Shocked Shocked in Lebanon, Shockul killed, Day laborer father waiting for his child's body

সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় শফিকুল ইসলামের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শুরু হয় শোকের মাতম।নিহত শফিকুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাবা-মা, স্ত্রী ও সন্তানদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। পাড়া-প্রতিবেশীরাও এসে ভিড় করছেন শোকাতুর ওই বাড়িতে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহতের বাবা দিনমজুর আফসার আলী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘পরিবারে সুখ ফেরাতে এনজিও আর মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। মাত্র দুই মাস হলো সে গেছে। এখন ঋণের টাকা শোধ করা তো দূরের কথা, ছেলের লাশটা কীভাবে পাব তা জানি না।’ তিনি সরকারের কাছে ছেলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
শফিকুল ইসলাম ছিলেন তার বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। বাড়িতে তার অসুস্থ মা আজেয়া খাতুন, স্ত্রী রুমা খাতুন এবং দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে তামান্না আকতার মৌ স্থানীয় ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে তন্বী আকতার বৃষ্টি বুধহাটা কাউছানিয়া মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। বাবার মৃত্যুতে দুই মেয়ের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

নিহতের স্ত্রী রুমা খাতুন স্বামীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি এতিম দুই মেয়ের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তামান্না আকতারের কলেজের অধ্যক্ষ মোবাশ্বের হক জ্যোতি বলেন, ‘শফিকুল একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা ছিলেন। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গিয়ে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। একজন নাগরিক হিসেবে তার মরদেহ রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে দেশে আনা এবং তাঁর অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব।’