কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা সমাচার

কমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা ও সেবার মান নিয়ে প্রশংসনীয় প্রতিবেদন দেখেছি করোনাকালে। সেবা ও সেবার মানদন্ডে সু সেবার স্বাক্ষর রেখেছে কর্তাব্যক্তিরা যে যার মত। সেবা সু সেবা ভালোবাসা মানবতার স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় সেবা প্রার্থী ব্যাক্তিরা ছিলো পুলকিত। কর্তাব্যাক্তিদের এমন অবদানের প্রতিদানে ইচ্ছা পোষন করেছি যে পুষ্পমাল্যে বরন করবো। সময় অসময়ে হয়ে উঠেনি।

সময়ের পরিক্রমায় ডাঃ আকিলের বদলি সর্বশেষ ডাঃ রেজাউল করিম রাজিবের বদলি কমলনগরে চিকিৎসা সেবার ভরসায় আশান্বিত সেবা প্রার্থী ব্যাক্তিদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ অশ্রু কাতর মানুষ গন বদলি ঠেকাতে ভালোবাসায় মানববন্ধন করেছে কমলনগরে। যা কমলনগরে সেবার জগতে ইতিহাস। দুজনের বদলি কমলনগরে চিকিৎসা সেবায় অপূরনীয় ক্ষতি। যা গত ২/১০/২২ তারিখে সরজমিনে প্রত্যক্ষ করেছি। লজ্জায় আবৃত হয়েছি বারবার। সিদান্তহীনতায় পায়চারি করেছি বারংবার। বাচ্চার বিকেলে শ্বাসকষ্ট সন্ধ্যায় হাজির হাট বাজারে চিকিৎসা ব্যবস্হা। রাতে সমস্যা বেড়ে অধিক বুমি। সারারাত দুঃচিন্তা। সকালে সমস্যা প্রতিকারে কমলনগর স্বাস্হ্যকমপ্লেক্সে গমন। সকাল তখন ৭টা। জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত আমাদের কমলনগরের সন্তান ডা. দাউদ সিদ্দিকী। জরুরী বিভাগে ছিলেন একমাএ ডা. দাউদ আর এক মুরুব্বী। গুরুত্বপূর্ণ কর্তাব্যাক্তিরা হাওয়া।

ডা. দাউদ সিদ্দিকী সু সেবায় কমলনগরে পল্লী চিকিৎসক হিসেবে বিখ্যাত। তার রোগী ভুরি ভুরি। বাচ্চা দেখলেন ভর্তি ব্যবস্হা করলেন। ব্যবস্থাপত্রে ডা. দাউদ সিদ্দিকীর সাইন নাই বলে চিকিৎসা প্রদানে অনিহা প্রকাশ করলেন কর্তব্যরত নার্সগন। ফলে বিপত্তি। কে শুনে কার কথা। শুরু হয়রানি এখন কাজ হলো সিঁড়ি বেয়ে উঠা আর নামার কসরত। দুইবার মিস গাইড। তৃতীয় বার সাক্ষাতে ডা. দাউদ সিদ্দিকীর শরনাপন্ন হয়ে সমস্যার প্রতিকার চেয়েছি। তিনি আমাকে আবার ও উপরে পাঠালেন। সমস্যার সমাধান হয়নি। হাসপাতালে স্বাস্হ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু তাহের ছিলেন না। তার বিপরিতে দায়িত্ব সম্পাদনে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি দায়িত্ব পালন না করে ঘুমাতে গেলেন। ডা. দাউদ বাদে বাকী দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা রুটিন সময়ে অনুপস্থিত। তারা কর্মক্ষেএে প্রবেশ করেন দশটার পর।ফলে চিকিৎসা পেতে হয়েছে দশটার পর। ভর্তি করেছি ৭.৩০ মিনিটে। ডাঃ আসলেন ব্যবস্হা পএে সাইন করলেন তারপর নার্সগন দায়িত্ব পালন করলেন। মাঝখানে ৩/৪ ঘন্টা সেবা বিরতি ছিলো।
ফলে ডায়রিয়া রোগীর কান্নায় আকাশ ভারী কে কার কথা শুনে। স্বাস্হ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু তাহেরের নাম্বারে কল করলে ও রিসিভ হয়নি।

ফলে সমস্যা সমাধানে পৌঁছাতে পারিনি। ডা. দাউদ সিদ্দিকীর ব্যবস্থাপত্রেকমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা মিলে না। অথচ তিনিই জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত ছিলেন। যারা কর্তাব্যাক্তি তারা হাওয়া। কার ইশারায় কেমনে চলে হাসপাতাল গভীর অনুসন্ধান করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে ডা. দাউদ সিদ্দিকীর অন্তকোন্দল কিনা তাহা জানার চেষ্টা করেছি. কোন সুউত্তর মিলেনি। রোগী নিয়ে এই হচ্ছে সাপলুডু খেলা। রোগীরা সেবা বঞ্চিত। অপচিকিৎসা ও কমলনগর স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে চোখে পড়ার মত। আয়া করে নার্সের কাজ।
ক্যানালা পিটিং স্যালাইন সঞ্চালনের কাজ করেন আয়া। কিন্তু তাহলে নার্সদের কাজ কি? এখানেই শেষ নয়। ওয়ার্ড বয় ও করেন নার্সদের কাজ। সকালে ডায়রিয়াকৃত এক বাচ্চাকে ইনজেকশন পুশ করেন ওয়ার্ড বয়। ফলে ইনজেকশনের মার্তা বেশি দিয়ে বাচ্চার জীবন হুমকিতে পেলেন।
বাচ্চার চোখ কপালে উঠলো বাচ্চার মায়ের চিৎকারে ওয়ার্ড বয় হাওয়া। সকল সমস্যার প্রতিকারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি। ডা. দাউদকে নিয়ে রাজিব নাটক হচ্ছে কিনা চোখ রাখুন। প্রতিবাদে সজাগ থাকুন। গত ২/১০/২২ তারিখ সন্ধ্যা থেকে ৩/১০/২২ তারিখ দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিহীন কমলনগর হাসপাতাল। অন্ধকারে নিমজ্জিত চিকিৎসা ব্যবস্হা। মমবাতির আলোয় চিকিৎসা চলছে। ভুক্তভোগীদের মমবাতিই ভরসা। কোন উপায় নেই। অন্ধকারে ভুল চিকিৎসা হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। আর ভুল চিকিৎসা হলেই কারো জীবন নাশ হবে। দায় কার?

বিদ্যুৎ অফিসের বিদ্যুৎ নামক ভেলকিবাজি বন্ধ করা সময়ের দাবি। গুরুত্বপূর্ণ জায়গা বিদ্যুৎ বিহীন ১৮ ঘন্টা চিন্তা করা যায়। তার ভেতর জেনেরেটর সেবা থেকে ও নেই। তৈল খরচের বরাদ্দ নেই অজুহাতে জেনেরেটর সেবা পরিবেশন বন্ধ। কতটুকু যুক্তি কথা বোধগম্য নয়। চিকিৎসা সেবা মৌলিক সেবার একটি। আমাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। সেবা হোক জনকল্যাণকর। মানুষ মানবতার জয় হোক। কমলনগর স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের অব্যবস্হাপনা দূর হয়ে বিবেকবোধের দর্শনে মানুষ মানবতা হোক সেবার মাধ্যম।

লেখক: শিব্বির দেওয়ান




দাঁতের ব্যথা কমানোর সহজ উপায়

সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা দাঁতের ব্যথা। ছোট মনে হলেও এটি বেশ গুরুতর। যারা এই সমস্যায় ভোগেন তারাই একমাত্র বোঝেন এটি কতোটা ভয়ানক। সাধারণ ভাষায় একে মোলার বা মূলের ব্যথাও বলা হয়।

এই ব্যথা তীব্র হলে মুখ ফুলেও যেতে পারে।  ব্যাকটেরিয়া ও সংক্রমণের কারণে দাঁতে ব্যথা হতে পারে। আমাদের দাঁতের ভেতর সজ্জা থাকে। যা স্নায়ু টিস্যু ও রক্তনালীতে ভরা থাকে। সজ্জাসহ এই স্নায়ুগুলি শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ। এই স্নায়ুগুলি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত হলে তীব্র ব্যথার কারণ হতে পারে। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যা কাজে লাগিয়ে দাঁতের ব্যথা কমানো যায়। এমন কিছু উপায় সম্পর্কে জানুন-

বেকিং সোডার পেস্ট

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে এই উপাদানটি বেশ উপকারি। আপনার নিয়মিত টুথপেস্টের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে দাঁত মাজুন। কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

ব্যথার স্থানে বরফ 

এনসিবিআই এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যেকোনো প্রদাহ নিরাময়ে কাজ করে বরফ। দাঁতে ব্যথা হলে বরফের প্যাক দিয়ে ঠান্ডা স্যাঁক দিন। কমপক্ষে ১৫ মিনিট কাজটি করুন।

টি ব্যাগ

দাঁতের ব্যথার কারণে যে ব্যথা সৃষ্টি হয় তা থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন ধরনের টি ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। চায়ের উষ্ণতা ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া টি ব্যাগ সরাসরি ব্যথা কমাতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। চায়ে থাকা ট্যানিক অ্যাসিড প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

লবঙ্গও উপকারি 

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য লবঙ্গের ব্যবহার বেশ পুরনো। বেদনাদায়ক দাঁতের ঠিক ওপরে একটি গোটা লবঙ্গ রাখুন, আরাম পাবেন। সমীক্ষা অনুযায়ী, এই মসলাটির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। আক্রান্ত স্থানে লবঙ্গ তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে।

গরম পানি ও লবণ দিয়ে গারগল 

সমীক্ষা অনুযায়ী, লবণ প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক। কুসুম গরম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গারগল বা কুলকুচি করলে দাঁতের ব্যথায় তাৎক্ষণিক উপশম হয়। চিকিৎসকরাও প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এই পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মুখে পানি নিয়ে কিছুক্ষণ বন্ধ করে রাখুন। এরপর থুতু ফেলে দিন। দিনে ৪/৫বার প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

দাঁতের ব্যথায় কষ্ট না পেয়ে এই পদ্ধতিগুলো কাজে লাগান, সুস্থ থাকুন।




একদিনে হাসপাতালে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

দেশে চলতি বছর একদিনে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬৩৫ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তির রেকর্ড। নতুনদের নিয়ে মশাবাহিত রোগটিতে মোট দুই হাজার ১৫৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ সময় নতুন করে আরও একজনের মৃত্য হয়েছে।

আজ শনিবার (১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত সারাদেশে ৬৩৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৫১৮ জন ঢাকায় এবং ১১৭ জন ঢাকার বাইরে চিকিৎসাধীন।

তাদের নিয়ে বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট দুই হাজার ১৫৮ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪৭টি ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এক হাজার ৬৫৮ জন। এছাড়া ৫০০ জন ঢাকার বাইরে চিকিৎসাধীন।

 তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম দিন (১ জানুয়ারি) থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১৬ হাজার ৭২৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৪ হাজার ৫১৩ জন। চলতি বছর মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৬ জন।




বয়সের ছাপ কমাতে যে খাবার খাবেন

ময়েশ্চারাইজার, নাইট ক্রিম এবং সিরামের মতো অ্যান্টি এজিং প্রসাধনীর কথা আমরা সবাই জানি। তখন একটি শব্দ হয়ত বারবার দেখতে বা শুনতে পাবেন তা হলো কোলাজেন। কোলাজেন এবং ইলাস্টিন আপনার ত্বকে মসৃণ এবং দৃঢ় রাখে।   বয়স বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে কোলাজেন হারানো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। এর ফলে তাবকে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। তবে শুধু প্রসাধনীর ওপর নির্ভর না করে  খাবারের ওপরও নির্ভর করতে পারবেন।

কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার

স্যামন মাছ- স্যামন একটি সামুদ্রিক মাছ। এত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এই ফ্যাটি এসিড আপনার ত্বকে কোলাজেন ধরে রাখে। এই মাছ  প্রাণী থেকে প্রোটিন পাওয়া যায় এমন খাবার খেতে পারেন। যেমন

* মুরগি- মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন থাকে বলে বলা হয়।

* ডিম-  ডিমের সাদা অংশে পাওয়া যায় প্রচুর প্রোলিন এবং কিছু পরিমাণে গ্লাইসিন।

কোলাজেন

কোলাজেন একটি প্রোটিন যা আমাদের শরীর তৈরি করে এবং আমাদের ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিষেশজ্ঞদের মতে আমরা যে খাবার খাই তা থেকে অ্যামিনো অ্যাসিড একত্রিত হয়ে কোলাজেন তৈরি হয়। গ্লাইসিন, প্রোলিন এবং হাইড্রক্সিপ্রোলিন হল কিছু নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড যা কোলাজেন ধরে রাখে। ভিটামিন সি, জিঙ্ক এবং কপার আমাদের দেহে কোলাজেন গঠনে সহায়তা করে। প্রোটিন বা কোলাজেন বেশি আছে এমন অথবা ভিটামিন সি, জিঙ্ক, কপার আছে এমন খাবার খেতে হবে। এসব খাবার আমাদের শরীরকে কোলাজেন তৈরির জন্য সাহায্য করে।

গাজর

গাজরে আছে প্রচুর পরিমাণে বিটামিন এ । বিটামিন এ কোলাজেন গঠনে এরং ধরে রাখতে সাহায্য করে থাকে।

টমেটো

 টমেটো ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। টমেটোতে লাইকোপিন থাকে যা ক্ষতিকারক ইউ ভি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। টমেটো খেলে পিগমেন্টেশন এবং বলিরেখা কমে যায়। টমেটো কোলাজেন বাড়াতে সাহায্য করে।

আমলকী

আমলকী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। আমলকী শরীরে কোলাজেনের পরিমাণ বাড়ায়।

সবুজ শাক সবজি

গাঢ় সবুজ ও শাক-জাতীয় খাবার যোগ করুন।  প্রাথমিক কোলাজেন হিসেবে ক্লোরোফিল পরিচিত।

ভিটামিন সি 

বিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি বা টক ফল খেলেও কোলাজেন বৃদ্ধি পায়। ভিটামিন সি দুটি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড লাইসিন এবং প্রোলিনকে সংযুক্ত করে কাজ করে।




ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাজ নয়; স্বাস্থ্য সচিব

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয় বলে জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি জানান, ঢাকায় প্রচুর মানুষ ডাব খেয়ে থাকে, এগুলো অনেক সময় পরিষ্কার করা হয় না। এতে এডিস মশার প্রকোপ বাড়ে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাজ নয়, আমরা সেবা দিয়ে থাকি।

স্বাস্থ্য সচিব আরো বলেন, হয়তো সবসময় হয় সবকিছু হয় না, কিন্তু চেষ্টা করা হয়। তবে সবাইকে (ডেঙ্গু) প্রতিরোধের কাজটা করতে হবে। এ জন্য আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। প্রথম দিকে যদি চিহ্নিত করা যায়, তাহলে চিকিৎসা দেওয়া অনেক সহজ হয়৷

আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, এখনো থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নিয়মিত বৃষ্টি হলে পানি জমে থাকে, ফলে এডিস মশার জন্ম হয়। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যেন, নিজ বাসাতেই মশার উৎপাদন না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম। তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৩টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুতে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। নাজমুল ইসলাম জানান, ডিএনসিসির ৪০ ওয়ার্ডে ৪৮টি সাইট এবং ডিএসসিসির ৫৮টি ওয়ার্ডে ৬২টি সাইটসহ মোট ১১০টি সাইটে তিন হাজার ১৫০টি বাড়িতে জরিপ চালানো হয়েছে। ২১টি টিমের মাধ্যমে ১০ দিনব্যাপী জরিপটি চালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।




করোনা শনাক্তের হার বেড়ে ১৪.৭৩ শতাংশ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪৭০ জনে।  এ সময়ে করোনাভাইরাসে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মৃত্যু সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৪৫ অপরিবর্তিত রয়েছে।

আজ বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২২০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬১ হাজার ৪৮০ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩৬৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪ হাজার ৩৫১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। মঙ্গলবার শনাক্তের হার ছিল ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।




যে রঙের পেয়ারায় বেশি পুষ্টিগুণ

পেয়ারা সবার কাছে খুবই পরিচিত একটি ফল। এখন প্রায় বছরব্যাপী পেয়ারা পাওয়া যায়। কিন্তু সব ধরনের পেয়ারায় কি একই রকম পুষ্টিগুণ থাকে, এমন প্রশ্ন সবার মনেই থাকতে পারে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে ইদানিং তাইওয়ানের গোলাপি পেয়ারা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, গোলাপি শাঁসযুক্ত পেয়ারায় পানি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। তবে অন্য পেয়ারার তুলনায় শর্করা, ভিটামিন সি এর পরিমাণ অনেকটাই কম। সাদা শাঁসযুক্ত পেয়ারায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি হলেও তা গোলাপি শাঁসযুক্ত পেয়ারার মতো নয়।

ভিটামিন এ, সি, ওমেগা ৩, ওমেগা ৬ পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ডায়েটারি ফাইবারের মতো বহু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মজুত থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গোলাপি শাঁসযুক্ত পেয়ারা ‘সেরা ফল’।

পেয়ারা খাবেন যে কারণে তা হলোঃ

১) রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করতে

২) হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে

৩) ঋতুস্রাবজনিত ব্যথা লাঘব করতে

৪) ওজন কমাতে সাহায্য করে

৫) পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে

৬) ক্যানসার প্রতিরোধক

৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে

৮) দাঁত, ত্বক এবং চুলের জন্য উপকারী




কফি নয়, আপেল দিয়ে দিন শুরু করুন

সকালে ঘুম থেকে উঠেই কফির মগে চুমুক না দিয়ে অনেকেরই দিন শুরু হয় না। আবার শরীর ক্লান্ত লাগলে বা ঘুম ঘুম ভাব এলে কফির উপর ভরসা রাখেন কমবেশি সবাই। তবে এটি শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়, বলে মত বিশেষজ্ঞদের। ক্যাফেইনের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে, যা উপেক্ষা করা যায় না। তবে এটি কখনো কখনো শরীরের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে। ক্যাফেইন অম্লতা বৃদ্ধি, গুরুতর উদ্বেগ, কিডনির সমস্যা, অস্থিরতা ও আসক্তি বাড়ায়।এ কারণে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, সকালে এক কাপ কফি পান না করে বরং একটি আপেল খেলে শরীরে মিলবে নানা পুষ্টি। আপেল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি। এটি পুষ্টিতে ভরপুর ও সহজলভ্যও বটে।

আপেলে থাকে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- কোয়ারসেটিন, ভিটামিন ই, ক্যাটেচিন, ভিটামিন সি, ফ্লোরিডজিন, রেটিনল, বিটা-ক্যারোটিন ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড।

যা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ঠেকায়, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোসহ ওজন কমায়, ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে।

এমনকি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানো, অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করা ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করে আপেল। আপেলের ফাইটোকেমিক্যালগুলো এসব দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। শরীরকে উদ্দীপিত করে ও ক্লান্তি প্রতিরোধ করে। আপেলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা বা ফ্রুক্টোজ শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কফির চেয়ে আপেল খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। আপেলে থাকা ফাইবার দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তাদের জন্য দিন শুরু করার দুর্দান্ত একটি ফল হলো আপেল।




রোগ প্রতিরোধে শিশুর খাবারে ‘ভিটামিন এ’ জরুরী

শিশুর জীবনে এক থেকে পাঁচ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় থেকেই শিশুর খাবার গ্রহণ ও বর্জনের বিষয়টি রপ্ত হয়ে যায়। শিশুর প্রতিদিনের খাবারে ভিটানি এ থাকাটা জরুরী।

এই ভিটামিন সাধারণত প্রাণী দেহে পাওয়া যায় আর পাওয়া যায় ক্যারোটিন হিসাবে শাক-সবজিতে। বিশেষ করে হলুদ-কমলা সবজি ও ফলের ভেতর ভিটামিন এ আছে। দেহের ক্ষুদ্রান্তে ভিটামিন এ শোষিত হয় চর্বির সঙ্গেই। যেসব রোগে দেহে চর্বি শোষণে বিঘ্ন ঘটে, এতে ভিটামিন এ শোষণ ও বাধাগ্রস্ত হয় এবং শরীরে এর অভাব দেখা যায়। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, নবজাতকের যকৃতে কতখানি এ ভিটামিন সঞ্চিত থাকবে তা নির্ভর করে মায়ের রক্তে কতখানি ভিটামিন এ ছিল তার ওপর।

শিশুর দৈনিক ‘ভিটানি এ’র চাহিদা ২৫০০ আইইউ। আমাদের দেশে প্রতি বছরই শিশুদের বিনামূল্যে ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এটা নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। রান্নায় ‘ভিটামিন এ’ নষ্ট হয় না। তবে ফ্রিজে জমিয়ে রাখা মাখনে কিছুটা খাদ্যগুণ নষ্ট হয়। যেসব গরুকে টাটকা সবুজ খাস খাওয়ানো হয় না সেসব গরুর দুধে ‘ভিটামিন এ’র ঘাটতি দেখা যায়। দেহের ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ছাড়াও ‘ভিটামিন এ’র অভাবে তিন ধরনের চক্ষুরোগ হয়ে থাকে। যেমন-রাতকানা, চক্ষু শুষ্কতা ও ক্যারাটোম্যালেসিয়া।

* রাতখানা : এই রোগে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা চোখে কিছুই দেখে না। এটা বোঝা যায় যেখানে রাতের বেলা কোনো আলোর ব্যবস্থা না থাকলে। নিয়মিত কলিজা খাওয়ালে এই অবস্থা দূর হতে পারে। তবে সময় মতো এ অসুখটি নির্ণয় না হলে পর্যাপ্ত ভিটামিন দিয়েও কোনো কাজ হয় না।

* চক্ষু শুষ্কতা : এতে চোখের মণিতে ঘা, চোখে পুঁজ, সজীবতাহীন চোখ এবং চোখের আবরক কণা শুকিয়ে যায়। চোখের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় এবং চোখের মণি সাদা হয়ে যায়। প্রচুর ভিটামিন এ প্রয়োগে সুফল পাওয়া যায়। গুরুত্ব অনুসারে ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুলের সঙ্গে কডলিভার অয়েল, ঘি, মাখন, গাজর ইত্যাদি দিলে ভালো হয়।

* ক্যারাটোম্যালেসিয়া : দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদের এ রোগ দেখা যায়। এতে চোখের ভেজা ও সজীব ভাব চলে গিয়ে চোখ শুকনো ও বিবর্ণ হয়ে যায়। চোখ ঘোলা দেখায়। এ অবস্থা চলতে থাকলে চোখের মণি অস্বচ্ছ পর্দায় ভরে উটে, শেষ পর্যন্ত দৃষ্টিহীনতা ঘটে।

চোখের রোগ ছাড়াও ‘ভিটামিন এ’র অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে সর্দি-কাশি, ফ্লু লেগেই থাকে। এছাড়া দেহের ত্বক শুকনো ও খসখসে হয়ে যায়। চুল বিবর্ণ হয়ে পড়ে। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়।

* ‘ভিটামিন এ’র উৎস : গাজর, ভুট্টা, আপেল, পাকা আম, পাকা পেঁপে, লাল আঙুর, ক্যাপসিকাম, রাঙা আলু, মিষ্টি কুমড়া, লেটুস পাতা, সবুজ শাক-সবজি, টমেটো, সজনেপাতা ইত্যাদি। মাছের মধ্যে মলা ও ঢেলা মাছে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ আছে। এছাড়া মাখন, ডিম, কলিজা, কডলিভার অয়েল, ঘি, দুধ, গরু-খাসির মাংসে ভিটামিন এ রয়েছে।




গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮২ জনের করোনা শনাক্ত

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এ সময়ে ২৮২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৩ হাজার ৬৮৯ জনে।

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৬৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৮২০ জন। এ সময় ৪ হাজার ৭৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪ হাজার ৬৬টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।