জাতীয় স্মৃতিসৌধে আ.লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নারীসহ ৩ জন আটক

ঢাকা জেলা পুলিশ জানায়, ছোট সাইজের কাগজে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সব শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা’ লিখে স্মৃতিসৌধের মূল ব্যাধিতে ফুল দিতে যান আটকরা। এ সময় তারা দলের পক্ষে স্লোগানও দেন।

এ সময় ঢাকা জেলা পুলিশের সদস্যরা রকিবুল ইসলাম দুর্জয় (৩২), মিষ্টি সুভাষ (২৮) ও তাহমিনা আক্তারকে (৪০) আটক করেন। নারীদের শরীরে ও হাতে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের স্লোগান লেখা দেখা যায়।

এ সময় তাহমিনা আক্তার গণমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে জানান, আওয়ামী লীগ এ দেশকে স্বাধীন করেছে, দেশের নামও তারা দিয়েছে। কেন সে দল নিষিদ্ধ হবে?

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে তিন শিশু সন্তানও ছিল।  তবে সন্তানদের আটক করা হয়নি।  পরে তার কথা অনুযায়ী আরও দুইজনকে আটক করা হয়।

আটক তাহমিনা আক্তার কুমিল্লার বাসিন্দা এবং বর্তমানে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় বসবাস করেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন ওই নারী জানান, তিনি সরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন।  বর্তমানে কিছু করছেন না।  ৫ আগস্টের পর থেকে একজন তৃণমূল কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছেন। আজ সকালে বাসে করে তিন সন্তান নিয়ে একাই আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।  এ সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিলে পুলিশ তাকে আটক করে। নিজ ইচ্ছায় সন্তানদের নিয়ে এসেছিলেন বলেও স্বীকার করেন তিনি।

আটককৃত তিনজন আশুলিয়া থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, আশুলিয়া থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

logo

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

 সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের এবং দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় ব্যাপক জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।

 

শপথ চলাকালে খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং) থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেকরোডে যান চলাচল সীমিত থাকবে। যানজট কমাতে ট্রাফিক বিভাগ বিকল্প সড়ক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে।

নির্ধারিত ডাইভারশনসমূহ

১. মিরপুর রোড টু ফার্মগেট ভায়া মানিক মিয়া এভিনিউ: মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আগত ফার্মগেট/সোনারগাঁও অভিমুখী যানবাহন প্রতিরক্ষা গ্যাপ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট এর দিকে গমন করবে।

২. ধানমন্ডি হতে ফার্মগেট: ধানমন্ডি ২৭ হতে আগত যানবাহন আসাদগেট-প্রতিরক্ষা গ্যাপ দিয়ে ডানে মোড় নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিং এর দিকে গমনাগমন করবে।

 

৩. আসাদগেট হতে ফার্মগেট ক্রসিং: আসাদগেট-বামে মোড় নিয়ে গণভবন ক্রসিং (জুলাই স্মৃতি জাদুঘর)-প্রতিরক্ষা গ্যাপ-ডানে মোড় নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র -উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিং এর দিকে গমন করবে।

৪. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ ইন্দিরা রোড হতে ধানমন্ডি: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড হতে আগত যানবাহন খেজুর বাগান ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র বামে মোড় নিয়ে প্রতিরক্ষা গ্যাপ-বামে মোড় নিয়ে আসাদগেট হয়ে ধানমন্ডির দিকে গমন করবে।

৫. মিরপুর রোড হতে ধানমন্ডি: মানিক মিয়া এভিনিউ হতে ব্লকেড সরিয়ে ফেলা হবে বিধায় মিরপুর রোড হতে দক্ষিণ অভিমুখী যানবাহন শ্যামলী-শিশুমেলা-গণভবন (জুলাই স্মৃতি জাদুঘর)-আসাদগেট হতে সোজা ধানমন্ডি ২৭ এর দিকে গমনাগমন করবে।




অধৈর্য নিয়ে রাষ্ট্র চালাবেন কীভাবে, বিএনপিকে মঞ্জুর প্রশ্ন

বিএনপির বিরুদ্ধে ভোট ‘ম্যানিপুলেশন’ এর অভিযোগ তুলেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা ছিল একটি সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে দেশ নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত ‘সারাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে’ সমাবেশে এসব কথা বলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান।

১১ দলীয় জোট এ সমাবেশের আয়োজন করে। 

মঞ্জু বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনের বিভিন্ন স্তরে ‘ম্যানিপুলেশন’ হয়েছে।

জাল ভোট প্রদান, ফলাফল পরিবর্তন, ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা এবং অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার মতো অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জনগণের রায় যদি আপনাদের পক্ষেই থাকে, তাহলে এত তাড়াহুড়োর প্রয়োজন কী ছিল? কিছু আসন কম পেলেও গ্রহণযোগ্যতা থাকত। কিন্তু এত অধৈর্য হয়ে গেলে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন কীভাবে?




রাজধানীর আগামাসি লেনে জুতার কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রায় ৫০ মিনিটের চেষ্টায় রাজধানীর আগামাসি লেনের আগা সাদেক রোডের একটি জুতার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে সাত তলা ভবনটির চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার শাহজাহান
ইসলাম।

 

তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে যোগ দেয়। প্রায় ৫০ মিনিটের চেষ্টায় রাত সাড়ে ১১টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ কিংবা কোনো হতাহতের তথ্য জানা যায়নি।

আগুন পুরোপুরি নেভানোর চেষ্টা চলছে।



নতুন কূপ খনন শুরু, দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন একটি কূপের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে  ২৮ নম্বর কূপের খনন কাজ উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক প্রকৌশলী  মো. শোয়েব। এই কূপ খনন শেষে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

খনন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব বলেন, ইতোমধ্যে বিজিএফসিএল পরিচালনায় গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন বেড়েছে। নতুন কূপ খনন এবং ওয়ার্কওভারে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। এ ছাড়া তিতাসের ৩১ এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১১ নম্বর গভীর কূপ খনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি চাহিদা পূরণে পেট্রোবাংলা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১২ সালে গ্যাসে অনুসন্ধানে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে জরিপ চালানো হয়। এর পর ২০২০ সালে জরিপের প্রতিবেদন রিভিউ করে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন তিনটি কূপ খননের পরিকল্পনা হাতে নেয় বিজিএফসিএল। এই প্রকপের আওতায় গাজীপুরে অবস্থিত কামতা গ্যাস ফিল্ডে একটি কূপ খনন করা হবে। তিতাস ও কামতা ফিল্ডে চারটি কূপ খননে খরচ হবে এক হাজার ২৫০ কোটি টাকা। কূপগুলোর খনন শেষে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপটির খনন কাজ করছে একটি চীনা প্রতিষ্ঠান। খনন শেষ করতে সময় লাগবে প্রায় দুই মাস। খনন শেষে কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, তিতাস ও মেঘনা ফিল্ডে চারটি কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম জসিম উদ্দিন প্রমুখ।




নারী আন্দোলন শক্তিশালী হলেই রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সম্ভব

নারী আন্দোলন গড়ে তোলা এবং তা আরও শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। নারীপক্ষের অবহিতকরণ সভায় তারা বলেন, স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়; জনজীবনের প্রতিটি স্তরে নারীর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ প্রকল্পের আওতায় এই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, পুরুষতান্ত্রিক ও পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো নারীদের ঘরের ভেতর সীমাবদ্ধ রাখতে চায় এবং জনজীবন ও নাগরিক নেতৃত্বে আসার পথে বাধা সৃষ্টি করে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বস্তরে নারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা। নারী যে রাজনৈতিক দলেই যুক্ত থাকুন না কেন; পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় ইউএন উইমেনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার তপতী সাহা বলেন, ক্ষমতা বা আধিপত্য দিয়ে নয়; সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের তরুণীদের সম্পৃক্ত করতে হবে এবং তাদের সিডও, বেইজিং প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা সম্পর্কে জানাতে হবে। এসব না জানলে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

সভাপতির বক্তব্যে নারীপক্ষের সভানেত্রী গীতা দাস বলেন, নারীবান্ধব রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নারী ও কিশোরীদের একটি সক্ষম দল তৈরি করা জরুরি। তারা দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও জনজীবনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নারীপক্ষ ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ইউএন উইমেনের সহযোগিতায় ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য তরুণ নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মেন্টরিংয়ের মাধ্যমে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলা।

নারীপক্ষের সদস্য কামরুন নাহারের সঞ্চালনায় সভায় প্রকল্পের পটভূমি, লক্ষ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক নাসিমা আক্তার। প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশীজনদের ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন সদস্য সাদাফ সায় সিদ্দিকি। সভায় আরও বক্তব্য দেন উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নারী বিষয়ক সম্পাদক জাকিয়া শিশির, দুর্বার কেন্দ্রীয় কমিটির সভানেত্রী মাহমুদা বেগম, ফেমজেনের সুষ্ণো বিশ্বাসসহ নারীপক্ষের সদস্য মাহীন সুলতান, রওশন আরা, সামিয়া আফরীন, জাহানারা খাতুন ও সাংবাদিক শাহনাজ পলি।




বিদেশে থাকা দুই অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের প্ররোচনায় আমি গ্রেপ্তার: আনিস আলমগীর

বিদেশে থাকা দুজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের প্ররোচনায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানিকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী কামরুন্নাহার দীপুসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদনের শুনানি করেন।

শুনানির একপর্যায়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীর আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন সাংবাদিক। আমি আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে সেই দেশে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেছি। তালেবানরা আমাকে অ্যারেস্ট করে। আমি সেখান থেকে বেঁচে এসেছি। আমি মৃত্যুকে কাছে থেকে দেখে এসেছি, মৃত্যুকে আর ভয় করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন সাংবাদিক। আমি বিগত দুই দশক ক্ষমতাকে প্রশ্ন করেছি। আমি খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার সমালোচনা করেছি। আমি ইউনূস সরকারেরও সমালোচনা করি এবং ভবিষ্যতে যারা সরকারে আসবে তাদেরও সমালোচনা করব। আমার জীবনে নতজানু হওয়ার ইতিহাস নাই। আমি কোনো সুবিধা গ্রহণ করিনি। তারা আমাকে সরকারের গোলাম বানাতে চায়। আমি টকশোগুলোয় যা বলেছি, প্রকাশ্যেই বলেছি। এখানে অপ্রকাশিত কিছু নেই।’

গ্রামীণ ব্যাংক ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে হামলা হতে পারে এমন বক্তব্যের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি একটা প্রেক্ষাপটে একথা বলেছি, যখন ৩২ নম্বর ভেঙে দেওয়া হয়। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে চলে গেছি। আমি জুলাইয়ে শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিলাম। এখন আমার জুলাইয়ের চেতনা শুনতে হয়। গত ১৩ নভেম্বর অবরোধে আওয়ামী লীগের জ্বালাও পোড়াওয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এসব কথা বলেছি। তারা এটা করতে পারলে পরে আরও কত কি করতে পারে! তারা পলাতক নেতাদের কথায় করেছে। তারা তো পলাতক হিসেবে করেছে। আমার এসব বক্তব্যের সাথে কারও যোগসূত্র নাই। আসামিদের মধ্যে শাওন ছাড়া কাউকে চিনি না। এখন ড. ইউনূস যদি দেশকে কারাগার বা দোজখ বানাতে চান, বানাতে পারেন।’

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে আনিস আলমগীর বলেন, ‘এসব বক্তব্য আসলে কিছু না। দেশের বাইরে থেকে দুজন ইউটিউবার বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল ও নির্বাচনকে বানচালের জন্য কাজ করছে। আমি একমাত্র ব্যক্তি যে টকশোয় এসব বলেছি। আসল বিষয় হলো, এই দুই ব্যক্তি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে প্রভাবিত করেছে, আর সেই দল প্রধান উপদেষ্টাকে প্রভাবিত করেছে। তাদের প্ররোচনায় আজ আমি গ্রেপ্তার হয়েছি।’

এরপর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির ২ নম্বরের একটি জিম থেকে বের হওয়ার পর আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবির কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

রাতেই আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ। মামলার অপর আসামিরা হলেন- মডেল মারিয়া কিসপট্টা (ফ্যাশন মডেল) ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ (উপস্থাপক)।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার অনুসারীরা বিভিন্ন কৌশলে ঘাপটি মেরে দেশে অবস্থান করে দেশকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করে আসছে।

আসামিরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোগুলোয় বসে নিষিদ্ধ সংগঠনকে ফিরিয়ে আনার গুজব (প্রোপাগান্ডা) চালিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পাঁয়তারা করছে।

এসব বিভিন্ন পোস্টের ফলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা অনুপ্রাণিত হয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছেন।




সুপ্রিম কোর্টের ক্যান্টিনে আগুন

রাজধানীর রমনায় সুপ্রিম কোর্টের ক্যান্টিনে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে রাত ১১টা ৫৬ মিনিটের দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, সুপ্রিম কোর্টের ক্যান্টিনে থাকা একটি ফটোকপির মেশিনে আগুনের সূত্রপাত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও জানান, আগুনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা সে বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।




ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে যাত্রা করল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাকে বহনকারী গালফস্ট্রিম জি-১০০ সিরিজের একটি প্রাইভেট জেট (এয়ার অ্যাম্বুলেন্স) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়ে গেছে।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানায়, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি বিভাগে হাদির চিকিৎসার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তার উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে সরকার টানা দুদিন ধরে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

এর আগে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের পরামর্শ এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়–বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর এবং হাদির ভাই ওমর বিন হাদির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




মহান বিজয় দিবস আজ

আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। এ বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন। এ বছর এ দিনটিতে বাঙালি জাতির বিজয়ের ৫৪ বছর পূর্ণ হলো।

১৯৭১ সালের এদিনে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব-মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন ও সার্বভৌম হানাদার মুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম ও ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং কোটি বাঙালির আত্মনিবেদন ও গৌরবগাঁথা গণবীরত্বে পরাধীনতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পায় বাঙালি জাতি।

বাঙালি জাতি তার অধিকার আদায়ে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে উঠে। ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে নিয়ে যায় জাতি। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলেও ভ্রান্ত দ্বিজাতির তত্ত্বের ভিত্তিতে যে অসম পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় তার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয় বাঙালি জাতিকে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের শুরু থেকে বাঙালি জাতির ওপর শুরু হয় বৈষম্য, শোষণ, অত্যাচার নির্যাতন। অর্থনৈতিক, সরকারি চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য সব দিক থেকে বঞ্চিত হতে থাকে বাঙালি তথা এ ভূখণ্ডের মানুষ।

পাকিস্তানের এই শোষণ বঞ্চনা আর অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি সোচ্চার হতে থাকে এবং ধাপে ধাপে পাকিস্তানের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠতে থাকে। বাঙালির এই আন্দোলনের এক পর্যায়ে নেতৃত্বে আসেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালির এই আন্দোলনকে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত করেন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালিদের হত্যা যজ্ঞে মেতে উঠে। এরপর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শেখ মুজিবুর রহমান। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীনতার ঘোষণায় সারা দিয়ে সর্বস্তরের বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। কৃষক, শ্রমিক, চাকরিজীবী ছাত্র, শিক্ষক, যুবক, নারী, সাংস্কৃতিক কর্মী, পেশাজীবী মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। আধুনিক অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নামে এবং জীবন দেয়। জীবনের নিশ্চিত ঝুঁকি নিয়ে বাংলার দামাল ছেলে, মুক্তিযোদ্ধারা অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের পাশে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে এগিয়ে আসে প্রতিবেশী দেশ ভারত। সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ এবং কোটি বাঙালিকে আশ্রয় দিয়ে ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ওই সময় পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থন দিয়ে সরাসরি বাংলাদেশের পক্ষ নেয়। বিশ্ব জনমতও গড়ে উঠতে থাকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী বাঙালির সাহসিকতার কাছে পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। ১৬ ডিসেম্বর বীর বাঙালির বিজয় দিবস হিসেবে ঘোষিত হয়। প্রতি বছর বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে বিজয় দিবস উদযাপন করেন।