As the class will run in Madhyamik

Dhaka: In view of the implementation of 2-day holidays in educational institutions, the Directorate of Secondary and Higher Education has prepared a revised schedule for 5 days, adjusting the 6-day class activities.

The Directorate of Secondary and Higher Education (DSHHE) announced the new class schedule on Wednesday (August 31). According to the revised schedule, there will be 7 classes per day for classes 6-10 from Sunday to Thursday.

It said that a two-day weekly holiday on Friday and Saturday has already been implemented in all educational institutions in the country. The existing timetable of educational institutions for classes VI to XII has been revised to ensure that there is no learning deficit for students and to keep the subject structure of the curriculum intact.
Grades 6 to 10: A total of 35 class activities (periods) will be conducted every week, 7 days a week, from Sunday to Thursday.

The duration of class activities in a single-shift institution is 6 hours and 10 minutes, including a daily assembly of 15 minutes and a break of 30 minutes.

Class XI and XII: Each class activity will be 50 minutes long. For Bangla, English and 3 branch-based elective subjects, 5 class activities (periods) will be conducted per week and for Information and Communication Technology, 3 class activities (periods) will be conducted. That is, a total of 2 (25 + 3) class activities will be conducted per week. 5 class activities (periods) will be conducted for optional subjects.




This is the time of our language

বায়ান্ন সালের পর থেকে আমাদের সকল আন্দোলন, সমস্ত কিছুর সঙ্গে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা জড়িত হয়ে গেছে- তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যে কোনো আন্দোলনই মরে যায়। একটা সময় পরে তার আবেদন বা প্রাসঙ্গিকতা আর থাকে না। এ প্রসঙ্গে বলা যায় ফ্রেঞ্চ রেভ্যুলুশনের কথা। এত বড় প্রভাবশালী ঘটনা, অথচ এখন হয়তো সেই দিনটি পালিত হয় কি হয় না, তার ঠিক নেই।

আমাদের জাতিটা বড্ড বেশি বাক্যবাগীশ। সমাজ যে বদলাচ্ছে; সেই বদলের সঙ্গে আমাদের একুশের আন্দোলন-চেতনার যে সমন্বয় করা দরকার, পরিবর্তনটা দরকার- তা আর কেউ ভাবে না। কারণ ভাবলে অনেক কাজ করতে হবে। আমাদের সারাটা দেশ গরিব; মানুষ নিরক্ষর, মানুষের মনে কিছু নেই; কিছু মধ্যবিত্ত যুবক আছে, কিছু কাগজ ও টিভি চ্যানেল আছে। আর একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের কিছু কমিটি আছে। তাই দিয়েই কিছু আয়োজন হয়। কিন্তু যদি বলি, শ্বাসে এবং মূলে আমাদের সমাজের ভেতরে একুশ কি ঢুকেছে? উত্তর না-ই আসবে।

সাতচল্লিশের পর থেকে এখন পর্যন্ত, জনসাধারণ যেখানে ছিল সেখানেই থেকে গেল। আর আমরা আশা করতে থাকলাম, জনসাধারণ একুশের চেতনায় জাগ্রত আছে- তাই কি হয়! আপনি গ্রামের মধ্যে নানান রকমের এটা-ওটা ব্যবসা, এনজিও ঢুকিয়ে দেবেন। তাহলে সেই গ্রামটা কি আর কোনোদিন প্রকৃতির সেই শুদ্ধ সাঁওতাল গ্রাম থাকবে! থাকবে না। প্রত্যেক বছরেই একবার এই যে আমাদের একুশের চেতনা, আমাদের ভাষা আন্দোলন আমাদের গৌরব বলে ঢাক-ঢোল পেটানো হয়; এই ‘আমাদের’ বলতে আসলে কাদের বোঝানো হয়? এই ‘আমাদের’টা আসলে কারা? ‘আমাদের’ শব্দ একটা অত্যন্ত অস্পষ্ট শব্দ। এই শব্দটি দিয়ে বহু কিছু এড়িয়ে যাওয়া যায়।
একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে আমাদের সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখলে মনে হয়, আমরা বিপরীত মেরুতে চলে এসেছি। একুশের চেতনার ঠিক উল্টো জায়গাটিতে এসে আমরা পৌঁছেছি। আমরা টেবিলের এপারে ছিলাম, টেবিলের ওপারে গিয়েছি- এর বেশি কিছু আসলে হয়নি। এরপর হয়তো এসবও হবে না। কিংবা গ্রামদেশে এখন এসবের কিছুই নেই। কেন থাকবে! থাকার কোনো কারণও নেই। একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা মানুষের মধ্যে কাজ যে করবে, সেটা কীভাবে? আজকে প্রায় সত্তর বছর পর কাজ করেছে, তবেই না আগামীতে করবে। তা না হলে মানুষ পিছু হটবে কীভাবে? মানুষ আসলে কেমন করে পিছু হটে?

এ সবকিছু নিয়ে একটা গোলমেলে সাংস্কৃতিক অবস্থা বিরাজ করছে। এর সঙ্গে অর্থনীতির কোনো সাযুজ্য নেই, শিক্ষার কোনো মিল নেই। এসবের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করার প্রথম দায়িত্ব আমরা যারা রাষ্ট্র চালাই, তাদের। তাই বাস্তবতার এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে গ্লানি বা হতাশা ছাড়া আর কিছু নেই। আমি কোনো আশার আলো দেখছি না। কারণ এখানে যা কাজ আছে, যা কাজ হচ্ছে, তাতে কোনো রকম পরিকল্পনা নেই চেতনা সংক্রান্ত। চেতনা আছে শুধু কিছু বুলি আউড়ানো আর টকশোর আস্ম্ফালনে। তবু কিচ্ছু হবে না- এ কথা আমার নয়।

একটা দেশের সংস্কৃতিকে উন্নত করতে না চাইলে এবং চাইলে- দু’ক্ষেত্রেই প্রথম কাজ হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষার অবস্থা ভালো আছে কি মন্দ- এ প্রশ্ন অনেক দিন ধরেই পড়ে আছে। আমাদের উচ্চশিক্ষার বাস্তব কার্যকারিতাও সবার কাছে অনিশ্চিত। একটা মানুষ এত পড়াশোনা করে কী করবে, আদৌ কী করার আছে এ ব্যাপারে; শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারে না। কেউ যদি আমাকে বলে যে, এত হতাশাবাদী হচ্ছো কেন? আমি বলব, আরে বাবা, হতাশাবাদী হবো না কেন!

সবার জন্য একমুখী শিক্ষা মুখে মুখে বলছি। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার, ইংলিশ মিডিয়ামের স্কুলগুলোতে বাংলা বইগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করে পড়ানো হয়। বলা হচ্ছে, সবাইকে একই সিলেবাস পড়তে হবে। এ দেশের বড়লোক, এ দেশের ধান্ধাবাজ, এ দেশের আমলারা দেশটাকে বিদেশিদের বাজার বানাবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। এদের মধ্যে সৃষ্টি বলে কিছু নেই। তারা লুটপাটে ব্যস্ত। আমরা তাদের মনঃতুষ্টির একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলছি। রাষ্ট্রটি যে সাধারণ মানুষের নয়- তা ঢাকা শহরের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।

ভাষা নিয়ে আমরা কী করেছি? আমরা মুখে মুখে অনেক কথা বলেছি। কিন্তু ভাষা নিয়ে কাজের কাজ কিছুই করতে পারিনি। যেমন কিছুটা স্ববিরোধী ভঙ্গিতেই আমি বলব, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাকে মাধ্যম করাটাই ভুল হয়েছে। এ কথা বললে লোকে আমাকে দেশদ্রোহী বলবে। বাংলাকে মাধ্যম করার আগে বোঝা দরকার ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা কী পড়াই। দর্শন এবং ইতিহাস পড়তে গিয়ে একজন বাংলায় যে বইগুলো পড়ে, তা কি পাঠযোগ্য? বাংলায় দর্শনের ওপরে কোনো ভালো বই নেই। একজন ছাত্র যখন বাংলা বইয়ের মাধ্যমে দর্শনকে বোঝার চেষ্টা করে তখন সেটা অর্থহীন হয়ে পড়ে। সে ইংরেজি না জানার কারণে দর্শন ভালো করে বোঝে না অথবা অপরদিকে অগোছালো বাংলায় দর্শনকে ভুলভাবে বোঝে। বাংলায় ফিলসফির কোনো বই পড়া যায়? কিন্তু এর মানে এই নয় যে, বাংলায় দর্শনচর্চা সম্ভব নয় বা বাংলায় বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব নয়। যত্ন নিয়ে, শ্রম দিয়ে এসবই সম্ভব। আমরা এই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব। বাংলা ভাষা অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি ভাষা। আমি মুষ্টিমেয় পণ্ডিতের ওপর অনাস্থা আনতে পারি, কিন্তু বাংলাভাষী কোটি কোটি মানুষের ভাষার ওপর আমার আস্থা গভীর।

বলা হয়েছিল, দেশের মানুষের শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে দেবে, খাজনাহীন জমি করে দেবে। কিন্তু খাজনাহীন জমি তো দূরে থাক, খাসজমি- সেগুলো যেভাবে ছিল সেভাবেই পড়ে রইল ৫০ বছর ধরে। কী হবে আমাদের এখানে ভাষা চেতনা, কী হবে আমাদের এখানে আদিবাসীদের সমস্যা? এসবের কিছুই ঠিক করা হয়নি এখনও। আর করলে যে ঢাকার নিজেদেরই চলবে না। এটা হচ্ছে, at the cost of one class। তার মানে ব্যাপারটা দাঁড়াচ্ছে- : the hole country has become the country of few.

তবু বলি যে, বাংলাদেশে অন্ততপক্ষে ৩৪ কোটি হাত তো আছে। তাকে যদি প্রকৃত অর্থে কাজে লাগানো হয়, তাহলে আমাদের জন্য অসম্ভব তো কিছুই নয়। কিন্তু সেই সম্ভবটাকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে যে সংস্কারগুলো দরকার, সেগুলো তো করতে হবে। সব হতাশার পরেও আমি মনে করি, ৩৪ কোটি হাত আছে। এমনকি কোনোদিন ঘটবেই না যে, এই হাতগুলো যখন যা করা দরকার তা করে ফেলবে; যে করছে না তাকে ছুড়ে ফেলে দেবে! নিশ্চয়ই করবে।
লেখক
কথাশিল্পী, শিক্ষাবিদ




Relations with India must be on the basis of equality: Kalyan Party

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি বলেছে, ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব হতে হবে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে। সেখানে ভারতের কথিত দাদাগিরির অবসান ঘটাতে হবে। বৃহস্পতিবার মহাখালীর ডিওএইচএসে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির এ কথা বলেন।

দলটি বলেছে, ভারত শুধু নিতে চায়; দিতে চায় না। বস্তুতপক্ষে তারা চায় একতরফা সম্পর্ক। এভাবে কোনো সম্পর্কও হয় না বা বন্ধুত্বও হয় না। সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম উপস্থিত ছিলেন।

ভারত-বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সম্পর্ক নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আদান-প্রদানই মূল কথা। কিন্তু ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা সেটা দেখতে পাই না। এ ক্ষেত্রে একতরফা ভালোবাসা দেখতে পাই।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে বন্ধুত্বের নামে অমানবিক বন্ধুত্ব মেনে নিতে বাংলাদেশের মানুষকে বাধ্য করার চেষ্টা করছে ভারত। বিনিময়ে ভারত সরকার এ দেশে রাতের ভোটের অবৈধ সরকারকে ক্রমান্বয়ে অধিকতর শক্তিশালী হতে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বাইরে কল্যাণ পার্টি কোনো নির্বাচনে যাবে না। বর্তমান সরকারের অধীনে তো নয়ই। তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা আত্মহত্যার শামিল।

সংবাদ সম্মেলনে ২০ দলীয় জোটের কয়েকটি শরিক দলসহ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যানের সামরিক উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) কামাল আহমেদ, উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, ড. বদরুল আলম সিদ্দিকী, ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদ খান, কমডোর আরিফ মাহমুদ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) শেখ মিজহাজ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




The new committee of Subarnachar Samiti in Dhaka

ঢাকায় বসবাসরত নোয়াখালীর সুবর্ণচরের বাসিন্দাদের সংগঠন ‘সুবর্ণচর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, ঢাকা’র নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাধারণ সভায় এ কমিটি ঘোষণা করেন সাবেক সচিব এ টি এম আতাউর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম।

নতুন কমিটিতে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনকে সভাপতি ও নাজমুল ইসলাম প্যামেলকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যরা হলেন- সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কবির রতন, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন বাবর, দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল মাওলা, প্রচার সম্পাদক জাহিদুর রহমান, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, প্রকাশনা সম্পাদক মো. আলী আকবর, সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক মো. আরিফ বিল্লাহ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ফিরোজ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফখরুল বিন খালেক, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. শহীদ এলাহী, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. আব্দুল গোফরান মোস্তান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হেলাল উদ্দিন, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. তারিক উল্লাহ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল আহাদ রুবেল, আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আবুল বাশার, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াদুদ রিয়াজ, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. তানজীদ হোসেন, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা বেগম পলি।




Charge sheet against photojournalist Kajol

The case filed under the Hazaribagh Thana Digital Security Act of the capital is a case filed against photojournalist Shafiqul Islam Kajol, the Metropolitan Police has issued a charge sheet against the Metropolitan Police. Submit

On Saturday, the concerned court official confirmed the poison.

Osman Ara Beli, a member of the Central Committee of Jubo Mahila League, filed a case on March 10, 2020. Shafiqul Islam Kajal was ‘disappeared’ from his house in Chawkbazar in the capital on March 11 last year.

After 53 days of the disappearance, he arrested Shafikul Islam Kajol, a photojournalist and editor of the daily party from Sadipur, a field on the Indian border in Benapole, Jessore.




One lakh more families are getting ready houses in Mujib Barsha

In the second phase of the Mujib Year, the government will provide homes to 50,000 families and 50,000 families in June.

The information will be given to the meeting of the Prime Minister's office on Thursday to advance the construction process.

Prime Minister's Office Secretary Tofazzal Hossain Mita presided over the meeting of Land Secretary Mostafizur Rahman, Disaster Management and Relief Secretary Md. Ashratan-2 Project Director of Mohsin and Prime Minister's Office, Mahbub Hossain, along with Project Director of the Prime Minister's Office Senior officials of the Prime Minister's Office were present, with each department commissioner, Deputy Commissioner and Field Administration officials joined through video conference.

The secretary of the Prime Minister's Office Tofazzal Hossain Mita instructed the field administration officials to complete the construction of 50,000 new houses in the second phase by April 7. He said that according to the instructions of the Prime Minister, 10000 rupees will be collected for this 50,000 houses. These houses are expected to be inaugurated by April 15. And the next 50,000 houses can be inaugurated in July.

In the first phase, the quality of the house construction program was appreciated, he said, this quality of work should be maintained and no unrest will be tolerated in this case.

To the officials involved in the DVO conference, Tofazzal Hossain Mita said, "Identifying more beneficiaries and sending proposals to build new houses in the next 7 days should be included in the proposal to send the proposal to the small ethnic group and the third gender should be included in the importance of the local public representatives."

Mahbub Hossain, project director of the Prime Minister's Asshratan-2 project, said that there have been some minor changes in the design of the house under construction. The Prime Minister's instructions have been budgeted Tk 20,000 per house. In the first phase, the cost of transport for each house was 1 lakh 75 thousand taka. This time it has been increased from 1 lakh 95 thousand to 1 lakh 97 thousand taka.

‘Not a single person will be homeless in Bangladesh during the Mujib Year’ - these houses are being given to the landless and homeless families with the aim of realizing the Prime Minister's announcement.