ব্রিটেনে নেতৃত্ব সংকট গভীরতর: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, স্থিতিশীলতা এখন বড় চ্যালেঞ্জ

বিবিসি: ব্রিটিশ রাজনীতির গল্পটা বলা যায় কয়েকটি সংখ্যা দিয়ে। মাত্র সাত বছরে পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী, কেউই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেননি। একই সময়ে সাতজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ছয়জন অর্থমন্ত্রী ও চারজন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বদলেছেন। ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, রিশি সুনাক, এখন কিয়ার স্টারমার। ডাউনিং স্ট্রিটে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বাসিন্দা হয়তো এখন বিড়াল ল্যারি। এই চিত্রটাই বলে দিচ্ছে, ব্রিটেনে নেতৃত্বের সংকট কতটা গভীর।
সোশ্যাল মিডিয়া ও এমপিদের বিদ্রোহ, নেতৃত্বকে দুর্বল করছে নতুন বাস্তবতা
ইনস্টিটিউট ফর গভর্নমেন্টের প্রধান নির্বাহী হানাহ হোয়াইট মনে করেন, ব্রিটেন অশাসনযোগ্য নয়, কিন্তু একের পর এক সংকটের মুখে রাজনৈতিক দলগুলো দুর্বল নেতৃত্ব উপহার দিয়েছে। ইউকে ইন অ্যা চেঞ্জিং ইউরোপের অধ্যাপক অ্যানান্ড মেনন বলছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও সেটাকে কাজে লাগাতে না পারা নেতৃত্বের ব্যর্থতা, কাঠামোগত সমস্যা নয়।
সোশ্যাল মিডিয়াও পরিস্থিতি জটিল করেছে। সাবেক পরামর্শক থিও বার্ট্রাম বলছেন, দেশের সমস্যাগুলো ঠিক করতে ১০ বছর লাগে, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ বছর নেই। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দিনের মধ্যে বিদ্রোহ সংগঠিত হয়ে যায়। স্টিভ বেকার লিখেছেন, মন্ত্রী ও হুইপরা যখন পৌঁছান, সোশ্যাল মিডিয়া তখন আলোচনা শেষ করে ফেলেছে।