সবুজ আপেল কেন খাবেন

স্বাদের কারণে অনেকেই আপেল খেতে পছন্দ করেন। স্বাদের পাশপাপাশি এই ফল গুণেও অনন্য। তবে বেশিরভাগ মানুষই কেবল লাল আপেল খান। তবে সবুজ আপেলও বেশ উপকারী।

এই আপেল খেলে অনেক গুরুতর সমস্যার সমাধান হয়।  বিজ্ঞানীরা বলছেন, সবুজ আপেলে ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, কপার, আয়রন, জিঙ্ক ইত্যাদি উপকারী উপাদান রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের নানা সমস্যার সমাধান করে।

সবুজ আপেলের এমন কিছু গুণ রয়েছে যা কিছু সমস্যার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী। যেমন-

চোখের জন্য ভালো:  সবুজ আপেল চোখের জন্য খুবই ভালো। এই আপেলে ভালো পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এছাড়া আরও কিছু ভালো পরিমাণে খনিজ আছে। এই খনিজও চোখ ভালো রাখতে পারে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকরী আপেল। সবুজ আপেলে ভালো পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকা ফাইবার  শরীরের জন্য ভালো।

হাড়ের শক্তি বাড়ায়: এখন খুব কম বয়স থেকেই মানুষ নানা গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই ৩০ বছর বয়স হলেই হাড়ের ক্ষয় হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হাড় ভালো রাখতে চাইলে খান সবুজ আপেল।

পেট ভালো রাখে : পেট ভালো রাখার ক্ষেত্রেও সবুজ আপেলের জুড়ি নেই। এই খাবারের এমন কিছু গুণ রয়েছে যা পেটের নানা সমস্যা কমায়। এমনকী হজম ভালো হয়। এই খাবারে আছে ফাইবার। এছাড়াও নানা এনজাইম মিলে মিশে পেটের জন্য দারুণ উপকারী সবুজ আপেল।




‘লাইসেন্সের মেয়াদ’ লিখতে হবে বেসরকারি হাসপাতালের সাইনবোর্ডে

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকের সাইনবোর্ডে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নম্বর ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লেখার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংককেও এই নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় একথা জানানো হয়েছে। রোববার বিষয়টি জানা গেছে। সম্প্রতি দেশের বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। অনুমোদন ও অবৈধভাবে পরিচালিক অনেক প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরিমানাও করা হয়েছে।

এই অভিযান চলমান থাকবে বলেও স্বাস্থ্য অধিফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সকল বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকে লাইসেন্স নম্বর মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ সাইন বোর্ডে ঝুলিয়ে দিতে হবে। এটি প্রয়োজনে কিউআর কোডসহ ডিসপ্লে করতে হবে। অন্যথায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 গত ২৯ আগস্ট অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও  ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়। এর পর থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ৮৫০টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এর মধ্যে রাজধানীর আছে ২০টি প্রতিষ্ঠান।

এরমধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশনা দিয়ে বলছে,  এখন থেকে সাইনবোর্ডে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নম্বর ও নিবন্ধনের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করতে হবে। অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




ক্লিনিক-হাসপাতালের সাইনবোর্ডে থাকতে হবে লাইসেন্স নম্বর

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের সাইনবোর্ডে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ লাইসেন্স নম্বর যুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর । অনুমোদনহীন চিকিৎসাকেন্দ্র বন্ধের অভিযানের মধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহ) বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক, ও ব্লাড ব্যাংকে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ লাইসেন্স নম্বর সাইনবোর্ডে ঝুলিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে কিউআর কোডসহ সেটি প্রদর্শন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।