Nobipravi celebrates Shaheed Sheikh Russel's 59th birthday and Sheikh Russel Day
Md. Badiuzzaman (Tuhin), Noakhali Correspondent:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন ও ‘শেখ রাসেল দিবস’ পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে কেক কাটা, আলোচনা অনুষ্ঠান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী ও কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানসমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম।
এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস। মাত্র ১১ বছর বয়সেই নিভে যায় শেখ রাসেলের জীবনপ্রদীপ। তিঁনি বেঁচে থাকলে আমরা অনেক বড় একজন নেতা পেতাম। শিশু রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে খুনিরা জাতির পিতার রক্তের উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল।
কিন্তু তাদের সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এই দিনে আমি শহীদ শেখ রাসেলের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। একই সাথে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’।
ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক বিপ্লব মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ও জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, রেজিস্ট্রার (অ.দা) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনসহ নোবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদসমূহের ডিন, ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।