Drizzling rain is joining the cold stream

Drizzling rain is going to join with the cold current. According to the Meteorological Department, light rain may occur in one or two places in Khulna, Rangpur, Rajshahi, Mymensingh and Sylhet divisions on Saturday. However, there is no chance of rain in the capital and central districts of the country. The sky may be slightly cloudy at some places.

Meanwhile, the minimum temperature of the capital has dropped further today on Friday. However, the intensity of winter was less due to sunshine during the day. Cold current has swept across 11 districts and Rangpur and Rajshahi divisions of the country. Along with this, there was fog from morning to afternoon across the riverside areas and the north and north-western parts of the country. As a result, night traffic on waterways and highways becomes a problem.

Meteorologist Omar Farooq of the Department of Meteorology told Al-Ale, the clouds in the sky of the coastal districts of the country may rain in some places. After the clouds and rains leave, the temperature will drop from Monday and there may be another round of cold wave across the country. The cold spell can last for four to five days.

According to the observations of the Meteorological Department, the lowest temperature in the country today was 8 degrees Celsius in Dinajpur. Apart from this, cold current is flowing across Faridpur, Madaripur, Comilla, Manikganj, Feni, Chuadanga, Jessore, Moulvibazar, Kushtia, Barisal and Bhola and Rangpur and Rajshahi divisions. The cold front may move away from some areas of these districts on Saturday. Night and day temperatures may rise there.




Herbal teas that are useful to keep healthy in winter

Many types of physical complications occur in winter. During this time, many people suffer from stomach problems, starting from colds and coughs. Three types of herbal tea can be consumed to get rid of these problems. These teas are useful for detoxifying the body, removing hair and skin problems.

How to make herbal tea

1. Take water in a bowl. Soak it overnight with ginger slices and joan. Heat it in the morning. Mix tea leaves with it. Now strain it and mix it well with lemon juice. If you drink this tea hot, you will get benefits.

2. Make tea with cinnamon, cloves and green tea. Take water in a bowl. Now when it starts boiling add cinnamon and cloves. When it boils, strain it. Now dip the green tea bag in it. Drinking this tea every day will bring benefits.

3. You can make amlaki and ginger tea. For this you will need ginger powder (1 teaspoon), amlaki powder (1 teaspoon), salt as much, honey (1 teaspoon). Take water in a container. When the water is hot, add ginger and amlaki powder. Add little salt. Boil well. Now take it down and mix honey. You can drink this tea every day.




Will not pay electricity bill unless price reduced: Bulu

Criticizing the increase in electricity prices, BNP Vice Chairman Barkat Ullah Bulu said, "The electricity price increase must be withdrawn. Otherwise, the electricity bills will be stopped along with the people. I will not pay the electricity bills."

He made these remarks at a human chain organized in front of the National Press Club on Friday. The Democratic Forum organized the human chain to protest against the property attachment order against BNP acting chairman Tarique Rahman and his wife Dr. Zubaida Rahman.
Referring to the confiscation of the deposit of the boat candidate in the Rangpur city election, Bulu said, "The people of Bangladesh do not want to see vote thieves anymore. If the election is fair, the Awami League will not get even 30 seats. That is why people are trying to divert their attention by filing cases."

Addressing the Awami League, Bulu said, "In 2018, you were illegally in power by voting during the day and at night. Today, you are riding on the back of a tiger. There is a way to get off the tiger's back. Apologize for the indecency you have done to Khaleda Zia, the injustice you have done to her family, and create a political situation in Bangladesh. Resign and hand over power to the caretaker government and arrange for a free, impartial and fair election in the country. Protect the sovereignty of the country's independence."

BNP executive committee member Abu Naser Muhammad Rahmatullah and many others spoke at the human chain, chaired by the organization's convener Khalilur Rahman VP Ibrahim.




UGC will not have Nidhiram Sardar!

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি দেশের উচ্চশিক্ষা দেখভালের দায়িত্বে থাকলেও সংস্থাটির হাতে বিচারিক ক্ষমতা অর্থাৎ শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা নেই বললেই চলে। তাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে আইনগত ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করেছে ইউজিসির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। বর্তমানে ইউজিসি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনিয়ম তদন্ত করা ও তাদের কার্যক্রমের তদারকি করতে পারে। অবস্থার আলোকে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করে এবং সে আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া না নেওয়ার এখতিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। অর্থাৎ ইউজিসির ভূমিকা আমরা দেখছি অনেকটা ঢাল-তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দারের মতো।

প্রথম কথা হলো, ইউজিসি কেন বিচারিক ক্ষমতা চায়। যদি এমন হয়, কোনো বিষয়ে সুপারিশ করার পরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, সেখানে ইউজিসির হাতে থাকলেও সংস্থাটি সে ব্যবস্থা নিতে পারবে কিনা। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিতে না পারলে ইউজিসিও যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে- এমনটি ভাবার কারণ নেই। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে যারা রয়েছে স্বাভাবিকভাবেই তারা ক্ষমতাবান এবং সাধারণত তারা ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ হয়ে থাকে। ফলে সেখানে অনেকক্ষেত্রে ইউজিসি কিংবা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অসহায়। এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যারা জড়িত তারাও কম শক্তিশালী নয়। ফলে সেখানেও সবসময় ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সর্বোচ্চ ১২ বছরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু আমরা দেখছি, প্রতিষ্ঠার ২০-২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও স্থায়ী ক্যাম্পাসে যায়নি। স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য তাদের ইউজিসির পক্ষ থেকে বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও অনেকেই তা বাস্তবায়ন করেনি। অনেকেই আবার দূরে নামকাওয়াস্তে ক্যাম্পাস বানিয়ে রাজধানীতেই শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইউজিসির পক্ষ থেকে হয় স্থায়ী ক্যাম্পাস, না হয় শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ- এমন বার্তা দেওয়ার পরও নিয়ম মানছে না অনেকেই। এরপরও কিন্তু তাদের শিক্ষা কার্যক্রম দিব্যি চলছে। এখনও অন্তত একডজন বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যায়নি। ইউজিসি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়- কেউই এদের নিয়ন্তণে আনতে পারেনি।

সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, অতিরিক্ত ছাত্র ভর্তি, সনদ বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম ঠেকাতে আইনি ব্যবস্থা অবশ্যই থাকা জরুরি। বিদ্যমান ব্যবস্থায় এর এখতিয়ার মূলত শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের হাতে। ইউজিসি কোনো বিষয়ে সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠালে, দেখা যায়, সেখানে বিষয়টি আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়ে যায়। ফলে অনিয়ম থেকেই যাচ্ছে। সেদিক থেকে ইউজিসির হাতে ক্ষমতা থাকলে সংস্থাটি ত্বরিত যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। ইউজিসির জন্য এটি সহজ এ কারণে বিষয়টির তত্ত্বাবধানে সরাসরি সংস্থাটিই করেছে। কোনো বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সিদ্ধান্তের সুপারিশ করলে তারা আবার তদন্তে গেলে অযথা সময় নষ্ট হবে।

শুক্রবার সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, কেবল বিচারিক ক্ষমতাই নয় উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে উপাচার্য নিয়োগে নীতিমালা প্রণয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স ও সময়ের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা, অভ্যন্তরীণ র‌্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করাসহ ইউজিসি ১৭টি সুপারিশ করেছে। সময়ের আলোকে এগুলো নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এগুলো বাস্তবায়ন তখনই হতে পারে, যখন দেশে উচ্চশিক্ষার মূল সংকট দূর হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সংকট এখন সর্বগ্রাসী দলীয়করণ। যার প্রভাব পড়ছে শিক্ষক নিয়োগ কিংবা উপাচার্য নিয়োগে।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দলীয়করণ দূর না হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে ক্ষমতা থাকা আর ইউজিসির হাতে ক্ষমতা থাকার মধ্যে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য নেই। এ ক্ষেত্রে রাজনীতিকদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া সংকট থেকে বিশ্ববিদ্যালয় যেমন বের হতে পারবে না তেমনি উচ্চশিক্ষার সংকটও কাটবে বলে মনে হয় না।




Ganga Bilas begins the journey on the world's longest sea route

বিশাল প্রমোদতরী ‘গঙ্গা বিলাস’। এর আলো ঝলমলে অন্দরমহল যেন পাঁচ তারকা হোটেল। নানা আনন্দ আয়োজন রাখা হয়েছে এর ভেতরে। ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানসী থেকে যাত্রা শুরু করেছে এটি। বাংলাদেশের নদীপথ দিয়ে পৌঁছাবে আসামে। প্রমোদতরীটি বিশ্বের দীর্ঘতম নৌপথ ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে। এ যাত্রায় সময় নেবে ৫১ দিন। এরমধ্যে বাংলাদেশে অবস্থান করবে ১৫ দিন। যাত্রাপথে পড়বে অন্তত ৫০টি ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য তাৎপর্যময় স্থান। এগুলো ঘুরে দেখবেন এতে আরোহী পর্যটকরা।

‘গঙ্গা বিলাস’ নামকরণকে যথার্থই বলতে হবে। কারণ, এতে আরোহণ বিলাসই বটে। এ জাহাজে ভ্রমণে প্রতিদিন মাথা পিছু ভাড়া গুনতে হবে ২৫ থেকে ৫০ হাজার রুপি। ৫১ দিনের ভ্রমণে নূন্যতম খরচ পড়বে ১২ লাখ ৫০ হাজার রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
শুক্রবার বারানসীতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রমোদতরী এমভি গঙ্গা বিলাস উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় ভারতের কেন্দ্রীয় নৌ পরিবহনমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী যাত্রায় প্রমোদতরীতে যাত্রী হিসেবে আছেন সুইজারল্যান্ডের ৩২ জন ও এক জার্মান পর্যটক। এ ছাড়া সাতজন ক্রু রয়েছেন।

গঙ্গা বিলাসের দৈর্ঘ্য ৬২ দশমিক ৫ মিটার; প্রস্থ ১২ দশমিক ৮ মিটার। এতে আছে এলইডি টেলিভিশন, স্মোক ডিটেক্টর লাইফ জ্যাকেট, ফ্রেঞ্চ ব্যালকনি, ৪০ আসন বিশিষ্ট রেস্তোর, স্পা, সানডেক ইত্যাদি। রয়েছে ময়লা পানি পরিশোধনের ব্যবস্থাও। এ পরিশোধন পল্গ্যান্ট নদী থেকে পানি তুলে তা পর্যটকদের জন্য গোসল ও অন্য কাজের উপযোগী করবে। ভ্রমণকালে বিনোদনের জন্য থাকবে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। এ ছাড়া ফিটনেস ঠিক রাখতে জিমের ব্যবস্থাও রয়েছে।

প্রমোদতরীটি বারানসি থেকে বিহার-কলকাতা ছুঁয়ে বাংলাদেশ হয়ে আসামের ডিব্রুগড় পর্যন্ত যাবে। এর মধ্যে এটি বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার নদীপথ অতিক্রম করবে। ভ্রমণকালে ২৭টি নদীর পানিতে ভাসবে গঙ্গা বিলাস। তবে সুন্দরবন ডেল্টা, গঙ্গা আরতি, আসমের মায়ংয়ের কালো জাদু এবং কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানের মতো অন্তত ৫০টি স্থানে থাকবে।

বারানসীর রামনগর বন্দরের সন্ত রামদাস ঘাট থেকে তরীটি যাত্রা শুরুর পর বিহারের গাজীপুর-বপার-ছাপরা-পাটনা-মুঙ্গের-বৌদ্ধগয়া-নালন্দা, ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা-মুর্শিদাবাদ হয়ে কলকাতায় পৌঁছবে। একদিন বিরতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অংশের নামখানা-সজনেখালি হয়ে তা সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করবে। পরে মংলা বন্দর-বাগেরহাট-মোড়েলগঞ্জ-বরিশাল-সোনারগাঁও হয়ে ফেব্‌রুয়ারি মাসে ঢাকায় পৌঁছবে। এরপর আরিচা-টাংগাইল-সিরাজগঞ্জ-চিলমারী-আসামের ধুবরি-গোয়ালপাড়া হয়ে ফেব্‌রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে গোয়াহাটিতে পৌঁছবে। পরে ফেব্‌রুয়ারির শেষ দিকে মাজুলী আইল্যান্ড পৌঁছবে। ১ মার্চ আসামের ডিব্রুগড়ে গিয়ে যাত্রা শেষ করবে। বিশ্বের এ দীর্ঘতম নৌরুটেই প্রমোদতরীটি যাতায়াত করবে।

তরীটি উদ্বোধনের পর নরেন্দ্র মোদি বলেন, গঙ্গায় বিশ্বের দীর্ঘতম প্রমোদতরী পরিষেবার সূচনা যুগান্তকারী মুহূর্ত। এ প্রকল্প ভারতের পর্যটন মানচিত্রে নতুন যুগের সূচনা করবে। গঙ্গা বিলাসের যাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যা কল্পনা করবেন, এমন সবকিছুই ভারতে আছে। শুধু তাই নয়, আপনাদের কল্পনার বাইরেও অনেক কিছু এখানে আছে।

প্রমোদতরীর পরিচালক রাজ সিং জানান, তিনতলা জাহাজটিকে সাজিয়ে তুলতে খরচ হয়েছে ৬৮ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি)।

গঙ্গা বিলাস নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বনন্দ সোনোয়াল বলেন, গঙ্গা বিলাসের যাত্রা বিদেশি পর্যটকদের কাছে ভারত ও বাংলাদেশের ইতিহাস-সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতাকে বুঝতে সহায়তা করবে।

ভারতের সরকারি ও বেসরকারি যৌথ ব্যবস্থাপনা মডেলের (পিপি মডেল) ওপর ভিত্তি করি পরিচালিত হবে বারাণসী-বাংলাদেশ-ডিব্রুগড় রুটের এ প্রমোদতরী। এজন্য ভারত সরকার ‘ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া’র দুই জনপ্রিয় ক্রুজ সংস্থা অন্তরা লাপারি রিভার এবং জেএম বপী রিভার ক্রুজের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে। যাত্রার জন্য টিকিট বুক করা যাবে বেসরকারি দুই সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে। তবে লম্বা সময় এবং অর্থ হাতে না থাকল সম্পূর্ণ ট্রিপ বুকিং ছাড়া কেবল সমুদ্রের আমেজ উপভোগ করতে বারাণসী থেকে কলকাতা বা কলকাতা থেকে ডিব্রুগড়ের প্যাকেজও বুক করা যাবে।




Accused of killing husband and running away, wife arrested

দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মিরসরাই থানার মিঠাছড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নারীর নাম রুমি আক্তার (২৫)। তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া থানার বাজারপাড়া গ্রামের মৃত মো. তাজুর মেয়ে।

র‌্যাব জানায়, দেড়বছর আগে একই এলাকার মো. রিদুয়ানের সঙ্গে রুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন রুমি। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তার কলহ লেগে থাকতো। গত ২৮ আগস্ট একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হন রুমি। গত ১৭ অক্টোবর জামিনে বেরিয়ে আসেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর আবারও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ হয়। এর জেরে গত ২৭ ডিসেম্বর রাতে স্বামী রিদুয়ানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে কম্বল দিয়ে ঢেকে রেখে ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পরদিন রিদুয়ানের পরিবারের সদস্যরা থাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় রিদুয়ানের ভাই বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-৭ সিনিয়র সহকারী পরিচালক নূরুল আবছার বলেন, ‘মামলার একমাত্র আসামি রুমি আক্তারকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা ও ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে র‌্যাব। নজরদারির একপর্যায়ে র‌্যাব জানতে পারে আসামি মিঠাছড়া এলাকায় একটা বাসায় অবস্থান করছেন। অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তাকে পেকুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’




Alsemi does not leave in the winter? Foods to eat to increase energy

More or less everyone needs to get out of bed in winter. Starting from taking a bath, some of them get Alsemi for other tasks as well. Certain foods can relieve this condition.

There are certain foods that can give instant energy during winters. These foods work to boost energy throughout the winter. For example-

Almonds: Almonds can be a very good option in winter. If you are hungry and need energy, you can eat nuts. Almonds, walnuts and pistachios are usually easily available in every home. The omega three fatty acids and protein present in it help to increase energy.

Dates Milkshake : Vitamins in dates, natural sugars like glucose, sucrose and fructose help provide energy.

Seasonal Fruits: Along with green vegetables, there are many fruits that should be included in the diet during winter. Orange, strawberry, guava, grape are notable among them.

Eggs: Eating one egg every day during winters can be beneficial. Eggs contain protein as well as vitamin D. These ingredients can provide instant energy.

Sweet potato: Sweet potato is a nutrient-dense food. 100 grams of sweet potato has 90 calories and 24 grams of healthy carbohydrates.

Fenugreek: Eating fenugreek in winter is very beneficial. You can make methi bake with methi seeds, flour, nuts and some spices. This mixture will help increase energy.




Samsung's profits decline

Fears of inflation and recession have led to a decline in the sale of technology products worldwide. This has reduced the demand for products and also reduced the income of manufacturers. According to the latest published figures, the profit of South Korean technology giant Samsung has declined. The company made its lowest profit in the last three months of last year in the last eight years. The global recession has reduced the purchase of daily necessities by ordinary people. This is affecting electronics products. Due to low demand, the profit figures of many technology giants have decreased. Samsung's record profit has decreased in the last three months of last year (October-December). During this time, the company's profit fell by 69 percent, which is the lowest in the last 8 years. In its forecast, Samsung said that its operating profit in the last three months of the outgoing year fell by about $ 3.4 billion.




Bangladeshi injured in BSF firing on border

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বড়ছড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বুরুংগাছড়া গ্রামের সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তি বুরুংগাছড়া গ্রামের মো. রাশেদ মিয়ার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন।

জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে তাহিরপুরের উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বুরুংগাছড়া গ্রামের বাসিন্দা হনুফা বেগম সীমান্তের শূন্যরেখা বরাবর পাহাড়ি ছড়ায় গোসল করতে যান। এ নিয়ে বড়ছড়া বিওপির বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে হনুফা বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে বিএসএফের টহলরত এক সদস্য এসে উপস্থিত হন এবং তিনি মহিলাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এ ঘটনায় গ্রামের বাসিন্দারা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। বিএসএফের সদস্যরাও বাংলাদেশি নাগরিকদের ধাওয়া করেন। পরে বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের ৫০ গজ ভেতরে এসে তিন রাউন্ড ছড়া গুলি ছোড়ে। এতে বুরুংগাছড়া গ্রামের মো. রাশেদ মিয়ার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেনের শরীরে গুলি লাগে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আহত হনুফা বেগমকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ-২৮ বিজিবির পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান (পিবিজিএম) জানান, গুলিবিদ্ধ আহত ব্যক্তিকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে তাৎক্ষণিক বড়ছড়া শুল্ক্ক স্টেশনের জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন টেকেরঘাট কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাফর আহমদ ও ভারতের বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন শিলং ১৯৩ ব্যাটালিয়নের বড়ছড়া বিএসএফের বড়ছড়া কোম্পানি কমান্ডার দিলীপ সিং। দুই দেশের মধ্যে ১৫ মিনিটব্যাপী পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে ঘটনার বিষয়টি বিএসএফ প্রথমে অস্বীকার করে। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে ঘটনা ও আহতদের ছবি দেখালে বিএসএফের পক্ষে থেকে বলা হয় ঘটনা ঘটতেও পারে। তবে আগামীকাল (শনিবার) ঘটনাস্থল বিএসএফ পরিদর্শন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

অপর দিকে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (তাহিরপুর সার্কেল) মো. সাহিদুর রহমান, তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন প্রমুখ।




'Hundred Poets Around the World for Love' published

The cover of the book 'Hundred Poets Around the World for Love' has been unveiled. The book's cover unveiling and publication festival of this collection, which contains poems by 100 poets, was held at the Biswa Sahitya Kendra on Bangla Motorway in the capital on Monday afternoon.

Poet Joy Goswami, poet and professor Tapodhir Bhattacharya, founder of the World Literature Center Abdullah Abu Sayeed, poet Kamal Chowdhury, and poet and professor Shamim Reza were present as guests at the event, moderated by poet Shakira Parveen Suma.

The program was presided over by poet Shamim Shahan, editor of 'Granthi'. After Shamim Shahan's welcome speech, poet Shahed Kayes delivered a welcome speech at the program.

The collection has been edited by poet Shamim Shahan, editor of 'Granthi'. In his speech, Shamim Shahan said that this is not just a collection of poems, but a bond of love between 100 poets from different countries of the world.

He said that after long-term planning and online discussions with numerous poets from different languages, this collection of poems by 100 poets is being published.

The event was attended by renowned poets, writers and novelists of the country as invited guests. Poet Farid Kabir, novelist Zakir Talukder, poet and editor Jewel Mazhar, poet Asad Mannan, poet Mohammad Sadiq, photographer Nasir Ali Mamun, poet Kumar Chakraborty, novelist Prashant Mridha, novelist Rajib Noor, poet Mujib Mehedi, poet Zafar Ahmed Rashed, poet Ayesha Jharna, poet Monika Chakraborty, poet Junan Nasheed, poet Amir Khasru Swapan, poet Suman Faruk, poet Moniruzzaman Mintu, poet Altaf Shahnewaz, folk culture expert and writer Suman Kumar Das and many others were present at the event.

Also present at the unveiling ceremony were Indian poets Bibhas Roy Chowdhury, Gautam Guhray, Nikhilesh Roy, Banani Chakraborty, Shamim Ahmed, and others. After the unveiling of the collection, the guests delivered their speeches.

Incidentally, on June 27 last year, the British journal of South Asian literature, philosophy and sociology launched a Facebook live series titled 'Hundred Poets Around the World for Love'. Renowned poets from more than 25 countries around the world participated in this 20-episode series.