখক: শিব্বির দেওয়ান




সনদ ছাড়া গ্রাম্য ‘‘ডাক্তার’’ চিকিৎসা দিতে পারবেন না

ঢাকা: গ্রাম্য ‘ডাক্তার’’ যাদের চিকিৎসা বিষয়ে শিক্ষা, যোগ্যতা এবং সনদ নাই তাদের চিকিৎসা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।

জাহিদ মালেক বলেন , স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে চেষ্টা করছি। সেবার মানোন্নয়নে অ নেকগুলো দিক আছে। এ ক্ষেত্রে অনেক জনবল প্রয়োজন হয়, অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। আমরা এখন প্রাইমারি স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। যদি প্রাইমারি স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন করতে পারি, তাহলে আমাদের স্বাস্থ্য সেবার আরও অনেক উন্নয়ন হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, প্রাইমারি হেলথ কেয়ার মূলত কমিউনিটি ক্লিনিক ও ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার, আমাদের ১০ বেড হাসপাতাল আছে’, ইউনিয়ন হেলথ সেন্টার আছে’, এছাড়াও ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে যারা এই প্রাইমারির স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে। আমরা এ ক্ষেত্রে একটি বিষয়ে বেশি জোর দিচ্ছি, তা হলো প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টারে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। প্রাইমারি স্বাস্থ্যসেবায় যা যা করা দরকার তা আমরা নির্ধারণ করে দিচ্ছি।

গ্রামের চিকিৎসা সেবা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,, যারা গ্রামে চিকিৎসা দেন,, তাদের অনেকে কোয়ালিফাইড না, তাদের কোনো সনদ নাই, তারা এন্টিবায়োটিকও এবং নানান ওষুধ প্রেসক্রিপশন করে। অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, যারা নিবন্ধিত না’, তাদের ক্ষেত্রে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি । এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিককে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং আগামীতে আরও বন্ধ করা হবে। যারা গ্রামে চিকিৎসা দেয়, তাদের চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো শিক্ষা, যোগ্যতা বা সার্টিফিকেট (সনদ) নেই। তাদেরকে আমরা চিকিৎসা দিতে দেব না। এ বিষয়ে আমরা খুব শিগগিরই পদক্ষেপ নেব। এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন,, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর প্রমুখ।




দুই ছেলেসহ ইসলাম গ্রহণ করলেন মা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌর শহরে মা-ছেলেসহ একই পরিবারের তিনজন নিজ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সকালে শেরপুর জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মেরাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে একজন মাওলানার কাছে গিয়ে কালেমা পড়ে এবং কোর্টে এফিডেভিটের মাধ্যমে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা ব্যক্তিরা হলেন- নালিতাবাড়ী পৌর শহরের গড়কান্দা মহল্লার মৃত খগেন বিশ্বাসের স্ত্রী সবিতা রানী, তার ছেলে জয় ও বিজয়। তবে বর্তমানে তারা নিজেদের নাম রেখেছেন আছিয়া বেগম, মোহাম্মদ হাসান ও মোহাম্মদ হোসাইন।

এ বিষয়ে নওমুসলিম আছিয়া বেগম জানিয়েছেন, ইসলাম ধর্ম আমার অনেক আগে থেকেই ভালো লাগতো। প্রতিবেশীদের মুসলমানদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখে আমারও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে মন চাইতো। ছেলে বিজয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে শুনে আমি ও আমার অন্য ছেলে জয়কে নিয়ে রাজি হই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ হোসাইন (বিজয়) বলেন, আমরা কারো প্ররোচনায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করিনি। আমি অনেক দিন থেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য নিজেই খতনা করেছি। মঙ্গলবার আমার মা ও ভাইকে নিয়ে আদালতের মাধ্যমে ও কালেমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।

এ বিষয়ে শেরপুর জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মেরাজ উদ্দিন বলেন, প্রয়াত খগেন বিশ্বাসের স্ত্রী সবিতা রাণী বিশ্বাস ও তার দুই ছেলে স্বেচ্ছায় আমার কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আমি তাদের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মেহেদী হাসানের মাধ্যমে এফিডেভিট সম্পন্ন করেছি।




ইউক্রেনের চার অঞ্চল রুশ ফেডারেশনে যুক্ত; আইনে স্বাক্ষর করলেন পুতিন

ইউক্রেনের চার অঞ্চল রুশ ফেডারেশনে যুক্ত করতে চারটি সাংবিধানিক আইনে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এতে দোনেতস্ক, লুহানস্ক, খেরসন, জাপোরিঝিয়া এখন আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ ফেডারেশনের অংশ হলো।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাশিয়ার সংসদের উচ্চ কক্ষ ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চল গুলো ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেয়।শুক্রবার পুতিন অঞ্চলগুলো যুক্ত করতে ডিক্রি ( সরকারি আদেশ) জারি করেছিলেন।

রাশিয়ার সরকারি গণমাধ্যম খবরে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক আইনে স্বাক্ষরের ফলে ইউক্রেনের চার অঞ্চলের বাসিন্দারা এখন রাশিয়ার নাগরিক বলে বিবেচিত হবেন।

বিশ্ব নেতারা ইউক্রেনের চার অঞ্চল যুক্ত করতে রাশিয়ার ‌‌;‘গণভোট’ আয়োজনকে ‘ধাপ্পাবাজি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো পুতিনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। সূত্র: সিএনএন




মহানগর উত্তর বিএনপির সমাবেশ আবারও পেছাল

নিজেদের অন্য কর্মসূচি থাকার কারণে মহানগর উত্তর বিএনপির পূর্বঘোষিত পল্লবী জোনের সমাবেশ আবারও পেছানো হয়।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দিনগত রাতে মহানগর উত্তর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এবি এম এ রাজ্জাক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগামী ৬ অক্টোবর বেলা ৩ টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্র্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোকর‌্যালীর কারণে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য একই দিনের পল্লবী জোনের সমাবেশটি আগামী ০৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্থগিত পল্লবী জোনের সমাবেশ যা আগামী ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, সেটির স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মী হত্যার প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিকে ১৬টি জোনে বিভক্ত করে ১৬টি সমাবেশের ঘোষণা করে বিএনপি।

গত ১০ সেপ্টেম্বর শুরু করে ২৯সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩টি স্থানে ১৩টি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পল্লবী জোনের সমাবেশের নির্ধারিত তারিখ ছিল গত ১৫সেপ্টেম্বর। ওই দিন স্থানীয় যুবলীগ-আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষ হয়। ফলে সমাবেশটি হয়নি। পরে ওই সমাবেশের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয় গত ১অক্টোবর। কিন্তু শারদীয় দুর্গোৎসবের কারণে সেটি পিছিয়ে ৬ অক্টোবর নির্ধারণ করা হলেও এবার পুনরায় পিছিয়ে ৮ অক্টোবর করা হলো।




লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক; পুলিশ সুপার

লক্ষ্মীপুরে ডাকাত চক্রের মূল হোতা রাব্বিসহ ৪ ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্র ও ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ (৩ অক্টোবর) সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ।

.. বিস্তারিত আসছে…




নির্বাচনে জোট গঠনে সিদ্ধান্ত হয়নি: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপ-নেতা জিএম কাদের বলেছেন, যেজন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে সমর্থন দেওয়া হয়েছিল তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেনি। এ সরকার ক্ষমতায় এসে যা করছে তা বিএনপির চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। আমরা পরিবর্তন চাই।

সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

নির্বাচনে জোট গঠনের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন,, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তৃণমূল থেকে দলের উচ্চপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

বিএনপির সঙ্গে গোপন আঁতাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা গোপন কোনো আঁতাত করি না, যা কিছু হবে স্বচ্ছ।’

বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের নীতিগত পার্থক্য থাকলেও তাদের কর্মকাণ্ড এক উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ এদের বাইরে কাউকে চায়। দেশের মানুষ সামাজিক নিরাপত্তা চায়। দেশের মানুষ খুন-ধর্ষণ-লুটপাট থেকে উদ্ধার চায়। আমরা আমাদের নিজস্ব রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দেশের মানুষের সুস্থ রাজনীতি উপহার দিতে চাই।’

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মাসুদ নান্টু, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক,, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসীরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




রামগতিতে একই পরিবারের ৬ সদস্যের ১৭ বিবাহ

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বহ বিবাহে আসক্ত পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরিবারের সকল সদস্য নতুন নতুন বিয়ে করে তালাক দিয়ে দেয়া এ পরিবারের নেশা ও পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়।  একই পরিবারের ৬ সদস্য ১৭ বিবাহ করেছেন।

জানা যায়, চর আলেকজান্ডার ইউনিয়নের ওয়াপদাবাজার এলাকায় মফিজুল ইসলামের পরিবারের ৬জন সদস্য এ পর্যন্ত বিয়ে করে তালাক দিয়েছেন ১৭ জনকে। মফিজুল ইসলামের পিতা বিয়ে করেছেন ৪টি। মফিজুল ইসলামের বড় ছেলে মো: নজরুল ইসলাম করেছেন ৪ বিয়ে, তার ভাই ইব্রাহিম খলিল জামিল ওরপে জামিল ডাক্তার করেছেন ৩টি, তার বোন শামীমা সুলতানা মায়া করেছেন ৩ বিয়ে, ছোট মেয়ে ফারজানা আক্তার লিপা করেছেন ২ বিয়ে। এ সকল স্ত্রী ও স্বামীকে ভাই ও বোনেরা দিয়েছেন তালাক। আবার নতুন করে বিয়ে করার জন্য পাত্র পাত্রী খুজছেন এ বহু বিবাহে আসক্ত পরিবারের সদস্যরা। আরো জানা যায়, এ পরিবারের সদস্যরা বিয়ে করে বিপুল পরিমাণের টাকা যৌতুক নিয়ে কিছুদিন পর তালাক দিয়ে দেয়।

বহু বিবাহের বিষয়ে পরিবারের সদস্য মানজুর ও জামিল জানান, এটা আমাদের কপাল, আমরা কাউকে দোষ দেইনা। কেন জানিনা আমাদের ভাই বোনদের সংসার টেকেনা।

ইব্রাহিম খলিল জামিল ওরপে জামিল ডাক্তার তার ৩য় স্ত্রী কমলনগর উপজেলার চর ফলকন ইসলামগঞ্জ এলাকার মো: সাদেকের মেয়ে সুফিয়া বেগম (২৭) কে তালাক দেয়া হয়েছে জেনে তার ২ মাসের কণ্যা সন্তান নাজনীন ফাতেমা মীমসহ ইউনিয়ন পরিষদে আসেন ন্যায় বিচারের জন্য।

সুফিয়া বেগম জানান, আমাকে কি কারণে তালাক দেয়া হয়েছে জানি না । আমার অপরাধ কি তাও জানি না। আমার কোন দোষ থাকলে আমার মা বাবা ভাই বা পরিবারের সদস্যদের জানাতে পারত ডাক্তার জামিল তাও করেনি। সে খামখেয়ালী ভাবে একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি একতরফা তালাক মানিনা এবং ন্যায় বিচার চাই।

সুফিয়ার ভাই আক্তার হোসেন জানান, জামিল আমাদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক নিয়েছেন নানা কায়দায়। বর্তমানে কোন কারণ ছাড়াই আমার বোনকে তালাক দিয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সুমন বলেন, আমি শুনেছি এবং জেনেছি এ পরিবারের সদস্যরা বহু বিবাহে আসক্ত। সম্প্রতি ইব্রাহিম খলিল জামিল ওরপে জামিল ডাক্তার এর ৩য় স্ত্রী ৩ মাসের কণ্যা সন্তান সহ আমাদের পরিষদে এসে তাকে উকিলের মাধ্যমে দেয়া তালাকের বিষয়ে ন্যায় বিচার দাবী করেন। আমরা পরিষদের সদস্যরা বিষয়টি যাছাই বাছাই করে দেখছি সুরাহার কোন পথ পাওয়া যায় কিনা।




লক্ষ্মীপুরে লোটাসের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

শেখ হাসিনা’র ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাস এর উদ্যোগে ১০ হাজার দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। তিনি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের এন. আহম্মদিয়া স্কুল মাঠে রাকিব হোসেন লোটাস এর আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে ১০ হাজার অসহায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন তিনি।

এসময় আলোচনা, দোয়া ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিয়া গোলাম ফারুক পিংকু,, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব এম, আলাউদ্দিন , পৌর মেয়র মোজ্জাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া , কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতলব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কবির পাটোয়ারী, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ আহমদ পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন বাবর প্রমুখ।

রাকিব হোসেন লোটাস জানান, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এর জ্যেষ্ঠ কন্যা, বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর গণতন্ত্রের মানসকন্যা, সফল রাষ্টনায়ক শেখ হাসিনা’র ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল এর নির্দেশে এই আলোচনাসভা, দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।