গ্রেফতার নিহত বুয়েটছাত্র ফারদিনের বান্ধবী বুশরা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় তার বান্ধবী বুশরাকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বান্ধবী বুশরাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এর আগে, বুধবার (৯ নভেম্বর) দিনগত রাতে ডিএমপির রামপুরা থানায় ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন রানা বাদী হয়ে ছেলে হত্যার অভিযোগ এনে বান্ধবী বুশরাসহ অজ্ঞাতপরিচয় বেশ কয়েকজনের নামে একটি মামলা (নং-৯) দায়ের করেন।

৪ নভেম্বর রাতে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় বান্ধবী বুশরাকে বাসায় যাওয়ার জন্য এগিয়ে দেন ফারদিন। এরপর থেকেই নিখোঁজ হন ফারদিন।

৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।




৮ লাখ টাকায় বিক্রি দুটি পোয়া মাছ

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের জেলে আবদুল গনির জালে ধরা পড়েছে দুটি পোয়া মাছ।

মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিন সাগর উপকূলে ধরা পড়া মাছ দুটির ওজন সাড়ে ৫৫ কেজি। প্রথমে জেলে আবদুল গনি মাছ দুটির দাম ১৫ লাখ টাকা হাঁকলেও পরে কক্সবাজারে ৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

জেলে আবদুল গনি বলেন, মঙ্গলবার ভোরে আমিসহ পাঁচজন জেলে সাগরে নৌকায় মাছ শিকারে যাই।

মঙ্গলবার ভোরে দ্বীপে পশ্চিমপাড়া এলাকায় সাগরে জাল তুললে দুটি বড় পোয়া মাছ পাওয়া যায়। মাছ দুটি নিয়ে দ্বীপের জেটিঘাটে ফিরে আসার পর অনেকে কিনতে আগ্রহ দেখায়। কিন্তু উপযুক্ত দামের আশায় মাছ দুটি কক্সবাজার নিয়ে যাই। সেখানে ৮ লাখ টাকায় একজন ক্রেতা মাছ দুটি কিনে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, টেকনাফ উপকূলে প্রতি বছর দু-চারটা এ ধরনের বড় পোয়া মাছ ধরা পড়ে জেলেদের জালে। পোয়া মাছের এয়ার ব্লাডার বা বায়ুথলির কারণে এটির দাম বেশি হয়ে থাকে। পোয়া মাছের এয়ার ব্লাডার দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি হওয়ায় মাছটির কদর রয়েছে।




রামগতিতে পাওনা টাকা চাওয়ায়, মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

জমি ক্রয় সূত্রে টাকা বায়না দেয়া হয়। জমি অথবা বায়না টাকা দিতে কালক্ষেপ করেন মিরণ। দীর্ঘদিন টাকা চাওয়ার পর দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদে অভিযোগ দায়ের করেন জমি ক্রেতা আব্দুল হান্নান । অভিযুক্ত মিরণ চেয়ারম্যান পরিষদে টাকা দেনার দায়ে অভিযুক্ত প্রমানিত হন। টাকা না দিতে জুটঝামেলা শুরু করে এবং সময় নিয়ে অভিযোগ কারি ও স্বাক্ষীগণের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলা আদালতে মামলা দায়ের করেন এমন অভিযোগ করেন মামলার আসামীগণ।

মামলার আসামী আব্দুল হান্নান বলেন, স্থানীয় প্রতারক ইব্রাহিম মিরণের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় পল্লী চিকিৎসক আব্দুল হান্নান (৩৪) পিতা মৃত নুরল হুদা, বুলবুল আসাদ নুরুল্লা (৪২) পিতা মৃত হাবিব উল্লাহ, আব্দুর রহমান (২২) পিতা সোহরাব উদ্দিন, মো.আলমগীর (৫৫) পিতা মৃত গোলাম রহমান, এমরান হোসেন পাটোয়ারী (৩৫)পিতা মো.আলমগীর এদের তার মামলায় স্বাক্ষী দেয়ায় মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে। এরা সবাই রামগতি উপজেলার চর রমিজ ইউপি’র চর গোসাই গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী নুরুল্লা, আলমগীর, এমরান বলেন, স্থানীয় মো. ইব্রাহিম মিরণ নামে ব্যক্তি তাদের বিভিন্নভাবে হামলা-মামলা, ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে এবং জেলা আদালতে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছে। মামলার বাদি মিরণে কাছে হান্নান টাকা পাবে। হান্নান চেয়ারম্যান পরিষদে তার বিরুদ্ধে আমাদের স্বাক্ষী দিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। আমরা যেন স্বাক্ষী দিতে না পারি যার জন্য আমাদের আসামী করে মিথ্যা, বানোয়াট চাঁদাবাজি মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।

ভুক্তভোগী আব্দুল হানান বলেন, মিরণ এবং তার বাড়ি পাশাপাশি থাকায় ৪৮ শতক জমি ৬ লক্ষ ষাট হাজার টাকা মূল্যে নির্ধারণে ২ লক্ষ টাকা স্বাক্ষীগণের মোকাবেলা মিরণকে বায়না করেন। জমির কাগজপত্রে ঝামেলা থাকায় জমি রেজিস্ট্রি দিতে সমস্যা করে মিরণ। দীর্ঘদিন পর জমির বায়না বাবত ২ লক্ষ টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে মিরণ। টাকা চাইলে বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধমকি দেয়। আমি সাধারণ মানুষ, পল্লী চিকিৎসা করে জীবিকা নির্বাহ করি। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য স্থানীয় চর রমিজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেই। মিরণ অভিযোগ তোয়াক্কা না করে জেলা জজ আদালতে আমি এবং অভিযোগে সাক্ষীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দেয়। সাক্ষীরা যেন সঠিক তথ্য আদালতে উপস্থাপন করতে না পারে।এজন্য সাক্ষীদের আসামী করেন মিরণ। এছাড়াও মিরণ এক এক জায়গায় তার এক এক রকম নাম লিখেন ও স্বাক্ষর করেন যথেষ্ট প্রমান রয়েছে। সে সম্পূর্ণ প্রতারক..।

মামলার অন্য আসামী আব্দুর রহমান বলেন, তিনি বাদি ইব্রাহিম মিরণের কাছে জমির বায়না বাবত টাকা পাবে। টাকা দিচ্ছে না। উল্টো তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেয়া হয়।

স্থানীয়দের সাথে আলাপে অনেকেই জানান, মামলার বাদি ও আসামীদের মধ্যে জমির সংকান্ত লেনদেন চলছিল। হঠাৎ জমির টাকা নিয়ে এদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরোক্ষণে টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধগুলো প্রখোর আকার ধারণ করে থানা ও আদালত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

মিরণের চাদাঁবাজির মামলায় স্বাক্ষীগণের সাথে আলাপকালে জানা যায়, বাদি মিরণের চাদাঁবাজির মামলা সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। তবে তাদের মধ্যে জমি সংকান্ত টাকা লেনদেন ছিল। মিরণ স্থানীয়ভাবে জমি বেচা-বিক্রি করতেন। জমি কেনা-বেচা সূত্রে লেনদেন হয় এবং জমির টাকার লাভ-ক্ষতির হিসেবে তাদের সম্পর্কে বেগাত ঘটে।

বাদি মো.ইব্রাহিম মিরণের সাথে ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলার চর রমিজ ইউপি’র চেয়ারম্যান মোজাহিদুল ইসলাম দিদার বলেন, জমির টাকা সংকান্ত বিষয়ের আব্দুল হান্নান ইউনিয়ন পরিষদে মিরণকে বিবাদী করে অভিযোগ দায়ের করেন। মিরণকে নোটিশ প্রধান করে বিষয়টি তদন্ত করতে সময় দেয়া হয়। কিন্তু পরোক্ষণে মিরণ স্থানীয় ইউপি পরিষদকে তোয়াক্কা না করে অভিযোগটি জেলা আদালতে নিয়ে যায়। এখানে মিরণসহ তাদের কিছু লোক জমির দালালী করে। এদের মধ্যে টাকার ভাগাভাগিতে সমস্যা হয়। মিরণ এবং মিজান প্রাথমিক তদন্তে হান্নানের টাকা আত্মসাৎ করে স্থানীয় সাক্ষীরা জানান।




অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে ১১ কর্মকর্তা পেলেন পদায়ন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে ১১ কর্মকর্তাকে পদায়ন করেছে সরকার।

আজ বুধবার (৯ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নোয়াখালী বদলি আদেশাধীন) পঙ্কজ বড়ুয়াকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) কাজী মহুয়া মমতাজকে কিশোরগঞ্জে, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব মাহফুজুল আলম মাসুমকে ময়মনসিংহে, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস বগুড়ার চার্জ অফিসার (সহকারী নিয়ন্ত্রক, সিসিএ অফিস ঢাকা হিসেবে বদলির আদেশাধীন) এস এম জাকির হোসেনকে নওগাঁয় বদলি করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদফতরের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদকে কিশোরগঞ্জ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. মামুনুল করিমকে গাজীপুর, কিশোরগঞ্জের ইটনার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সহকারী রেজিস্ট্রার সিসিএ অফিস ঢাকা হিসেবে বদলির আদেশাধীন) নাফিসা আক্তারকে টাঙ্গাইল, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আতিকুল ইসলামকে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক করা হয়েছে।

এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) অজিত দেবকে নোয়াখালী, ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বরগুনা বদলি আদেশাধীন) বেগম রুম্পা সিকদারকে বরিশাল এবং লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল কাদেরকে পঞ্চগড়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি কর্মকর্তাকে তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে (পদায়িত জেলায়) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।




লক্ষ্মীপুরের গভীররাতে নদীতে ৩ জেলে গুলিবিদ্ধ: নিখোঁজ এক

লক্ষ্মীপুরের রামগতির মেঘনা নদীতে গভীররাতে জলদস্যুদের হামলায় ৩ জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এসময় মহিউদ্দিন (৩৫) নামে এক জেলেকে নিয়ে গেছে দস্যুরা।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের পশ্চিম পাশে নদীতে এ ঘটনা ঘটে। রাত ৪টার দিকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে মৎস্য আড়ৎদাররা।

বড়খেরী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ইনচার্জ) ফেরদৌস আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন— মো. আব্বাস মাঝি (২৮), মো. ফারুক (৩৫) ও মো. ইউসুফ (২৭)। আব্বাস কমলনগর উপজেলার চরফলকন এলাকার তসির আহম্মদের ছেলে, ইউসুফ রামগতির পশ্চিম চরকলাকোপা গ্রামের মো. ইউনুসের ছেলে ও ফারুক নোয়াখালীর সুবর্ণ চরের আলমগীর ফরাজির ছেলে।

 

 

নিখোঁজ মহিউদ্দিন নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকার নানু ফরাজির ছেলে।

আহত আব্বাস মাঝি বলেন, ‘আমরা নদীতে জাল ফেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে দূর থেকে আমাদের নৌকাতে জলদস্যুরা গুলি ছোঁড়ে। এতে আমরা তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছি। আমাদের সহকর্মী মহিউদ্দিনকে দস্যুরা নিয়ে গেছে।’

কমলনগরের লুধুয়া মাছঘাটের মৎস্য আড়ৎদার মো. লিটন জানান, মধ্যরাতে আব্বাস মাঝির নৌকাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুছ ও আলেকজান্ডার কোষ্টগার্ডের কন্টিজেন্ট কমান্ডারকে (সিসি) জানিয়েছি। পুলিশ প্রশাসন গেলে কোস্টগার্ড যাবে বলে জানিয়েছেন। এতে তাদেরকে জানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে মাছ ব্যবসায়ীরা নিজেরাই ঘটনাস্থল থেকে আহত জেলেদের উদ্ধার করে।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক একে আজাদ বলেন, তিনজন গুলিবিদ্ধ রোগী এসেছেন। তাদেরকে ভর্তি রাখা হয়েছে। তারা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

বড়খেরী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ইনচার্জ) ফেরদৌস আহমেদ বলেন, ভোলার দৌলতখান এলাকার মেঘনা নদীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। রাতেই ঘটনাটি শুনেছি।

এদিকে, বুধবার (৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন এ ঘটনায় কিছুই জানা নেই বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে। পরে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে আহতদের ও নিখোঁজ জেলের তথ্য নেন।




সুবর্ণচরে বাবা-মাকে মারধর করে মেয়েকে ধর্ষণ, থানায় মামলা গ্রেপ্তার ২

মোঃ বদিউজ্জামান ( তুহিন),নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় বাবা-মাকে মারধর করে ঘরের বাইরে আটক রেখে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

সোমবার (৭ নভেম্বর) রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৭-৮ জনকে আসামি করে উপজেলার চরজব্বার থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন—পশ্চিম চর মজিদের হাসান আহম্মদের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন (৩৫) ও মফিজুর রহমানের ছেলে দিদার হোসেন (৩০)।

সুবর্ণচরের পশ্চিম চর মজিদ আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় গত রোববার রাতে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী ভুক্তভোগীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সন্ত্রাসীরা গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে বেদম মারধর করে। এক পর্যায়ে ঘরে থাকা তাদের মেয়েকে দুইজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে চরজব্বার থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

চরজব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানান, মামলার এজাহারে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত মোয়াজ্জেম হোসেন ও দিদার নামে ২ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




নেত্রকোণায় দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী শিলা হাজং এর পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ

আব্দুর রহমান ঈশান, নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী শিলা হাজং এর পাশে দাঁড়িয়েছে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন। রোববার নেত্রকোণা জেলার জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ এই শিক্ষার্থীকে তার কার্যালয়ে এনে এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা তুলে দেন।

কিছুদিন আগে একটি দৈনিকে “তিন বছরের বেতন ও হোস্টেল ভাড়ার প্রায় দেড় লাখ টাকা পরিশোধ করতে না পারায় পরীক্ষায় বসা অনিশ্চিত শিক্ষার্থীর” – এমন সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে নেত্রকোণার জেলা প্রশাসকের। এরপর তিনি দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজীব-উল-আহসান এর মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীর সার্বিক খবর নেন।

জানা গেছে,শিলা হাজং ময়মনসিংহের ব্রাহ্ম পল্লি এলাকার স্কুলার নার্সিং ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থী । তার বাড়ি দুর্গাপুরের কুল্লাগড়া ইউনিয়নে। শিলার বড় ভাই পোশাক শ্রমিক, রঘুনাথ হাজং, তিনি জানান,তিনি পোশাক কারখানায় চাকরি করে যে টাকা পান তা দিয়ে তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা আর সংসারের ভরণপোষণ কোনভাবে চলে। কিন্তু একমাত্র বোন শিলাকে উচ্চশিক্ষিত করার ইচ্ছা তার। রঘুনাথ বলেন, তার বাবা রবীন্দ্র হাজং দিনমজুরি করে যে সামান্য অর্থ উপার্জন করেন তাতে সংসারের ব্যয়ভার বহন করা ও শিলার পড়াশোনার খরচ জোগানো সম্ভব নয়। তাই নার্সিং ইনস্টিটিউটে এতো বড় অঙ্কের বকেয়া পড়ে গিয়েছিলো। তবে সম্মানিত জেলা প্রশাসক যে সহযোগিতা করেছেন তাতে শিলার পড়াশোনায় আর কোন বাধা রইলো না। আমরা তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।

নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন,“ওই শিক্ষার্থীর পড়াশুনার যাবতীয় খরচ বহন করবে জেলা প্রশাসন।
এসময় তিনি শিলা হাজংকে নার্সিং এর মহান পেশার মাধ্যমে ভবিষ্যতে একইভাবে সেবার দ্বারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান৷

জেলা প্রশাসনের সহায়তা পেয়ে শিলা হাজং বলেন,“আমি কথা বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।জেলা প্রশাসক স্যারকে আমার ধন্যবাদ কিংবা কৃতজ্ঞতা দেওয়ার মত কোন ভাষা নেই। তিনি আমাদের কাছে ঈশ্বরের মতো হয়ে এসেছেন। এই টাকা না পেলে আমার পরীক্ষা দেয়া হতো না।আমি তার এই মহানুভবতার কথা সারাজীবন মনে রাখব।”




বশেমুরবিপ্রবিতে উপস্থিত না হয়েই মাস্টাররোল কর্মচারী নিচ্ছেন ‘দৈনিক মানবিক বেতন ‘

মোঃফজলে রাব্বি,বশেমুরবিপ্রবি­ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী ইমদাদুলের বিরুদ্ধে চাকরি না করেই বেতন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনে কর্মরত আছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ‘বশেমুরবিপ্রবি প্রেসক্লাব ‘ এর এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, লাইব্রেরি শুক্রবার বন্ধ থাকলেও তিনি শুক্রবারে উপস্থিতি দেখিয়ে মজুরি নেন। এছাড়া পূজা,ঈদ ও রমজান মাসের ছুটিতেও উপস্থিতি দেখিয়ে তিনি বেতন তোলেন। সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসের উপস্থিতি খাতায় দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকা ও শুক্রবারের ছুটির দিনেও তিনি উপস্থিতি দেখিয়েছেন।

এমনকি অক্টোবর মাসে পূজার ছুটি থাকা ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্তও উপস্থিতি দেখান মাস্টার রোলে কর্মরত এই কর্মচারী। শুধু সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসই নয় বরং কয়েক বছর ধরে এভাবেই ছুটির দিনেও উপস্থিতি দেখিয়ে বেতন তোলেন তিনি। এমনকি কয়েকদিন পরে কর্মক্ষেত্রে উপস্থিত হয়ে পূর্বে উপস্থিত না হওয়ার দিনগুলোতে স্বাক্ষর করেন তিনি।

এ বিষয়ে ইমদাদুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাবেক উপাচার্য খোন্দকার নাসিরুদ্দিনের আমল থেকেই এমন বেতন দেওয়া হচ্ছে । আমি রাতে ওভারটাইম করি বিধায় সেই সময়টুকু বিবেচনা করে শুক্রবার উপস্থিতি দেখানো হয়।

সেক্ষেত্রে ঈদ পূজার মত বড় বড় ছুটিতেও কেন উপস্থিতি দেখানো হয়েছে এমন প্রশ্নে ইমদাদুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মানবিক কারণে আমাকে এ বেতন দিতে পারে।

এ বিষয়ে লাইব্রেরিয়ান ভারপ্রাপ্ত মোঃ নাছিরুল ইসলাম বলেন, আমি এখনো অক্টোবর মাসের বেতন করিনি। ইমদাদুল নামের মাস্টার রোলের কর্মচারী কেন এভাবে স্বাক্ষর করেছে আমি জানিনা। আমাকে না জানিয়ে সে উপস্থিত খাতায় স্বাক্ষর করেছে। বিষয়টি আমি তার কাছ থেকে জানতে চাইব।

এ বিষয়ে রেজিস্টার মোঃ দলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কেউ আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। রিজেন্ট বোর্ড নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি তিনি পড়ে দেখবেন বলে জানান।




নেত্রকোণায় Movers Programme এবং GEEP এর কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

আব্দুর রহমান ঈশান, নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

৬ই নভেম্বর নেত্রকোণা জেলাত আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে Movers Programme এবং Gender Equity &Empowerment Project (GEEP) এর একটি সম্মিলিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মশালায় বক্তারা Leadership In Actoin, নারীদের নিরাপদ ভ্রমণ, বয়সন্ধীকালীন নারী স্বাস্থ্য, বাংলাদেশের পরিবেশ ও মুক্তিযুদ্ধ,
ভালো স্পর্শ -খারাপ স্পর্শ সহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন Movers Programme, Gender Equity & Empowerment Project(GEEP) এর নেত্রকোণা জেলার সদস্যবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী এবং উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ­ সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ

নারীদের আত্বরক্ষার কৌশল প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা,কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন ও পুরষ্কার এবং কর্মশালায় অংশগ্রহনকারীদের সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।




কোম্পানীগঞ্জে কৃষক বাবুলের পাশে দাঁড়ালেন প্রশাসন 

মোঃ বদিউজ্জামান ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে কৃষক আবুল খায়ের বাবুলের বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

 এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭ নভেম্বর বিকালে অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেজবা উল আলম ভূঁইয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন রামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগিনা সিরাজিস সালেকিন ( রিমন)।