Tax exemptions should be announced now to boost investment in the ICT sector

The ICT sector of the country started its journey in the late eighties of the last century. Later in the nineties we started working with software. The beginning of Basis was also then, 27 years ago. We have progressed a lot during this time. There were so many things that could have happened again, that didn't happen. We are now exporting about one and a half billion dollars. The local market is also about one and a half billion dollars, although a lot of foreign software is coming. The export or domestic market was supposed to be bigger. It didn't for a few reasons. The main reason for this is the shortage of skilled human resources. We may not have tech savvy people at the helm. People who really know technology may not be coming to leadership. As a result, we cannot move at the speed we want to.

Another reason is that we don't have skilled manpower. We did not take steps to make it. This is not only the case with ICT. Same situation in almost every case. We have not taken adequate steps to develop skilled manpower even at the national level. It should have been done 20 years ago. If we did it 20 years ago, we can reap the benefits now. India has done that. They did IIT in the sixties. They took its benefits in 2000. We could not do these things. If we can't take that step to build a smart Bangladesh without wasting any time, then we won't be able to do anything.

There are photo shoots and digital marketing, there are various promotional videos. Since technology is now so affordable, it has become easier to do this. When we elected 10/15 years ago, we did a photo shoot. But I could not do so much digital marketing. Technology was not so hand-in-hand. Now they are because the technology is affordable.

But the important thing here is the panel. Personally I am against panel system. I don't like it. The main reason is that whenever a panel is formed, there are two or three panels—the differences or rivalries that occur remain after the elections. No matter how much we say in our mouths, everyone is the same after the election, in reality it is not. The issue of factionalism remains in the mind. This is why I am against the panel system.

If that were the case, there would be separate elections for the posts of president, vice-president and director, then there might not have been a panel. Again, there is an argument for the panel. If I can't form a board with similar people, the board won't run. Because my way of thinking is one, another person's way of thinking is different. Yet I think this is exacerbated by the partisan, panel system.

The one or those who will be in the leadership, but they must be people of this sector. There should be a direct connection in this industry. Otherwise, he will not be able to understand and feel the problems. Those who have problems cannot feel the pain they are suffering. So the leadership is needed, the leadership that knows this sector from inside. Just as we need people who know technology, we also need people who can understand good management and lead. It is hoped that those who will come forward in BASIS, those who will come in the future will think like this. Voters also think about the qualities of leadership they will vote for.




Silent killer smartphone!

রাবিশ্ব মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯ সালের মধ্যেই সারা বিশ্বে প্রায় ২শ ৭০ কোটি মানুষ স্মার্টফোন ডিভাইস ব্যবহার করবে। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৪শত ৬৮ কোটি মানুষ, যা বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৬৭ শতাংশ।

জিএসএমএ ইন্টেলিজেন্স প্রকাশিত বৈশ্বিক তথ্যানুযায়ী, সারাবিশ্বে মোবাইল ব্যবহারকারীদের মোট পরিসংখ্যান ইতোমধ্যে পাঁচ বিলিয়নের মাইলফলকে পৌঁছে গেছে। বাংলাদেশে ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৫ কোটি ৮৪ লাখ ৩৮ হাজার মোবাইল নম্বর নিবন্ধিত হয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৭.২৩ শতাংশ।

অবশ্যই মোবাইল ফোন, বিশেষত স্মার্টফোনগুলোতে পরিবার ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে তাত্ক্ষণিক যোগাযোগ, নেটওয়ার্ক তৈরি, বিনোদন, ক্যামেরা, জিপিএস, শিক্ষা, ডাটা সংরক্ষণ, গোপনীয়তা, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদির অবিশ্বাস্য সুবিধা রয়েছে। তবে মানুষজন নানা ধরনের অ্যাপনির্ভর স্মার্টফোনগুলোতে দিন দিন প্রচণ্ড পরিমাণে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
আসুন, জেনে নেই কিভাবে আপনার স্মার্টফোন আপনাকে নীরবে ঘাতকের ভূমিকায় রয়েছে-

• চোখের ওপর চাপ

টাইপ অথবা কিছু পড়ার সময় লোকজন প্রায়ই স্মার্টফোনের ছোট পর্দার ফন্টের দিকে দীর্ঘসময় ধরে তাকিয়ে থাকে, যা চোখের জন্য ক্ষতিকারক। যদি এরকম নিয়মিতভাবে করতে থাকে, তবে এর কারণে চোখে ঝাপসা দেখা, চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়া, চোখের ওপর চাপ, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি হতে পারে।

চোখের ওপর ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে মুখ থেকে ন্যূনতম ১৬ ইঞ্চি দূরত্বে মোবাইল ফোনের স্ক্রিন রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া আপনি মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় প্রতি ২০ মিনিটের পর কিছুটা বিরতি নেয়ার চেষ্টা করুন এবং মোবাইলস্ক্রিন থেকে আপনার দৃষ্টি কোনো দূরের স্থানে স্থানান্তর করুন। চোখে কোনো ধরনের চাপ অনুভব করলে, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

• ব্রেইন ক্যান্সারের ঝুঁকি

আপনি হয়তো জানেন যে, মোবাইল ফোনে ক্ষতিকর ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন রয়েছে। ক্যান্সার বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রো ওয়েভ রেডিয়েশনের প্রভাবের অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের ব্রেইন টিউমার বা ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এজন্য ব্রেইন টিউমার বা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে দীর্ঘসময় ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

• ঘাড় ও পিঠে ব্যথা

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা তাদের স্ক্রিনে টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজ করতে থাকে। এসময় দীর্ঘক্ষণ একইরকমভাবে বসে বা শুয়ে থাকার কারণে ঘাড় ও পিঠের পেশীতে টান পড়তে পারে। ঘাড় ও পিঠে ব্যথার ঝুঁকি থেকে মুক্তি পেতে স্মার্টফোন ব্যবহার করার সময় আপনার শরীর ও মেরুদণ্ড সঠিকভাবে রাখুন।

• ঘুমের ব্যাঘাত

অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের প্রভাবে আরেকটি নেতিবাচক প্রভাব হচ্ছে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা। লোকজন প্রায়শই বিছানায় শুয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজ করতে ব্যস্ত থাকে, যার ফলে দেরিতে ঘুমায়। আবার ঘুমানোর পর মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ, ইমেইলসহ বিভিন্ন নোটিফিকেশনের শব্দও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

এই বদভ্যাস ঘুমের ব্যাঘাত ঘটনার সাথে সাথে অনিদ্রা বা ইনসোমোনিয়োর মতো ঝুঁকির দিকেও মানুষকে নিয়ে যায়। অনেকে আবার অ্যালার্ম সেট করে রাতে ফোনটি মাথার কাছে রাখে। ফোনের মাইক্রো-ওয়েভ রেডিয়েশনের মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত করে ক্যান্সার বা টিউমার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়াও নিয়মিত ঘুমের ব্যাঘাত, মাথা ঘোরা, হতাশা, মেজাজ খারাপ হওয়া, উদ্বেগ এবং আরও অনেক শারীরিক ও মানসিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম ভালো শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অন্যতম প্রধান প্রয়োজন। তাই বিছানায় যাওয়ার পর আপনার স্মার্টফোনে ওয়েব ব্রাউজিং বা ভিডিও এবং সিনেমা দেখা বন্ধ করা উচিৎ। ঘুমের সময় মোবাইল ফোনটি শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে দূরে রাখতে ভুলবেন না।

• পুরুষের বন্ধ্যাত্ব

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোন পকেটে রাখলে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন শুক্রাণুর পরিমাণ, সংখ্যা ও ঘনত্ব হ্রাস করতে পারে। তবে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নারীদের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাসের বিষয়ে কোনো শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায় নি। সুতরাং পুরুষদের সারাক্ষণ পকেটে স্মার্টফোন রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিৎ।

• জীবাণু আক্রমণের ঝুঁকি

একটি মোবাইল ফোনের স্ক্রিন টয়লেটের চেয়েও বেশি জীবাণু ধারণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে ই. কোলির মতো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যার কারণে ডায়রিয়া, জ্বর, সংক্রমণ, বমি ইত্যাদি হতে পারে। বিশেষ করে শিশুরা মুখ স্মার্টফোনের স্ক্রিন চুষতে থাকে, যার মাধ্যমে তাদের শরীরে জীবাণু প্রবেম করতে পারে। বিভিন্ন রোগও ছড়াতে পারে। সুতরাং, আপনার বাচ্চাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখা উচিৎ। নিয়মিত মোবাইল ফোনের স্ক্রিনটি পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।

সর্বোপরি বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মানুষ খুব দ্রুত গতিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা চালিয়ে গেলে শিগগিরই মানুষের চেয়ে মোবাইল ফোনের সংখ্যা বেড় যাবে। এটাও সত্য যে, বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোনের বিভিন্ন সুবিধার কথা আমরা অস্বীকার করতে পারি না। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে কাজ, পড়াশোনা, বিনোদন বা সামাজিকীকরণের চেয়েও স্বাস্থ্য অত্যন্ত মূল্যবান। সুস্থ শরীর ও মন বজায় রাখার জন্য ভালো ঘুমের বিকল্প নেই। এজন্য মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এর পরিবর্তে আমরা পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারি এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ভালো সময় কাটাতে পারি।- ইউএনবি




Conduct ICT subject exams

 Instead of the optional Computer Education of 200 marks in the curriculum, the compulsory 'Information and Communication Technology' of 100 marks has been introduced for students of six branches.

Several education experts at the time commented that this government initiative was very timely. This would make students more self-reliant in the workplace. Digital Bangladesh The main tool for building is information and communication technology. And to use this technology, skilled ICT-knowledgeable human resources are needed. To create skilled human resources, appropriate computer education, including practical, is needed. But it is not possible to apply ICT in computer education without practical. Although there is no guideline on practical and mark distribution in information and communication technology, which is mandatory from the beginning, there will definitely be practical in this regard in the periodic meetings with the authors at NCTB and marks have been allocated for this, which when informed verbally, the authors have prepared the manuscripts of their books and published them with approval from NCTB. About two dozen books have been approved, circulars, office notices, etc. and many more.

Since 2016, ICT has been included in the creative exam in the Higher Secondary Examination. Last year's university admission test had questions from ICT, not only that, but also questions from ICT in any job interview, BCS exam, and this trend continues. This ongoing issue was being discussed with due seriousness, but suddenly various media outlets are spreading the news that ICT exams will not be held or have been canceled. Students have also given up. Ordinary students do not even want to take classes on subjects that are not tested; as a result, they will fall behind in vast knowledge like ICT.

Sheikh Russell Digital Labs have been established in most schools and colleges. Which will play a major role in ICT education and application of ICT in the educational sector. But if there is no ICT exam, the higher secondary examinees will lose interest. Laptops and equipment in the labs established at the expense of government money will be damaged due to negligence.

On the occasion of Mujib Centenary celebrations in 2020, NCTB published a book on ICT for higher secondary classes. This is a gift of Mujib Year. This year, students are going to participate in the Higher Secondary Examination by reading that book. But suddenly it is being advertised that there will be no examination on ICT. So, will there not be an ICT examination for the first time in the light of the ICT board book published on Mujib Centenary? Those concerned should think deeply about the matter.

Passing in ICT is very easy and helpful in improving GPA. It is being propagated that ICT is difficult for students. It is very easy to get A+ marks as the practical marks are 25. But due to false propaganda, this important subject is under threat today.

Senior officials of the Secondary and Higher Secondary Education Board have said that 'there will be no examination in ICT subjects in SSC and HSC' is still in the proposed form. If that is the case, then I am drawing the attention of the concerned to take such a decision by canceling the proposal, not canceling the examination, and shortening the short syllabus of ICT, but in the light of the ICT book of the Mujib Centenary Gift NCTB, the first examination will be held like all the subjects.




Three members of the same family died due to electrocution in Barisal's Bakerganj

Three members of the same family died after being electrocuted in Bakerganj, Barisal. The incident took place at around 12 noon on Saturday (April 27) in Dhalmara village number 4 of Niyamati union of the upazila.
The deceased are Sonia Akhter (32), her daughter Sabrina (9) and her son Salman, aged four and a half. Bakerganj Police Station OC Abzal Hossain confirmed the deaths.
The OC said that while playing, child Salman touched a lemon tree next to the house. The electric wire on the lemon tree was torn. After Salman touched it, his sister Sabrina went to rescue him. At that time, she was also electrocuted. Later, while trying to rescue her two children, mother Sonia Akhter also died of electrocution.



A three-day skill development course was initiated by Bangladesh Scouts in Gazipur

গাজীপুরে বাংলাদেশ স্কাউটস এর উদ্যোগে লিডার ট্রেনার ও সহকারী লিডার ট্রেনারদের জন্য ৩দিনব্যপী স্কিল ডেভেলপমেন্টে কোর্স শুরু হয়েছে।
জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মৌচাকে এ উপলক্ষে প্রধান অতিথী হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার(সংগঠন)ইউসুফ হারুন। বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার(এ্যাডাল্টস ইন স্কাউটিংভেল)ফেরদৌস আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার(জনসংযোগ ও মার্কেটিং)এম এম ফজলুল হক।
প্রধান অতিথীর বক্তব্যে ইউসুফ হারুন বলেন বাংলাদেশ স্কাউটস এখন ২৪ লাখ শিশু-কিশোর-যুবকদের বিশাল সংগঠন। এই বিশাল সংখ্যক সদস্যদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে দেশ গঠনে নিয়োজিত করতে হবে।
ওয়ার্কশপে সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত ৮০জন স্কাউট কর্মকর্তা যোগদান করেন।



A complaint has been lodged against the in-charge of Konakhola police outpost in Keraniganj

ঢাকার কেরানীগঞ্জে কোনাখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর  মোঃ ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জ  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু রিয়াদের অফিসে এই অভিযোগ দায়ের করেন কোনাখোলা সিএনজি অটোরিকশার ড্রাইভারগন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,প্রতিদিন কোনা খোলা সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি অটো রক্সা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ব্যক্তিগত কাজে ঘোরাফেরা করেন। তার কাছে সিএনজির গ্যাস এবং ভাড়া চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সিএনজি ড্রাইভারকে মারধর করেন এবং তার সিএনজিটিও ভাঙচুর করেন। এভাবে তিনি ৮থেকে ১০ জন ড্রাইভারকে মারধর করেছেন এবং একাধিক সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করেছেন। সিএনজি অটো রিক্সার ড্রাইভারগন  ইন্সপেক্টর ফজলুর রহমানের  এসব কাজের প্রতিবাদ করলে তিনি তাদেরকে মামলার ভয় দেখান।
সিএনজি অটো রিক্সার ড্রাইভার মোঃ সেলিম সেলিম জানান, কোনাখোলা স্ট্যান্ড থেকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আটি বাজার, আব্দুল্লাহপুর ও কদমতলী গোলচত্তর এলাকায় প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করে থাকে। এই সিএনজি অটো রিক্সা চালিয়ে তারা কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু প্রতিদিন এই সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে ইন্সপেক্টর ফজলুর রহমান নানা অজুহাতে ২/৩টি সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে তিনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। ভাড়া বাবদ  কোন টাকা পয়সা দেন না এমনকি গাড়ির গ্যাস পর্যন্ত তিনি দেন না। প্রতিবাদ করলে তিনি মারধর করেন গাড়ি ভাঙচুর করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। গাড়ি নিয়ে তিনি এই অবস্থা করলে আমরা তাহলে কি করে খাব।
মোঃ শওকত আলী নামে অপর এক সিএনজি অটো রিক্সার ড্রাইভার জানান, সরকারি কাজে প্রতিদিন আমরা একটি করে সিএনজি তার অফিসে দিয়ে থাকি। এতে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু তিনি  ব্যক্তিগত কাজে আমাদের কাছ থেকে জোর করে সিএনজি অটো রিক্সা নিয়ে ভাড়া না দিয়ে সারাদিন খাটায়। আমরা তার এই নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে চাই।
এ ব্যাপারে কোনাখোলা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোঃ  ফজলুর রহমান জানান, আমি কোন ব্যক্তিগত কাজে সিএনজি অটো রিক্সা  নেইনি। শুধু সরকারি কাজের জন্যই তাদের কাছ থেকে রিকুজেশন করে সিএনজি অটোরিকশা নেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে সিএনজি অটো রিক্সা ড্রাইভার দের করা অভিযোগ সঠিক নয়।



Legal Aid: Rajshahi District and Sessions Judge will provide legal assistance to remote rural areas from the city

মাজহারুল ইসলাম চপল ব্যুরোচীফ: কুচকাওয়াজের মুহু মুহু শব্দ ও মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মধ্যদিয়ে রাজশাহীতে পালিত হয়েছে জাতীয় আইন সহায়তা দিবস ২০২৪।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় রাজশাহী আদালত চত্বরে দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে নানা আয়োজনে পরিপূর্ণ ছিল। শুরুতে শান্তির প্রতীক পায়রা ও ফেস্টুন উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করেন রাজশাহী আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব শেখ মফিজুর রহমান। উদ্বোধন শেষে র‌্যালিতে অংশগ্রহন করেন তিনি। র‌্যালিটি জেলা ও দায়রা জজ চত্বর থেকে বের হয়ে নগরীর ভেঁড়িপাড়া (ডিআইজি রেঞ্জ কার্যালয়) মোড় হয়ে আবারও ফিরে আসে আদালত চত্বরে।
র‌্যালি শেষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী ও লিগ্যাল এইডের মেলা পরিদর্শন করেন এবং ফিতা কেটে স্টলগুলোর উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় স্টলের আয়োজকরা আইনি সহায়তা নিয়ে নানা উদ্যোগ এবং কিভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে আইনি সহায়তা পৌছানো যায় তা তুলে ধরেন।
সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায়, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আল্লাম ও জেলা যুগ্ন জজ লুনা ফেরদৌস এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান, জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান। আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল বাহার, বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোঃ জাকির হোসেন, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: সাইফুল ইসলাম।
এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মার্ট বক্তব্য দিয়ে সকলকে আকর্ষিত করেন বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ জনাব আল আসাদ মোঃ আসিফুজ্জামান। এমময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের (জেলা ও দায়রা জজ) বিজ্ঞ বিচারকবৃন্দ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও অন্যান্য বিচারকবৃন্দ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ, প্যানেল আইনজীবী, লিগ্যাল এইড ক্লায়েন্ট, লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যবৃন্দ, কোর্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ, বিভিন্ন বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ব্লাস্ট, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি, ব্র্যাক, সচেতন, এইড কুমিল্লা, এসিডি, ওলার, পরিবর্তন, দিনের আলো হিজড়া সংঘ, অনগ্রসর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা এবং অন্যান্য সকল স্তরের জনসাধারণ। আলোচনা সভায় দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা ও সেরা প্যানেল আইনজীবীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
আলোচনা সভার শুরুতে লিগ্যাল এইড দিবসের তাৎপর্য নিয়ে মুক্ত আলোচনা ও আইন সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারি জজ আরিফুল ইসলাম ।
সভাপতির সমাপণী বক্তব্যে জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটির চেয়ারম্যান সম্মানিত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব শেখ মফিজুর রহমান সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে বর্তমান সরকারের ভূমিকা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “স্মাট লিগ্যাল এইড স্মাট দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ”। আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য কারণে যাঁরা বিচার পেতে অসমর্থ বা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন, তাঁদের জন্য বিচারের পথ সুগম করতেই আইনগত সহায়তা প্রদান আইন ২০০০ প্রণীত হয়েছিল। এটি একটি যুগান্তকারী ও জনবান্ধব আইন। দরিদ্র জনগণের প্রতি বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সরকার সকল জেলায় লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপন করেছেন। দরিদ্র জনগণের আইন সহায়তা প্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, বেঞ্চ সহকারী ও পিয়নের পদ সৃষ্টি করেছেন। লিগ্যাল এইড কার্যক্রমে সকলের অংশগ্রহণ জরুরী বলে জানান এবং দরিদ্র মানুষের আইনগত অধিকার প্রাপ্তিতে সকলকে সাহায্য করার আহবান জানান। চলমান মামলার জট নিরসনে আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিস্পত্তি (এডিআর) এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন রাজশাহী জেলা লিগ্যাল এইড অফিস হতে এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত ১৪,৯৮২ টি মামলায় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে মামলা নিস্পত্তি হয়েছে- ১১,৬৫১ টি, মামলা চলমান আছে- ৩,৩৩১ টি। ২০১৭ সাল হতে এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত ৩,০৩৫ জন আইনি পরামর্শ গ্রহণ করেছে। ২০১৬ সাল হতে এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য (এডিআর) আবেদন করেছেন- ১৬৪৮ জন। যার মধ্যে নিস্পত্তি হয়েছে- ১৫২৯ টি, চলমান রয়েছে- ১১৯ টি এবং এডিআর এর মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়েছে- ১,৮৪,০৩,৮১১/- (এক কোটি চুরাশি লক্ষ তিন হাজার আটশত এগার) টাকা। আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি খুব দ্রুত রাজশাহী শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লিগ্যাল এইড আইনি সহায়তা পৌছে যাবে।
পরে ২০২৩ সালের সেরা প্যানেল আইনজীবীকে ক্রেস্ট প্রদান করেন। এ বছর সেরা প্যানেল আইনজীবী নির্বাচিত হয়েছেন এড. নীলিমা বিশ্বাস। সর্বশেষ তিনি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

 




Internet service will be disrupted across the country today

Internet services may be disrupted in various parts of the country today (March 2) due to maintenance work on the submarine cable. Maintenance work will continue on the Singapore side of the submarine cable (C-ME-WE-4) system today. Due to this, internet services may be disrupted from 7 am to 7 pm.
The matter was confirmed last Wednesday through a notification from Bangladesh Submarine Cables Company Limited (BSCCL).
The notification said that the circuits connected through this cable will be partially closed for approximately 12 hours from 7 am to 7 pm on March 2 due to maintenance work undertaken by the consortium on the Singapore end of the submarine cable (C-ME-WE-4) system.
However, it was also reported that the circuits connected through the country's second submarine (CME-WE-5) cable installed in Kuakata will remain operational as usual.
Operator companies have informed customers in advance about this by posting on social media and sending text messages to mobile phones, expressing their regret. These messages state that there may be difficulties in using internet services across the country from 7 am to 7 pm on Saturday.



What to do with social media accounts after someone's death?

Billions of people around the world use social media platforms. They spend a lot of time scrolling through Facebook and Instagram. They regularly post pictures and videos. They check their likes and shares. They also chat with friends all the time. However, many people wonder what will happen to their online presence after death. Sometimes, the user can decide what will happen to the account himself. But many may not know this. In addition, the account remains active until relatives inform social media about the person's death. If close relatives inform about the death, some social media allow the profile to be closed. Some social media provide different options. This information was obtained from a report by international news media BBC Bangla.
The report states that when a person's death certificate is submitted on Meta-owned Facebook and Instagram, the account is either deleted or memorialized. That is, the account will be frozen for a period of time and will remember the user. During this time, others will be able to post photos and memories on the account. The deceased person's account name will be written 'In Memoriam' or 'In Memory'. No one will be able to log in or operate that account unless the user provides a 'legacy contact' before death.
Typically, a family member or friend can be designated as a 'legacy contact'. They can manage the content of the deceased person's account or request to deactivate it. Memorialized accounts are not displayed to potential virtual friends in the 'People You May Know' or 'People You May Know' list on Facebook. And the deceased's friends do not receive any notifications of their birthday.
How to take advantage of legacy contact features
To take advantage of this feature of Facebook, you first need to open a Facebook account. Then go to Facebook from the app and click on the profile picture on the right. Then go to the Privacy and Settings option at the bottom. Go there and click on the Settings option.
After clicking there, several options will appear. From there, you have to click on the Access and Control option. Then, when you go to the Memorialization settings, the 'Choose Legacy Contacts' option will appear.
Go there and enter the name of the person you want to leave the account in the search option. Then the name of that person will appear on your screen. From there you can make the account in his name. However, to do this, that person must be your Facebook friend.
When you select someone, they will immediately receive a message stating that you are giving them responsibility for your Facebook account in your absence.
Meanwhile, in the case of X (former Twitter) accounts, there is no option to memorialize someone's profile. In that case, the account can only be deactivated if the person dies or the account owner is unable to use it.



28 Google employees fired for protesting investment in Israel

ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন চুক্তির বিরোধিতা করায় ২৮ জন কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে গুগল। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউ ইয়র্কে তাদের দপ্তরে ১০ ঘণ্টা কাজ বন্ধ রেখে প্রতিবাদ করে ওই কর্মীরা। সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নো টেক ফর অ্যাপারটাইড’ নামে কর্মীদের একটি গ্রুপ এই বিদ্রোহ করে। ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়েই তারা অসন্তুষ্ট। বিশেষ করে প্রজেক্ট নিমবাস। এই প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে ইসরায়েল ও গুগল।
এই ঘটনার পরেই বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের গুগলের পক্ষ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়। এমনকি যারা আন্দোলনের সমর্থক, কিন্তু সরাসরি অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নেননি তাদের কাছেও নোটিশ যায় সংস্থার এমপ্লয়ি রিলেশনশ গ্রুপের পক্ষ থেকে।
গুগলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক অভ্যন্তরীণ বিবৃতিতে কর্মীদের জানানো হয়েছে, আমাদের সংস্থায় এই ধরনের বিক্ষোভের কোনও জায়গা নেই এবং আমরা এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করবো না।
বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে এক বিবৃতিতে গুগল জানিয়েছে, শারীরিকভাবে অন্য কর্মীদের কাজে বাধাদান আমাদের নীতির বিরোধী এবং এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই কর্মীদের বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা অফিসের অঞ্চল ছেড়ে যেতে রাজি না হওয়ায় অফিসের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের অফিসের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। আমরা আপাতত ২৮ জন কর্মীকে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বরখাস্ত করেছি এবং পরবর্তী পর্যায়ের তদন্ত চলছে।