এইচএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হচ্ছে।

ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এইচএসসি তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে শিক্ষার্থীদের। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খসড়া রুটিন প্রস্তাবনা আকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। দ্রুত এ রুটিন প্রকাশ করা হবে।

রোববার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের নিয়ে গঠিত আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার খসড়া রুটিন প্রস্তাবনা আকারে গত সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। প্রস্তব করা রুটিন অনুমোদন হলে শিক্ষা বোর্ডগুলো পক্ষ থেকে তা প্রকাশ করা হবে। আশা করি মন্ত্রণালয় শিগগিরই রুটিন অনুমোদন দেবে। রুটিন অনুমোদিত হওয়ার পর দ্রুত তা শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রকাশ করবে।

পরীক্ষা কবে থেকে শুরু হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে পরীক্ষা শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে, মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়ার আগে বলা যাচ্ছে না কবে পরীক্ষা শুরু হবে। এখন কিছু তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু অনুমোদনের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলার কথা আছে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে।




‘লাইসেন্সের মেয়াদ’ লিখতে হবে বেসরকারি হাসপাতালের সাইনবোর্ডে

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকের সাইনবোর্ডে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নম্বর ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লেখার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংককেও এই নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় একথা জানানো হয়েছে। রোববার বিষয়টি জানা গেছে। সম্প্রতি দেশের বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। অনুমোদন ও অবৈধভাবে পরিচালিক অনেক প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরিমানাও করা হয়েছে।

এই অভিযান চলমান থাকবে বলেও স্বাস্থ্য অধিফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সকল বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকে লাইসেন্স নম্বর মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ সাইন বোর্ডে ঝুলিয়ে দিতে হবে। এটি প্রয়োজনে কিউআর কোডসহ ডিসপ্লে করতে হবে। অন্যথায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 গত ২৯ আগস্ট অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও  ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়। এর পর থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ৮৫০টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এর মধ্যে রাজধানীর আছে ২০টি প্রতিষ্ঠান।

এরমধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশনা দিয়ে বলছে,  এখন থেকে সাইনবোর্ডে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নম্বর ও নিবন্ধনের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করতে হবে। অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময় আবার বাড়ানো হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‌প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য কারণে যেসব শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা-২০২২ এর ফরম পূরণ যথাসময়ে করতে পারেনি, তারা ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে।’

আর ‘সোনালী সেবা’র মাধ্যমে ফি পরিশোধের সময় ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কাজ সম্পন্ন করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করবেন প্রতিষ্ঠানপ্রধান।




দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়ো-হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের ৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শনিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে এক নম্বর (পুন.) এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।




আগামীকাল চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। এ লক্ষ্যে সিলেটে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন জেনে সিলেটসহ সারাদেশের চা শ্রমিকরা আনন্দে উদ্বেলিত। এই আনন্দঘন মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে নানা আয়োজনে ব্যস্ত রয়েছে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন।

স্মরণকালের দীর্ঘতম কর্মবিরতিতে যখন গভীর সংকটে দেশের চা শিল্প, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসেই ধর্মঘট ভেঙে গত ২৮ আগস্ট কাজে যোগ দেন চা শ্রমিকরা।

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত মজুরি বাড়িয়ে ১৭০ টাকা করায় ইতোপূর্বেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চা শ্রমিকরা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা শনিবার নিজে তাদের মুখ থেকে শুনবেন তাদের জীবন সংগ্রামের কথা। অবশেষে, পূরণ হতে যাচ্ছে চা শ্রমিকদের প্রাণের চাওয়া।




সাংবাদিকদের একটা ট্র্যাকে আসা উচিত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সাংবাদিকরা আমাকে নিয়ন্ত্রণ করা অন্যায় না। তবে আপনি সাংবাদিক হয়েছেন বলে কোনো একাউন্টিবিলিটি থাকতে পারে না, এটা ঠিক নয়। যাদি তাই মনে করেন, তাহলে আপনিও ভুল কাজ করবেন। খারাপ কাজ করবেন। সাংবাদিকদের একটা ট্র্যাকে আসা উচিত।

আজ শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেম অডিটোরিয়ামে সিটি রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত নগর সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে সুইডেনের একজন সাংবাদিকের সাথে কথা হয়েছে। একটা বিষয় নিয়ে তারা সংবাদ করেছিল।

যেখানে আমার প্রত্যেকটা নিউজের এগেইনেস্টে মামলা করার সুযোগ আছে। যার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ করতে হবে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে নিউজটা করা হয়েছে কিনা। আমি সবসময় সাহসিকাতার সাথে কথা বলি। কারণ আমি মনি করি আপনাদেরই (সাংবাদিকদের) একজন আমি।

মন্ত্রী আরো বলেন, সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানে আমি ব্যক্তিগত ভাবে উৎসাহ বোধ করি যোগ দিতে। কারণ তাদের অনুষ্ঠানে গেলে অনেক তথ্য উপাত্ত পেয়ে সমৃদ্ধ হওয়া যায়। সত্য এবং মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য অনেক। সত্য এগিয়ে নিতে সাহায্য করে, মিথ্যা ধ্বংস করে। সবকিছুর জন্য আইন থাকা প্রয়োজন। আইন সার্বজনীন। আমরা সবাই আইন মানতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আইন মানার ক্ষেত্রে এটা যে সাংবাদিক হিসেবে করেছেন তা নয়। সাংবাদিকদের কোনো কমিটমেন্ট থাকবে না, এটা ঠিক না। আমি মন্ত্রী হিসেবে আমারও জবাবদিহিতা রয়েছে।




এবার লঞ্চ ভাড়া কমল ১৫ পয়সা

যাত্রীবাহী নৌযানের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৫ পয়সা কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ রাত ১২টার পর থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এছাড়া, জনপ্রতি যাত্রীভাড়া সর্বনিম্ন ৩৩ টাকা থেকে ৩ টাকা কমিয়ে ৩০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি যাত্রী ভাড়া ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া প্রথম ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি যাত্রী ভাড়া ২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

ওই সময় জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৫ টাকা থেকে ৮ টাকা বাড়িয়ে ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।




বাংলাদেশি গে ব্লগার কর্তৃক ইসলামকে অপমান

গতকাল ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় দুই বাংলাদেশি মুসলিম সমকামী ব্লগারকে হত্যার দাবিতে বিক্ষোভ করে বাংলাদেশি যুবকরা। ব্লগাররা তাদের ব্লগ সাইট www.freedomfriendss.com এ ইতু মোহাম্মদ সৌমিক এবং মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ নাম ব্যবহার করেন।

প্রতিবাদকারীরা ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়ানোর জন্য ব্লগারদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং বাংলাদেশের সিনিয়র মুসলিম ধর্মগুরুদের বিরুদ্ধে এই সত্য গোপন করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন যে আল্লাহ সমকামীদের ভালোবাসেন।

তারা গবেষণার ভিত্তিতে তাদের যুক্তির ভিত্তি করে তারা বলেন যে হযরত ধুলকারনাইন (সাঃ) ছিলেন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, যিনি একজন উভকামী ছিলেন। বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারীরা ব্লগারদের মৃত্যু দাবি করেন, যারা তাদের সাইটে নগ্ন হয়ে অঙ্গভঙ্গি করছে। পুলিশও নিয়ন্ত্রন প্রয়োগ করে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ থামিয়ে দেয়। বিষয়টি তদন্তে থাকাকালীন পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভ ভাঙ্গার অনুরোধ জানায়।




অনন্ত হত্যায় ম্যাজিস্ট্রেটসহ দু’জনের সাক্ষ্য

সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ দু’জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার সিলেটের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ারুল হক ও পূবালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সিরাজুল হক চৌধুরী।

এই মামলার অন্যতম আসামি মান্নান ইয়াহিয়া ওরফে মান্নান রাহীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছিলেন আনোয়ারুল হক। অন্যদিকে ব্যাংক কর্মকর্তা সিরাজুল হক নিহত অনন্ত বিজয়ের বাসার কম্পিউটারের সিপিইউ ও কয়েকটি বইয়ের জব্দ তালিকার সাক্ষী ছিলেন। এই মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রে সর্বমোট ২৯ জন সাক্ষী রয়েছেন।

বুধবার দু’জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুরুল আমিন বিপ্লব দিনের কার্যক্রম স্থগিত করে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন।

২০১৫ সালের ১২ মে নগরীর সুবিদবাজারের নুরানী আবাসিক এলাকায় নিজ বাসা থেকে কয়েকশ গজ দূরে পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা অনন্ত বিজয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি ‘যুক্তি’ নামে বিজ্ঞানবিষয়ক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। এসব কারণে ‘নাস্তিক’ ট্যাগ দিয়ে তাকে হত্যা করে জঙ্গিরা।

অনন্ত বিজয় হত্যা মামলার আসামিরা হলো- সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আবুল হোসেন, খালপাড় তালবাড়ির ফয়সাল আহমদ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বিরেন্দ্রনগরের মামুনুর রশীদ, কানাইঘাটের পূর্ব ফালজুর গ্রামের মান্নান ইয়াইয়া ওরফে মান্নান রাহী ওরফে এবি মান্নান ইয়াইয়া ওরফে ইবনে মঈন, কানাইঘাটের ফালজুর গ্রামের আবুল খায়ের রশীদ আহমদ ও সিলেট নগরীর রিকাবীবাজার এলাকার সাফিউর রহমান ফারাবী ওরফে ফারাবী সাফিউর রহমান।




গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও লেখকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

গতকাল ছাত্রলীগের একটি বৃহৎ বিক্ষোভ সমাবেশ হয় “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল” এর লেখক মো: আব্দুল মালিক এর বিরুদ্ধে যে বইটি ১০ নভেম্বর ২০১৮ তে প্রকাশিত হয়। যদিও ২৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে লেখকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

লেখক আওয়ামী লীগ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশি জনগনকে হত্যা ও ধর্ষণে সহায়তাকারীদের বিচারের জন্য গঠন করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। লেখক অভিযোগ করেছেন এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে হত্যা ও নির্যাতনের জন্য। এমনকি লেখক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে স্বৈরাচারী ও বিশ্বাসঘাতক বলেছেন।

বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন বইটি এখনো বিপণন হচ্ছে এবং তারা উদ্বিগ্ন যে এটি আগামি নির্বাচনে জনগনকে প্রভাবিত করতে পারে। তারা লেখককে মৃত দেখতে চায় এবং অবিলম্বে বইয়ের সকল কপি ধ্বংস চায়। তারা বলেন যে সম্পূর্ন বইটি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা এবং মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।

বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত থাকার আহবান জানায় পুলিশ। তারা জানায় বই শাহবাগের মেঘনা মোফাচের সহযোগীতায় ধ্বংস করা হচ্ছে এবং সব গুলো কপি যেগুলো বিক্রি হয়ে গেছে শনাক্ত করতে কিছু সময় লাগবে, কিন্তু তারা নিশ্চিত করেছেন সমস্ত কপি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশ্রাম নিবে না। পুলিশ আরও নিশ্চিত করেছে যে লেখক দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং বাংলাদেশে ফেরার পর তাকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।