Faria's new song coming after Habibi, shooting in February

মডেল ও অভিনেত্রী পরিচয়ের পাশাপাশি কণ্ঠশিল্পী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন নুসরাত ফারিয়া। সেই সুবাদে এবার শুরু করেছেন নতুন একক গানের আয়োজন। এরই মধ্যে নতুন গানের রেকর্ডিং শেষ করেছেন তিনি। মিউজিক ভিডিও নির্মাণের প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছেন।

আগামী ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি নতুন গানের ভিডিওর দৃশ্যধারণ করবেন বলে ফারিয়া জানান। তবে গানের শিরোনাম, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালকের তথ্য পুরোপুরি গোপন রেখেছেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘দর্শক-শ্রোতাদের সারপ্রাইজ দিতেই আপাতত নতুন গানের শিরোনাম, গীতিকার, সুরকার ও সংগীতায়োজকের বিষয়টি গোপন রাখছি। কারণ, এখনই সব বলে দিলে চমক থাকবে না। শুধু এটুকু বলে রাখি, এবারের গানে সংগীতপ্রেমীরা নতুন এক নুসরাত ফারিয়ার দেখা পাবেন।’

মিউজিক ভিডিও নির্মাণ শেষ হওয়ার পর গান কবে কোন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাবে- তা চূড়ান্ত করা হবে বলেও তিনি জানান। ২০১৮ সালে নুসরাত ফারিয়া কণ্ঠশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর প্রথম গানের শিরোনাম ছিল ‘পটাকা’। এরপর ২০২০ সালে তিনি প্রকাশ করেন দ্বিতীয় একক গান ‘আমি চাই থাকতে’। সবশেষ গত বছর প্রকাশ পেয়েছিল তাঁর একক গান ‘হাবিবি’। গানটি দর্শক-শ্রোতার মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল।




Biden's 'top secret' document on talks

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাবেক ব্যক্তিগত অফিস ও বাড়ি থেকে গোপনীয় সরকারি নথি উদ্ধারের ঘটনা পুরোনো। তবে উদ্ধার হওয়া নথিগুলোর মধ্যে কিছু ছিল ‘অতিগোপনীয়’, যা পুরো দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে একজন সরকারি কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। বিবিসির খবর।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএসের বরাত দিয়ে খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাইডেন। গোপন নথিগুলো সেই সময়ের। আইন অনুযায়ী, চাকরি শেষ হলে কেন্দ্রীয় সরকারে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের স্বেচ্ছায় দাপ্তরিক নথি ও গোপন দলিলপত্র জমা দিতে হয়। তবে বাইডেন তা জমা দেননি।

বাইডেনের অফিস ও বাসা থেকে প্রায় ২০টি নথি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে অফিসে পাওয়া ১০টি নথির মধ্যে ছিল ‘অতিগোপনীয়’ নথি। তাঁর ডেলাওয়ারের বাসায়ও ১০টির মতো নথি পাওয়া গেছে। বলা হচ্ছে, অতিগোপনীয় নথিগুলো কোনোভাবে ফাঁস হয়ে গেলে ‘ভয়াবহ ক্ষতি’ হতে পারত।

নথিগুলো উদ্ধারের খবর প্রথম গণমাধ্যমে আসে গত সোমবার। গত নভেম্বরে ওয়াশিংটনে বাইডেনের সাবেক প্রতিষ্ঠান ‘পেন বাইডেন সেন্টার’-এর অফিস থেকে নথিগুলো উদ্ধার হয়।

নথি উদ্ধারের বিষয়ে বাইডেন বলেন, তিনি গোপন নথি ও জিনিসপত্র উদ্ধারের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন এবং বিষয়টি নিয়ে বিচার বিভাগকে পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছেন। 




Son B in subscription to that mass education minister: to

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তার ছেলের বিয়ে উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা তুলেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ছেলের বিয়ের মধ্যে ১৬৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা তুলে সেই টাকা দিয়ে শিক্ষকদেরকে ফ্রিজ, টেলিভিশন গিফট দিতে বাধ্য করেছেন এবং সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতেও বাধ্য করেছেন তিনি।’

তিনি বলেন, ‘এরা (আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা) এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে। আর তারা বলে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। তারা বলে একটা করে আরেকটা। আওয়ামী লীগের হাত দুইদিকে থাকে কাউকে ভয় দেখাতে হলে ঘাড়ে চেপে ধরে আর বিপদে পড়লে পা চেপে ধরে।’

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে বিএনপির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ আটক সকল দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে আলাল বলেন, ‘শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে জামায়াত ও জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে ১৩ মাস আগে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিল। বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। হরতাল ডেকে জনগণকে দুর্ভোগে ফেলেছিল। আজ সেই শেখ হাসিনাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে এবং উল্টাপাল্টা কথা বলছেন।’

তিনি বলেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ) ভালো হবে না এটা বলছি না। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা ছিল এখন ৭০ টাকা কেজি। এটা ভালো লক্ষণ না। ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিল। তারা ঘরে ঘরে মামলা দিয়েছে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে। বিনামূল্যে সার দেওয়ার কথা বলেছিল, সারের দাম শতগুণ বেড়েছে। কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পায় না। বাসা বাড়ি থেকে যে ময়লা দেওয়া হয় সেখান থেকেও তারা ট্যাক্স নেয়। রাস্তাঘাটে ভিক্ষুকরা ভিক্ষা করে তাদের কাছ থেকেও চাঁদা নেয় ছাত্রলীগ।’

এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন খান, ওমর ফারুকসহ ঢাকা উত্তর দক্ষিণ মৎস্যজীবী দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




North, south-west increase in the winter of that

There is a saying 'tiger flees in winter'. People had been hoping for such a winter for several years; But it was not met. Why is there no winter - this question just wandered in my mind. But now they are feeling the meaning of that saying.

Today is the start of Magher, but this time the winter of Magher has started from the beginning of the month of Paush. Konkan winter is not giving a break even after a month has passed. Cold current is blowing in most parts of the country. Drizzle in some districts has made public life more subdued. Even though Paush winter is over, 'Magher winter' will set in again in a few days. However, even if the rural townships including the northern region are shivering in winter, the people of Dhaka will not see bone-shaking winter this season.

The temperature was recorded at 6.1 degree Celsius in Tentulia of Panchagarh on Saturday, which is the lowest temperature in the country this season. The minimum temperature in Dhaka yesterday was 14.7 degrees Celsius. Earlier last Thursday, the lowest temperature of the season was recorded at 6.3 degree Celsius in Chuadanga. In the last 68 years, the lowest temperature in the country was recorded in Tentulia. The lowest temperature was recorded at Tentulia on January 8, 2018. The temperature that year was 2.6 degrees Celsius.

A mild to moderate cold wave swept over eight districts of the country yesterday. The weather department forecast says that the temperature will increase slightly in the next 48 hours and it may touch above 10 degrees Celsius in many districts. Temperatures may drop again on Monday and Tuesday.

Meteorologist of the Department of Meteorology. Bajlur Rashid said, 'The temperature is likely to increase slightly on Sunday due to the influence of western clouds from India. On January 16 and 17, there is a possibility of rain in India. Due to its effect, we are likely to have a drop in temperature here as well. At this time, there is a slight chance of scattered rain in Rangpur, Mymensingh and Sylhet divisions. If the humidity in the air is high, there may be drizzle in Dhaka as well. It is expected that the temperature will drop further and there will be a moderate cold wave.

Mostafa Kamal Palash, a weather and climate researcher at the University of Saskatchewan in Canada, said that the chance of rain had passed yesterday. The clouds in the upper sky could not cut the effect of the fog on the surface of the central part of the country. Very little water vapor from the Bay of Bengal is entering the land of Bangladesh. Light rain may occur in hilly areas bordering Netrakona and Sunamganj districts this morning. He said, from January 18 to 25, another week of fog and mild cold will prevail over the country.

The feeling of winter will be less in Dhaka: Capital city Dhaka had a bone-chilling winter from January 5 to 8 with thick fog. Although the minimum temperature did not fall below 10, the difference between the maximum and minimum temperature was only 4 degrees Celsius. The lowest temperature of this season was recorded at 11.5 degrees Celsius on January 7 in the capital. Meteorologists say that because of the strong wind at that time, the feeling of winter was more in Dhaka this time. The temperature in Dhaka last fell to 9.5 degrees Celsius on January 7, 2018. That is, cold current is felt.

Director of Meteorological Department. Azizur Rahman said that there is no possibility of cold wave coming to Dhaka this season as well. Dhaka will not be touched by a few more cold spells till next February. The temperature will not fall below 11 degrees Celsius.

Shivering Panchgarh: Temperatures across the country rose by two to three degrees Celsius yesterday, but Panchgarh's Tantulia recorded the lowest temperature of the season. In the morning, the sun peeked out, but it was accompanied by a bone-chilling cold wind from the north. Low income people, agricultural workers, day laborers have suffered greatly. Due to the cold and freezing wind, no one went out except in case of emergency.




Messi did not receive an offer from the Saudi club

পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সৌদি ক্লাবে যাওয়ার পর থেকেই শোনা যাচ্ছিল গুঞ্জনটা। মেসিকেও নাকি প্রস্তাব দিয়েছিল রোনালদোর দল আল নাসেরের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব আল হিলাল। তবে এমন প্রস্তাবের কথা উড়িয়ে দিলেন স্প্যানিশ ফুটবল বিশেষজ্ঞ গিলেম বালাগ। আল হিলাল থেকে নাকি কোনো প্রস্তাবই পাননি আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি।

গিলেম বালাগ জানিয়েছেন, লিওনেল মেসিকে পাওয়ার জন্য সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল কোনো প্রস্তাব দেয়নি। বরং ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের জোর সম্ভাবনা আছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার। 

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির কাছে তিনি বলেছেন, ‘এমন কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। পিএসজি ও মেসি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বৈঠকে বসবে যাতে তাকে প্যারিসে ধরে রাখার চুক্তি চূড়ান্ত করা যায়।’

গত মাসে আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ এনে দিয়েছেন মেসি। এবার তার সামনে চ্যালেঞ্জ, পিএসজিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এনে দেওয়ার। আর মেসির চাওয়াও ইউরোপে খেলা। বালাগ বলেছেন, এই মুহূর্তে মেসির ইচ্ছা ইউরোপে থাকার।

এর আগে স্পেনের ক্রীড়াভিক্তিক সংবাদমাধ্যম মুন্ডো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আল হিলাল মেসিকে তাদের ক্লাবে নিতে চাচ্ছে। এজন্য বড় অঙ্কের অর্থও দিতে রাজি আল নাসেরের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবটি। সেখানে বলা হয়েছে, মেসিকে বছরে ৩০ কোটি ডলার পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রস্তাব দিতে পারে আল হিলাল।

সংবাদমাধ্যমের খবর, রোনালদোকে আল নাসের যে পরিমাণ বেতন দিচ্ছে মেসিকে তার থেকেও বেশি দিতে চায় আল হিলাল। সেটা রোনালদোর ২ হাজার ২৩৯ কোটি টাকার চেয়েও বেশি। যদিও ক্লাবটির পক্ষ থেকে এমন কোনো কথা শোনা যায়নি।

আরব দেশগুলোর মধ্যে সৌদির ঘরোয়া লিগ সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেশ ভালো। আল হিলাল ও আল নাসেরের মধ্যকার ম্যাচ হলো সৌদি আরবের ‘এল ক্লাসিকো’, যেটিকে সৌদি আরবে ‘রিয়াদ ডার্বি’ বলা হয়।




Dhaka's fighting capital against Chittagong

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ১৫৯ রানের টার্গেট দিয়েছে ঢাকা ডমিনেটর্স। জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে ঢাকা ডমিনেটর্স। টানা তৃতীয় হার এড়াতে ঢাকার বিপক্ষে ১৫৯ রান করতে হবে চট্টগ্রামকে।

আগে ব্যাট করতে নেমে মন্থরগতিতে রান তোলে ঢাকার দুই ওপেনার উসমান ও মিজানুর। ৯.২ ওভারে ৬০ রান আসে ওপেনিং জুটিতে। ৩৩ বলে ২৭ রানে ফেরেন মিজানুর। এদিকে ৩৩ বলে ৪৭ রান করেন গনি।

টপ অর্ডারের আরেক ব্যাটার সৌম্য সরকার ফিরেছেন মাত্র ৪ রান করেই। এরপর দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার হতেই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মিঠুন আলীও বিদায় নেন ব্যক্তিগত ৯ রানে। চাপের মুখে হাল ধরেন নাসির। ১৮তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ঢাকার অধিনায়ক খেলেন ২২ বলে ৪ চারে সাজানো ৩০ রানের ইনিংস। শেষদিকে ঢাকার রানের চাকা সচল রাখেন আরিফুল হক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়া এই ব্যাটার ১৮ বলে করেছেন ২৯ রান।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন নিহাদুজ্জামান ও মেহেদি হাসান রানা। এছাড়া একটি করে উইকেট করে নিয়েছেন শুভাগত হোম ও মালিন্দা পুষ্পকুমারা।




New Year, marking the country, no question the Prime Minister's wishes

Prime Minister Sheikh Hasina, Christian New Year, marking the country, no question in regards to that. He said ‘New Year, people in harmony, harmony and Brotherhood ties strengthen, however, all the crisis, eject, however, all parochial subvert whatever and everyone in life does Anab, happiness, peace―this Pray. ’

On Saturday (December 31) given a statement, the prime minister said this.

Sheikh Hasina said, ‘Christian New Year 2023, marking the country I dude and expatriate Bengalis, including the world no question best wishes to you.




New light of hope welcome 2023

কালের গর্ভে হারিয়ে গেল আরও একটি বছর। বিদায় ২০২২, স্বাগত ২০২৩। ঘড়ির কাঁটা ১২টা অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন বর্ষ গণনা। সব ব্যথা-বেদনা, দুঃখ-কষ্ট ভুলে নতুন আলোর প্রত্যাশায় সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেও বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছরকে।

বিদায়ী খ্রিষ্টীয় বছর অনেকের জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ অতীতের পথ ধরেই সাজাতে হয় বর্তমান। আর সেজন্যই অতীতকে মনে রাখতে হয়। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২০২২ একটি ঘটনাবহুল বছর। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনে বছরটির কথা মনে থাকবে অনেক দিন।

প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ষবরণ উৎসবে মেতেছে জাতি। তবে বিধিনিষেধের কারণে সেই উৎসবে আনন্দের মাত্রা কিছুটা হলেও ম্লান হচ্ছে।

এবারও উন্মুক্ত স্থানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন নেই। আগেই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে আতশবাজি ও বাড়ির ছাদসহ খোলা জায়গায় অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। সন্ধ্যার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানচলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হয়।
ইংরেজি নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠান উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় নগরবাসীকে থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে কোনো আতশবাজি, পটকা কিংবা ফানুস না ওড়াতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া র‌্যাবের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘খ্রিষ্টীয় নববর্ষ-২০২৩’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, নববর্ষ সকলের মাঝে জাগায় প্রাণের নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। সময়ের চিরায়ত আবর্তনে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আমাদের মাঝে সমাগত। নতুনকে বরণ করা মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। বিরাজমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিবর্গের প্রতি দুঃস্থ, অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবছর নববর্ষকে বরণ করতে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী বর্ণাঢ্য নানা আয়োজন করা হলেও করোনা মহামারির কারণে বিগত দুই বছর উৎসবের আমেজ ছিল অনেকটাই ম্লান। এবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট। ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিয়েছে এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৩ উপলক্ষে দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০২২ সাল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের এক স্বর্ণযুগ। আমরা গত বছর ২৬ জুন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মাসেতু চালু করেছি। ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার মেট্রোরেল যোগাযোগ চালু করেছি। ২১ ডিসেম্বর দেশের ৫০টি জেলায় উন্নয়নকৃত ১০০টি মহাসড়ক উদ্বোধন করেছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘২৬ নভেম্বর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর তলদেশে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’-এর দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজ সম্পন্ন করেছি। ৭ নভেম্বর দেশের ২৫টি জেলায় ১০০টি সেতু নির্মাণ করে উদ্বোধন করেছি। ১৯ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২ এর রিঅ্যাক্টও প্রেসার ভেসেল স্থাপন করেছি। ২১ মার্চ পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র (১ম পর্যায়) উদ্বোধন করেছি। আমাদের অন্যান্য মেগা ও মাঝারিসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে।’

নববর্ষ মানেই সকলের মাঝে জাগায় প্রাণের নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়া।




BNP leader Kh inch, and there is

প্রবীণ আইনজীবী ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পারিবারিক ও বিএনপি দলীয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।




Romans the grassroots Awami League denounced anger

Abu Taher, Ramganj Correspondent:

The chief guest at the distribution of winter clothes, dheutin and cash by Jamaat financier housing businessman Abul Kalam at the South Chandipur Government Primary School in Chandipur Union of Ramganj Upazila of Lakshmipur was District Awami League General Secretary and MP for Lakshmipur-2, Advocate Nur Uddin Chowdhury Nayan, local Chandipur UP Chairman Shamsul Islam Suman and Ramganj Upazila Awami League leaders and activists. This has caused extreme anger among the leaders and activists of the Trinamool Awami League across the upazila.
Former chairman Kamal Hossain Bhuiyan, convener of Chandipur Union Awami League, and joint convener GS Nazrul Islam said, "We boycotted the event after learning that the event was being funded by a Jamaat leader." In 2019, when a waz mahfil was organized in the area under the chairmanship of Jamaat's financier Abul Kalam, with Jamaat's wazin Mufti Kazi Ibrahim and Maulana Nasir Uddin Helali as guests, the administration concerned stopped the waz mahfil in the face of opposition from party leaders and activists. Still, we do not know how the district Awami League general secretary is coming as the chief guest at the event of such a prominent person of Jamaat.
Also present at the distribution of winter clothes, dheutin and cash on Thursday afternoon, December 29, were Municipal Awami League General Secretary and former Municipal Mayor Belal Ahmed, Lamchar UP Chairman Faizullah Jisan, Chandipur UP Chairman Shamsul Islam Suman, etc. Despite attempts to contact housing businessman Abul Kalam in this regard, his statement could not be obtained.
Chandipur Union Krishak League President Jahangir Sheikh said that some mischievous people in the name of Awami League in this union had gone there with the aim of making the event successful by taking money from Jamaat leaders. Therefore, as a true Awami League, we strongly condemn and protest against it.
Awami League leader Iqbal Patwari said, "Jamaat's financier Abul Kalam's house is 10 km away from mine. I don't know him. And I didn't receive any invitation to that event."
5th Chandipur Union Parishad Chairman and President of the distribution program Shamsul Islam Sumon said, I went to the program because Lakshmipur-2 (Raipur) parliamentary constituency MP and Lakshmipur District Awami League General Secretary Adv. Nur Uddin Chowdhury Nayan called me. When I went to the program, I saw that I had been made the president. Apart from that, I do not know anything about it.
Belal Ahmed, general secretary of the city Awami League, said, "Abul Kalam was once involved in Jamaat politics. I knew this from many locals. Nevertheless, the general secretary of the district Awami League is coming, so I went."
Despite repeated attempts to contact Adv. Nur Uddin Chowdhury Nayan, MP for Lakshmipur-2 (Raipur) parliamentary constituency and General Secretary of Lakshmipur District Awami League, he could not be reached for comment on this issue.