hormuz traffic in the way Permission required: Iran

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে হলে সব জাহাজকে আগে অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

বুধবার (১১ মার্চ) ইরানের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল বা তাদের মিত্রদের মালিকানাধীন কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করলে সেটি হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ পার হতে দেবে না।

এরই মধ্যে বুধবার হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়।

যুক্তরাজ্যের সমুদ্র নিরাপত্তা কেন্দ্র জানিয়েছে, ওমানের উত্তরে হরমুজ প্রণালিতে একটি কার্গো জাহাজে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত করলে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলের কাছেও একটি বাল্ক ক্যারিয়ার ও একটি কনটেইনার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

থাইল্যান্ডের নৌবাহিনী জানিয়েছে, ‘ময়ুরি নামে’ নামে একটি বাল্ক ক্যারিয়ার হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়। জাহাজটিতে থাকা ২৩ নাবিকের মধ্যে ২০ জনকে উদ্ধার করেছে ওমানের নৌবাহিনী। বাকি তিনজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বর্তমানে থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী ও লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী—মোট দুটি জাহাজ আটকা পড়ে আছে।

আইআরজিসির দাবি, থামার সতর্কতা উপেক্ষা করায় থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আর লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এক্সপ্রেস রোম’ নামের জাহাজটি ইসরাইলের মালিকানাধীন।

এর আগে মঙ্গলবার পেন্টাগন জানিয়েছিল, ইরানের ১৬টি মাইন পাতা জাহাজ ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে বুধবারও হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সুফান সেন্টারের মতে, ইরানের কাছে ২ হাজার থেকে ৬ হাজার পর্যন্ত নৌ-মাইন থাকতে পারে, যা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করার জন্য যথেষ্ট।