Protest in Kamalnagar against Myanmar genocide

লক্ষ্মীপুরঃ

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে তোরাবগঞ্জ বাজারে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসি।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) আছর নামাজের পর তোরাবগঞ্জ সমাজ কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশটি তোরাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে বাজার প্রদিক্ষণ শেষে বাজারের কৃষ্ণচূড়া চত্ত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় প্রায় ২ সহ¯্রাধিক সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ভবানীগঞ্জ কারামতিয়া সিনিয়র মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা ইব্রাহীম শামীম, স্থানীয় আশরাফুল উলুম মাদরাসা পরিচালক মাওলানা মানজুরুল হক, তোরাবগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আবদুজ্জাহের ভুইঁয়া, ফরাশগঞ্জ ফয়েজ আম আলীম মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মমিন উল্লাহ, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মোঃ হারুন অর রশিদ, আরিফ হোসেন প্রমুখ।

পরে সমাবেশে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য দোয়া ও মুনাজাত করেনতোরাবগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ খতিব মাওলানা মহসিন।




 Rape case in Kamalnagar over money transaction!

 

লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে পাওনা টাকা আদায়ে আইনি নোটিশ করায় এক কাঁচামাল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ব্যবসায়ী আবু তাহেরকে (৪২) গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। এনিয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে স্থানীয় লোকজন। প্রতিবাদে তারা করুনানগর বাজারে বিক্ষোভ মিছিলও করেছে।

এবিষয়ে ঘটনাস্থল চরজাঙ্গালিয়া গ্রাম ও করুনানগর বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ী, স্থানীয় লোকজনসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলা হয়। এসময় মামলাটি সম্পূর্ণ সাজানো বলে তারা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে ২০মে উপজেলার চরজাঙ্গালিয়া গ্রামের অঞ্জন চন্দ্র দাস আবু তাহেরের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ধার নেয়। এসময় তিন মাসের মধ্যে ওই টাকা পরিশোধ করার কথা বলে নিজের সোনালী ব্যাংক কমলনগর শাখার (হিসাব নম্বর-১০০০১৩১৫৯) একটি চেক দেওয়া হয়। পূর্ব নির্ধারিত ২২ আগস্ট তাহের চেক নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে দেখেন, ওই হিসেবে টাকা নেই। ব্যাংক থেকে চেকটি ফেরত দেওয়া হয়। পরে ২৭ আগস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজওনার করেন। পরদিন তাহেরের পক্ষে লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের আইনজীবি আব্দুল ওদুদ আইনি নোটিশ পাঠান অঞ্জন চন্দ্র দাসকে। এসময় ৩০ দিনের মধ্যে পাওনা পরিশোধ করার জন্য বলা হয়। নচেৎ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অঞ্জন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে অঞ্জন চন্দ্র দাসের স্ত্রী (৩৫) বাড়ির পাশে পুকুর ঘাটে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আবু তাহেরসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন তার মুখ চেপে ধরে। পরে তাহের জোরপূর্বক তার মুখ বেঁধে ফেলে। এসময় অন্যদের সহযোগীতায় একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে খোঁজাখুজি করে ঘটনাস্থল থেকে তাকে বিবস্ত্র অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ১৯ সেপ্টেম্বর অঞ্জনের ভাই সুদীপ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে কমলনগর থানায় মামলায় দায়ের করেন। এতে আবু তাহেরের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়।

তাহের প্রতিদিন বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত করুনানগর বাজারের মো. মনিরের মুদি দোকানের সামনে কাঁচামাল বিক্রি করেন। রোববার সাপ্তাহিক বাজার সেখানে। ওইদিন বিকেল থেকে রাত ১১ টায় পর্যন্ত তিনি কেনাবেচা করেছেন। অথচ মামলায় বলা হয়েছে, ওইদিন সন্ধ্যায় চরজাঙ্গালিয়া গ্রামে তিনি ধর্ষণ করেছেন।

 

সরেজমিনে চরজাঙ্গালিয়া গ্রাম ও করুনানগর বাজারের গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাহের পাওনা টাকা আদায়ের জন্য অঞ্জনকে চাপ দিয়ে আসছে। স্থানীয়দের দিয়ে টাকা উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়েও তিনি ব্যর্থ হন। এজন্য সম্প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষণ নাটক সাজানো হয়। আর ঘটনার সময় তাহের বাজারেই ছিলেন। শত-শত লোক তাকে বাজারে দেখেছেন।বাজার থেকে ঘটনাস্থলে যেতে এক-দেড় ঘন্টা সময় লাগবে। পরিকল্পিতভাবে তাবে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করলেই প্রকৃত ঘটনা বেড়িয়ে আসবে। ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় তাহেরকে গ্রেফতার ও হয়রানির প্রতিবাদে স্থানীয় লোকজন বুধবার করুনানগর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

পুলিশ হেফাজতে আবু তাহের সাংবাদিকদের বলেন, পাওনা টাকা চাওয়াই আমাকে মিথ্যা মামলায় জেলে আসতে হয়েছে। আমাকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করার পর থানায় নিয়ে পুলিশ বেদম পিটিয়েছে। এখন হাত-পাসহ পুরো শরীরের ফোলা-জখম রয়েছে। আমি মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

মামলার বাদী সুদেব চন্দ্র দাস বলেন, আমার ভাইয়ের সাথে তাহেরের লেনদেনের ঘটনা সত্য। মিনতি রানী ধষর্ণের কথা বলায় আমি বাদী হয়ে মামলা করেছি।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটিকে এখনই ধর্ষণ বলা যাবে না। তবে প্রাথমিকভাবে যৌনাঙ্গে আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, প্রতিবেদন হাতে পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কমলনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মহিন উদ্দিন বলেন, এ মামলার প্রধান আসামি তাহেরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরিক্ষা করানো হয়। পুলিশ হেফাজতে আসামিকে পেটানোর অভিযোগ সঠিক নয়। মামলাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না।




Pakistan army is behind the violence in Arakan State... Lakshmipur DIG Monir-uz-Zaman

Lakshmipur: DIG of Chittagong Range of Bangladesh Police Dr. SM Monir-uz-Zaman said, the Pakistan army is behind the violence that has arisen in Arakan State. The Pakistani army is leading this violence. They are using the power of the Razakars of Pakistan in 1971 to create an unstable environment in Bangladesh before the next parliamentary elections and to oppose how our independence and sovereignty can be endangered.

He made these remarks while speaking as the chief guest at an anti-drug and anti-terrorism rally organized by the District Community Policing at the Lakshmipur Adarsh Samad premises on Wednesday (September 20) afternoon.

Lakshmipur District Police Superintendent ASM Mahatab Uddin and the meeting moderated by District Community Policing General Secretary Zakir Hossain Bhuiyan Azad, Lakshmipur District Council Chairman Md. Shahjahan, Lakshmipur Municipality Mayor Abu Taher, Lakshmipur District Awami League President Golam Faruk Pinku, General Secretary Advocate Nur Uddin Chowdhury Nayan, Lakshmipur Muktijoddha Commander (Acting) Kajal Kanti Das, Lakshmipur Government College Principal Main Uddin Pathan and Lakshmipur Community Policing President Syed Ziaul Huda Apu spoke at the meeting.

District Civil Surgeon Mostafa Khaled Ahmed, RAB-11 Laxmipur Camp In-charge Jasim Uddin, Additional Superintendent of Police Anirban Chakma, Assistant Superintendent of Police (Circle) Shah Newaz and Officer-in-Charge (OC) of Sadar Police Station Lokman Hossain were present at the time.

Besides, a large number of people from various unions of Sadar, Raipur, Ramganj, Ramgati, Kamalnagar and Chandraganj participated in the rally.




Widow's mother's press conference: Allegation of framing freedom fighter's son in murder case in Kamalnagar

Lakshmipur
In Kamalnagar, Laxmipur, there have been allegations of harassment against freedom fighter Md. Mohsin's son Mahmudul Hasan Hiroo by accusing him in a murder case. The family has demanded a judicial investigation into the case and has sought the intervention of the administration. The demand was made at a press conference at the Kamalnagar Press Club on Wednesday (September 20) afternoon.
In a written statement to the press conference, Rebecca Mohsin said that the husband of a freedom fighter from Char Jangaliya village in the upazila, Md. Mohsin, died in 2012. He was a teacher at Hazirhat Millat Academy. For a long time, her husband's half-brother (brother-in-law) Md. Chana Ullah had been in a dispute with the tehsildar over land. After her husband's death, Chana Ullah proposed marriage to her to seize the property. When she did not agree, she resorted to various conspiracies. On May 29, 2016, Md. Maqsud (26), a peon of the Freedom Fighters Club in the Char Lawrence area, went missing. Eight days after the incident, the police recovered his melted body from inside the safety tank of Chana Ullah's house. In this incident, the deceased's brother Belal Hossain filed a case with the police station that night, accusing 4-5 unknown people. His son's name was not in the complaint in the case. Later, a group of criminals including Chana Ulya managed to get the police to file a final report (chargesheet) in court, accusing her son Mahmudul Hasan Hiru as the third accused.
He further said, "My son is not involved in the murder. I also want justice for those involved in this murder. Only a judicial investigation by examining the evidence seized to unravel the mystery of the murder and examining it will reveal the real incident." For this reason, he has sought the intervention of the administration.

 

 




Khokan, the head of the Khokan force in Ramgati, was arrested.

Lakshmipur:
লক্ষ্মীপুরের রামগতির খোকন বাহিনীর প্রধান দস্যু খোকনকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়ার কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেনেন্ট বোরহান উদ্দিন অভিযান চালিয়ে ঘাসিয়ার চর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

এসময় তার কাছ থেকে পাঁচটি একনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড গুলি, বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রামগতির চর আবদুল্লাহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি খোকন। তার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরের রামগতি, ভোলার তজুমুদ্দিন ও নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি ও ধর্ষনসহ ১৮-২০টি মামলা রয়েছে।

রামগতির চরগজারিয়া, চর আবদুল্লাহসহ মেঘনা নদীতে খোকন বাহিনী ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তোলে। বিভিন্ন সময়ে তার অস্ত্রধারী বাহিনী রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের ছত্রছায়ায় থেকে খুন, ডাকাতি, ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে।

 




India will stand by Bangladesh in Rohingya crisis

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই বার্তা জানিয়েছেন।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিয়ানমারের সঙ্গে একই সুরে রোহিঙ্গা সংকটকে একটি ‘ইসলামী সন্ত্রাসী ইস্যু’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এখন তার অবস্থানের বড় পরিবর্তন হল। আর এই অবস্থান পরিবর্তনের নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ও দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী।

দিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় বাংলাদেশ বেশ বিলম্ব করেছে। দেরিতে হলেও বাংলাদেশ উদ্যোগ নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বৃহস্পতিবার রাতে টেলিফোন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লির অবস্থান পরিবর্তনের কথা জানান।

ঢাকার একজন কূটনীতিক জানিয়েছেন, সুষমা টেলিফোনে শেখ হাসিনাকে জানান যে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানেই বিশ্বাস করে ভারত। এছাড়াও, বহুপক্ষীয় এবং গোপনীয় বৈঠকেও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা বলবে ভারত।

নিউইয়র্ক সফরকালে শেখ হাসিনা ও সুষমা স্বরাজের একই ফ্লাইটে যাওয়ার বিষয়ে কাজ শুরু করেন ঢাকা ও দিল্লির কর্মকর্তারা। তারা আবুধাবি থেকে ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একই ফ্লাইটে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জার্নি করে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্টে অবতরণ করেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রথমেই নামেন সুষমা স্বরাজ। তারপর বিমান থেকে শেখ হাসিনাকে বেরিয়ে আসতে দেখে সবাই নিশ্চিত হন যে, বিমানে তাদের মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

একাধিক কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করে যে, তাদের মধ্যে আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু প্রাধান্য পেয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার বিষয়ে সুস্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন সুষমা স্বরাজ। এ বিষয়ে দু’দেশের করণীয় নানা দিক নিয়েও আলোচনা হয়েছে।




Trial of Suu Kyi and army chief begins in Malaysian People's Court

Myanmar's State Counsellor Aung San Suu Kyi and the country's army chief and other officials have been put on trial at an international tribunal in Malaysia on charges of genocide and crimes against humanity. The verdict is expected to be announced on Friday.

The hearing at the Permanent People's Tribunal (PPT) in Kuala Lumpur, Malaysia's capital, began on Monday. A panel of internationally renowned experts participated in the hearing, which was held at the Faculty of Law of the University of Malaya in Kuala Lumpur.
Gregory Stanton, a professor of Genocide Studies and Prevention at George Mason University in the United States, testified in the hearing. He said that Myanmar's military, police, other Buddhist militias, and the country's current civilian government are accused of crimes against humanity and genocide.

Regarding the Rohingya, he said that they are victims of deprivation and discrimination at all levels in Myanmar. Bangladesh Human Rights Commission Chairman Kazi Riazul Haque also participated in the hearing.

Today, the tribunal will present evidence on the persecution of Muslims in Myanmar. In the afternoon, the prosecution will make its closing arguments, followed by the defense.

The jury will present their arguments throughout the day on Thursday. The eight-member panel of judges includes prominent figures and lawyers involved in international crime investigations.

Chandra Muzaffar, chairman of the organizing committee of the Malaysian branch of the PPT, said that during the five-day session, the judges will analyze the prosecution's arguments, the opinions of expert witnesses, and the statements of victims. The verdict will be announced at 10 am local time on Friday. The judges' verdict will be sent to various international organizations and groups, including the United Nations Human Rights Council in Geneva.




Thankuni cultivation on rooftops in Lakshmipur

Sajjadur Rahman: The benefits of thankuni leaves are unmatched. It has been used since ancient times. Although this great medicine for curing diseases is not widely known now, a health-conscious teacher has cultivated thankuni on the roof of his house as a hobby. He himself uses this plant, which is rich in medicinal properties and has been helping others with it.

Ariful Islam, a teacher at Lakshmipur Adarsh Samad Government High School, cultivates vegetables in pots on the roof of his house in Madin Ullah Housing in the city. Along with various vegetables, thankuni is also on his list of crops. Although he cultivates various vegetables in harmony with the season and nature, thankuni is cultivated on the roof of his house all year round.

In our country, the plant is more or less familiar to everyone. Earlier, this plant was found on the side of the village roads, abandoned lands and in shady places in the courtyards of houses. Due to various reasons including unplanned house construction, reduction of agricultural land, thankuni is not seen in villages as before. In the city, it is seen in abundance. In today's urban life, the initiative of a school teacher to cultivate thankuni on the roof of his house is truly exceptional.

Thankuni cultivation in tubs-Photo-BanglaNewsSorezmin went to see that the roof of the house is like a vegetable and herbal plant garden. There are small and large tubs of various shapes on the entire roof. Various types of vegetables including brinjal, okra, chilli and spinach have been cultivated in the tubs. There are also various types of herbal plants including thankuni, basil and henna. There are 14/15 thankuni tubs across the roof of the house. The plants have grown in them. Thankuni was seen growing along with okra, chilli and brinjal in some tubs.

School teacher Ariful Islam said, "I cultivate vegetables and some herbs on my rooftop as a hobby in my free time. These vegetables, which are free from chemical fertilizers and pesticides, meet my family's needs."

Regarding Thankuni, he said, "Thankuni leaves are called by different names depending on the region. It is not available in the city when needed. Thinking about my own needs and the needs of others, I have been cultivating Thankuni in pots for the past few years."

Dr. Muhammad Mohi Uddin Chowdhury, Chief Scientific Officer of Bangladesh Agricultural Research Institute, Noakhali, said, "The scientific name of thankuni is Centella asiatica. It has been used in Unani and Ayurvedic herbal medicine since 900 BC." Farmers are cultivating thankuni in shady places in fruit and vegetable gardens in Narsingdi, Narayanganj, Savar, and Keraniganj areas. This is an additional benefit for farmers. Thankuni cultivation does not require the use of chemical fertilizers and pesticides. It does not require additional costs. If you take necessary care, you can get money and good health.

Thankuni leaves have medicinal properties. Thankuni leaves are a great medicine for all types of stomach diseases. Apart from its medicinal properties, it can be used to make delicious and healthy food. Many people eat Thankuni leaf stew and salad with rice. Some also cook it as a vegetable. It is beneficial for mouth sores, wounds, and colds.

It plays an effective role in relieving ulcers, arthritis pain, asthma, itching and other skin diseases. Regular consumption of Thankuni juice keeps the skin and hair beautiful. It also helps in rebuilding damaged cells in the body.

Collected by Banglanews




10 gamblers fined in Kamalnagar

Lakshmipur:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ১০ জুয়াড়ির জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা তাদের প্রত্যেকের ৫০০ টাকা করে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর উভুতি গ্রামের সফিক উল্লার ছেলে নুরু ইসলাম (২৮), কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার ওসমান আলীর ছেলে মো. খোকন (২২), একই এলাকার মফিজ উল্লার ছেলে আব্বাস উদ্দিন (৪০), সাহাব উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (৩২), শাহ আলমের ছেলে সাদ্দাম (১৯), চর লরেন্স এলাকার হানিফের ছেলে মাইন উদ্দিন (২৬), একই এলাকার নুরুল হুদার ছেলে নুরুল ইসলাম (৩৫), রমজান আলীর ছেলে সোহরাব হোসেন (২৩), মফিজুল হকের ছেলে মো. নিজাম (২৮) ও চর মার্টিন এলাকার ছেলে মো. মোস্তফা (২৮)।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তোরাবগঞ্জ বাজারের একটি দোকান ঘর থেকে জুয়া খেলার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে তাদের প্রত্যেকের ৫০০ টাকা করে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।




Prisoner killed in lightning strike in Lakshmipur

Ramgati Correspondent:

A fisherman named Mehraj Uddin (35) was killed in a lightning strike in Ramgati, Laxmipur. Two other fishermen named Cheraj Uddin and Bechu Mia were seriously injured in the incident. The seriously injured Cheraj has been admitted to a hospital in Noakhali. The incident took place on Sunday (September 17) morning in the Meghna River at the mouth of Ashwini Canal at Ramgatirhat Fish Ghat in the upazila. The deceased is Mehraj Char, son of Shafiq Uddin of Dakshin Tumchar area of Gazi Union.

Local Char Gazi Union Parishad Chairman Tohidul Islam Sumon said that 14-15 fishermen including Mehraj, Cheraj and Bechu were returning to the ghat with a trawler owned by a local fisherman Mukit Majhi after catching fish in the Meghna River. When they reached the mouth of the Ashwini Canal, lightning struck their trawler. Mehraj was killed on the spot and Cheraj and Bechu were injured.