মাদ্রাসায় চালু হচ্ছে বাণিজ্য বিভাগ, থাকছে যেসব বিষয়

দেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় বাণিজ্য বিভাগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রাথমিকভাবে চারটি বিষয় চালু করা হতে পারে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় প্রাথমিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম কমিটির (এনসিসি) সভা সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার বাণিজ্য বিভাগ চালু হলে চারটি বিষয় যুক্ত করা হতে পারে। বিষয়গুলো হলো- অ্যাকাউন্টিং, ফিন্যান্স, মার্কেটিং ও ম্যানেজমেন্ট।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নৈতিকতা সম্পন্ন দক্ষতা উদ্যোগক্তা তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে থেকেই মাদ্রাসায় বাণিজ্য বিভাগ চালুর আলোচনা ছিল। অবেশেষে সে উদ্যোগ চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে।




বাজেট প্রণয়নে বড় চ্যালেঞ্জ সীমিত আর্থিক সক্ষমতা

কাঠামোগত দুর্বলতা, অসম্পূর্ণ সংস্কার এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে নতুন সরকার তার প্রথম জাতীয় বাজেট প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, সীমিত আর্থিক সক্ষমতা বর্তমান সময়ে সরকারের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) কার্যালয়ে ‘বাজেট ঘিরে নাগরিক ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক্-বাজেট মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিটিজেনস প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজি।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানিত ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সরকার এখন এক ধরনের কঠোর বাজেট সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করছে, যেখানে ব্যয় ও সম্পদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং খরচের ক্ষেত্রে সতর্ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ অপরিহার্য। বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যয়ের পরিকল্পনা না করলে অর্থনীতিতে চাপ আরও বাড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকার তাদের মেয়াদের শেষ সময়ে পে স্কেল সংক্রান্ত যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তমান সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে এক ধরনের ‘প্রলম্বিত দায়’ তৈরি হয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে অন্যায্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, বর্তমান সরকার নিজস্ব উদ্যোগে একটি কমিশন গঠন করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আগের সরকারের পে কমিশনের প্রতিবেদনকে সহায়ক উপাদান হিসেবে নেওয়া যেতে পারে। তবে সেটিকে সরাসরি বা প্রশ্নহীনভাবে গ্রহণ করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অবৈধভাবে সরানো সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা জরুরি। দেশ-বিদেশে জব্দ হওয়া সম্পদ দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ দেশে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। সম্প্রতি বিদেশ থেকে তুলনামূলক ছোট অঙ্কের অর্থ ফেরত আসার প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন রাখেন, বড় অঙ্কের অর্থ ফিরিয়ে আনতে কেন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা গেলে রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি সম্ভব। তার মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সীমিত রাজনৈতিক সক্ষমতার কারণে এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি ধীর ছিল। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের জন্য শুরুর সময়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম বছরে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত না হলে মেয়াদের শেষ দিকে তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

সরকারি ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, কৃষি ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই অদক্ষ ও অপ্রয়োজনীয় খাত চিহ্নিত করে ভর্তুকি কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ধাপে ধাপে নগদ প্রণোদনার ওপর নির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দেন তিনি। আসন্ন বাজেটে অর্থসংস্থান জোরদার করতে কর ছাড় সীমিত করা, করজাল সম্প্রসারণ এবং পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান এই অর্থনীতিবিদ।

বর্তমান সরকারের আসন্ন বাজেট প্রণয়নে চারটি প্রধান চাপের কথা তুলে ধরেন তিনি। প্রথমত, অর্থনীতি এখনও দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং পূর্ববর্তী সময়ের অসম্পূর্ণ নীতিগত উদ্যোগের প্রভাব বহন করছে। একই সঙ্গে নতুন প্রশাসন একটি রূপান্তরকালীন পর্যায়ে রয়েছে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণকে জটিল করে তুলছে।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চাপ রয়েছে সরকারের ওপর। পাশাপাশি রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হচ্ছে।

তৃতীয়ত, সীমিত আর্থিক পরিসর বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। রাজস্ব সংগ্রহের সীমাবদ্ধতা এবং অর্থায়নের সংকটের কারণে ব্যয় সম্প্রসারণের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় বলেন, পর্যাপ্ত সম্পদ ছাড়া বাজেটের আকার বৃদ্ধি কিংবা কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

চতুর্থত, বহির্বিশ্বের সঙ্গে লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি আয়, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ, বৈদেশিক সহায়তা এবং ঋণ পরিশোধের চাপ—সব মিলিয়ে বৈদেশিক খাতে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

এছাড়া বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অনিশ্চয়তাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিকে নতুন করে চাপের মুখে ফেলছে বলে সতর্ক করেন তিনি।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক পর্যায়ে প্রবেশ করছে যেখানে বাজেট প্রণয়নে বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা নির্ধারণ জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে স্বল্পমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় প্রণয়ন করতে হবে।

তার মতে, এসব চ্যালেঞ্জ যথাযথভাবে মোকাবিলা করা না গেলে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অর্জন এবং প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার ক্ষেত্রে আসন্ন বাজেট প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হতে পারে।




রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসকদের বৈঠক

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৫ মার্চ সরকার ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়, যাদের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। নিয়োগের পর এটিই হবে প্রশাসকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রশাসক জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেবেন।

তিনি বলেন, দলীয় নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কীভাবে কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়ে তিনি কথা বলবেন। দলীয় কার্যক্রম, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়সহ অন্যান্য বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে তিনি জানান।




জাতীয় স্মৃতিসৌধে আ.লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নারীসহ ৩ জন আটক

ঢাকা জেলা পুলিশ জানায়, ছোট সাইজের কাগজে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সব শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা’ লিখে স্মৃতিসৌধের মূল ব্যাধিতে ফুল দিতে যান আটকরা। এ সময় তারা দলের পক্ষে স্লোগানও দেন।

এ সময় ঢাকা জেলা পুলিশের সদস্যরা রকিবুল ইসলাম দুর্জয় (৩২), মিষ্টি সুভাষ (২৮) ও তাহমিনা আক্তারকে (৪০) আটক করেন। নারীদের শরীরে ও হাতে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের স্লোগান লেখা দেখা যায়।

এ সময় তাহমিনা আক্তার গণমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে জানান, আওয়ামী লীগ এ দেশকে স্বাধীন করেছে, দেশের নামও তারা দিয়েছে। কেন সে দল নিষিদ্ধ হবে?

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে তিন শিশু সন্তানও ছিল।  তবে সন্তানদের আটক করা হয়নি।  পরে তার কথা অনুযায়ী আরও দুইজনকে আটক করা হয়।

আটক তাহমিনা আক্তার কুমিল্লার বাসিন্দা এবং বর্তমানে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় বসবাস করেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন ওই নারী জানান, তিনি সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন।  বর্তমানে কিছু করছেন না।  ৫ আগস্টের পর থেকে একজন তৃণমূল কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছেন। আজ সকালে বাসে করে তিন সন্তান নিয়ে একাই আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।  এ সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিলে পুলিশ তাকে আটক করে। নিজ ইচ্ছায় সন্তানদের নিয়ে এসেছিলেন বলেও স্বীকার করেন তিনি।

আটককৃত তিনজন আশুলিয়া থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, আশুলিয়া থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

logo

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

 সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের এবং দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় ব্যাপক জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।

 

শপথ চলাকালে খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং) থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেকরোডে যান চলাচল সীমিত থাকবে। যানজট কমাতে ট্রাফিক বিভাগ বিকল্প সড়ক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে।

নির্ধারিত ডাইভারশনসমূহ

১. মিরপুর রোড টু ফার্মগেট ভায়া মানিক মিয়া এভিনিউ: মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আগত ফার্মগেট/সোনারগাঁও অভিমুখী যানবাহন প্রতিরক্ষা গ্যাপ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট এর দিকে গমন করবে।

২. ধানমন্ডি হতে ফার্মগেট: ধানমন্ডি ২৭ হতে আগত যানবাহন আসাদগেট-প্রতিরক্ষা গ্যাপ দিয়ে ডানে মোড় নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিং এর দিকে গমনাগমন করবে।

 

৩. আসাদগেট হতে ফার্মগেট ক্রসিং: আসাদগেট-বামে মোড় নিয়ে গণভবন ক্রসিং (জুলাই স্মৃতি জাদুঘর)-প্রতিরক্ষা গ্যাপ-ডানে মোড় নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র -উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিং এর দিকে গমন করবে।

৪. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ ইন্দিরা রোড হতে ধানমন্ডি: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড হতে আগত যানবাহন খেজুর বাগান ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র বামে মোড় নিয়ে প্রতিরক্ষা গ্যাপ-বামে মোড় নিয়ে আসাদগেট হয়ে ধানমন্ডির দিকে গমন করবে।

৫. মিরপুর রোড হতে ধানমন্ডি: মানিক মিয়া এভিনিউ হতে ব্লকেড সরিয়ে ফেলা হবে বিধায় মিরপুর রোড হতে দক্ষিণ অভিমুখী যানবাহন শ্যামলী-শিশুমেলা-গণভবন (জুলাই স্মৃতি জাদুঘর)-আসাদগেট হতে সোজা ধানমন্ডি ২৭ এর দিকে গমনাগমন করবে।




অধৈর্য নিয়ে রাষ্ট্র চালাবেন কীভাবে, বিএনপিকে মঞ্জুর প্রশ্ন

বিএনপির বিরুদ্ধে ভোট ‘ম্যানিপুলেশন’ এর অভিযোগ তুলেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা ছিল একটি সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে দেশ নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত ‘সারাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে’ সমাবেশে এসব কথা বলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান।

১১ দলীয় জোট এ সমাবেশের আয়োজন করে। 

মঞ্জু বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনের বিভিন্ন স্তরে ‘ম্যানিপুলেশন’ হয়েছে।

জাল ভোট প্রদান, ফলাফল পরিবর্তন, ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা এবং অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার মতো অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জনগণের রায় যদি আপনাদের পক্ষেই থাকে, তাহলে এত তাড়াহুড়োর প্রয়োজন কী ছিল? কিছু আসন কম পেলেও গ্রহণযোগ্যতা থাকত। কিন্তু এত অধৈর্য হয়ে গেলে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন কীভাবে?




রাজধানীর আগামাসি লেনে জুতার কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রায় ৫০ মিনিটের চেষ্টায় রাজধানীর আগামাসি লেনের আগা সাদেক রোডের একটি জুতার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে সাত তলা ভবনটির চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার শাহজাহান
ইসলাম।

 

তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে যোগ দেয়। প্রায় ৫০ মিনিটের চেষ্টায় রাত সাড়ে ১১টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ কিংবা কোনো হতাহতের তথ্য জানা যায়নি।

আগুন পুরোপুরি নেভানোর চেষ্টা চলছে।



নতুন কূপ খনন শুরু, দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন একটি কূপের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে  ২৮ নম্বর কূপের খনন কাজ উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক প্রকৌশলী  মো. শোয়েব। এই কূপ খনন শেষে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

খনন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব বলেন, ইতোমধ্যে বিজিএফসিএল পরিচালনায় গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন বেড়েছে। নতুন কূপ খনন এবং ওয়ার্কওভারে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। এ ছাড়া তিতাসের ৩১ এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১১ নম্বর গভীর কূপ খনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি চাহিদা পূরণে পেট্রোবাংলা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১২ সালে গ্যাসে অনুসন্ধানে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে জরিপ চালানো হয়। এর পর ২০২০ সালে জরিপের প্রতিবেদন রিভিউ করে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন তিনটি কূপ খননের পরিকল্পনা হাতে নেয় বিজিএফসিএল। এই প্রকপের আওতায় গাজীপুরে অবস্থিত কামতা গ্যাস ফিল্ডে একটি কূপ খনন করা হবে। তিতাস ও কামতা ফিল্ডে চারটি কূপ খননে খরচ হবে এক হাজার ২৫০ কোটি টাকা। কূপগুলোর খনন শেষে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপটির খনন কাজ করছে একটি চীনা প্রতিষ্ঠান। খনন শেষ করতে সময় লাগবে প্রায় দুই মাস। খনন শেষে কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, তিতাস ও মেঘনা ফিল্ডে চারটি কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম জসিম উদ্দিন প্রমুখ।




নারী আন্দোলন শক্তিশালী হলেই রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সম্ভব

নারী আন্দোলন গড়ে তোলা এবং তা আরও শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। নারীপক্ষের অবহিতকরণ সভায় তারা বলেন, স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়; জনজীবনের প্রতিটি স্তরে নারীর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ প্রকল্পের আওতায় এই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, পুরুষতান্ত্রিক ও পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো নারীদের ঘরের ভেতর সীমাবদ্ধ রাখতে চায় এবং জনজীবন ও নাগরিক নেতৃত্বে আসার পথে বাধা সৃষ্টি করে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বস্তরে নারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা। নারী যে রাজনৈতিক দলেই যুক্ত থাকুন না কেন; পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় ইউএন উইমেনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার তপতী সাহা বলেন, ক্ষমতা বা আধিপত্য দিয়ে নয়; সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের তরুণীদের সম্পৃক্ত করতে হবে এবং তাদের সিডও, বেইজিং প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা সম্পর্কে জানাতে হবে। এসব না জানলে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

সভাপতির বক্তব্যে নারীপক্ষের সভানেত্রী গীতা দাস বলেন, নারীবান্ধব রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নারী ও কিশোরীদের একটি সক্ষম দল তৈরি করা জরুরি। তারা দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও জনজীবনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নারীপক্ষ ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ইউএন উইমেনের সহযোগিতায় ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য তরুণ নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মেন্টরিংয়ের মাধ্যমে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলা।

নারীপক্ষের সদস্য কামরুন নাহারের সঞ্চালনায় সভায় প্রকল্পের পটভূমি, লক্ষ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক নাসিমা আক্তার। প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশীজনদের ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন সদস্য সাদাফ সায় সিদ্দিকি। সভায় আরও বক্তব্য দেন উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নারী বিষয়ক সম্পাদক জাকিয়া শিশির, দুর্বার কেন্দ্রীয় কমিটির সভানেত্রী মাহমুদা বেগম, ফেমজেনের সুষ্ণো বিশ্বাসসহ নারীপক্ষের সদস্য মাহীন সুলতান, রওশন আরা, সামিয়া আফরীন, জাহানারা খাতুন ও সাংবাদিক শাহনাজ পলি।




বিদেশে থাকা দুই অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের প্ররোচনায় আমি গ্রেপ্তার: আনিস আলমগীর

বিদেশে থাকা দুজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের প্ররোচনায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানিকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী কামরুন্নাহার দীপুসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদনের শুনানি করেন।

শুনানির একপর্যায়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীর আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন সাংবাদিক। আমি আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে সেই দেশে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেছি। তালেবানরা আমাকে অ্যারেস্ট করে। আমি সেখান থেকে বেঁচে এসেছি। আমি মৃত্যুকে কাছে থেকে দেখে এসেছি, মৃত্যুকে আর ভয় করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন সাংবাদিক। আমি বিগত দুই দশক ক্ষমতাকে প্রশ্ন করেছি। আমি খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার সমালোচনা করেছি। আমি ইউনূস সরকারেরও সমালোচনা করি এবং ভবিষ্যতে যারা সরকারে আসবে তাদেরও সমালোচনা করব। আমার জীবনে নতজানু হওয়ার ইতিহাস নাই। আমি কোনো সুবিধা গ্রহণ করিনি। তারা আমাকে সরকারের গোলাম বানাতে চায়। আমি টকশোগুলোয় যা বলেছি, প্রকাশ্যেই বলেছি। এখানে অপ্রকাশিত কিছু নেই।’

গ্রামীণ ব্যাংক ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে হামলা হতে পারে এমন বক্তব্যের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি একটা প্রেক্ষাপটে একথা বলেছি, যখন ৩২ নম্বর ভেঙে দেওয়া হয়। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে চলে গেছি। আমি জুলাইয়ে শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিলাম। এখন আমার জুলাইয়ের চেতনা শুনতে হয়। গত ১৩ নভেম্বর অবরোধে আওয়ামী লীগের জ্বালাও পোড়াওয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এসব কথা বলেছি। তারা এটা করতে পারলে পরে আরও কত কি করতে পারে! তারা পলাতক নেতাদের কথায় করেছে। তারা তো পলাতক হিসেবে করেছে। আমার এসব বক্তব্যের সাথে কারও যোগসূত্র নাই। আসামিদের মধ্যে শাওন ছাড়া কাউকে চিনি না। এখন ড. ইউনূস যদি দেশকে কারাগার বা দোজখ বানাতে চান, বানাতে পারেন।’

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে আনিস আলমগীর বলেন, ‘এসব বক্তব্য আসলে কিছু না। দেশের বাইরে থেকে দুজন ইউটিউবার বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল ও নির্বাচনকে বানচালের জন্য কাজ করছে। আমি একমাত্র ব্যক্তি যে টকশোয় এসব বলেছি। আসল বিষয় হলো, এই দুই ব্যক্তি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে প্রভাবিত করেছে, আর সেই দল প্রধান উপদেষ্টাকে প্রভাবিত করেছে। তাদের প্ররোচনায় আজ আমি গ্রেপ্তার হয়েছি।’

এরপর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির ২ নম্বরের একটি জিম থেকে বের হওয়ার পর আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবির কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

রাতেই আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ। মামলার অপর আসামিরা হলেন- মডেল মারিয়া কিসপট্টা (ফ্যাশন মডেল) ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ (উপস্থাপক)।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার অনুসারীরা বিভিন্ন কৌশলে ঘাপটি মেরে দেশে অবস্থান করে দেশকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করে আসছে।

আসামিরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোগুলোয় বসে নিষিদ্ধ সংগঠনকে ফিরিয়ে আনার গুজব (প্রোপাগান্ডা) চালিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পাঁয়তারা করছে।

এসব বিভিন্ন পোস্টের ফলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা অনুপ্রাণিত হয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছেন।